| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
একজন মৃত শিশু তার মৃত মা’কে সাথে নিয়ে এসেছিলো জেলগেট ‼️পিতা সাদ্দাম জীবিত থেকেও যেতে পারেনি। আমাদের মানবিক শান্তির দুত শ্রেষ্ঠ সরকারের রাজত্বে।
আমরা ভুলে যাবো এক অসহায় পিতার করুন আর্তনাদ। আমরা ভুলে যাবো ছাত্রলীগ হোলেই অনায়াসে হত্যা করা জায়েজ। আমরা জানতাম না এই বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য যাদের অবদান যত বেশি। তার অধিকার এই দেশে তত অল্প। ২৬ হাজার ছাত্রলীগের রক্তে ভিজে আছে এই বাংলাদেশের মাটি। স্বাধীন বাংলার পতাকার রুপকার ছাত্রলীগ। এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্রলীগ । তাই এই স্বাধীন দেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ‼️
আসিফ নজরুল একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট ও ইউনূস সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি আইনের শিক্ষক। আসিফ নজরুল কাঁটাতারের ফেলানী হত্যা নিয়ে বিশাল বিশাল কলাম লিখেছেন।৭৪ এর দূর্ভিক্ষ ও বাসন্তি নাটক এগুলো বাঙালির রোজ খাবারের তালিকায় গালগপ্প হয়ে থাকে। কিন্তু একজন আইনের শাসক যখন মানবতা শব্দটিকে হত্যা করেন , তার সাথে কি হওয়া উচিত?
আজ বাংলাদেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে - সাদ্দামদের কেন স্ত্রী - সন্তানের জানাজা পড়ারও অনুমতি মেলে না। ৯ মাসের শিশু সেজাদ হাসান ( নিজাম )এর যখন জন্ম হয়েছে, তখন তার বাবা সাদ্দাম জেল খানায়। মিথ্যা মামলায় স্বামীর জেলে যাওয়ায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী সুবর্ণা।এমন অমানবিক রাষ্ট্র , প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি তার সংসার হুমকীর মুখে ফেলে দিয়েছে। মাত্র ৯ মাসের সেজাদ হাসানের নিথর মৃতদেহ আজ পুরো বাংলাদেশের জন্য একটা বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।৯ বছরের শিশুর মৃতদেহ যেন বলে উঠছে , " আমার বাবার অপরাধ কি শুধুই ছাত্রলীগ করা?
ছাত্রলীগ করা যদি অপরাধ হয় তবে বাংলাদেশের সংবিধান, আইন ও লাল সবুজের পতাকা সব অবৈধ ও নিষিদ্ধ।এই দেশ , এই সংবিধান ও এই লাল সবুজের পতাকা সব ছাত্রলীগের তৈরি।এই পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী ছাত্রলীগ তার বুকের রক্তে বাংলাদেশের নাম লিখেছে। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলে এই দেশের সরকার , রাষ্ট্র সব নিষিদ্ধ হয়ে যায়। ছাত্রলীগ যে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখেছে আজ সেই বাংলাদেশে ছাত্রলীগ রক্তাক্ত। নিঃশ্বাস নিতে পারছে না তাদের স্ত্রী , সন্তান , পিতা ও মাতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পিতা ছাত্রলীগ করেছে , আমরা তার উত্তরসূরী হয়ে " জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। আমাদের সন্তানরাও দেশ বাঁচাতে ছাত্রলীগ করবে। ছাত্রলীগের ইতিহাস ১৬ বছরের ইতিহাস নয় , ছাত্রলীগের ইতিহাস ৭৮ বছরের সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের দাদারাও ছাত্রলীগ আমাদের নাতিরাও ছাত্রলীগ করবে। জেলে ভরে , হত্যা করে , নিঃশ্বাস বন্ধ করে ছাত্রলীগকে দাবায়ে রাখা যাবে না। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের মুক্তির সনদ তৈরি করে। ইউনূস মুক্তির সনদ ছাত্রলীগ রচিত করবে ।আজ ছাত্রলীগের উপর যে অবিচার/ অন্যায় হচ্ছে , আগামীকাল তাই হবে বাংলাদেশের স্বর্ণালী ইতিহাস।রক্ত দেওয়া প্রতিটি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশ যতদিন আছে ততদিন ছাত্রলীগ থাকবে। তার পাশেই ঘৃণা দিয়ে লেখা হবে ইউনুস, আসিফ নজরুল ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীরের নাম। ইউনূসের মবের বাংলাদেশে দম বন্ধ হয়ে আসছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের।
গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের অনেকেই প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়েছেন।এইবার ইউনূসের নষ্ট রাজনীতির শিকার হলো সাদ্দামের মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেন। নষ্ট রাজনীতির ছোবলে প্রাণ গেল সাদ্দামের স্ত্রী মাত্র ২২ বছরের সুবর্ণার । গলায় ফাঁস দিতে বাধ্য হয়েছেন সুবর্ণা।একটা অমানবিক রাষ্ট্রের নষ্ট রাজনীতির কাছে নিঃশ্বাস নিতে বড় কষ্ট হচ্ছিল সুবর্ণা ও তার মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেনের। এমনভাবে বাংলাদেশের ভেতরে নিরবে কাঁদছে লক্ষ লক্ষ পরিবার।
২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ইউনূস রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর থেকে রোজ এমন অমানবিক রাজনীতির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ। ছাত্রলীগ করার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাত খাইয়ে তফাজ্জলকে হত্যা করা হয়। সন্তানের ওষুধ নিতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে।তার ঠিক ৫ দিন আগেই বাবা হয়েছিলেন মাসুদ। মাত্র ৫ দিনের শিশু মাসুমা হারালো তার পিতা। সন্তানের পিতা হয়ে মাত্র ৫ দিন আগেই মাসুদ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন , " আলহামদুলিল্লাহ" । আর ঠিক তার পাঁচ দিন পর তার পাঁচদিন বয়সী কন্যাকে পড়তে হলো ইন্নালিল্লাহ।এমন বাংলাদেশ কি চেয়েছিলেন আপনারা ?
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে লাইভ ভিডিও করে সমগ্র বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের সামনে হত্যা করলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। মৃত্যুর সময় পানি পর্যন্ত খেতে দেয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র শামীম মোল্লা হয়ে বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির এক রক্তাক্ত ইতিহাস।
যে জয় বাংলা দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে , আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই জয় বাংলা লেখার অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ রানা তপু ও রায়হানকে নৃশংসভাবে কু/পি/য়ে হত্যা করা হয়েছে। ইউনূস ও আসিফ নজরুলের মগের মুল্লুকের বাংলাদেশে সবকিছুই সম্ভব। নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন - তপু ও রায়হানের কি অপরাধ ছিলো?
২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় " আই কান্ট ব্রিদ" সারা বিশ্বের বিবেক নাড়িয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের অনেকেই তখন ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন , " জনগণ বাতাস চান , ট্রাম্প বুলেট দিচ্ছেন। তথা ট্রাম্প খুবই খারাপ মানুষ। ইউনূস , আসিফ নজরুল ও এনসিপির নাহিদ দের নষ্ট রাজনীতির শিকার হয়ে ২০২৫ সালের ১৭ ই জুলাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম দীপ্ত সাহাকে সেনাবাহিনী বুটের তলায় পা দিয়ে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বুটের তলায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া দীপ্ত সাহা বারবার বলছিলো , " আই কান্ট ব্রিদ ( আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪
ক্লোন রাফা বলেছেন:
পোষ্টের অবশিষ্ট -
নিঃশ্বাস না নিতে পারার কথা শুনে,
কারোই তেমন বিবেক নাড়া দেয়নি। রমজানকে ছাত্রলীগ করার অপরাধে ইউনূসের সেনাবাহিনী বুলেট দিলো, হত্যা করলো। কিন্তু আপনি কে একবারও বলেছিলেন , ইউনূস খারাপ! বাংলাদেশের জনগণ নিঃশ্বাস নিতে চাইলেই ইউনূস ক্ষমতার গদি টিকিয়ে রাখতে বুলেট উপহার দিচ্ছে। ইউনূস নামক এই দানবের হাত থেকে এই বাংলাদেশ কবে মুক্তি পাবে ?
