| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটি শান্তিপুর্ণ সংসার গড়ার পুর্ব শর্ত হলো সুন্দর দাম্পত্য জীবন । মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হল দাম্পত্য জীবন । এখানে দ্বন্দ্ব কলহ বিবাদ টানাপোড়া চলতে থাকলে বাড়ী গাড়ী সম্পদ সবই মুল্যহীন ।
সপ্নের নীড় ভেংগে হয়ে যায় খান খান । অশান্তির আগুন জ্বলতে থাকে ২ টি পরিবারে । ছেলে পক্ষ এবং মেয়ে পক্ষের পরিবারে ট্যানশন বাসা বাঁধে । ঘুম হারাম হয়ে যায় । একসময় সালিশ দরবার অতিক্রম করে থানা কোর্ট পর্যন্ত গড়ায় । মানসিক যন্ত্রনা , অর্থ দন্ড,মানইজ্জত সম্মান হানি , নিস্পাপ সন্তানদের মানসিক নির্যাতন সহ হাজারো সংকটে নিমজ্জিত হতে হয় ।
একমাত্র ভুক্তভুগী ছাড়া এই যাতনা ব্যাথা বেদনা অন্য কেউ বুঝতে পারে না । তাই ভাবিয়া করিও কাজ , করিয়া ভাবীয় না । অসময় হায় হায় কেউ কারো নয় । বিয়ের সময় মামু খালু দুলাভাই সবই কাছে । দুঃসময় কেউ থাকেনা পাশে । তোমার বৌ তুমি সামাল দাও । তোমার ঘর তুমি গুছাও । তোমার সংসার আমার আছে কি করার ? তোমার সংকট তুমি ঠেকাও । এসব বলে সবাই দুরে চলে যায় । তাই খুব সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে ।
***** যারা বিবাহ করে দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করতে চান ****
বিবাহ সংসার জীবনের ১ম স্টেজ । সিদ্ধান্তে ভুল হলে সব শেষ । বন্দুকের একাধিক বুলেট মিস হলে আর একটি বুলেট খরচ করে টার্গেট পুরন করা যায় । ব্যবসা নষ্ট হলে পুনরায় শুরু করা সম্ভব । বাড়ি ঘর ভেংগে গেলে আবার গড়া যায় । কিন্তু মন একবার ভাংলে জোড়া লাগানো খুবই কঠিন । ভাংগা কাচ জোড়া লাগানো যায় ।
ভাংগা হৃদয় কতবার মেরামত করা বা জোড়া লাগানো সম্ভব ? একটি বিবাহ সহজ কিন্তু মনের মত কাংখিত সুন্দর বিবাহ সহজ নয় । আমাদের সমাজে বিবাহ যোগ্য ছেলে মেয়ের অভাব নেই । কিন্তু তার পরও যা চাই তা পাই না । খুজতে খুজতে হয়রান । আসলে আমি যেমন তেমনটা চাই না । আমার পরিবার যেমন তেমনটা বুঝি না । অনেক ক্ষেত্রে বামুন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বারানো হয় । আমার সাথে আমার মা বাপের সাথে কতটা খাপ খাবে তা ভাবা হয় না ।
ছেলে বা মেয়ে হালাল না হারাম খেয়ে বড় হয়েছে তা বিবেচনা করা হয় না । মেয়েটা হয়ত পিজা ,ব্রুস্ট ,পোলাউ , বিরানী , রোস্ট কাবাব , চাইনিজ ইত্যাদি খেয়ে , এসি ভিতর খাট পালং এ আলিশান প্রাসাদে পুতুলের আদরে বড় হয়েছে । যেন প্রিন্সেস ডায়না । আর আপনি ছেলেটা গ্রামের ভুত শহরে উঠে পয়সার গরমে এই মেয়েটা পাওয়ার জন্যে পাগল পারা । যে কোন মুল্যে তাকে চাই । নদীর মাছ পুকুরে বাচে না । বনের পশু লোকালয়ে আসেনা । বণ্যেরা বণে শিশুরা মাত্রি কোড়ে ।
এর ব্যাত্যয় ঘটলে বিপদ ডেকে আনবে । যাকে যেখানে মানায় তাকে সেখানে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ । আমার জম্মটা কেমন পরিবারে , আমার যোগ্যতা কত টুকু বিবাহের ক্ষেত্রে ঠিক তাই ভাবতে হবে । পার্থক্যটা ১৮/২০ হলে চলে কিন্তু ১২/২০ এ হলে জঞ্জাল সৃষ্ট হবে । কিভাবে -------- গল্প শুনুন ---
