নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মৃত সন্তান মৃত মা’কে নিয়ে জেলগেটে,পিতার কাছে শেষ বিদায় নিতে ॥

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


একজন মৃত শিশু তার মৃত মা’কে সাথে নিয়ে এসেছিলো জেলগেট ‼️পিতা সাদ্দাম জীবিত থেকেও যেতে পারেনি। আমাদের মানবিক শান্তির দুত শ্রেষ্ঠ সরকারের রাজত্বে।
আমরা ভুলে যাবো এক অসহায় পিতার করুন আর্তনাদ। আমরা ভুলে যাবো ছাত্রলীগ হোলেই অনায়াসে হত্যা করা জায়েজ। আমরা জানতাম না এই বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য যাদের অবদান যত বেশি। তার অধিকার এই দেশে তত অল্প। ২৬ হাজার ছাত্রলীগের রক্তে ভিজে আছে এই বাংলাদেশের মাটি। স্বাধীন বাংলার পতাকার রুপকার ছাত্রলীগ। এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্রলীগ । তাই এই স্বাধীন দেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ‼️

আসিফ নজরুল একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট ও ইউনূস সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি আইনের শিক্ষক। আসিফ নজরুল কাঁটাতারের ফেলানী হত্যা নিয়ে বিশাল বিশাল কলাম লিখেছেন।৭৪ এর দূর্ভিক্ষ ও বাসন্তি নাটক এগুলো বাঙালির রোজ খাবারের তালিকায় গালগপ্প হয়ে থাকে। কিন্তু একজন আইনের শাসক যখন মানবতা শব্দটিকে হত্যা করেন , তার সাথে কি হওয়া উচিত?

আজ বাংলাদেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে - সাদ্দামদের কেন স্ত্রী - সন্তানের জানাজা পড়ারও অনুমতি মেলে না। ৯ মাসের শিশু সেজাদ হাসান ( নিজাম )এর যখন জন্ম হয়েছে, তখন তার বাবা সাদ্দাম জেল খানায়। মিথ্যা মামলায় স্বামীর জেলে যাওয়ায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী সুবর্ণা।এমন অমানবিক রাষ্ট্র , প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি তার সংসার হুমকীর মুখে ফেলে দিয়েছে। মাত্র ৯ মাসের সেজাদ হাসানের নিথর মৃতদেহ আজ পুরো বাংলাদেশের জন্য একটা বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।৯ বছরের শিশুর মৃতদেহ যেন বলে উঠছে , " আমার বাবার অপরাধ কি শুধুই ছাত্রলীগ করা?

ছাত্রলীগ করা যদি অপরাধ হয় তবে বাংলাদেশের সংবিধান, আইন ও লাল সবুজের পতাকা সব অবৈধ ও নিষিদ্ধ।এই দেশ , এই সংবিধান ও এই লাল সবুজের পতাকা সব ছাত্রলীগের তৈরি।এই পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী ছাত্রলীগ তার বুকের রক্তে বাংলাদেশের নাম লিখেছে। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলে এই দেশের সরকার , রাষ্ট্র সব নিষিদ্ধ হয়ে যায়। ছাত্রলীগ যে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখেছে আজ সেই বাংলাদেশে ছাত্রলীগ রক্তাক্ত। নিঃশ্বাস নিতে পারছে না তাদের স্ত্রী , সন্তান , পিতা ও মাতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পিতা ছাত্রলীগ করেছে , আমরা তার উত্তরসূরী হয়ে " জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। আমাদের সন্তানরাও দেশ বাঁচাতে ছাত্রলীগ করবে। ছাত্রলীগের ইতিহাস ১৬ বছরের ইতিহাস নয় , ছাত্রলীগের ইতিহাস ৭৮ বছরের সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের দাদারাও ছাত্রলীগ আমাদের নাতিরাও ছাত্রলীগ করবে। জেলে ভরে , হত্যা করে , নিঃশ্বাস বন্ধ করে ছাত্রলীগকে দাবায়ে রাখা যাবে না। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের মুক্তির সনদ তৈরি করে। ইউনূস মুক্তির সনদ ছাত্রলীগ রচিত করবে ।আজ ছাত্রলীগের উপর যে অবিচার/ অন্যায় হচ্ছে , আগামীকাল তাই হবে বাংলাদেশের স্বর্ণালী ইতিহাস।রক্ত দেওয়া প্রতিটি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশ যতদিন আছে ততদিন ছাত্রলীগ থাকবে। তার পাশেই ঘৃণা দিয়ে লেখা হবে ইউনুস, আসিফ নজরুল ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীরের নাম। ইউনূসের মবের বাংলাদেশে দম বন্ধ হয়ে আসছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের অনেকেই প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়েছেন।এইবার ইউনূসের নষ্ট রাজনীতির শিকার হলো সাদ্দামের মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেন। নষ্ট রাজনীতির ছোবলে প্রাণ গেল সাদ্দামের স্ত্রী মাত্র ২২ বছরের সুবর্ণার । গলায় ফাঁস দিতে বাধ্য হয়েছেন সুবর্ণা।একটা অমানবিক রাষ্ট্রের নষ্ট রাজনীতির কাছে নিঃশ্বাস নিতে বড় কষ্ট হচ্ছিল সুবর্ণা ও তার মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেনের। এমনভাবে বাংলাদেশের ভেতরে নিরবে কাঁদছে লক্ষ লক্ষ পরিবার।

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ইউনূস রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর থেকে রোজ এমন অমানবিক রাজনীতির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ। ছাত্রলীগ করার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাত খাইয়ে তফাজ্জলকে হত্যা করা হয়। সন্তানের ওষুধ নিতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে।তার ঠিক ৫ দিন আগেই বাবা হয়েছিলেন মাসুদ। মাত্র ৫ দিনের শিশু মাসুমা হারালো তার পিতা। সন্তানের পিতা হয়ে মাত্র ৫ দিন আগেই মাসুদ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন , " আলহামদুলিল্লাহ" । আর ঠিক তার পাঁচ দিন পর তার পাঁচদিন বয়সী কন্যাকে পড়তে হলো ইন্নালিল্লাহ।এমন বাংলাদেশ কি চেয়েছিলেন আপনারা ?

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে লাইভ ভিডিও করে সমগ্র বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের সামনে হত্যা করলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। মৃত্যুর সময় পানি পর্যন্ত খেতে দেয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র শামীম মোল্লা হয়ে বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির এক রক্তাক্ত ইতিহাস।
যে জয় বাংলা দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে , আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই জয় বাংলা লেখার অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ রানা তপু ও রায়হানকে নৃশংসভাবে কু/পি/য়ে হত্যা করা হয়েছে। ইউনূস ও আসিফ নজরুলের মগের মুল্লুকের বাংলাদেশে সবকিছুই সম্ভব। নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন - তপু ও রায়হানের কি অপরাধ ছিলো?

