| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যে কোন দেশের যে কোন নাগরিকের স্বাধীন ভাবে মত প্রকাশের অধিকার আছে আছে স্বাধীন ভাবে চলার অধিকার আমরা মানুষ অধিকার কি জিনিষ তা কেবল আমরাই অনুধাবন করতে পারি গরু-ছাগল বা কুকুর-বিড়ালের এই বোধ নাই তারা কেবল তিনটি জিনিসই বুঝে খাও, বেচেঁ থাকো আর বংশধর রেখে যাও যেহেতু অধিকার সম্পর্কে আমরা মানুষেরা সচেতন তাই বলে কি অধিকারের দোহাই দিয়ে যা ইচ্ছা তাই দাবি করবো?
আমরা মানুষরাই এই দুনিয়ার সেরা প্রাণী কারণ আমাদের মাঝেই আছে জ্ঞান-বিজ্ঞান, ভালবাসা-ঘৃণা, আনন্দ-বেদনা, ভক্তি-শ্রদ্ধা, শ্লীলতা-অশ্লীলতা, লাজ-লজ্জা ইত্যাদি গুনাবলী আর কেবল মাত্র আমরা মানুষেরাই পারি নিজের অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ করে জৈবিক চাহিদাগুলো
কুকুর-বিড়াল বা গরু-ছাগলদের মাঝে ভালমন্দ বুঝার ক্ষমতা নাই, কখন কোথায় কি করতে হবে তাও তারা বুঝে না তাইতো এই সব প্রাণী পথেঘাঁটে যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করে, সংগম করে এইতো সেদিন, আমার এক খালা আর আমি কথা বলতে বলতে আমাদের গ্রামের সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখলাম সড়কের পাশে দুই কুকুর সংগম করচ্ছে আমরা দুইজনেই তা না দেখার ভান করে হাঁটতে লাগলাম কেন? এটাতো প্রকৃতিরই একটা অংশ তাহলে আমরা এই জিনিসটা কেন স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারি না? কারণ আমরা মানুষ আমাদের মাঝে সভ্যতা আছে আমরা লজ্জা কি জিনিস তা জানি তাইতো আদিম কাল থেকে পোষাক নামের আবরন দিয়ে আমরা আমাদের অন্তত লজ্জাস্থানটা আবৃত করে রেখে আসছি নিশ্চই কোন মা আর ছেলে, কিংবা বাবা আর মেয়ে একসাথে বসে ব্লু ফ্লিম দেখতে পারে না যারা এই কাজটা করতে পারে আমার মনে হয় তারা মানসিক ভাবে অসুস্থ যেমন বলিউডের পরিচালক মহেশ ভাট আর তার কন্যা প্রিয়া ভাট এছাড়াও পশ্চিমা বিশ্বে এমন চিত্র কিছুটা দেখা যায় তবে তা তুলনা মূলক ভাবে খুবই কম
তবে ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেইসব অসুস্থ মানসিকতার অধিকারী কিছু মানুষ আমাদের দেশেও কুকুর-বিড়ালের মত যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করার জন্য দাবি করছে শুধু মলমুত্র ত্যাগ করার কথা থাকলেও মানা যেত, পাশাপাশি তারা কুকুর-বিড়ালের মত যেখানে সেখানে সেক্স করারও কথা বলছে আর এটা তাদের অধিকার বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে আমরা যদি তাদের কে বলি ভাই, এসবতো কুকুর-বিড়ালের কাজ মানুষের এসব করা কি মানায় হাজার হোক লাজলজ্জা বলে তো একটা কথা আছে তখন তারা বলে, আপনার লজ্জা করলে আপনি বোরকা পড়ে থাকেন
কেন, এদেশটা কি তোমার একার? তুমি যেমন এই দেশের নাগরিক তেমনি আমিওতো এই দেশের নাগরিক তোমরা যদি আকাম-কুকামের জন্য আন্দোলন করতে পারো ত আমরা কেন পারবো না? তোমরা তোমাদের বউরে পাবলিক প্লেসে ওপেনলি সেক্স করো তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না কিন্তু তোমরা কেন অন্য আরেক জনকে বলছো তার বউকেও সবার সামনে পাবলিক প্লেসে সেক্স করতে? অন্যকে এই কুকর্ম করতে কেন অনুপ্রাণিত করছো? পারলে তুমি কাল ফ্রামগেটে তোমার বউরে নিয়া, তোমার আপা-দুলাভাইরে নিয়া পারলে মা-বাবারেও নিয়া উন্মুক্ত সেক্স কর আমি তোমাদের অধিকারের কথা পাবলিকদের কাছে তুলে ধরব দেখি তোমার অধিকার নিয়া কে কথা কয় কি পারবা???? যেকাজ নিজে পারবা না তা কেন অন্য জনকে করার জন্য অনুপ্রাণিত কর? ওওও, নিজের বউ পুরান হয়ে গেছে তাই নয়া নয়া **** দেখতে মন চায় বুঝি?
(আমি এই লেখা দুই বছর পর আমাদের দেশের ব্লগারদের অবস্থান অনুধাবণ করে লেখলাম তারা বর্তমানে “পাবলিক প্লেসে কিস” করার অধিকার নিয়া আন্দোলন করছে এভাবে চললে আমি নিশ্চিত আগামী দুই বছর পর তারা “পাবলিক প্লেসে সেক্স” করার অধিকার নিয়া আন্দোলন করবে আর তাই আমার এলেখা, যা দুই বছর পড়ে প্রযোজ্য)
©somewhere in net ltd.