স্বামী বিচারক । স্ত্রী সম্ভ্রান্ত পরিবারের কণ্যা । ৪ বছরের এক সন্তান । ছেলে খেলাধুলা করে । মা লক্ষ্য করলেন বাচ্চাটা প্রায় খেলার সময় একটি বাটিতে ধুলা বালি নিয়ে মাথায় করে হাটা হাটি করে । কখনও কখনও ময়লা আবর্জনা বাটিতে ভরে মাথায় নিয়ে হাটে । মা নিষেধ করেন । বাচ্চা শুনেনা । মা রাগ করেন । বাটি ধরে দুরে নিক্ষেপ করেন । বাচ্চাটি বাটি কুড়িয়ে একই কাজ করে । একাধিক দিন এই দৃশ্য দেখে মা দুর্চিন্তায় পরেন । একদিন বিষয়টি স্বামীকে জানান । স্বামী বাচ্চা মানুষ খেলা করে বলে উত্তর দিলেন । স্ত্রী এই উত্তরে সন্তুস্ট হতে পারে নি । কিন্তু স্বামীকে আর কিছু বলেন নি । কিছু দিন পর স্ত্রী তার বাপের বাড়ী বেরাতে গেলেন । তার মন খারাপ । সরাসরি দাদার কাছে গিয়ে বিষয়টি বললেন । দাদার নিকট এর রহস্য জানতে চাইলেন । বুদ্ধিমান দাদা জানতেন বাচ্চাটির বাবার পারিবারিক ইতিহাস । তিনি বিষয়টার গভীরতা বুঝতে পারলেন । তাই বাচ্চার মাকে খুলে বললেন যে ,বাচ্চাটির দাদার দাদা মেথর ছিল । বাচ খেলা শেষ । মেয়েটি স্বামীকে বিদায়ের চুড়ান্ত ফয়সালা জানিয়ে দিল । [ এই গল্প সত্য কিনা আমার জানা নেই ]
----------বিবাহের ক্ষেত্রে গল্পটা মাথায় রাখতে পারেন । সকলেই দাম্পত্য জীবনে সুখ শান্তি চায় । সম মানে বিবাহ না হলে দাম্পত্য জীবন চোরাবালিতে আটকে যাবে । নিজের অবস্থান , যোগ্যতা ,পারিবারিক অবস্থা ,বংশ , ধার্মিকতা ,আর্থিক সামর্থ্য ইত্যাদি মৌলিক বিষয় গুলো ভালভাবে বুঝার চেষ্টা করুন । নিজকে অতিমাত্রায় খুব যোগ্য ভাবার মানসিকতা ত্যাগ করুন । নিজ পরিবারে এবং আত্মীয় স্বজনদের ভিতর যারা দাম্পত্য জীবনে সুখী তাদের পরামর্শ নিন । ভাল মানুষের সাথে কথা বলুন । খামাকা বিয়ে করার ঘোষনা দিয়ে মেয়ে দেখার জন্যে গোটা পরিবারকে মাঠে নামিয়ে নিজেও একটার পর একটা দেখে ভাল মেয়ে যোগার করা যাবে না । এই ভাবে শুধু গরু ছাগল কেনা যায় । মনের মানুষ পাওয়া যাবে না । ভাল মানুষ বিক্রি হয় না ো তাদের জন্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হয় না । ভাল মেয়ে বা ছেলে নিয়ে অভিভাবককে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হয় না । আপনি যেমন তেমন খুজার চেষ্টা করুন । পকেটে ৫০০ টাকার নোট আছে । ৫০০ টাকা মুল্যের মাছটা কিনুন । খামাকা তাজা ফকফকে ১০০০ টাকা দামের মাছটার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে কোন লাভ নেই । তা কিনার সামর্থ আপনার নেই । আফসোস করা বোকামী । নিজের সামর্থ যোগ্যতার উপর আস্থাবান হোন । আরেক জনের বৌ রুপবান তাই আপনার বৌ হতে হবে ডায়না । আপনার বৌর রুপের আলোতে এলাকার চাঁদের আলো ম্লান করে দিবে । এমন বোকামীর প্রতিযোগিতা করলে '' সুন্দরী প্রতিযোগিতা '' এর আয়োজন করে ভাল অংকের টাকা কামাতে পারবেন । কিন্তু দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তির চিন্তা মাথা হতে বাদ দিতে হবে । এক হবু বরের সত্য কাহীনি শুনুন ।