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় " আই কান্ট ব্রিদ" সারা বিশ্বের বিবেক নাড়িয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের অনেকেই তখন ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন , " জনগণ বাতাস চান , ট্রাম্প বুলেট দিচ্ছেন। তথা ট্রাম্প খুবই খারাপ মানুষ। ইউনূস , আসিফ নজরুল ও এনসিপির নাহিদ দের নষ্ট রাজনীতির শিকার হয়ে ২০২৫ সালের ১৭ ই জুলাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম দীপ্ত সাহাকে সেনাবাহিনী বুটের তলায় পা দিয়ে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বুটের তলায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া দীপ্ত সাহা বারবার বলছিলো , " আই কান্ট ব্রিদ ( আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না

নিচে প্রথম কমেন্টে পোস্টের বাকি অংশ-

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

কলাবাগান১ বলেছেন: আর সৈয়দ কুতুব এই ঘটনার জন্য শান্তি তে নোবেল প্রাপ্তের সরকার এর দায় মুক্তির জন্য কেন আওয়ামী লীগ তার সংসার এর দায়িত্ত্ব নিল না সেই প্রশ্ন তুলেন তখন জানতে ইচ্ছে করে জামাত-শিবির এর তান্ডব এর কারনে যেখানে জয়বাংলা পর্যন্ত্য বলা যাচ্ছে না, সেখানে দল ই তো নিজেই এখন 'ছিন্নভিন্ন'
উনারা বড় বড় জ্ঞানের কথা বলেন কিন্তু সবই যায় দেশের স্বাধীনতা বিরূধীদের পক্ষে.........

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪

ক্লোন রাফা বলেছেন:



পোষ্টের অবশিষ্ট -
নিঃশ্বাস না নিতে পারার কথা শুনে,
কারোই তেমন বিবেক নাড়া দেয়নি। রমজানকে ছাত্রলীগ করার অপরাধে ইউনূসের সেনাবাহিনী বুলেট দিলো, হত্যা করলো। কিন্তু আপনি কে একবারও বলেছিলেন , ইউনূস খারাপ! বাংলাদেশের জনগণ নিঃশ্বাস নিতে চাইলেই ইউনূস ক্ষমতার গদি টিকিয়ে রাখতে বুলেট উপহার দিচ্ছে। ইউনূস নামক এই দানবের হাত থেকে এই বাংলাদেশ কবে মুক্তি পাবে ?

সিরাজগঞ্জে এনায়েতপুর থানায় গর্ভবতী নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ৪৫০ টা থানার অস্ত্র লুট করে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে তাদের প্রধান হচ্ছেন ইউনূস। এই ইউনূস ক্ষমতা দখল করেই মানবিকতা শব্দটি যাদুঘরে পাঠিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা করলেন আসিফ নজরুলকে।
একটি অবৈধ নির্বাচনের জন্য অপারেশন ডেভিল হান্টের নামে হাজার হাজার নিরাপরাধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জেলে ভরে দিয়েছেন ইউনূস ও আসিফ নজরুল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন অমানবিক সরকার অন্যায় ও অমানবিকতার এক নৃশংস দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ।

বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম ছাত্রলীগ করার অপরাধে আজ ১১ মাস কারাগারে বন্দি। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জেলে থাকলে সে সংসারে অশান্তি নেমে আসে। মাত্র ৯ মাসের শিশু পুত্রকে নিয়ে আদালত ও জেলখানায় ছুটতে ছুটতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন সাদ্দামের স্ত্রী সুবর্ণা। রাষ্ট্রের এমন অমানবিক আচরণের প্রতি তীব্র ঘৃণা ছুড়ে দিয়ে নিজ সন্তান সহ আত্মহত্যা করেন সুবর্ণা।সুবর্ণা তার জীবন দিয়ে বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির ইতিহাসে আর একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন রেখে গেলো।
স্ত্রী ও সন্তান লাশ হয়ে দেখা করতে এসেছিল যশোর কারাগারে। যশোর কারাগারে তৈরি হলো মানব ইতিহাসের আরেকটি নৃশংসতম ইতিহাস।৯ মাসের সেজাদ হোসেনের আত্মা হয়তো পিতা সাদ্দামের সামনে দাঁড়িয়ে বলছিল -

এ কেমন নষ্ট রাজনীতি , এই কেমন অবিচার?

বাংলাদেশের আইনে আসামীর প্যারোলে মুক্তির বিধান থাকলেও সন্তান ও স্ত্রীর লাশ দেখতে পর্যন্ত প্যারালে মুক্তি দেয়া হলো না সাদ্দামকে। অথচ ১৯৭১ সালে এই ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মীর বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম বাংলাদেশ। এই ছাত্রলীগ করেছেন জাতির সূর্যসন্তান বঙ্গবন্ধু , তাজউদ্দীন , সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও ক্যাপ্টেন মনসুর আহমেদ। ছাত্রলীগের উপহার দেয়া স্বাধীন বাংলাদেশে আজ হাজার হাজার ছাত্রলীগের নেতাকর্মী চোখের জলে বলছে - এ তোমার কেমন অবিচার?

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে একদিন এই অমানবিক অপরাধের জন্য বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এদের কোন ক্ষমা নাই, হবে না। একজন মানুষ হয়ে , বাংলাদেশের একজন নাগরিক হয়ে এমন অমানবিক " জোর যার মুল্লুক তার" রাষ্ট্রশাসনকে আমি মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ক্ষমা করবো না।

২০০১ সালের নির্বাচনের পর শুধুমাত্র নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে জামায়াত ও বিএনপি দল বেঁধে বাবা ও মায়ের সামনে ধর্ষণ করেছিলো তাদের আদরের মেয়ে ৮ ম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা শীলকে। সেদিন তাদের সন্ত্রাসের কাছে অসহায় বাবা আর্তনাদ করে বলেছিলেন,

" বাবা , আমার মেয়েট করে ছোট তোমরা একজন একজন করে আসো , ও মরে যাবে

২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

বিষক্ষয়রিটার্নস বলেছেন: খুনি হাসিনা সকল গুম-খুন-ধর্ষনের দায় স্বীকার করে ক্ষুদি রামের মতো হাসতে হাসতে ফাসির মঞ্চে গেলেইতো সাধারন আওয়ামিদের দুরাবস্থার শেষ হয়

