নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেষের শুরু/ পুরোটা ছিলো ম‍্যাটিকুলাস.......‼️

২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৫৯



বাংলাদেশে রেজিম চেঞ্জ ছিল আমেরিকার ভুল’ড.জয়শঙ্করের কাছে স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিওর!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ওয়াশিংটন ও দিল্লি:-
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হবু বিদেশমন্ত্রী (Secretary of State) মার্কো রুবিও সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ইস্যুতে আমেরিকার বিগত পদক্ষেপগুলো একটি মারাত্মক ভুল ছিল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রুবিও এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। বৈঠকের প্রধান দিকসমূহ: ভুল স্বীকার ও আত্মসমালোচনা: বৈঠকে মার্কো রুবিও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাইডেন প্রশাসনের নীতি বাংলাদেশে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে, তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা বড় ধরণের কৌশলগত ভুল করেছে। ভারতের উদ্বেগ ও সমর্থন: ড. জয়শঙ্কর শুরু থেকেই আমেরিকাকে সতর্ক করেছিলেন যে, বাংলাদেশে উগ্রপন্থার উত্থান দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিপদজনক হতে পারে। মার্কো রুবিও এবার ভারতের সেই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন। সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার প্রসঙ্গ: বৈঠকে বাংলাদেশে হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং বর্তমান পরিস্থিতির ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতা বন্ধ না হলে তা ভারত ও আমেরিকা উভয়ের স্বার্থের পরিপন্থী হবে। বিশ্লেষকদের মতামত: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কো রুবিওর এই স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য এক বড় ধরণের আন্তর্জাতিক ধাক্কা। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ‘ইউ-টার্ন’ প্রমাণ করে যে, আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং আওয়ামী লীগ ইস্যুতে আমেরিকার কঠোর অবস্থান শিথিল হতে পারে। আমেরিকার নতুন পররাষ্ট্রনীতি: ট্রাম্প প্রশাসনের আসন্ন বিদেশমন্ত্রী হিসেবে মার্কো রুবিওর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন এখন থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় দিল্লির চশমায় ঢাকাকে দেখবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের কৌশলগত উদ্বেগকে এখন মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। উপসংহার: বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করে তা ভুল ছিল বলে মেনে নেওয়া—আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল ঘটনা। এর ফলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক বৈধতা এবং ভবিষ্যৎ স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। #BreakingNews #MarcoRubio #SJaishankar #BangladeshPolitics #USIndiaRelations #RegimeChange #Geopolitics #SheikhHasina #Diplomacy #SouthAsiaUpdate #TRUMP2025 #GlobalPolitics #বাংলাদেশ #রাজনীতি

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:১৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মেরুদণ্ড বলতে কিচ্ছু নাই। ভারত-পাকিস্তান ছাড়া এদের চলেই না। একদলের দিল্লির গ্রিন সিগন্যাল লাগে, আরেকদলের ভরসা পাকিস্তানের ইশারা। আর যখন এই দুইটাতেও কাজ হয় না, তখন দুই পক্ষই ওয়াশিংটনের পায়ে গিয়ে পড়ে । :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.