নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেষের শুরু/ পুরোটা ছিলো ম‍্যাটিকুলাস.......‼️

২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৫৯



বাংলাদেশে রেজিম চেঞ্জ ছিল আমেরিকার ভুল’ড.জয়শঙ্করের কাছে স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিওর!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ওয়াশিংটন ও দিল্লি:-
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হবু বিদেশমন্ত্রী (Secretary of State) মার্কো রুবিও সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ইস্যুতে আমেরিকার বিগত পদক্ষেপগুলো একটি মারাত্মক ভুল ছিল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রুবিও এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। বৈঠকের প্রধান দিকসমূহ: ভুল স্বীকার ও আত্মসমালোচনা: বৈঠকে মার্কো রুবিও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাইডেন প্রশাসনের নীতি বাংলাদেশে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে, তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা বড় ধরণের কৌশলগত ভুল করেছে। ভারতের উদ্বেগ ও সমর্থন: ড. জয়শঙ্কর শুরু থেকেই আমেরিকাকে সতর্ক করেছিলেন যে, বাংলাদেশে উগ্রপন্থার উত্থান দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিপদজনক হতে পারে। মার্কো রুবিও এবার ভারতের সেই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন। সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার প্রসঙ্গ: বৈঠকে বাংলাদেশে হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং বর্তমান পরিস্থিতির ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতা বন্ধ না হলে তা ভারত ও আমেরিকা উভয়ের স্বার্থের পরিপন্থী হবে। বিশ্লেষকদের মতামত: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কো রুবিওর এই স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য এক বড় ধরণের আন্তর্জাতিক ধাক্কা। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ‘ইউ-টার্ন’ প্রমাণ করে যে, আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং আওয়ামী লীগ ইস্যুতে আমেরিকার কঠোর অবস্থান শিথিল হতে পারে। আমেরিকার নতুন পররাষ্ট্রনীতি: ট্রাম্প প্রশাসনের আসন্ন বিদেশমন্ত্রী হিসেবে মার্কো রুবিওর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন এখন থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় দিল্লির চশমায় ঢাকাকে দেখবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের কৌশলগত উদ্বেগকে এখন মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। উপসংহার: বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করে তা ভুল ছিল বলে মেনে নেওয়া—আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল ঘটনা। এর ফলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক বৈধতা এবং ভবিষ্যৎ স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। #BreakingNews #MarcoRubio #SJaishankar #BangladeshPolitics #USIndiaRelations #RegimeChange #Geopolitics #SheikhHasina #Diplomacy #SouthAsiaUpdate #TRUMP2025 #GlobalPolitics #বাংলাদেশ #রাজনীতি

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:১৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মেরুদণ্ড বলতে কিচ্ছু নাই। ভারত-পাকিস্তান ছাড়া এদের চলেই না। একদলের দিল্লির গ্রিন সিগন্যাল লাগে, আরেকদলের ভরসা পাকিস্তানের ইশারা। আর যখন এই দুইটাতেও কাজ হয় না, তখন দুই পক্ষই ওয়াশিংটনের পায়ে গিয়ে পড়ে । :)

২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮

ক্লোন রাফা বলেছেন: সবাইকে নিজেদের কাতারের ভাবার কোনো কারন নেই। লাল বদর আর রাজাকার তোষণ কারিদের সাথে শেখের বেটির তুলনা করা একেবারেই অন্যায়,অনুচিত এবং অবিশ্বাস্য।
শত চেষ্টা করেও একটা চুক্তিও দেখাতে পারেনি কেউ। শেখ হাসিনা আর যা করুক বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোন চুক্তিতে নেই।

কিন্তু ক্ষমতার জন্য আপনারা সবাই একই কাতারের / প্রয়োজনে শয়তানের সাথে সন্ধি করতে রাজি॥

জয় বাংলা, ঠেলা সামলা।⬇️

২| ২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

ক্লোন রাফা বলেছেন:

৩| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বুঝতে পেরেছি কেন আওয়ামী লীগ এতদিন শাসন করতে পেরেছে। একদিকে প্রতিপক্ষের ওপর 'স্বাধীনতাবিরোধী' তকমা লেগে আছে,পাশাপাশি তাদের দেশ পরিচালনার যথাযথ পরিকল্পনা বা দূরদর্শিতা নেই। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বহু চুক্তি করেছে, যেগুলো বিএনপি, জামায়াত কিংবা ইউনূস কাকা সামনে আনতে পারে নাই। এগুলো মানুষের সামনে আনতে পারলে জনগণ আওয়ামী লীগকে থুতু দিতো। ইউনূস কাকু যে 'রেসিপ্রোকাল ট্যাক্স' চুক্তি করেছেন, সেটা নিয়ে পাড়া-মহল্লায় চেঁচামেচি করে আওয়ামী লীগ মানুষের মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজ বুদ্ধিজীবী, দুর্নীতিবাজ মিডিয়া সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদসহ সব ধরনের লোক আছে যা অন্য দলগুলোর সেইভাবে নেই। আবার মানুষ অন্য দলগুলোকে পছন্দও করে না তাদের বাংলাদেশ-বিরোধী মনোভাবের কারণে। আর সেই সুযোগটাই আওয়ামী লীগ পাচ্ছে। আপনাদের চোখের সামনে আওয়ামী লীগের হাজারো অপকর্মের প্রমাণ থাকলেও আপনারা বলেন 'প্রমাণ দাও'। বিষয়টা খুবই মজার। :)

২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:৫২

ক্লোন রাফা বলেছেন: Come down , Cool- কোনো চুক্তি বাতিল করা না যাক। অন্ততপক্ষে প্রকাশ করে দেখিয়ে দিন, বঙ্গবন্ধু কিংবা শেখ হাসিনা যে চুক্তি করেছিলেন তা বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই ৭২ সাল থেকে শুনে আসছি গোলামি চুক্তি এবং দেশ বিক্রি চুক্তি। আশ্চর্যের বিষয় একটা চুক্তিও দেখলাম না বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি!
বাংলাদেশ প্রকাশ্যে না আনলেও ভারতের সংশ্লিষ্ট বিভাগে আমি অনেক চুক্তি পেয়েছি। ভারত ডিপ্লোমেসিতে এগিয়ে ছিলো কিন্তু বাংলাদেশ কোন নতজানু চুক্তি করেনি।
উল্টো ভারত কতগুলো চুক্তি বাতিল করাতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এবং এখনও অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

আমেরিকার সাথে যে চুক্তি করেছে তা সম্পূর্ণ একটি দাসত্বের চুক্তি। আমেরিকার স্বার্থ বিরোধী কোন চুক্তি পৃথিবীর কোনো দেশের সাথে করতে পারবে না। এমনকি যদি ডাবল পেমেন্ট করতে হয় তাও আমেরিকা ফার্স্ট এই নীতিতে চলবে সবকিছু।।

লন্ডন বৈঠকে কলিজা খেকো খলিলুর আর সুদি মহাজনের এই চুক্তির অনুমোদন স্বাপেক্ষা খাম্বা আর বর্তমান কার্ড ভাইয়া গদি দখলে নিতে সক্ষম হয়েছে।

আওয়ামীলীগের সমালোচনা করার পুর্বে নিজেদের পশ্চাৎদেশ আবৃত করুন। নারীর গোপনাঙ্গ ছিঁড়ে ফেলার জন্য জাতীয় বীর ঘোষণাকারি লালবদর আর এনজিওগ্রাম দালালদের বিচার আমরা করবো,ইংশাআল্লাহ্ ॥ আন্দোলনের নামে যে প্রতারণা করেছেন তারজন্য বাংলাদেশের আপামর জনগণের কাছে ক্ষমা চান॥

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥

৪| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৭

নতুন বলেছেন: ভাই যারা এইটুকু একটা যন্ত্র ( ষড়যন্ত্র) ম্যানেজ করতে পারেনা তারা তো পালিয়ে যাবেই।