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: খুব বেশিদিন নয় , আর অল্প কিছুদিনের অপেক্ষা। আপনার এই কথাগুলো ফেরত আসবে। ২০০১-থেকে ২০০৬-এর শাসনের আপগ্রেড ছিলো বিগত সরকারের শাসন। অবশ‍্য ৪বার চ‍্যাম্পিয়ন করতে পারে নাই। শুধু খাম্বা দেয় নাই ১০%-এর বিনিময়। সত‍্যিই বিদ‍্যুৎ দিয়েছিলো।
আপনাদের বর্তমান ভুমিকার জন্য হয়তো বলবে এবার আপনারা নিজেরা নিজেদের গলায় ফাঁস দিয়ে ন‍্যায় বিচার করুন। ১৭ মাস হয়ে গেছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি ক্ষুদ্র প্রমাণ দেখাতে পারেনি দুর্নীতির ‼️খুনের কথা বলে নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো রাষ্ট্রের প্রধান কখনোই নিশ্চুপ বসে থাকতে পারে না। জনগণের জীবন ও দেশের সম্পদ রক্ষায় তার ভূমিকা কি হবে ⁉️পুলিশ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অর্ডার দিতে হয় না। তাদের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ পরিস্কার লেখা আছে। বাহিনীর প্রধান কখনো রাজস্বাক্ষি হয় কি করে‼️তাহলে কি শেখ হাসিনা রাজস্বাক্ষি হবে?

আপনাদের সাধারন যুক্তিগুলোও খুব হাস্যকর। ঠিক এই কারণেই আমাদের এক সরকার থেকে আরেক সরকার আরো অধঃপতনের দিকে যায়। আওয়ামীলীগের সংযুক্তিতে আন্দোলন সফল হয়েছে। আমার মত অনেকেই প্রতিরোধ করতে রাজি হয়নি আন্দোলনের সময় ।
প্রশ্ন করেছিলাম , এস আলম, দরবেশ, মতিউর কিংবা বেনজির অথবা কাউয়া হাইব্রিড নেতাদের রক্ষার জন্যে কেনো দাঁড়াবো! এখন দেখছি সেটাই করা দরকার ছিলো। গুপ্ত হয়ে সুপ্ত অবস্থায় রাজাকার , লালবদর আর জঙ্গি সহ ঔপনিবেশিক দালাল দেশের দখল নিয়েছে।
আমরা ফিরবো ঘোষণা দিয়ে ৩২-এর জবাব দিতে। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, গার্মেন্টস শ্রমিক সহ সকল মানুষের হত্যাকারী কে আমরা ক্ষমা করবো না। স্বয়ং শেখ হাসিনাও রক্ষা করতে পারবেনা।ভুল শোধরানোর আর কোনো বিকল্প নেই। সবাই বলে সব নাকি আওয়ামিলীগের পুলিশ॥ এখন দেখি এখানেও সব গুপ্ত পুলিশ হত্যা করে চলেছে আমার নিরীহ ভাই,বোন’কে‼️
যারা পুলিশ হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে তাদের জামিন হয় ১২ ঘন্টায়। যে হাতে নাতে দুর্নীতি করে ধরা পড়ে তাকে ১ঘন্টার মধ্যে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এই যদি আপনাদের সংস্কার ও পরিবর্তনের রাজনীতি হয়। আমরাও অবশ্যই দেখাবো পরিবর্তন কাহাকে বলে ও কত প্রকার।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০১

নতুন বলেছেন: যদি তার প্যারল মুক্তির জন্য আবেদন করার পরেও না মন্জুর হয়ে থাকে সেটা অবশ্যই খুবই খারাপ হয়েছে। প্রশাসনের উচিত এই রকমের বিষয় গুলি মানবতা দৃস্টিকোন থেকে বিবেচনা করা।

প্রতিটা অন্যায় সময় মনে রাখে, সময় হলে সেটা সুদে আসলে ফিরে পায় সবাই।

যদি কোন কর্মকর্তা সাদ্দামের মৃত সন্তান, স্ত্রী দেখতে যাবার জন্য প্যারোলের বিষয়টা ইচ্চা করে আটকে রাখে তার জন্য কঠিন সাজার ব্যবস্থা করা উচিত।

আমি বিশ্বাস করতে চাই সময় মতন হয়তো তার আবেদন করা হয় নি। তাই হয়তো বিষয়টা এমন হয়েছে।

সমাজে মানবিকতা হারালে সমাজ টিকে থাবেনা।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: সব কিছু বাদ দেন। সাদ্দাম পুরো আন্দোলনের সময় চিকিৎসার জন্য ভারতে ছিলো। সেখান থেকে দলের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেয়া কি অপরাধ? সেই অপরাধে কোনো অভিযোগ ছাড়া একজন মানুষ’কে ১১ মাস অন‍্যায়ভাবে কি আটক রাখা যায় ⁉️
তারপর একজন সদ‍্য মা কোলের সন্তান নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করছে নিজের সন্তানের পিতা’কে ছাড়িয়ে আনতে। এমন না যে সাদ্দাম সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজ ছিলো। তাঁর দারিদ্র্য এর প্রমাণ‼️যদি স্বচ্ছল থাকতো তাহলে হয়তো অপেক্ষা করতো। এত চাপ একজন তরুনী মা” কি করে মোকাবেলা করবে! এটা আত্মহত্যা নয়, হত‍্যা করেছে বর্তমান সরকার। আমি মনে রাখবো এবং মনে করিয়ে দেবো ভবিষ্যতে বিচার করার জন্য।এখন কোনো বিচার চাইবো না।

৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কলাবাগান@রাজনীতি করলে জেল জুলুম হবেই। তাহলে পরিবার কে সংগঠন দেখবে না তো কে দেখবে? শিবির তো এভাবেই কাজ করে। তাই তাদের সাপোর্টাররা লয়াল।

ইন্টেরিম যা করছে সেটার ভালো মন্দ মানুষ দেখছে। আমার আবার নতুন করে বলার কিছু নেই।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৫৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: রাজনীতি করলে জেল জুলুম সহ্য করতে হবে। তাহলে বিএনপি’ কিংবা অন্য কারো জন্য এত নাকি কান্না কেনো আপনাদের। তাহলে ‘তো আওয়ামী লীগের বিগত সরকার ঠিকই ছিলো। সরকারের কাউকে কিছু করেছে কি এই অবৈধ সুদী মহাজনের তথাকথিত সরকার ⁉️
যত হন্বি তন্বী সব নিরীহ কর্মী সমর্থকের উপর। টাকার বিনিময় সব লালবদর, রাজাকার, জঙ্গি এনজিওদের দালালরা বিদেশে যেতে সহায়তা করেছে।
আমরাই করবো এই অন্যায়ের বিচার/ কারো কাছে বিচার চাই না।

৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৩

কলাবাগান১ বলেছেন: সংঘটন কি দেখার মত অবস্হায় আছে????