প্রবাসী যুবক '' ক '' সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী । হ্যান্ড সাম বডি । বংশ খারাপ নয় । বিবাহ করার সিধান্ত নিয়ে ৬ মাসের ছুটিতে দেশে যায় । হবু কনের জন্যে সব কিছুই সাথে নিল । নগদ ক্যাশও প্রায় ৩ লাখ । অনেক আশা আগ্রহ উদ্দীপনা । ঠান্ডা মাথায় কাজ করা , ধার্মিক নম্র ভদ্র ভাল বংশ সংসারী মেয়ে খুজার পরামর্শ দিয়েছিলাম । বলেছিলাম বিবাহ করতে হয় নীচে আর দিতে হয় উপরে । নিজের মানের উপরে এমন যোগ্য মেয়ে বিবাহ করা ঠিক নয় । ছেলেটি দেশে গেল । ৬ মাস থাকল । কিন্তু বিবাহ তার হল না । জানতে চাইলাম কেন বিবাহ হল না । সে বলল , কইয়েন না , আইজ কাইলকার মাইয়্যা হগল দারুন চালক , মোরে কয় '' মুই নাহি একডা পারমের মুরগা [ ফার্মের মোরগ ] '' । আমি ভাবলাম তার ভাগ্য ভাল , তারে যে উঠান খাসি বা আমড়া গাছের ঢেকি বলে নাই । এমন সুন্দর স্বাস্থ্য এত আর্থিক প্রস্তুতি থাকার পর বিবাহ হল না তা ভাবতে আমার বড় কষ্ট হয়েছে । ৮ম শ্রেনী পাশ এই যুবক আসলে আমার ভাল পরামর্শ গুলো যাবার সময় সৌদি বিমান বন্দরে রেখে গেছে । গ্রামে পরামর্শের অভাব নেই । বিবাহ নিয়ে ছেলের প্লান , ফেমিলির আশা আকাঙ্ক্ষা , স্বজনদের দরদ আর গ্রাম্য ভেলকী বাজী এবং ঘটকদের সীমাহীন দেখানো স্বপ্ন তার বিবাহকে অনিশ্চিত করে দিল । ৬ মাসের দৌড় ঝাপে শুধু অলংকার ছাড়া তার সব খালাস । তবে বিদেশ ফিরে আসার ১০/১২ দিন আগে একটি মেয়ে পছন্দ করে । মেয়ে পক্ষ মাত্র কয়েক দিনের জন্যে বিয়ে দিতে রাজী হয়নি । মেয়ে কলেজে পড়ে । বাবা পুলিশে চাকরী করে । ভাল ছাত্রী । তাকে একদম বিমুখ করেনি । আসার সময় তাকে মেয়ের একটা ছবি এবং মোবাইল নম্বর গিফট করে বলে দিল আবার ছুটি নিয়ে গেলে বিবাহ হবে । ছেলে আদা খুশি আর আদা ব্যাথা নিয়ে ফেরত আসল । আসার সময় সাথে একখান '' স্বামি স্ত্রীর গোপন রহস্য '' বই নিয়ে আসে । ছবি , বই , মো নং এইবার তাকে রংগিন স্বপ্ন দেখাতে লাগল । হুশ নেই , ঘুম নেই শুধু আলাপ আর আলাপ । মেয়ের সাথে , মেয়ের মা এর সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা শুন্যে কথা চলতে থাকে । কক্ষনও ছাদে কক্ষনও সিড়ির নীচে বসে প্রেমের আলাপ আর স্বপ্নের ভবিষ্যৎ ফোনে তৈরী হতে থাকল । তার এই কথোপতনে সবাই বিরক্তি প্রকাশ করতে লাগল । আমি একাধিক বার নিস্ফল বেহুদা প্যাচাল পারতে নিষধ করলাম । কিন্তু কে শুনে কার কথা । মেয়েলী রোগ '' ভাই তোমাকে না দেখলে আমার ঘুম হয় না '' । একদম দেয়ানা । ২ মাস এই ভাবে প্রায় ৪০ হাজার টাকা টাকা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল । তার পর রনে ভঙ্গ । ৩য় মাস হতে মেয়ে এবং তার মা কথা বন্ধ করে দেয় । বাচ খেলা শেষ ।
এই হল আমাদের চরিত্র এবং সেই চরিত্রের সমাজ । বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে - মেয়ে পছন্দ করতে ভুল হলে সব সর্বনাশ । আমাদের সমাজে মেয়েটাকে দেখার সাজ সাজ রব চলে । মেয়ে কে ছেলে দেখা এবং বুঝার কোন সুযোগ দেয়া হয় না । ইহা একেবারে ইসলাম বিরোধী রেওয়াজ । বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের মতামত উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই ।
