| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ও আজকের নির্বাচন‼️
______ একদল চোর একটি বাড়ির বাসনপত্র চুরি করে ভোর হয়ে যাওয়ায় সেই চুরি করা মাল লুকাতে সহিসের আস্তাবল থেকে খাটিয়া চুরি করে , সেই খাটিয়া কাঁধে করে " বল হরি হরিবোল" করে লাশ শ্মশানে পুড়াতে যাচ্ছে এমন ভাব ধরে পালাতে থাকে।পথের মধ্যে তাদের এক পাকা চোরের সাথে দেখা হলো।পাকা চোর ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়ে দিলো খাটিয়ার ভেতর থেকে বাসনের মধ্যে থেকে বদনার নল বেরিয়ে আসছে।পাকা চোর বুঝতে পারলো চোরের দল চোরের মাল শ্মসানে নেওয়ার নামে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে।চোরাই মালের ভাগ পেতে সেও খাটিয়া কাঁধে নিলো।পাকা চোর ইঙ্গিত দিয়ে বললো , মেসো কখন মরেছে? অর্থাৎ মৃতের স্ত্রী তার মাসী আর অন্য চোরেরা হচ্ছে তার মাসতুতো ভাই।
বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শ্মসানে নিতে আমেরিকা , ইউনূস ও জামায়াতের মেটিকুলাস ডিজাইন ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। কিন্তু তাতে সফল না হয়ে জামায়াতের মাথা নষ্ট হয়ে যায়। দেশ পরিচালনার নামে ইউনূসকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসিয়ে দেয়।এতে মোটেও সন্তুষ্ট ছিলো না রাজনীতির পাকা চোর বিএনপি।ফলে মাসতুতো ভাই জামায়াতের সাথে বিএনপির বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়ে গেল। বিএনপির নেতৃবৃন্দ বুঝতে পারলো , জামায়াত নির্বাচন দিতে চায় না। এজন্য বল হরি হরিবোল এর আদলে বাংলাদেশকে শ্মসানে নিতে জামায়াত " পাকিস্তান জিন্দাবাদ " স্লোগান দেয়া শুরু করলো।
আগামীকালের ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে একটি দেশ। ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভে ভাগ বসাতে বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনের সমঝোতার নাটক। এই নাটকের ডিরেক্টর হচ্ছে মার্কিন ডিপস্টেট।অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত।১৭ কোটি বাংলাদেশের মানুষ নিরব দর্শক ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি বুঝতে হলে এর ফ্ল্যাশব্যাকে যেতে হবে আমাদের। বিএনপি যখন নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন সহিংসতা শুরু করলো তখন তাতে সবচেয়ে বেশি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন ইউনূস। একবার তিনি মাসীর উপর রাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথাও বলেছিলেন।এরপর ধীরে ইউনূসের লুঙ্গির তল থেকে চোরাই বদনা তথা আমেরিকা বেরিয়ে আসলো।শুরু হলো চুরির মাল নিয়ে " বিএনপি ও জামায়াত নির্বাচনী সমঝোতার নাটক।" এই নাটকের একটা অংশ হয়ে তারেকের সব দূর্নীতির মামলা প্রত্যাহার ও তাকে দেশে আসার সুযোগ দিলো জামায়াত। পাকা চোর তারেক কিছুতেই জামায়াতকে একা চোরের মাল ভোগ করতে দিবেন না তা জামায়াত বুঝে গেল।
চোরাইকৃত মাল ভাগাভাগির জন্য ইউনূস একটি নির্বাচনের আয়োজন করলেন। চোরে চোরে মাসতুতো ভাইরা একে অপরের অতীত ভোট ডাকাতির চরিত্র সম্পর্কে জানে। এজন্য দুই ভাই একসুরে বললো , " দুই চোর মিলে ভোট ডাকাতি ঠেকাতে নির্বাচনী কেন্দ্র পাহারা দিবে।" নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের খাটিয়া ।তাই বিএনপি ও জামায়াত দুই ভাই মিলে নির্বাচন নামক খাটিয়া কাঁধের উপর দিয়ে বল হরি হরিবোল বলে " পাকিস্তান জিন্দাবাদ" দিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলো। দেশের জনগণ বুঝলো , নির্বাচন হতে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নির্বাচনের খাটিয়ায় করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে।
১৯৭৫ এর দশক থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি মাথা ঘামানো শুরু করে আমেরিকা।এর জন্য কোন নির্বাচন ছাড়াই জিয়াউর রহমানের পুতুল সরকার বসায় আমেরিকা।পালিয়ে যাওয়া জামায়াত চোরদের পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা ও এই সুযোগে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে জিয়ার শাসন যায়েয করতে আয়োজন করা হয় ঐতিহাসিক ভোট ডাকাতির হ্যাঁ ও না গণভোট। সেই ভোটে বিএনপির সবচেয়ে বড় বন্ধু হয়ে যায় জামায়াত। এজন্য বাংলায় প্রবাদ আছে , " রতনে রতন চেনে শুয়োর চেনে কচু।"
