| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওডিসিয়াস
আমি একজন আমজনতা। তবে খাসজনতার কার্যকলাপের প্রতি আমি বিশেষ আগ্রহ প্রদর্শন করে থাকি। আইন নিয়ে আমার কারবার। ভাষার প্রতি রয়েছে আমার বিশেষ দূর্বলতা। টেকনোলজির প্রতি আগ্রহি। আর Social Networking এবং Blogging তো আছেই।
পাকিস্তানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ গোয়াদার সমুদ্রবন্দর পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি সই করবে ইসলামাবাদ ও বেইজিং। এ চুক্তি অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে এ বন্দরের পরিচালনা চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আমেরিকা ও ভারত এর আগে এ অঞ্চলে চীনের উপস্থিতির কঠোর বিরোধিতা করেছে এবং এ চুক্তি সইকে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির জন্য মারাত্মক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের আসন্ন বেইজিং সফরকালে পাকিস্তান ও চীন বন্দরটির পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি সই করবে। চীন বন্দরটি লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে পরিচালনা করবে বলে এর আগে দু'দেশ আলোচনার মাধ্যমে সম্মত হয়েছে।
পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে দেশটির কেন্দ্রীয় বন্দর ও জাহাজ চলাচলমন্ত্রী কামরান মাইকেল বলেন, গোয়াদার বন্দর পরিচালনা সংক্রান্ত খসড়া চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। আগামী ৪ জুলাই পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বেইজিং সফরের সময় এ বিষয়ে আলাপ হবে।
পাকিস্তানের বিগত সরকার ২০১২ সালে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা চু্ক্তি সই করেছে তবে চূড়ান্ত চুক্তি এখনো সই হয়নি বলে জানান তিনি। বন্দরটির মালিক থাকবে পাকিস্তান সরকার কিন্তু এটাকে লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে চীন পরিচালনা করবে
গোয়াদার বন্দরটি নির্মাণ করেছে চীনের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এর আগে এ বন্দর নিয়ন্ত্রণের ভার পোর্ট অব সিঙ্গাপুর অথরিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু পোর্ট অব সিঙ্গাপুর অথরিটি (পিসএসএ) পরে তা চীনা কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল। পিএসএ'র নিয়ন্ত্রণে থাকার সময় এটি বাণিজ্যিক জাহাজ আকর্ষণে তেমন সফল হয়নি।
চীন এ বন্দর পরিচালনার খাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করবে এবং পাকিস্তানকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে কামরান মাইকেল জানান।
©somewhere in net ltd.