এক যুবতী মেয়ে রসুল স এর কাছে উপস্থিত হয়ে জানাল যে , তার বাবা তাকে চাচত ভাইর নিকট বিবাহ দিয়েছে । কিন্তু এই বিয়ে তার পছন্দ নয় । তখন রসুল স এই বিষয়ে ফয়সালা করার ইখতিয়ার তাকেই দিলেন । মেয়েটি বলল ঃ আমার পিতা যে আত্মীয়তা করেছে সে তা কার্যকর করেছে । কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে , আমি নারী কুলকে জানিয়ে দিব যে ঃ মেয়েদের ব্যাপারে বাপদের কিছু করার ইখতিয়ার নেই । [ ইবনে মাযা ]
ইসলামে বিয়ের লক্ষ্য - উদ্দেশ্য সুস্পস্ট । বিয়ের আসল উদ্দেশ্য কি ? আল্লাহ বলেছেন ঃ
'' এবং তাঁর নির্দেশনাবলীর মধ্যে এও একটি যে , তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য হতে জুড়ি সৃস্টি করেছেন , যেন তোমরা তাদের কাছে পরম শান্তি - স্বস্তি লাভ করতে পার এবং তোমাদের মাঝে বন্ধুত্ব ও সহৃদয়তার সৃস্টি করেছেন । চিন্তাশীল মানুষের জন্যে এতে চিন্তা বিবেচনার বিষয়াদি রয়েছে '' । [ আর রোম - ২১ ] ।
কোরানের এই ভিত্তির উপর দাম্পত্য জীবনের প্রাসাদ তৈরী হবে । যে প্রাসাদে থাকবে না কলহ বিবাদ উচ্ছৃংখলতা । থাকবে প্রেম ভালবাসা , মানসিক শান্তি - স্বস্তি - তৃপ্তি, সকলের সম্প্রীতি , গভীর সহনাভুতি মধুর সম্পর্ক । এগুলো হল বিবাহ বন্ধনের আসল উদ্দেশ্য । আমরা আল্লাহর দেয়া বিধি বিধান মানছি না । নিজেদের খেয়াল খুশী মত যে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে পথ রচনা করে চলেছি । আর বিপদ ডেকে এনেছি । আর বলছি '' এটা আমার নসিব '' । একটি পরিবার সুন্দর হলে একটি বাড়ী সুন্দর হয়ে যায় । আর একটি বাড়ী সুন্দর হলে সমাজ ভাল হয় । ধর্মীয় অনুশাসন মেনে না চললে তা সম্ভব নয় । আমাদের নেতা হযরত মুহাম্মদ স বিয়ের ক্ষেত্রে ৪ টি বিষয় গুরুত্ব দিতে বলেছেন ঃ
১] ধার্মিকতা
২] বংশ
৩] সৌন্দর্য
৪] অর্থ
তবে এই ক্ষেত্রে রসুল স ধার্মিকতা এবং বংশের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়ার তাগিদ দিয়েছেন । আমাদের সমাজে ৩ - ৪ নং কোয়ালিটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব পুর্ণ । আপনি নিজে ৪ কোয়ালিটির অধিকারী হলে সেই কোয়ালিটির মেয়ে খুজতে পারেন । একসাথে ৪ বৈশিষ্ঠ্য পাওয়া দুস্কর । পেলে তা হবে খুবই ব্যতিক্রম ।উপরে ফিটফাট ভিতরে সদর ঘাট বা গা সুন্দর খালত ভাই কামের নামে ঠন ঠন এমন সৌন্দর্য মার্কা ছেলে - মেয়ে হতে দুরে থাকুন । আর নিজেই এমন হলে দয়া করে আপনার মতই একজন জোগার করুন । মিলবে ভাল । ঝগড়া ঝাটি - মারামারী করে এক কক্ষে ফ্লরে - খাটে একা একা রাত ভালই কাটবে । গালাগালি ঝগড়া সন্তানদের কিছু ভাগ করে দিতে পারবেন । যেমন বীজ তেমন গাছ । সুন্দর ফল পাওয়ার কোন সম্ভানা নেই । তাই বিয়ের আগে বিবেচনায় নিন । আসলে আপনি কি চান । শান্তি না অশান্তি ??????????
যদি শান্তি চান তাহলে বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নিন । যে বিষয় গুলো ভাল করে দেখা জরুরী ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ
১] মানসিক , শারীরিক এবং আর্থিক সামর্থ ।
২] অভিভাবকের সিদ্ধান্ত ।
৩] ছেলে , মা , বাবা , ভাই বোন সহ যৌথ পরামর্শ সভা এবং সম্মেলিত সিদ্ধান্ত ।
৪] মেয়ের স্বাধীন মতামত - পছন্দ - অপছন্দ ।
৫] বেশী নয় । ৪/৫ জনের ডাটা সংগ্রহ ।
৬] বাবা , ভাই , চাচা , খালু , ফুফা , দুলাভাই কোন পুরুষ আত্মীয় মেয়ে দেখার সুযোগ নেই ।
৭] ছেলে - মেয়ে উভয় উভয়কে ভাল করে দেখবে -জানবে সে ব্যবস্থা থকা । এই ক্ষেত্রে মেয়ের সাথে আবশ্যি মেয়ের মহররমা পুরুষ আত্মীয় থাকতে হবে ।
প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া হারাম ।[ একটি পক্ষের সাথে বিবাহের আলাপ চলছে এমন অবস্থায় তৃতীয় পক্ষের প্রস্তাব পাঠানো আন্যায় ] ।
১২] উভয় পক্ষের আগ্রহ থাকলে প্রস্তাব পাঠানো যায় । এক পক্ষের আগ্রহ না থাকলে বার বার সেখানে প্রস্তাব পাঠানো ঠিক নয় ।
১৩] পারস্পরিক সহযোগীতা সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরী করা ।
১৪] তাড়া হুড়া না করা । জোর জবর দস্তির মানসিকতা বর্জন করা ।
১৫] উভয় পক্ষের সামর্থ বিবেচনায় আনা ।
১৬] তথা কথিত গ্রাম্য উকিলের ফাঁদে পা না দেয়া ।
১৭] উভয় পক্ষের সব ব্যাপারে স্বচ্ছতা থাকা । একজন দেখিয়ে আর একজন দেয়া বড় ধরনের মারত্মক অপরাধ ।
১৮] ভাল মানুষের পরামর্শ নেয়া ।
১৯] কান কথা বর্জন করা ।
২০] দুষ্ট লোক হতে দুরে থাকা ।
সর্বপরি মহান আল্লাহর দরবারে আরজি পেশ করা । গভির রাতে সালাতুল হাজত নামাজ পরে কান্নাকাটি করে আগ্রসর হলে সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ । বিবাহ করে দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করুন । যখন সংসার পর্ব শুরু হবে , আমিও তখন ২য় পর্ব নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ ।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৪৭
গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ। আর আগাম
২|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:১১
আশিক মাসুম বলেছেন: সারিকা আফায় কি দোস করলো?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৩
গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: সারিকা অনেক ভালু
৩|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:১৭
ডেডম্যান বলেছেন: এ কোন দুনিয়া আইলো রে ভাই। এভাবে ***** সুরসুরি দিয়া নামাজ পড়তে কইতে হইব? তয় আপ্নের কালেকশন ভালো
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৩
গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: ারিকা ভালু
৪|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৩৮
ধৈঞ্চা বলেছেন: ছবিগুলো পোষ্টের মান জিরোতে নিয়ে গেছে, যারা দাম্পত্য জীবনে সত্যিই সুখী এমন কিছু ছবি দিতে পারতেন। এই মডেলদের কোন সংসার বা দাম্পত্য জীবন আছে বলে আমি মনে করি না।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৩
গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: ্কেন ?