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৫৫

ক্লোন রাফা বলেছেন: সৈ. কুতুব ক‍্যাডার ভিত্তিক জঙ্গি রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী। যেখানে কর্মীরা বেতনের বিনিময়ে সার্ভিস দেয়।

৬| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: খুব হৃদয়নিদারক ঘটনা।
প্রতিহিংসার রাজনীতি।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: খুব ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হোচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষের খুব সাধারণ মানুষকে। এই প্রতিটি হত্যার বিচার হবে ইংশাআল্লাহ্..। ।

৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪২

আমি নই বলেছেন: সাদ্দামের মামা মো. হেমায়েত উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্যারোলের জন্য আমি প্রথমে ডিসি (বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক) অফিসে গেছিলাম। শুক্রবার অফিস তো বন্ধ ছিল। পরে আসরের নামাজের পর তাঁর বাংলোয় গেছিলাম। সেখানে আমি লিখিত আবেদন দেই। পরে জেল সুপারের সঙ্গে কথা বলে জানায়, “এটা এখানে আইনে কাভার করে না। ভাই, আমরা সরি।” আমি তখন বারবার চেষ্টা করলাম। তখন আমি বলি, কী করার? আমরা কি জেল সুপারের কাছে যাব? সেখান থেকে জানানো হয়, “বন্দী যদি বাগেরহাটে থাকতেন, তাহলে আমরা প্যারোলে মুক্তি দিতে পারতাম।” তারপর সন্ধ্যায় বাগেরহাটের জেল সুপারের কাছে যাই। তিনি বলেন, “দেখেন, সে আছে তো যশোরে। এটা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব না। লাস্ট একটা কাজ করতে পারেন, আপনারা মরদেহ নিয়ে যশোর কারাগারে গিয়ে দেখায় নিয়ে আসতে পারেন।” প্যারোলের জন্য আমাদের কেউ যশোরে আবেদনের বিষয়ে বলেনি।’

অর্থাৎ প্যারোলের জন্য যশোরে আবেদনই করা হয় নাই কিন্তু প্রচার হচ্ছে সরকার প্যারোল দেয় নাই। এর আগে অনেক লীগের নেতা/কর্মিরা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবা-মার জানাজা করেছেন, আমার মনে হয় যশোরে আবেদন করলে সাদ্দামও প্যারোলে মুক্তি পেত। যশোরে আবেদনের পরেও মুক্তি না দিলে সেটা হত ন্যাক্কারজনক, মানবতাবিরোধী একটা উদাহরন।

আপনার মনে আছে? সম্ভবত ওয়ারীতে যুবদল করা সন্তানকে বাসায় না পেয়ে বাবাকে হত্যা করেছিল লীগের সন্ত্রাসীরা, সেই ছেলে লাইভ টিভিতে বলেছিল বিএনপি করা যদি আমার দোষ হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ আওয়ালীগ করাও একদিন দোষ হবে। এরকম হাজারো অভিশাপ আপনাদের উপর আছে। সমস্যা হল আপনারা আপনাদের করা অন্যায়-অত্যাচারগুলো নিয়ে কথা বলেন না, নিজের ভুল সংশোধনের চেষ্টাও নাই, আপনারা নিজেদের এই রাষ্ট্রের মালিক মনে করেন, এগুলো সাধারন জনগনের জন্য চরম মাত্রায় আতংকের বিষয়।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৫৬

ক্লোন রাফা বলেছেন: অতীতেও এরকম কিংবা বিচারবহির্ভূত কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করিনি। ভবিষ্যতেও এই অবস্থানে থাকব ইংশাআল্লাহ্।প‍্যারোল কেনো লাগবে একজন নিরাপরাধ মানুষের জন‍্য⁉️১১ মাস যাবত বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে একজন নিরাপরাধ মানুষকে ‼️একজন সদ‍্য মা” ছুটাছুটি করছে তার সন্তানের পিতার মুক্তির জন‍্য। আমি জানি প্রতিটি অন্যায়ের স্বীকার এরকম মানুষের যন্ত্রণা। কারণ আমি বাস্তবতা দেখেছি আমার নিজের জীবনেই।

২০২৪ থেকে আজ পর্যন্ত যতগুলো অপরাধ হয়েছে প্রত্যেকটা ঘটনা রেকর্ড থাকছে। এগুলোর বিচার আমরাই করবো ইংশাআল্লাহ্।

৮| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নোবেল পুরস্কার যে মানবিক নয়
তা প্রতিক্ষনে ক্ষনে প্রমান হচ্ছে ।

৯| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬

আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: অতীতেও এরকম কিংবা বিচারবহির্ভূত কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করিনি। ভবিষ্যতেও এই অবস্থানে থাকব ইংশাআল্লাহ্।প‍্যারোল কেনো লাগবে একজন নিরাপরাধ মানুষের জন‍্য⁉️১১ মাস যাবত বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে একজন নিরাপরাধ মানুষকে ‼️একজন সদ‍্য মা” ছুটাছুটি করছে তার সন্তানের পিতার মুক্তির জন‍্য। আমি জানি প্রতিটি অন্যায়ের স্বীকার এরকম মানুষের যন্ত্রণা। কারণ আমি বাস্তবতা দেখেছি আমার নিজের জীবনেই।

সত্যিই কি তাই? তাহলে আপনাদের সময় হওয়া অন্যায়ের বিরোদ্ধে আপনার দুই-চারটা পোষ্ট দ্যাখান দেখি!!! পত্রিকায় দেখেছি সাদ্দামের নামে ১১টা মামলা আছে সুতরাং বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে বলা ভুল। অতিতে ব্লগে/ফেসবুকে পোষ্ট দেয়ার মত কাজের জন্যেও বছরের পর বছর জেল খাটার নজির আছে।

২০২৪ থেকে আজ পর্যন্ত যতগুলো অপরাধ হয়েছে প্রত্যেকটা ঘটনা রেকর্ড থাকছে। এগুলোর বিচার আমরাই করবো ইংশাআল্লাহ্।

আপনাদের আমলে হওয়া অপরাধের বিচার করবে কে? সমস্যা হচ্ছে আপনারা এত পরিমানের অন্যায় করেছেন যে এখন আপনাদের উপর হওয়া অন্যায়গুলোর ব্যাপারে সাধারন মানুষ সিম্প্যাথি দেখাচ্ছে না। আমি সিউর বর্তমানে যারা অন্যায় করছে তাদের উপর যদি ভবিস্যতে অন্যায় হয় মানুষ তখনো আর সিম্প্যাথি দেখাবে না।

