নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুজিব থেকে সজীব ........‼️

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৪



প্রায়ই অমুক তমুক অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ,হাভার্ডে পড়েছে বলে হাইপ তোলা হয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে... ভাবখানা দেখানো হয় এমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ কখনো আসেনি। অথচ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠে সংগ্রামের পর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কেউ হার্ভার্ডে বা কেমব্রিজে গিয়েছে এই আলাপ কখনো শুনবেন না। কারণ এই রাজনীতিতে একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ব্যতিক্রম আছে , তার নাম সজীব ওয়াজেদ। বাকি যাদের নাম আসে জয়ের সাথে তাদের দৌড় সর্বোচ্চ ইন্টার পাস।

জয় হার্ভার্ডের প্রখ্যাত কেনেডি স্কুল থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে... যে স্কুল দুনিয়াজোড়া বিখ্যাত পাবলিক পলিসি মেকিংয়ের জন্য। আপনি খুব এক্সেপশনাল ট্যালেন্ট না হলে এখান থেকে অফার ও পাবেন না, এসব স্কুল থেকে অফার পেতে শুধু টাকা থাকলেই হয়না। হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে আপনি কয়েক কোটি টাকা দিয়েও পড়তে পারবেন না যদি না যোগ্যতা থাকে। শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে আক্ষেপ করে বলতেন তিনি তার ছেলে মেয়েকে পড়াশুনার জন্য টাকা পয়সা দিতে পারেননি,পার্ট টাইম করে তারা তাদের পড়াশুনার খরচ চালাতো।উপমহাদেশের অন্যতম সেরা পরমাণু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার সন্তান হয়ে ও জয় বেশ সংগ্রামের জীবন যাপন করেছেন বিদেশে ।

সজীব ওয়াজেদ জয় শুধু মাস্টার্স করেননি হাভার্ডে, ব্যাচেলর করেছেন কাম্পিউটার সায়েন্সে যুক্তরাস্ট্রের আরলিংটনের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস এবং ভারতের টেক হাব বেঙ্গালুরু ইউনিভার্সিটি থেকে। এই যে মেরিটোক্রেসির রাজনীতির কথা বলেন এখানে সজিব ওয়াজেদ জয়ের আশেপাশে কে আছে বাংলাদেশে? দেশে তো পাবেন ই না, ভারতীয় উপমহাদেশে হাতে গোণা কয়েকজন পাবেন।

আজকের যে ডিজটাল বাংলাদেশ তার স্বপ্নদ্রষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়,ঘরে ঘরে স্বল্পমূল্যে ভিভাইস, ইন্টারনেট এত সহজলভ্য, সবই পলিসিমেকার কাম প্রকৌশলী সজিব ওয়াজেদ জয়ের মস্তিষ্ক প্রসূত। ২০০১-২০০৮ পর্যন্ত ইন্টারনেট কতটা দুর্লভ ছিল, ডিভাইস কত দামী ছিল আপনারা ভালো করেই জানেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সবকিছু সহজলভ্য করে জয়ের পরিকল্পনায়। এই যে ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় 'দিন বদলের সনদ 'এর অনেক কিছুই জয়ের মস্তিষ্ক প্রসূত। এসবের জন্য কখনো ক্রেডিট নেননি জয়। আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন ১৫ বছরে তিনি অনেকটা নীরবে নিভৃতে থেকেছেন, দলীয় রাজনীতিতে কিংবা সরকারেও কোন হস্তক্ষেপের কথা ঐভাবে শোনা যায় না।

তার রাজনীতি করার হয়ত ইচ্ছে ছিল না ,কারণ সজীব ওয়াজেদ জয়ের পুরো শৈশব ট্র্মার মধ্য দিয়ে গিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭১ ধানমন্ডি ৩২ এ জন্ম জয়ের, সুফিয়া কামালের 'একাত্তরের ডায়েরি' দিনলিপিতে উল্লেখ আছে " সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের সময়কালে শেখ হাসিনার সংগ্রাম এবং বঙ্গমাতার সংগ্রামের দুর্বিষহ কাহিনী, পুরো নয়টা মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়েছে।"