৫|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:৩০
সরোজ রিক্ত বলেছেন: ঐগুলো আমাকে দিন, আমি সুখী হব, কোন তরিকা লাগবে। সুখী হওয়ার জন্য তরিকা আপনি রাখেন।
আর ছবি দেয়ার ছাগলামো বাদ দেন।
পোষ্ট পড়ি নাই।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৫
গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: েকেন
৬|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:৩১
সরোজ রিক্ত বলেছেন: কোন তরিকা লাগবে না*।
৭|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:৩৫
সরদার হারুন বলেছেন: দাম্পত্য জীবন বলতে বুঝায় বিবাহিত জীবন তাইতো।এক সময় মনে হতো
কখন আসবে তুমি যদি বলে যেতে
তবে তোমার আসার পথে হৃদরে সব ফুল
বিছায়ে দিতাম
কাগজের নৌকা ভাষায়ে জলে
দু'জনেই এক সাথে হাসতাম।
এখন মনে হয়
সহস্রবন্ধন মাঝে থাকিব একাকি
মৃত্যু হবে তিব্রযন্ত্রনায়
আমার প্রাণের ব্যাথা
কেহ বুঝিবে না ।
৮|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৫
ভিটামিন সি বলেছেন: কি লিকছেন পড়ি নাই। খালি ছুবি দেকলাম। একই মাইয়ার বিজ্ঞাপন দিলেন মনে হয়। হেতিরে কি আমার সাথে বিবাহ দেওন যাইব?
৯|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৪০
মাক্স বলেছেন: ভিটামিন সি এর পাত্রী পছন্দ হৈছে![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
১০|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৩৭
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
ভাই খালি ছবি দেখলাম বড়ই সৌন্দর্য :!> :!> :!>
১১|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫১
কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: এ ধরনের ফাজলামির মানে কি? নামায, নিয়ত, তাওয়াক্কুল এবং সুপরামর্শ সমৃদ্ধ পোস্টে সারিকার সব ছবি দিয়ে রেখেছেন কেন? সারিকার ছবি দেখিয়ে আগ্রহী করে পাঠক দের লেখা পড়াতে চান? এতে সফল হলেন, কিন্তু একটা ভাল লেখা কে অপমান করলেন, সেই খেয়াল নেই?
১২|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫৪
লাবনী আক্তার বলেছেন: কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: এ ধরনের ফাজলামির মানে কি? নামায, নিয়ত, তাওয়াক্কুল এবং সুপরামর্শ সমৃদ্ধ পোস্টে সারিকার সব ছবি দিয়ে রেখেছেন কেন? সারিকার ছবি দেখিয়ে আগ্রহী করে পাঠক দের লেখা পড়াতে চান? এতে সফল হলেন, কিন্তু একটা ভাল লেখা কে অপমান করলেন, সেই খেয়াল নেই
সহমত!
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:০৬
এম ই জাভেদ বলেছেন: একদিকে ঝাকা নাকা ছবি , অন্যদিকে নামাজ পড়ার পরামর্শ। পোস্টের বক্তব্যের সাথে ছবি গুলি একদম যায়না। সুড়সুড়ি দ্যান ক্যান মিয়া !