যদি সত্যিই বাংলাদেশের পক্ষের হয়ে থাকেন তাহলে ভবিস্যতে কেউ যেন সাদ্দাম না হয় সেটার চেষ্টা চালান। প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা, নেতার পা চাটা বাদ দিয়ে সাদ্দামরা যেন লেখাপড়া করে দেশের কাজে লাগে সেই উদ্যেগ নেন। যদিও জানি আপনারা করবেন না, কারন ওরা লেখাপড়া করলে আপনাদের হয়ে প্রতিশোধ নেবে কে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৯

ক্লোন রাফা বলেছেন: ১১ টা মামলা কি আপনি করেছেন? এখন’তো মামলা করা হোচ্ছে সের দরে। এই কথা বলার পর আওয়ামিলীগ আমলের কথা বলবেন নিশ্চিত। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেন বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলার লিস্ট দেন সকল মামলা তুলে নেওয়া হবে।ফখরুল সাহেব মাত্র ৩০০ রাজনৈতিক মামলার লিস্ট দিতে পেরেছিলেন। আমার পুরোনো পোষ্ট দেখতে হোলে আপনার এই ব্লগের শুরু থেকে শুরু করতে হবে। রাফা নিকে গিয়ে দেখে আসুন।

কে জেল খেটেছে বছরের পর বছর ২ টা তথ‍্য দেন আমি দেখি।সাদ্দাম কি চোর , গুন্ডা সন্ত্রাসী নাকি দুর্নীতিবাজ⁉️নাকি রাজাকারি বয়ানে বা ১০% -এর বয়ানে বলে দেওয়া। দেশ বিক্রির একটা চুক্তিও দেখলামনা ১৭ মাসে। ভারত উল্টো কয়েকটা চুক্তি বাতিল করে দিলো। মিথ‍্যা কথা বলতে ট‍্যাক্স দিতে হইলে নির্ঘাত জেল হয়ে যেতো আপনাদের মত লোকদের।

১০| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৯

আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১১ টা মামলা কি আপনি করেছেন? এখন’তো মামলা করা হোচ্ছে সের দরে। এই কথা বলার পর আওয়ামিলীগ আমলের কথা বলবেন নিশ্চিত। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেন বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলার লিস্ট দেন সকল মামলা তুলে নেওয়া হবে।ফখরুল সাহেব মাত্র ৩০০ রাজনৈতিক মামলার লিস্ট দিতে পেরেছিলেন। আমার পুরোনো পোষ্ট দেখতে হোলে আপনার এই ব্লগের শুরু থেকে শুরু করতে হবে। রাফা নিকে গিয়ে দেখে আসুন।

আমি বলেছি সাদ্দামের নামে ১১টা মামলা আছে। কে করেছে, কেন করেছে, এগুলো আমার জানার কথা নয়। সের দরে না মন দরে মামলা হচ্ছে এটাও আমার দেখার/জানার বিষয় নয়। মামলা থাকলে জেলে থাকবে (জামিনে না থাকলে) এটাই সাভাবিক, এটা বেআইনি নয় সেটাই বলেছি।


কে জেল খেটেছে বছরের পর বছর ২ টা তথ‍্য দেন আমি দেখি।সাদ্দাম কি চোর , গুন্ডা সন্ত্রাসী নাকি দুর্নীতিবাজ⁉️নাকি রাজাকারি বয়ানে বা ১০% -এর বয়ানে বলে দেওয়া। দেশ বিক্রির একটা চুক্তিও দেখলামনা ১৭ মাসে। ভারত উল্টো কয়েকটা চুক্তি বাতিল করে দিলো। মিথ‍্যা কথা বলতে ট‍্যাক্স দিতে হইলে নির্ঘাত জেল হয়ে যেতো আপনাদের মত লোকদের।

=p~ =p~

ওকে ২ টা তথ্য দিলামঃ ২০১৩ সালে ফেসবুকে পোষ্ট দেয়ায় বুয়েট প্রভাষক হাফিজুর রহমানকে সাত বছরের জেল দেয়া হয়। ২০২২ সালে ফেসবুকে আওয়ামী লীগকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল আব্দুল মুকিত রাজু নামে একজনকে। রাজশাহীর স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাইদুর রহমান বাদী হয়ে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় ২০১৭ সালের ২৮মে রাজশাহীর পবা থানায় মুকিতের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন। এখন খুশি?? এধরনের ঘটনা কিন্তু আরো আছে!!! গুগল করলেই জানতে পারবেন।

আর জনাব, আমি একজন সাধারন মানুষ। রাজাকার বা ১০% বাল-ছাল বলে লাভ নাই। আমার চোখে আপনারা সবাই এক। কেউ মুক্তিযুদ্ধের নামে, কেউ ধর্মের নামে বা অন্য কোনো নামে দেশটাকে লুটে খাওয়াই আপনাদের প্রধান লক্ষ। আমার দুইটা ছেলে আছে, একটি কিছুদিন পর কলেজে যাবে, আমি কোনো ভাবেই চাইনা সে কোনো দলের সাদ্দাম হোক।

আমার কনসার্ন বোঝা গেছে???

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪২

ক্লোন রাফা বলেছেন: আমি সাধারন মানুষ/ আমি কি অসাধারণ মানুষ ⁉️সাদ্দাম হোক চান না! সাদ্দাম কি সন্ত্রাসী, জঙ্গি, দালাল, দুর্নীতিবাজ, খুনি (সাদ্দামের পরিচয় কি) সে কি মানুষ, তার কি পরিবার ছিলো! আমি বুঝতে পারিনি আপনি সাদ্দাম’কে কি বলতে চাইছেন ‼️ যাক আপনাকে পৃথকভাবে কিছু বলে লাভ নেই । শুধু নিচে সংযুক্ত লেখাটা পড়ুন-L এক জীবনে শেখ হাসিনার ওপর যে পরিমাণ অবিচার, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, সেগুলো কি আজ হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে গেছে?
নাকি ইতিহাস ভুলে যাওয়াটাই এখন তথাকথিত সুশীলতার শর্ত?
.
শুধুমাত্র বিএনপি–জামাত জোট সরকারের আমলে, ২০০১ থেকে ২০০৬-এই পাঁচ বছরে শেখ হাসিনাকে কমপক্ষে সতেরোবার হ*ত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটি কোনো দলীয় অভিযোগ নয়, এটি নথিভুক্ত বাস্তবতা। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী-তাঁর ও তাঁর বোন শেখ রেহেনার জন্য নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।
.
সায়েদাবাদে শেখ হাসিনার গাড়িবহর লক্ষ্য করে গু*লি চালানো হয়। একই দিনে সাতক্ষীরা থেকে ফেরার পথে আবারও তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গু*লি করা হয়। সেই হামলায় ঘটনাস্থলেই একজন নিরীহ পথচারী নিহত হন। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষোভে ফেটে পড়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি যখন শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে,তখন সংসদ ভবনের গেটে দাঁড়িয়ে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ হাসতে হাসতে বলেছিলেন,