এরপর এলো পঁচাত্তর , একবার অস্ট্রিয়া এবং একবার জার্মানি হয়ে ভারত পৌঁছান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানাকে গুপ্তহত্যার জন্য ঘাতক লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল... সজীব ওয়াজেদ জয় ,পুতুল এসময়টা ফেরারী জীবন পার করেছেন। পরবর্তীতে ৫ টা বছর তো শেখ হাসিনার পরিবার ভারতে নাম পরিচয় গোপন করে ছিল... জয় পুতুলের শৈশব পুরোটাই রাজনৈতিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যায়। এই অবস্থার মধ্যে শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে জয় এবং পুতুল দুজনকে ভারতে বোর্ডিং স্কুলে রেখেই দেশে ফিরেন... ওখানেও মায়ের স্নেহ মমতা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। জয়ের শৈশব কোনভাবেই সুখকর ছিল না।

এরপর ধীরে ধীরে বেঙ্গালুরু ইউনিভার্সিটি কিংবা টেক্সাস হয়ে হাভার্ডে পৌঁছান সজীব ওয়াজেদ জয়.. শেখ হাসিনা যখন প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন তখনো ছাত্র ছিলেন জয় ,চাইলেই অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কিন্তু রাজনীতির আশেপাশেও পা মাড়াননি, হার্ভার্ডে গিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির তারেক রহমান সে সময় থেকে বিএনপি নিয়ন্ত্রণ করে, ১০% হারে কমিশন বাণিজ্য করতো, হওয়া ভবন থেকে চালাতো।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলে আপনি হাভার্ড, অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ যাই ক্র্যাক করেননা কেন ,লাভ নাই প্রতিপক্ষ এমন ভাবে প্রোপাগান্ডা চালাবে বলতে আপনার কেমব্রিজ পাশ ডিগ্রির ভ্যালু ও আপনার ডিগ্রীর হাড়িভাঙ্গা কলেজের সমান দাম নেই। কিন্তু আপনি বিএনপি জামাত করলে আপনি হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ে হাভার্ডের ভাব নিতে পারবেন, ডাক্তার না ডাক্তার নামের পাশে লিখতে পারবেন, PhD না করে ডক্টর টাইটেল ব্যাবহার করতে পারবেন, অধ্যাপক না হয়ে ভুয়া অধ্যাপক পদবি ব্যাবহার করতে পারবেন। কেউ কোন প্রশ্ন তুলবে না।

সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতি থেকে সবসময় নিরাপদে দুরত্বে থাকতেন , এমনকি ২০০৯-২০২৪ এ ও ছিলেন। হ্যাঁ মাঝে মধ্যে আওয়ামী লীগের ওয়েব টিমকে নির্দেশনা দিতেন এতটুকুই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল তার। এর বাইরে কি হচ্ছে না হচ্ছে এগুলো নিয়ে কথা বলতেন না কখনো, আগ্রহ ও ছিল না। আগ্রহ না থাকার কারণ সম্ভবত ছোট বেলা থেকে যে রাজনৈতিক কারণে ট্রমা বহন করে চলেছেন তিনি সেটা এড়াতে।

৫ আগস্টের পর ভূয়া অনেক রিপোর্ট হয়েছে তার নামে দুর্নীতির , সেটার কোথাও কেউ প্রমাণ দিতে পারেনি। আল জাজিরার সাথে তো সাক্ষাৎকারে সাংবাদিককে তো প্রকাশ্যে দোর্দন্ড প্রতাপে বলেছেন ই আপনি আমার বাড়িতে আমার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, এই বাড়ির বাইরে আমার কোন সম্পত্তি নেই ,মার্কিন সরকার ও আমার বিষয়ে তদন্ত করেছে কিছু পায়নি।