আবার যখন বিম্পি দূনিতি, হত্যা গুম শুরু করবে তখন তারাও পালাবে। ;)

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০

ক্লোন রাফা বলেছেন: আমার কাছে আছে থ্রি নট থ্রি রাইফেল আর আপনি আমাকে আক্রমণ করলেন নিউক্লিয়ার উইপন দিয়ে আমার বাঁচার সম্ভাবনা কতটুকু ⁉️
রেজিম চেন্জে কাজ করে সুপার পাওয়ার আর তাদের মাসল কান্ট্রি মিলে / তারপর যে দেশে মির্জাফরের বাম্পার ফলন আছে। রাজাকারের সাথে যুক্ত লালবদর এবং দালাল এনজিও । নিজের ইন্টেলিজেন্স যখন বেঈমানি করে । বাংলাদেশে প্রতিটি সরকার পতনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

এতকিছুর সাথে কিভাবে সম্ভব একটু ব‍্যখ‍্যা করে বুঝিয়ে দিন/ পুরাতন নতুন॥

৫| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: উপরে একজন মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অনেক চুক্তি করেছে।
কিন্তু নটীর পোলা ইউনুস আর তার সাঙ্গপাঙ্গ আর ভক্তকূল একটা চুক্তিও বাতিল করলো না। ২৬ লাখ ভারতীয় বের করলো না।

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৩০

ক্লোন রাফা বলেছেন: ভাই কি রাগ করলেন⁉️রাগ কইরেন না। সেই ৭২ সাল থেকে শুরু হইছে । রাইতের বেলা সূর্য উঠছে আকাশে। এই ভাবেই তারা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবার হত্যা করার পটভূমি সৃষ্টি করেছে।
শেখ কামাল’কে ব‍্যাংক ডাকাত বানাইছে। বাসন্তী’রে জ্বাল পড়াইছে, যখন কিনা শাড়ির চাইতে জ্বালের দাম বেশি। মসজিদে উলুধ্বনি দেওয়াইছে। নেয়াখালী দখল করাইছে ভারতের মাধ্যমে। নিকট অতীতে ২৬ লাখ ভারতীয়। আরো কত কিছুই না বলছে।

এগুলো হলো তাদের নিজেদের হতাশা লুকানোর কৌশল। কারন তারা জানে যে সৃষ্টি করে তার দ্বারা আর যা হোক ধ্বংস করানো সম্ভব না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জন্ম দেয়নি। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ সৃষ্টির মূল কারিগর। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন তৃণমূল কর্মীও দেশের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারে না।

৬| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমেরিকা যখন তার মন মত হবেনা
সেই দেশে রেজিম চেন্জ করবে ।

.............................................................................
এই বিষয়ে জ্ঞান ও সচেতন হবার দরকার আছে
সকল দেশের জনগনের ।
মূর্খ, লোভি আর বে ঈ-মান জনগন থাকলে
এই ধরনের আরও গজব আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে !!!

৭| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ডার্ক ম্যান@আওয়ামী লীগের এই কথাটি খুবই কমন । আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি যে সহজে বাতিল করা যায় না, বাংলাদেশকে যে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এগুলো জেনেও আপনারা বাকিদের challenge দেন কেন ? আওয়ামী লীগ রিসিপ্রোকাল ট্রিটি করলে আমেরিকার সাথে বলতো : আপনারা পুরো দেশ নিয়ে যান ; তবু আমাদের ক্ষমতায় থাকতে দিন । =p~

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬

ক্লোন রাফা বলেছেন: কে বলছে বাতিল করা যায় না⁉️ ভারতই কয়েকটা চুক্তি বাতিল করেছে বাংলাদেশের সাথে। সেই কারনে বাংলাদেশ কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

৮| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: অনেক ঘটনা দেখা যাচ্ছে।

৯| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: আসিদ মাহমুদকে রিমান্ডে নেওয়া দরকার।