“শেখ হাসিনা নাকি জনগণের নেত্রী। যদি তাই হয়, জনগণই শেখ হাসিনার নিরাপত্তা দেবে।”
.
এটা কোনো বক্তব্য ছিল না।এটা ছিল রাষ্ট্রের মুখোশ খুলে পড়া এক নিষ্ঠুর হাসি।
.
এরপর আসে একুশে আগস্ট।
শেখ হাসিনার চোখের সামনে ২৬ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গ্রে*নেড ছুড়ে হ*ত্যা করা হয়। আল্লাহর অসীম রহমতে তিনি সেদিন বেঁচে গেলেও তাঁর শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত সেদিন বলেছিলেন,
“শেখ হাসিনার একটি কান প্রায় আশি শতাংশ ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে।”
.
এই ভয়াবহতার পরও যারা মিথ্যা আর নির্লজ্জতার আশ্রয় নিয়েছিল, ইতিহাস তাদের নাম মনে রেখেছে। বিএনপির থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ একুশে আগস্টের পর এন টিভিতে স্পিচ দিতে গিয়ে বলেছিলেন,
“সরকার আজ যে অপকর্ম করলো, তার জন্য এদের চড়া মূল্য দিতে হবে।”
.
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো যখন তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছিল,যখন হাসপাতালের বেডে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন আইভী রহমান,যখন জিল্লুর রহমান তাঁর স্ত্রী ও নেতাকর্মীদের চিন্তায় প্রায় পাগলপ্রায়,ঠিক তখন সংসদে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বলেছিলেন,
“হাসিনাকে কে মারতে যাবে? সে-ই নিজে ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রে*নেড নিয়ে গিয়ে নিজেই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।”
.
এই একটি বাক্যই প্রমাণ করে,সেই সময় রাষ্ট্র কতটা নৈতিকভাবে দেউলিয়া ছিল।
.
২০০৪ সালের ৭ মে, গাজীপুর–২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি আহসানউল্লাহ মাস্টারকে ব্রা*শ*ফায়ারে হত্যা করা হয়। পরদিন গাজীপুরের বিক্ষোভ সমাবেশে মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেন গুপ্তদের বহনকারী গাড়িকে শেখ হাসিনার গাড়ি ভেবে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি রোডে আবারও গু*লি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন আরও একজন পথচারী।
.
শেখ হাসিনা তখন গাড়ি থামিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। মুহূর্তে সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঢাকায়। সেখান থেকেই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
.
ঠিক পরদিন, সেই কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজার মোড়ে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি তুলে দেয় ডিসি কোহিনূর মিয়া।
.
গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে আবারও শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গু*লি ছোড়া হয়। সেদিনও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
.
জোট সরকারের আমলের একটি একটি ঘটনা মনে করলে আজও শরীর হিম হয়ে আসে। শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের ওপর এমন কোনো অত্যাচার নেই,যা করা হয়নি।
.
এই দেশ দেখেছিল এক অসহায় মাকে, যিনি তাঁর সন্তানের জীবন বাঁচাতে ধ*র্ষ*ক*দে-র উদ্দেশে বলেছিলেন,

“বাবারা, আমার মেয়েটা অনেক ছোট। তোমরা একজন একজন করে এসো।”
.
এই সমাজ, এই রাষ্ট্র,সবকিছু তখন কী পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল, তা এই একটি বাক্যই যথেষ্ট।
.
প্রতিহিংসার রাজনীতি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ শুরু করেনি। প্রতিহিংসার সূচনা করেছিল বিএনপি–জামাত জোট। হ*ত্যা, গ্রে*নে*ড, গু*লি আর রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচার দিয়ে।
.
আজ যদি বেগম জিয়ার মৃত্যু নিয়ে শেখ হাসিনার দায় খোঁজা হয়, তাহলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর চালানো এই দীর্ঘ, রক্তাক্ত, পরিকল্পিত অবিচারের দায়ও কাউকে না কাউকে নিতেই হবে।
.
আমি এসব কথা বলতে চাইছিলাম না।
কিন্তু গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত কিছু তথাকথিত “সুশীল” যেভাবে ইতিহাস ধুয়ে মুছে নতুন ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে, তাতে চুপ থাকা মানে অপরাধে শরিক হওয়া।
.
আমি মাত্র কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করেছি।
বি এন পি-জামাতের পাঁচ বছরের ইতিহাস নিয়ে লিখতে গেলে কয়েক মাস কেটে যাবে।
.
আমরা সেই সব অন্ধকার দিন ভুলে যাইনি।
ভুলবোও না। কারণ মাত্র পাঁচ বছরে তখনকার সরকার শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জীবন নরক বানিয়ে দিয়েছিল।
.
রাজনীতিতে ভুল সবারই আছে। কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থে এবং আবেগের বশবর্তী হয়ে বিএনপি–জামাতের পাঁচ বছরের শাসনামলকে (২০০১–২০০৬) ইচ্ছাকৃতভাবে স্কিপ করে কাউকে ভিলেন আর কাউকে মহান বানানো যাবে না।
.
ইতিহাস সিলেক্টিভ না। ইতিহাস সুবিধামতো কাটা–ছেঁড়া করার বিষয় নয়। জানলে আংশিক নয়,পুরোপুরি জানতে হবে।
.
শুধু সুবিধাজনক সময় বেছে নিয়ে কাউকে মহান বানানো আর কাউকে দানব বানানো এটা রাজনীতি নয়, এটা ভণ্ডামি...