সময়ের বিবর্তনে ৫ আগস্টের পর সজিব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাল ধরেন... প্রথম দিকে অপরিপক্ব শব্দচয়নে কয়েকটি সাক্ষাৎকার দিলেও বর্তমানে সময়ের ব্যবধানে তিনি দূর্দান্ত বক্তব্য রাখেন , সাক্ষাৎকার দেন। আল জাজিরার সাক্ষাৎকারে জয়ের শব্দ চয়ন, বুদ্ধিতিপ্ত উত্তর ,কাউন্টার প্রশ্ন করে সাংবাদিককে বেকায়দায় ফেলে দেওয়ায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ছাপ স্পষ্ট। হয়ত সময়ের পরিক্রমায় তিনি দলের ও হাল ধরবেন।

আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আওয়ামী লীগ হেভিওয়েট ব্যাকগ্রাউন্ডের সজিব ওয়াজেদ জয়কে ভালো ভাবে ব্র্যান্ডিং করতে পারেনি।
জয়ের জন্ম, বেড়ে উঠা, পড়াশুনা, কিংবা পলিসি মেকিং এর বিস্ময়কর ইম্প্যাক্ট ও প্রচারনা করেনি কখনো। কিছু অথর্ব ব্যক্তি দিয়ে গৎবাঁধা তৈলাক্ত চাটুকারিতা দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কিংবা সক্ষমতা আড়াল করে রাখা হয়েছে। আর সজীব ওয়াজেদ জয় ও আম জনতার সাথে মিশেননি, এটা তার রাজনীতির দুর্বলতা ,সবসময় এলিট সোসাইটির সাথে উঠাবসা করেছেন।

কিন্তু ৫ আগস্টের পর সজিব ওয়াজেদ জয় নিজের স্বহিমায় ভাস্বর... পরিস্থিতি এমন তিনি রাজনীতি না করতে চাইলেও ও দেশের ৫০% মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে রাজনীতি করতে হবে... দুঃসময়ে তিনি যে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করে যাচ্ছেন সেটি প্রশংসনীয়, তবে সেটি আরো ভালো হতে পারতো।

হ্যাঁ সজিব ওয়াজেদ জয়ের রাজনীতি এখনো শুরু হয়নি, অনেক দূর যেতে হবে,দেশে ফিরতে হবে অতি দ্রুত, পথে প্রান্তরে বাংলার আম জনতার সাথে মিশতে হবে... কর্মীদের সাথে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলতে হবে অনুপ্রেরণা দিতে হবে... দেশে ফিরে দল এবং দেশের হাল ধরতে হবে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের আগেই সজীব ওয়াজেদ এর নাম রাখা হয় জয়.. তিনি হার মানার পাত্র নয়... হয়ত রাজনীতি না করতে চাওয়া ছেলেটি দেশের ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।

রূপসা থেকে পাথুরিয়া ,টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সমস্বরে স্লোগান ধরবে... সজীব ওয়াজেদ জয়ের পথে পথ ধরো সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়...

একদিন পত্রিকার শিরোনাম হবে " হার্ভার্ড গ্রাজুয়েট জয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ".... শেখ হাসিনা আরেকবার তার ছেলেকে নিয়ে গর্বিত হবেন... আবার বাংলাদেশ হাসবে... সেদিন বেশি দূরে নয়।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সজীব ওয়াজেদ জয় শুধু মাস্টার্স করেননি হাভার্ডে,
..............................................................................
আমাদের দেশের রাজনৈতিক ধারায় বেশী জ্ঞানী লোক ভাত
পায়না । যেমন :
ড: কামাল হোসেন ( আমি যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি ),
কর্নেল ওসমানী ( উনি ও শ্রদ্ধার পাত্র ),
সৈয়দ তাজউদ্দিন ( উনি ও শ্রদ্ধার পাত্র ),
তাহলে বলুন আমাদের রাজনীতির মাঠ কি সজ্জন ব্যক্তিদের সম্মান দিয়েছে ?
উল্টো দেশীয় গুগুলি খেয়ে উল্টে পড়বে ।