১০| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৯

কলাবাগান১ বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব
"ডার্ক ম্যান@আওয়ামী লীগের এই কথাটি খুবই কমন । আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি যে সহজে বাতিল করা যায় না"

আমরা তো বাতিল করতে বলছি না, জাস্ট দেখাক যে আওয়ামী লীগ দেশ বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। দেখাতে তো দোষ নাই

১১| ২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৫

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: " তিনি স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা বড় ধরণের কৌশলগত ভুল করেছে। " - আপনি কোথায় পেয়েছেন যে ,উনি বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন নিয়ে ঐ বক্তব্য দিয়েছেন ? আপনি কি নিজে দেখেছেন ?

সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের ছবি দিয়ে যা বুঝাতে চাচ্ছেন , সেটার কোনো প্রমান দিতে পারবেন ? আমি যমুনা টিভিতে উনার সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম, সেখানে বিএনপিকে নিয়ে যা বলেছেন সেরকম কোনো কিছু উনি বলেন নাই।

প্রমান বা সূত্র দিতে না পারলে বুঝবো আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্লগে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন ।

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৩০

ক্লোন রাফা বলেছেন: Click This Link থাকেন....

১২| ২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪৭

মাথা পাগলা বলেছেন: @ক্লোন রাফা

দয়া করে সোর্স লিংক সংযুক্ত করুন। মার্কো রুবির এধরনের মন্তব্য খুঁজে পেলাম না।

@ সৈয়দ কুতুব আওয়ামী লীগ রিসিপ্রোকাল ট্রিটি করলে আমেরিকার সাথে বলতো : আপনারা পুরো দেশ নিয়ে যান ; তবু আমাদের ক্ষমতায় থাকতে দিন।আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি যে সহজে বাতিল করা যায় না

দেশবিক্রির বিনিময়ে লাল বিপ্লব হয়েছে। হাসিনা আম্রিকার কাছে দেশ বিক্রি করে নাই বলেই পতন হয়েছে।

দুই বছরেও ভারতের সাথে দেশবিরোধী কোন চুক্তিও দেখাতে পারলেন বরং নিজেরা নন ডিসক্লোজার চুক্তি করে বসে আছেন। বিএনপি-জামাতের দশটা উল্লেখযোগ্য অবদান বলতে বললে পারবেন না। ইন্টারন্যাশনাল চুক্তিগুলা মনে হয় শুধু বাংলাদেশই বাতিল করতে পারে না, কিন্তু ভারত করতে পারে। =p~

২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: কুটননিতীর আলাদা একটা ভাষা আছে। অনেক বিষয় থাকে যা সরাসরি উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। শেখ হাসিনা যদি মার্কো রুবিওর সাথে বসতে অস্বীকৃতি জানান তা কি সংবাদে আসবে?

আসবেনা , কারন অফিসিয়ালি মিটিং করতেই পারেনা। একটা উদাহরণ দেই- তালেবানের হাতে দেশ ছেড়ে দিয়ে আমেরিকা চলে গেলো সেটি কি এমনি এমনি হয়েছে। নাকি অনেক গোপন বৈঠক হওয়ার পর হয়েছে?

নরেন্দ্র মোদি আমেরিকায় নিষিদ্ধ ছিলো / কালো তালিকাভুক্ত ছিলো। নিষেধাজ্ঞা তোলার পুর্বেই মোদির সাথে আলোচনা হয়েছে।আমেরিকা এমন একটি দেশ তারা কোনো নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করেনা। যখন তাদের প্রয়োজন হয় , তখন জঙ্গি হয় ফেরেশতা । আর ঈবলিশ হয় প্রোফেট।

১৩| ২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০২

নতুন বলেছেন: নিজের ইন্টেলিজেন্স যখন বেঈমানি করে । বাংলাদেশে প্রতিটি সরকার পতনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