১১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: খুব ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হোচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষের খুব সাধারণ মানুষকে। এই প্রতিটি হত্যার বিচার হবে ইংশাআল্লাহ্..। ।

অন্যায় করছে অনির্বাচিত সরকার। এরপর শুরু হবে নির্বাচিত সরকারের অত্যাচার।

১২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি সাধারন মানুষ/ আমি কি অসাধারণ মানুষ ⁉️সাদ্দাম হোক চান না! সাদ্দাম কি সন্ত্রাসী, জঙ্গি, দালাল, দুর্নীতিবাজ, খুনি (সাদ্দামের পরিচয় কি) সে কি মানুষ, তার কি পরিবার ছিলো! আমি বুঝতে পারিনি আপনি সাদ্দাম’কে কি বলতে চাইছেন

আপনি একটি রাজনৈতিক দলের অন্ধভক্ত, আমি কোনো দলের অন্ধভক্ত নই।

সাদ্দাম হচ্ছে অপরাজনীতির শিকার হওয়া ছেলেদের প্রতিক। পোষ্টের কারনে আমি সাদ্দামের নামই ব্যাবহার করেছি কিন্তু নামটা সাদ্দাম না হয়ে আবরার ফাহাদ হতে পারে বা আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে তারাও হতে পারে। আবরার ফাহাদ এবং তার খুনিরা সবাই দেশ সেরা মেধাবি ছিল, কিন্তু অপরাজনীতির শিকার হয়ে সবাই শেষ হয়ে গেছে। সাদ্দামও হয়ত উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারত, কিন্তু হয়েছে লাঠিয়াল। আমি চাইনা আমার ছেলেও কোন একটি দলের হয়ে খুন করুক বা খুন হোক। এজন্যেই বলেছি "আমি কোনো ভাবেই চাইনা সে কোনো দলের সাদ্দাম হোক।" ক্লীয়ার?

শেখ হাসিনার ওপর অবিচার, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হয়েছে বলে শেখ হাসিনা বা তার দলের লোকজনও বিরোধীদের উপর তাই করবে!!! আর এভাবেই অনন্তকাল চলবে আপনাদের প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা???

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮

ক্লোন রাফা বলেছেন: নিচে⬇️উত্তর ...।

১৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭

ক্লোন রাফা বলেছেন: খুব পরিষ্কার ব‍্যাখ‍্যা করেছেন সাদ্দাম আপনার দৃষ্টিতে কোথায় অবস্থান করেন। আমি একটুও অবাক হইনি। আমাকে বলেছেন ১টি দলের অন্ধ ভক্ত/ এখন আমি বলি শুনুন আপনি ১জন অন্ধ, বোবা, কালা(কানে শুনেনা) এমন সুবিধাভোগী বাংলাদেশী।

যারা,হাজার,লাখ সাদ্দামদের মত বীরদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মাটিতে স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছেন।একজন সাদ্দামই, তাজউদ্দিন, তোফায়েল,সুরন্জিত,শাজাহান সিরাজ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কান্ডারী। একজন শেরে বাংলা ,শহীদ সরোয়ার্দি হয় সাদ্দামের মতো নিবেদিত প্রাণ সংগ্রামী সৈনিকরা।

শেখ হাসিনা ১জন হবে কেনো! আরও তার সহযোগী সহকর্মীদের হত্যা ও অন‍্যায় অত‍্যাচারের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করার প্রয়োজন মনে করেন নাই।

রাইটলি পয়েন্ট আউট করেছেন আবরার’রা অপরাজনীতির স্বিকার।অনেকগুলো মেধাবীর জীবন শেষ হয়ে গেছে। সেই অপরাজনীতি রোধ করতে হলে আরো বেশি মেধাবীদের রাজনীতি করতে হবে।সহজ ভাষাতেই বলি লুঙ্গির নিচে লুকিয়ে কিংবা হেলমেট বাহিনী এটা কোনো রাজনীতি নয়। এরাই হত্যা করছে আবরারদের।রাজনৈতিক শুণ্যতা পূরণ করতে আরো বেশি রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জরুরি।

আপনি বললেন আপনার দুইজন সন্তান যেনো লাঠিয়ালে পরিণত হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করে আপনি একজন “আই হেট পলিটিক্স “ শ্রেনীর প্রানী। অথচ পুরো বিশ্ব পরিচালিত হয় রাজনীতি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বারা ‼️

আমারও দু’জন ছেলে মেয়ে আছে/ আমি তাদের বলেছি, শুধু মেধাবী হয়ে চোখ চব্বিশ ঘন্টা পড়া লেখা করলেই হবে না। প্রয়োজনের সময় সংগ্রামী হয়ে লড়াই করতে হবে।বাস্তবতা উপলব্ধির জন্য এর কোনো বিকল্প নেই। উন্নত বিশ্বের জিবন প্রনালী নিয়ে উদাহরণ দিতে আমরা খুব বাহবা দিই। কিন্তু সেই রকম কাজ করতে চাই না।

আপনারাই হোলেন বাংলার সুবিধাবাদী শ্রেনী। যারা নিজেদের ছেলে মেয়েকে আগলে রেখে চাই অন‍্যরা করে দেবে সুন্দর একটা বাংলাদেশ।
ধন‍্যবাদ॥

১৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০২

আমি নই বলেছেন: আপনারা যখনই লজিকে পারেন না চলে যান মুক্তিযুদ্ধে। ভাই, মুক্তিযুদ্ধ ৫৫ বছর আগে হয়ে গেছে, আল্লাহর রহমতে এবং লাখ লাখ শহিদের রক্তে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসিম সাহসের কারনে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। একমাত্র পাকিপন্থীরা ছারা সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের এপ্রেসিয়েট করে। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করে বাংলাদেশী হওয়া সম্ভব নয়।

মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতাতো অর্জন করলাম এখন কি কেয়ামত পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের গল্প করেই পার করব, নাকি স্বাধীনতার মুল লক্ষ দেশটাকে উন্নত করব সেটা মুল বিবেচ্য। আপনি যদি মুক্তিযুদ্ধের গল্প করেই পার করতে চান করেন, কিন্তু সবাই তা চায় না। অনেকে চায় শহিদদের, মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া স্বাধীনতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, একটা উন্নত রাষ্ট্র গড়তে। যেটা প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা দিয়ে সম্ভব নয়, ৫৫ বছরে তা প্রমান হয়ে গেছে। প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা দিয়ে দলগুলো দেশটাকে ১ ইন্চিও আগায়া নিতে পারে নাই উল্টা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লোন করেছে।

দুনিয়ায় একটাও উন্নত রাষ্ট্র দেখাতে পারবেন না যেখানে বাংলাদেশের স্টাইলে ছাত্র রাজনীতি হয়। আগ্রহী ছাত্ররা রাজনীতি করবে রাজনীতি শেখার জন্যে, শতভাগ ছাত্রদের জন্য, শুধু মাত্র ভার্সিটির ভিতরেই, কোনো দলের পেটোয়া বাহিনি হওয়ার জন্যে নয়। তাদের মুল লক্ষই হবে লেখাপড়া, রাজনীতি থাকবে এক্সট্রা কারিকুলাম। সেখানে থাকবে পারস্পারিক সম্মান-শ্রদ্ধা। মহান কোনো নেতা এভাবেই বের হয়ে আসবে, প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার মাধ্যমে নয়।