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সজীব ওয়াজেদ জয় আইসিটি সেকটর থেকে গত ১৫ বছরে হিউজ মাল পানি কামিয়েছে। জয়ের যে কথাটি আপনাদের মনে রাখা উচিত তা হলো শেখ হাসিনার chapter close বাংলাদেশে ।

৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২২

কলাবাগান১ বলেছেন: সৈয়দ কুতুব এর মত লোকদের বাংলাদেশের জন্ম এর নেত্বত্ত দেওয়া দলের চ্যাপটার ক্লোজ করার কথা বলেন, তখন ঘোড়াও হাসে...। আর যারা জন্মের বিরুধিতা করল, তাদের কে তিনি..........

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৯

ক্লোন রাফা বলেছেন: সৈ.কু-এর পোস্টে তাঁর নিজের কোনো কথা নেই “শিরোনাম ছাড়া “ সংবাদমাধ্যমের খবর প্রচার করাই তার মূল কাজ!

৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কলাবাগান@জয় নিজের মুখে বলেছে শেখ হাসিনা আর দলের প্রধান থাকবেন না । আওয়ামী লীগের কথা বলেনি।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: শেখ হাসিনা বাংলাদেশের এবং আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আগামী আরো দশ বছরের জন্য অপরিহার্য। কোনো পদে থাকুক বা না থাকুক, শেখ হাসিনাই নেতৃত্বে থাকবে প্রত‍্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে। এটাই বাস্তবতা।

৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০২

কলাবাগান১ বলেছেন: সৈয়দ কুতুব রা আমেরিকার ট্যাক্স সিস্টেম এর কিছুই জানেন না..।এরা এত শক্তিশালী যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে আমাদের মত সাধারন পাবলিকদের টাকা পয়সা লুকিয়ে রেখে ট্যাক্স না দেওয়ার কোন উপায় নাই..। মাটির নিছে থেকে খুড়ে হলেই আপনার ধন সম্পদ এর হিসাব তাদের কম্পিউটারে মজুদ আছে..। ফাকি দেওয়ার কোন উপায় নাই.......
জয় নাকি আইটি থেকে 'মালপানি' কামিয়েছে, তো সেই টাকা কি সে বিছানারা নিচে লুকিয়ে রেখেছে??? আমেরিকার ট্যাক্স এর লোকদের চেয়ে সে শক্তিশালী??? অফশোর ব্যাংকিং এ লুকিয়ে রেখেছে??? ৪ বার লিক হয়েছে কাদের কাদের একাউন্ট আছে সেখানে...।একবারও হাসিনার পরিবার এর কারো নাম দেখলাম না
আজ ইরান এর শান্তি তে নোবেল বিজয়ী মাফ চেয়ে টুইটার করেছে যে আগে কেন সে ধর্ম ভিত্তিক শক্তিকে সাপোর্ট দিয়েছিল যারা তার দেশকে এখন মাটির নিচে নামিয়ে এনেছে....বাংগালীদের উচিত ধর্ম ভিত্তিক দলের শাসন এর আন্ডারে থাকা, তাহলে বুঝবে ইকনমিতে কত পেডিতে কত রাইস

৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কলাবাগান@জয় বাংলাদেশে কিভাবে আইসিটি সেক্টর থেকে টাকা মেরেছে উপদেষ্টা হিসাবে সেটা নিয়ে আপনি কিছুই জানেন না। সে একজন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ছিলো। তার বৈধ আয় সরকার থেকে কাগজ বানিয়ে দেখানো খুবই ইজি কাজ। আপনি প্রফেসর ইউনুসের ও একটাকা করাপশন কোনোদিন দেখাতে পারবেন না। ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.