এতকিছুর সাথে কিভাবে সম্ভব একটু ব‍্যখ‍্যা করে বুঝিয়ে দিন/ পুরাতন নতুন॥


সেনাপ্রধান শেখ হাসিনার আত্নীয়। আর্মীতে অবশ্যই সকল উচ্চপদের দলীয় ফিল্টারে ছেকেই পদন্নতি দেওয়া হয়েছিলো।

তারপরেও যদি তারা আমলীগের পতন চায় সেটা অবশ্যই আমলীগেরই ব্যার্থতা ;)

২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯

ক্লোন রাফা বলেছেন: বেঈমানি তো দুরের কেউ করেনা! কাছের মানুষ যখন করে তখন তাকে বেঈমান বলে। মোস্তাক , জিয়া থেকে আজকের ওয়াকার , সার্ভিস সবাই’তো কাছাকাছি ছিলে। বেঈমানরা কাছে থাকার সুযোগটাই কাজে লাগায়। ঠিক যেমন ব্লগে যে এত লালবদর ছিলো এটাই জান্তাম না‼️ :)

১৪| ২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কলাবাগান@আমি একটা পেয়েছি; সময় করে দেখিয়ে দিবো । আশা করি সেদিন সামুতে থাকবেন ।

১৫| ২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ২০০৮/২০২৪ এই টাইমলাইনের কথা বলছি।

বাংলাদেশ ২০১৭ সালে ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে একটি চুক্তি করেছিল যা দেশটিকে প্রতি বছর প্রায় ৮১.৩৪ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই চুক্তিতে আদানি ভারতের Godda পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত বাংলাদেশে সরবরাহ করার কথা রয়েছে, যা বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুত চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই চুক্তির মূল্য নির্ধারণ। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (BPDB) আদানির কাছ থেকে যে দামে বিদ্যুত কিনছে তা বাস্তবের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। ২৫ বছরের চুক্তির মেয়াদে BPDB আদানিকে মোট ২৩.৮৭ বিলিয়ন ডলার দিতে বাধ্য থাকবে, যা অন্যান্য দেশীয় বিদ্যুত উৎপাদকদের তুলনায় অনেক বেশি। এমনকি ভারতের নিজস্ব জাতীয় তাপবিদ্যুত্‌ নিগম থেকেও বাংলাদেশ কম দামে বিদ্যুত পেতে পারতো

কয়লার দামেও বিশাল পার্থক্য রয়েছে। আদানির Godda প্ল্যান্টের জন্য কয়লার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে টন প্রতি ৪৩৪ ডলার, যখন বাংলাদেশের নিজস্ব Payra পাওয়ার প্ল্যান্টে একই সময়ে টন প্রতি মাত্র ২৩৭ ডলার ধরা হয়েছিল। এই বিশাল পার্থক্য শুধু কয়লার দামে নয়, বরং আমদানি, সমুদ্র ভাড়া, বীমা এবং অন্যান্য সকল খরচে আদানি অতিরিক্ত অর্থ যোগ করেছে।

আরও অস্বাভাবিক ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ আদানির ভারতীয় আয়কর এবং অন্যান্য ভারতীয় ট্যাক্সের বিলও দিচ্ছে। যেহেতু এই প্ল্যান্টটি ভারতে অবস্থিত, তাই আদানি সেখানে ভারত সরকারকে ট্যাক্স দেওয়া উচিত। কিন্তু পরিবর্তে সেই খরচ বাংলাদেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ। প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব কোম্পানির ট্যাক্স সংগ্রহ করে, কিন্তু এখানে বাংলাদেশ অন্য দেশের কর ভার বহন করছে।