আচ্ছা আপনি আমাকে দেখানতো স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে লাখ লাখ ছাত্রনেতার মাঝে কয়টা ছাত্রনেতা ভার্সিটি/কলেজ থেকে টপ রেজাল্ট করে পাশ করেছে? কয়টা ছাত্রনেতা দেশের উন্নয়নে আন্তর্জাতিকভাবে বড় অবদান রাখতে পারছে? উল্টা একজন মেধাবী ছাত্র রাজনীতিতে ঢুকে ৪বছরের কোর্স ৭-৮ বছরেও পাশ করতে না পারার নজিরই বেশি। কোনো রকমে পাশ করার পরে দল যদি দয়া করে এমপি, মন্ত্রী, বিসিএস ক্যাডার বানায় বা অন্যকোনো উপায়ে প্রতিষ্ঠিত করে দেয় সেই আশায় বসে থাকতে হয়। কোনো উপায় না পেলে চাদাবাজী-টেন্ডারবাজী ইত্যাদি করতে হয়। এটাই বাস্তবতা।

ভাই, যাদের লুঙ্গির নিচে কি আছে সেটাই আইডেন্টিফাই করার যোগ্যতা নাই, তারা দেশ পরিচালনা করতে চায় কোন যোগ্যতায়? তখনতো তাদের প্যান্টের ভিতরে "আইএসআই" বা "র" বসে থাকলেও আইডেন্টিফাই করতে পারবে না।

একটা কথা বলেছেন "আই হেট পলিটিক্স", আপনারা পরিকল্পিত ভাবেই একটা সিচুয়েশন করে রাখছেন যাতে এই শ্রেনীটা তৈরি হয়। আজকেই আপনারা প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দেয়ার শপথ নেন এবং কার্যকর করেন কালকেই দেখবেন ভাল ভাল দেশপ্রেমিক মানুষ রাজনীতিতে আসবেন। দেখেন শুধুমাত্র ছাত্র রাজনীতি নিয়ে আমার ধারনা আমি বললাম তাতেই আপনি আমাকে সুবিধাবাদী শ্রেনী বানালেন, পজিটিভলি নিলেন না, এরকম সবার সাথে হলে "আই হেট পলিটিক্স" শ্রেনী বাড়বে না কমবে? তাহলে এই শ্রেনী তৈরির পিছনে দায়ী কারা বুঝলেন?

আর দেশের প্রয়োজনের সময় সব সময়ই ছাত্ররা এগিয়ে আসে, এর জন্যে কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার প্রয়োজন হয় না। আমরা অতিতে অনেক আন্দোলনেই তা দেখেছি। এবং উন্নত বিশ্বের ছাত্ররা পড়াশুনা, গবেষনা ইত্যাদিতেই সময় পার করে, আমাদের দেশের মত লিডারের পিছনে দিন-রাত ঘোরেনা। আপনি চাইতেই পারেন আপনার ছেলে-মেয়ে পড়াশুনা বাদ দিয়ে লীডারের পিছনে ঘুরুক, আমি চাইনা। আমি চাই আমার সন্তান পড়াশুনা, গবেষনা ইত্যাদিতেই সময় পার করুক এবং দেশের কাজে লাগুক।

জী ভাই, আমরা বাংলাদেশের সেই সুবিধাবাদী শ্রেনী যারা চায় দেশটা মেধা দিয়ে এগিয়ে যাক, যারা নিরবে দেশটাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। যারা চায় না তাদের সন্তানরা পড়াশুনা বাদ দিয়ে লিডারের পিছনে দিন-রাত ঘুরুক, অন্যের আদেশে মরুক বা মারুক।
ধন‍্যবাদ

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: লজিকে পারেন না মানে কি ⁉️ আপনার প্রতিটি মন্তব্যের প্রতিউত্তর দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশেররাজনৈতিক লেখায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অপরিহার্য। যতটুকু এসেছে প্রাসঙ্গিক বলে এসেছে।
দ্বিতীয়ত মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনলে গাঁয়ে ফেসিয়াল পড়ে কেন আপনার। এটা’তো যুদ্ধাপরাধী আর রাজাকারের কমন ফেনোমোনা‼️
কোথায় সবাই শ্রদ্ধা করে! গত ১৭ মাসে সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছে মুক্তিযোদ্ধারা। কোনো মৃদু প্রতিবাদও দেখিনি। বলবেন সেগুলো রাজনৈতিক কারণে হয়েছে। মাইন্ড ইট- রাজনীতি করা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার এবং ব‍্যাক্তিগত ইচ্ছা । আপনার রাজনীতি আমার বা আমার রাজনীতি আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু আমাকে আমার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে অপমান করার অধিকার কারো নেই।আপনাকে বলার অর্থ কিন্তু এটা নয় শুধু আপনি। আমি সমস্ত সচেতন মানুষের কথা বলছি।

২য় বিশ্বযুদ্ধ কত বছর আগে হয়েছিল! এখনও অপরাধীদের বিচার হোচ্ছে তারা প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়। সেই অপরাধীদের সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না।আইন করা হয়েছে যারা অপরাধ এবং অপরাধীদের পক্ষে কথা বলবে তাদের গ্রেফতার করা যাবে।
বিগত ৫০০ বছরে বাঙালির সবচেয়ে গৌরবের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ২৪ বছর সংগ্রামের বিনিময়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার কথা । ৫০ বছরেই শেষ হয়ে গেছে⁉️ শুধু ৩০ লক্ষ শহীদের কথা বলতেই’তে ৩০ লক্ষ দিন লাগবে।এই জাতির সবাই এত অকৃতজ্ঞ নয় নিশ্চয়ই।

বাংলাদেশ যদি না এগিয়ে থাকে ! আজকের অবস্থানে আসলো কেমন করে? হ‍্যা কাংখিত অর্জন হয়নি সত্যি॥ কিন্তু বাংলাদেশ এগিয়েছে। কিছুদিন পুর্বেও বাংলাদেশ অনেক বিষয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। যে দেশে স্বাধীনতার পর তার জাতির জনককে হত্যা করে। তিন হাজারের মত মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসার খুন করে। সর্বহারা পার্টি করে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করে। সেই দেশ’তো পুরো ধ্বংসস্তূপ হয়ে যাওয়ার কথা। ২০ বছর সামরিক শাসন চলে যে দেশে ৫০ বছরের মধ্যে। সেই দেশ কিভাবে এগোবে ⁉️ ৫০ বছর কেনে বাংলাদেশের অস্তিত্ব যতদিন থাকবে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ততদিন উচ্চারিত হবে।

আপনার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিবো। সময় স্বল্পতার কারণে এখন এটুকু।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.