১৯৯১ সালে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে চুরির ভাগের জন্য জামায়াত বিএনপির লেঞ্জা ধরে ঝুলে যায়। ২০০১ সালের নির্বাচনেও বিএনপির লেঞ্জা ধরে জামায়াত ক্ষমতায় আসে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তারেক জিয়া বনানীর ১৩ নম্বর রোডের ডি - ব্লকের ৫৪ নম্বর বাড়িতে খুলে বসেন দূর্নীতির হাওয়া ভবন।এই হাওয়া ভবনে রোজ হাজিরা দিতেন জামায়াতের গো আযম , মতিউর রহমান নিজামী , কামরুজ্জামান , আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও কসাই কাদের।দিন গড়ানোর সাথে সাথে জামায়াত হয়ে বিএনপির অঘোষিত দূর্নীতির রাজনৈতিক পাহারাদার। তাই বিএনপি ও জামায়াত পরপর তিনবার দূর্নীতিতে হ্যাটট্রিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও একবারও বিবেকের লজ্জা থেকে জামায়াতের মন্ত্রীরা কেউ পদত্যাগ করেনি , বরং ২০০৬ সালে এক কোটি ২০ লাখ ভূয়া ভোটার তৈরি করে বিএনপির সাথে ক্ষমতায় যেতে আবার জোট বাঁধে জামায়াত। ভোট ডাকাতির নির্বাচন সফল করার জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে গুলি করে ছয়জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে।
তারেক রহমানের ক্ষমতার বিকল্প পাওয়ার হাউস হাওয়া ভবনের অংশীদার জামায়াত ২০২৪ সালের শেখ হাসিনা পতনের পর আমেরিকার ইশারায় বিএনপিকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ছক কষতে থাকে। কিন্তু খাটিয়ার ভেতরে থাকা বদনার নল দেখে ফেলে বিএনপি।ফলে বিএনপির এই সতর্কতা জামায়াতের জন্য রাজনৈতিক বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দেয়। চোরাইকৃত মালের সমান ভাগ নিয়ে বিপদে পড়ে যায় ইউনূস সরকার। ফলে ইউনূস সহ সিদ্ধান্ত হয় একটি পুতুল নির্বাচন আয়োজনের। এজন্য ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত করা হয়।এক ছুপা ছাগুকে বানানো হয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনে রেফারির দায়িত্ব নিয়ে নেয় ইউনূস।ভেতরে ভেতরে জামায়াত মুচকি হাসতে থাকে। অপরদিকে পাকা চোর তারেক জিয়া বলে উঠে - মেসো মারা গেছে কবে? অর্থাৎ ভোট ডাকাতিতে বিএনপি বা কম কিসে ?
উনিশ শতকের সুবল চন্দ্র মিত্রের " সরলা বাঙলা অভিধান " প্রবাদ বাক্য " চোরে চোরে মাসতুতো ভাই" সত্য হতে যাচ্ছে আগামীকালের নির্বাচনে। ভোট চুরির নাটক জানার পরও চোর ও চোরের মাসতুতো ভাই একদল পঙ্গপাল " হ্যাঁ" গণভোটের পক্ষে মিছিল করছে।
মনে রাখবেন _ আগামীকালের নির্বাচন নির্বাচন নয় , এটা বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনতার গলায় আমেরিকার তৈরিকৃত ফাঁসির দড়ি।
দেশ রক্ষার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দিন এই অবৈধ দখলদারদের নির্বাচনী প্রহসনের নাটক।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
দেশ আপনার সিদ্ধান্ত আপনার -
সত্য সবসময় সুন্দর।
১১-০২-২০২৬ 
২|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
পোষ্ট দিয়ে ভালোই করেছেন, আওয়ামীলীগ ও একজন প্রতিনিধি থাকা প্রয়োজন নির্বাচন উপলক্ষে। যদি ও আপনারা আপাতত খরচের খাতায়।
আওয়ামীলীগ হীন নির্বাচনে যেমন উৎসবহীন হবে বলে ধারনা করেছিলাম তার তো ছিটেফোঁটা দেখছি না। নির্বাচনের ছুটিতে নাকি ঈদের মতোই বাড়ি যেয়ে ভোট দেওয়ার হিড়িক পড়েছে।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: হুম.... সুস্থ আছেন নাকি ইণুচ ভাইরাস
৩|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এই ইলেকশন ফেয়ার হয়েছে আমেরিকা সারটিফেকট দিবে ; কারণ ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে । বিএনপির ভোটার সব দেশে গেছে ভোট দিতে । সাধারণ মানুষও কিছু গেছে ।
আওয়ামি লিগের কপালে খারাবি আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: চোরাইকৃত মাল ভাগাভাগির জন্য ইউনূস একটি নির্বাচনের আয়োজন করলেন।
...............................................................................................................
অপেক্ষা করুন
শতাব্দীর সেরা নির্বাচন হতে দিন
এরপর
তার সার্জারী হবে ।