সিরাজগঞ্জে এনায়েতপুর থানায় গর্ভবতী নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ৪৫০ টা থানার অস্ত্র লুট করে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে তাদের প্রধান হচ্ছেন ইউনূস। এই ইউনূস ক্ষমতা দখল করেই মানবিকতা শব্দটি যাদুঘরে পাঠিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা করলেন আসিফ নজরুলকে।
একটি অবৈধ নির্বাচনের জন্য অপারেশন ডেভিল হান্টের নামে হাজার হাজার নিরাপরাধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জেলে ভরে দিয়েছেন ইউনূস ও আসিফ নজরুল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন অমানবিক সরকার অন্যায় ও অমানবিকতার এক নৃশংস দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ।
বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম ছাত্রলীগ করার অপরাধে আজ ১১ মাস কারাগারে বন্দি। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জেলে থাকলে সে সংসারে অশান্তি নেমে আসে। মাত্র ৯ মাসের শিশু পুত্রকে নিয়ে আদালত ও জেলখানায় ছুটতে ছুটতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন সাদ্দামের স্ত্রী সুবর্ণা। রাষ্ট্রের এমন অমানবিক আচরণের প্রতি তীব্র ঘৃণা ছুড়ে দিয়ে নিজ সন্তান সহ আত্মহত্যা করেন সুবর্ণা।সুবর্ণা তার জীবন দিয়ে বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির ইতিহাসে আর একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন রেখে গেলো।
স্ত্রী ও সন্তান লাশ হয়ে দেখা করতে এসেছিল যশোর কারাগারে। যশোর কারাগারে তৈরি হলো মানব ইতিহাসের আরেকটি নৃশংসতম ইতিহাস।৯ মাসের সেজাদ হোসেনের আত্মা হয়তো পিতা সাদ্দামের সামনে দাঁড়িয়ে বলছিল -
এ কেমন নষ্ট রাজনীতি , এই কেমন অবিচার?
বাংলাদেশের আইনে আসামীর প্যারোলে মুক্তির বিধান থাকলেও সন্তান ও স্ত্রীর লাশ দেখতে পর্যন্ত প্যারালে মুক্তি দেয়া হলো না সাদ্দামকে। অথচ ১৯৭১ সালে এই ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মীর বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম বাংলাদেশ। এই ছাত্রলীগ করেছেন জাতির সূর্যসন্তান বঙ্গবন্ধু , তাজউদ্দীন , সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও ক্যাপ্টেন মনসুর আহমেদ। ছাত্রলীগের উপহার দেয়া স্বাধীন বাংলাদেশে আজ হাজার হাজার ছাত্রলীগের নেতাকর্মী চোখের জলে বলছে - এ তোমার কেমন অবিচার?
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে একদিন এই অমানবিক অপরাধের জন্য বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এদের কোন ক্ষমা নাই, হবে না। একজন মানুষ হয়ে , বাংলাদেশের একজন নাগরিক হয়ে এমন অমানবিক " জোর যার মুল্লুক তার" রাষ্ট্রশাসনকে আমি মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ক্ষমা করবো না।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর শুধুমাত্র নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে জামায়াত ও বিএনপি দল বেঁধে বাবা ও মায়ের সামনে ধর্ষণ করেছিলো তাদের আদরের মেয়ে ৮ ম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা শীলকে। সেদিন তাদের সন্ত্রাসের কাছে অসহায় বাবা আর্তনাদ করে বলেছিলেন,
" বাবা , আমার মেয়েট করে ছোট তোমরা একজন একজন করে আসো , ও মরে যাবে
২|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
বিষক্ষয়রিটার্নস বলেছেন: খুনি হাসিনা সকল গুম-খুন-ধর্ষনের দায় স্বীকার করে ক্ষুদি রামের মতো হাসতে হাসতে ফাসির মঞ্চে গেলেইতো সাধারন আওয়ামিদের দুরাবস্থার শেষ হয়
৩|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০১
নতুন বলেছেন: যদি তার প্যারল মুক্তির জন্য আবেদন করার পরেও না মন্জুর হয়ে থাকে সেটা অবশ্যই খুবই খারাপ হয়েছে। প্রশাসনের উচিত এই রকমের বিষয় গুলি মানবতা দৃস্টিকোন থেকে বিবেচনা করা।
প্রতিটা অন্যায় সময় মনে রাখে, সময় হলে সেটা সুদে আসলে ফিরে পায় সবাই।
যদি কোন কর্মকর্তা সাদ্দামের মৃত সন্তান, স্ত্রী দেখতে যাবার জন্য প্যারোলের বিষয়টা ইচ্চা করে আটকে রাখে তার জন্য কঠিন সাজার ব্যবস্থা করা উচিত।
আমি বিশ্বাস করতে চাই সময় মতন হয়তো তার আবেদন করা হয় নি। তাই হয়তো বিষয়টা এমন হয়েছে।
সমাজে মানবিকতা হারালে সমাজ টিকে থাবেনা।
৪|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কলাবাগান@রাজনীতি করলে জেল জুলুম হবেই। তাহলে পরিবার কে সংগঠন দেখবে না তো কে দেখবে? শিবির তো এভাবেই কাজ করে। তাই তাদের সাপোর্টাররা লয়াল।
ইন্টেরিম যা করছে সেটার ভালো মন্দ মানুষ দেখছে। আমার আবার নতুন করে বলার কিছু নেই।
৫|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
কলাবাগান১ বলেছেন: সংঘটন কি দেখার মত অবস্হায় আছে????
