| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
বিএনপির পুলিশ এতো করিৎকর্মা যে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে । খুনের তদন্ত করে একেবারে আদালতের রায় সহ রিপোর্ট দিয়ে দেয় ! পৃথিবীর সবচেয়ে আপগ্রেডেড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন শিলং সালাউদ্দিনের অধীন । বাংলাস্থানের পুলিশ’কে এখন একটি নোবেল দেওয়া যায় । সুদী মহাজন এতে ভুমিকা রাখতে পারে।জজ মিয়া নাটকের চিত্রনাট্য তৈরি করে একেবারে বিচারও করে ফেলেছিলে প্রায়। এক এগারো এসে বাগরা দেওয়াতে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
রংপুরে ৪ খু//নে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বাবার সাক্ষাৎকার এটা। পুলিশ যখন সিদ্ধার্থকে খুঁজতে বাসায় যায় তখন সিদ্ধার্থ তার কাকার বাসায় ঘুমাচ্ছিলো। অতঃপর পুলিশ ফোর্স করলে তার বাবা নিজে পুলিশের সাথে গিয়ে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে। একবার ভেবে দেখেন কেউ এমন একটা নৃশং'স হ*ত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে— কোথাও না পালিয়ে নিজ বাসায় নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে!! এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব? এছাড়া তার বাবা-মা দুজনই বলছে তাদের ছেলে কোনো ধরনের নেশার সাথে জড়িত না। এমনকি এটা দরকার হলে আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করে দেখতে বলেন। এই ঘটনা কি সত্যি মনে হয় কিনা! এমন প্রশ্নের জবাবে তার বাবা বলেন, "এখানে তো আমার করনীয় কিছু নাই৷ পুলিশ যা বলবে সেটাই সঠিক"
মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসা পরাধীন বিএনপি সরকার এর বিরুদ্ধে অতীতে ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে 'জজ মিয়া নাটক' মঞ্চস্থ করার নজির রয়েছে। তবে কি সেরকমই কিছু লুকাতে এই নাটক সাজাচ্ছে!? কেননা অনেকেই চাঁদাবাজি সংক্রান্ত একটা বিষয় আছে বলে জানিয়েছেন, কিন্তু পুলিশ এই বিষয় নিয়ে একটা টু শব্দও করেনি; এখানে সত্য কি? সেটা আজ না হলেও— অদূর ভবিষ্যতে অবশ্যই সামনে আসবে।
বিএনপির চাঁদাবাজির রানিং ফাইল নাকি সাজানো নাটকের নতুন চিত্রনাট্য?
রংপুরে চাঁদাবাজির টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় একটি পুরো শিক্ষক পরিবারকে নৃশংসভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হলো। অথচ অপরাধ আড়াল করতে এবং আসল অপরাধীদের বাঁচাতে বিএনপি প্রশাসন অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে সাজানো হলো 'মাদকসেবীদের কাণ্ড' নামের সস্তা ও পুরনো এক নাটকের গল্প!
কিন্তু নাটকের মাস্টারমাইন্ডরা হয়তো ভুলে গিয়েছিল, সত্য কখনো ঢাকা থাকে না। গতরাতে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার গায়ে থাকা পোশাক আজ গ্রেপ্তারকৃত আসামির গায়ে—এ কি কেবলই 'কাকতালীয়' ভুল, নাকি পুরো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সাজানো নাটকের সবচেয়ে বড় গলদ?
যখন বিচারব্যবস্থা এবং প্রশাসন রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিতে ব্যস্ত থাকে, তখন রক্ষকই ভক্ষকের রূপ নেয়। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতেই কি এই স্ক্রিপ্ট সাজানো হলো? রক্ত দিয়ে লেখা এই সত্য গোপন করার চেষ্টা ধামাচাপা পড়বে না। বিএনপির এই প্রশাসনিক প্রহসন আর রাজনৈতিক নাটক বন্ধ করে অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও মূল অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে!
কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের ইতিহাসে বিএনপি কখনও ন্যায় বিচারে বিশ্বাসী নয় । তারা নাটকের পর নাটক সাজিয়ে পুরো সত্য’কে গোয়েবলসের কায়দায় নতুন রূপ দেয় । তাদের ইতিহাস হলো ইনডেমনিটি দেওয়ার ইতিহাস । এমনকি তাদের নেতা, জিয়াউর রহমান “ হত্যাকাণ্ডের বিচার করতেও অপারগ ‼️
উপসংহারে এখন শুধু এটুকুই বলতে পারি । জজ মিয়া নাটকের আরেকটা সিক্যুয়াল হয়তো দেখতে পাবো । যদি না স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তাদের পতন ঘটে । যদি তা না হয় তাহলে ২০০১ -থে ২০০৬-এর অপশাসনের রেকর্ড ভেঙে যাবে । তারেক জিয়া মনে হয় সেই পথেই হাঁটছে ......
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:২৬
কলাবাগান১ বলেছেন: আগে দেখতাম ঘটা করে সায়েন্টিফিক সেমিনার হত...বক্তারা শক্ত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিয়ে লেকচার দিত..এখন দেখি সেই আদলে জিহাদ/শরিয়াহ নিয়ে সেমিনার/সিম্পোজিয়াম.. বাহ.. বাংলাদেশ...
তবে যে শার্ট নিয়ে এত কন্ট্রোভার্সি, আমার মনে হচ্ছে দুই ছবিতেই সেইম লোক, তাই সেইম সার্ট দেখা যাচ্ছে। পুলিশকে বলতে হবে, তারা কি আসামীকে নিয়ে ঘটনাস্হলে গিয়েছিল কিনা