| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওডিসিয়াস
আমি একজন আমজনতা। তবে খাসজনতার কার্যকলাপের প্রতি আমি বিশেষ আগ্রহ প্রদর্শন করে থাকি। আইন নিয়ে আমার কারবার। ভাষার প্রতি রয়েছে আমার বিশেষ দূর্বলতা। টেকনোলজির প্রতি আগ্রহি। আর Social Networking এবং Blogging তো আছেই।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনে আনা সংশোধনী বৈধ বলে মত দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। তিনি বলেছেন, ১৯৭৩ সালের আইনটি সুরক্ষিত আইন। সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে আইনটিকে সুরক্ষাও দেওয়া হয়েছে। তাই ওই সংশোধনী বৈধ ও বর্তমান আপিলে প্রযোজ্য।
গতকাল রোববার অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের আইনি সহায়তাকারী) হিসেবে আপিল বিভাগে এ মত তুলে ধরেন আজমালুল হোসেন। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ শুনানি গ্রহণ করেন।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিকালে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন ওঠায় ২০ জুন আপিল বিভাগ এ বিষয়ে মতামত দিতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাত আইনজীবীর নাম ঘোষণা করেন। দুটি প্রশ্ন হলো—দণ্ড ঘোষণার পর আইনে আনা সংশোধনী কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না। অপরটি হলো, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইন প্রযোজ্য হবে কি না।
অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ইতিমধ্যে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রফিক-উল হক, এম আমীর-উল ইসলাম ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম মত দিয়েছেন। গতকাল আজমালুল হোসেন কিউসি বক্তব্য উপস্থাপন শেষ করেন। তাঁকে সহায়তা করেন আইনজীবী এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান। পরে অপর অ্যামিকাস কিউরি রোকনউদ্দিন মাহমুদ বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও কাদের মোল্লার পক্ষে আবদুর রাজ্জাক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে দুটিতে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ এবং তিনটিতে ১৫ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন। অন্য একটি অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। কিন্তু কাদের মোল্লার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আকস্মিকভাবে শাহবাগে তরুণদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ শুরু হয়। গড়ে ওঠে গণজাগরণ মঞ্চ। এরপর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সমান সুযোগ রেখে ১৭ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধন) বিল, ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
©somewhere in net ltd.