৬|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: খুব হৃদয়নিদারক ঘটনা।
প্রতিহিংসার রাজনীতি।
৭|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪২
আমি নই বলেছেন: সাদ্দামের মামা মো. হেমায়েত উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্যারোলের জন্য আমি প্রথমে ডিসি (বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক) অফিসে গেছিলাম। শুক্রবার অফিস তো বন্ধ ছিল। পরে আসরের নামাজের পর তাঁর বাংলোয় গেছিলাম। সেখানে আমি লিখিত আবেদন দেই। পরে জেল সুপারের সঙ্গে কথা বলে জানায়, “এটা এখানে আইনে কাভার করে না। ভাই, আমরা সরি।” আমি তখন বারবার চেষ্টা করলাম। তখন আমি বলি, কী করার? আমরা কি জেল সুপারের কাছে যাব? সেখান থেকে জানানো হয়, “বন্দী যদি বাগেরহাটে থাকতেন, তাহলে আমরা প্যারোলে মুক্তি দিতে পারতাম।” তারপর সন্ধ্যায় বাগেরহাটের জেল সুপারের কাছে যাই। তিনি বলেন, “দেখেন, সে আছে তো যশোরে। এটা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব না। লাস্ট একটা কাজ করতে পারেন, আপনারা মরদেহ নিয়ে যশোর কারাগারে গিয়ে দেখায় নিয়ে আসতে পারেন।” প্যারোলের জন্য আমাদের কেউ যশোরে আবেদনের বিষয়ে বলেনি।’
অর্থাৎ প্যারোলের জন্য যশোরে আবেদনই করা হয় নাই কিন্তু প্রচার হচ্ছে সরকার প্যারোল দেয় নাই। এর আগে অনেক লীগের নেতা/কর্মিরা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবা-মার জানাজা করেছেন, আমার মনে হয় যশোরে আবেদন করলে সাদ্দামও প্যারোলে মুক্তি পেত। যশোরে আবেদনের পরেও মুক্তি না দিলে সেটা হত ন্যাক্কারজনক, মানবতাবিরোধী একটা উদাহরন।
আপনার মনে আছে? সম্ভবত ওয়ারীতে যুবদল করা সন্তানকে বাসায় না পেয়ে বাবাকে হত্যা করেছিল লীগের সন্ত্রাসীরা, সেই ছেলে লাইভ টিভিতে বলেছিল বিএনপি করা যদি আমার দোষ হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ আওয়ালীগ করাও একদিন দোষ হবে। এরকম হাজারো অভিশাপ আপনাদের উপর আছে। সমস্যা হল আপনারা আপনাদের করা অন্যায়-অত্যাচারগুলো নিয়ে কথা বলেন না, নিজের ভুল সংশোধনের চেষ্টাও নাই, আপনারা নিজেদের এই রাষ্ট্রের মালিক মনে করেন, এগুলো সাধারন জনগনের জন্য চরম মাত্রায় আতংকের বিষয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪
কলাবাগান১ বলেছেন: আর সৈয়দ কুতুব এই ঘটনার জন্য শান্তি তে নোবেল প্রাপ্তের সরকার এর দায় মুক্তির জন্য কেন আওয়ামী লীগ তার সংসার এর দায়িত্ত্ব নিল না সেই প্রশ্ন তুলেন তখন জানতে ইচ্ছে করে জামাত-শিবির এর তান্ডব এর কারনে যেখানে জয়বাংলা পর্যন্ত্য বলা যাচ্ছে না, সেখানে দল ই তো নিজেই এখন 'ছিন্নভিন্ন'
উনারা বড় বড় জ্ঞানের কথা বলেন কিন্তু সবই যায় দেশের স্বাধীনতা বিরূধীদের পক্ষে.........