অন্যান্য সকল বিদ্যুত ক্রয় চুক্তিতে কয়লার দামে একটি বাধ্যতামূলক ছাড় থাকে, কিন্তু আদানির চুক্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি "অসাবধানতার" কারণে বাদ পড়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ লক্ষ লক্ষ ডলার সাশ্রয় করার সুযোগ হারিয়েছে, এবং আদানি যেকোনো দামে কয়লা সরবরাহ করতে পারে। এই সব সমস্যার কারণে বাংলাদেশ এখন প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার অপেক্ষমাণ বিল নিয়ে আদানির কাছে ঋণী। BPDB-এর কাছে এত উচ্চ মূল্যে বিদ্যুত ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল নেই, এবং প্রতি মাসে এই ঋণের পরিমাণ বাড়ছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই চুক্তিটি স্বচ্ছ এবং নৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়নি। হাসিনা সরকার চুক্তিটি খসড়া অবস্থায় সাক্ষর করেছে, কোনো প্রতিযোগিতামূলক বিডিং প্রক্রিয়া ছিল না এবং BPDB-কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের আইনি বিশেষজ্ঞরা এখন উপসংহার করেছেন যে এই চুক্তিতে সম্ভাব্য দুর্নীতি এবং ঘুষের অভিযোগ রয়েছে।

আদানি গ্রুপের সাথে হওয়া চুক্তি বিএনপি তো দূর -স্বয়ং আওয়ামী লীগ যদি বিএনপিকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসত, তাহলেও তারা বাতিল করতে পারত না। কারণ এতে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খারাপ হতো। আদানি মূলত মোদির আশীর্বাদপুষ্ট একজন ব্যবসায়ী। আওয়ামী লীগের সিস্টেমটাই হলো : জনগণের জন্য তো করছি, কিন্তু সেটার দাম যদি একটু বেশিও হয়, তাতে ক্ষতি কী? টাকা তো দেবে জনগণ; আর মাঝখান থেকে আমরা ক্রেডিট নেব য, ‘দেখো, দাম বেশি হলেও আমরা তোমাদের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা তো করেছি!’ আর এর পাশাপাশি নিজেদের ক্ষমতাটাও আরও পোক্ত করে নিলাম । :)

১৬| ২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৭| ২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৯

কলাবাগান১ বলেছেন: কোম্পানির সাথে চুক্তি কে অন্য দেশের সাথে দেশ বিক্রীর চুক্তি বলে চালিয়ে দিতে চান কুতুব সাহেব। উনাদের কাছে আমেরিকার সাথে চুক্তি আর আদানীর সাথে চুক্তি এক কাতারে দেখছেন

কিন্তু এই চুক্তির কিছু নেগেটিভ সাইড আছে কিন্তু ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ~৪,৯০০ মেগাওয়াট। হাসিনা সরকারের সময় এটা ২০২৪ সাল নাগাদ ২৫,০০০+ মেগাওয়াটে উঠে যায়। গ্যাসের অভাব, লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ ছিল ভয়াবহ। এই চুক্তি দিয়ে ১০% চাহিদার নির্ভরযোগ্য বিদ্যুত পাওয়া গেছে....

দুর্নীতির অভিযোগ আছে, কিন্তু এখনো কোনো কোর্ট প্রমাণ করেনি। অন্তর্বর্তী সরকার রিভিউ করছে, কিন্তু চুক্তি বাতিল করেনি।

“জনগণের টাকায় ক্রেডিট নেওয়া” বলাটা একটা রাজনৈতিক অভিযোগ। বাস্তবে হাসিনা আমলে বিদ্যুৎ সেক্টরে বিনিয়োগ বেড়েছে, বিদ্যুতায়ন ১০০% হয়েছে।

আমি বলব যে চুক্তিটি পারফেক্ট নয় — ঝুঁকি বাংলাদেশের উপর বেশি চাপানো হয়েছে। কিন্তু এটা “হাসিনার দুর্নীতি” বলে উড়িয়ে দেওয়া ভুল। ২০১৭ সালে এটা ছিল দ্রুত, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ পাওয়ার একটা উপায় (দেশীয় প্ল্যান্ট বিল্ড করার চেয়ে কম ক্যাপিটাল রিস্ক)। বর্তমান সরকার রিনেগোসিয়েশন করছে — সেটাই স্বাভাবিক। আপনাদের মত সমালোচকরা প্রায়ই সুবিধা (লোডশেডিং কমানো, ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ) উল্লেখ করেন না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.