| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আবাবিল
সেই কবে সামুতে ব্লগিং শুরু করেছিলাম, অনেকগুলো বছর চলে গেল ... চলছে গাড়ি।
আওয়ামী লীগের প্রশংসাই করতে হয়। সকল দল নিষিদ্ধ করে, পত্রিকা নিষিদ্ধ করে তথা মত প্রকাশ নিষিদ্ধ করে একদলীয় সরকার 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠা করেছিল শেখ মুজিব। পরবর্তীতে বাকশাল একটি গালিতে পরিণত হয়। মুজিবের কণ্যা শেখ হাসিনা সেই বাকশালই প্রতিষ্ঠা করলেন, তবে কোন নাম না দিয়ে। দলগুলোকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ না করে গুলি করে মাঠ থেকে ফিরিয়ে রাখা হলো। রক্ষী বাহিনী নাম না দিয়ে পুলিশকেই রক্ষী বাহিনীতে রূপান্তর করা হলো। সরাসরি পত্রিকা নিষিদ্ধ না করে নিযন্ত্রণের আইন করা হলো। আলটিমেটলি একটি পূর্ণাঙ্গ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হলো।
শেখ মুজিব বাকশাল করে টিকতে পারেননি। মাত্র কয়েক বছর। এটা প্রকৃতিরই আইন যে সমস্ত ছিদ্র যখন বন্ধ করা হয় তখন পুরো পাত্রটি হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। শেখ মুজিব নিজে সেই বিস্ফোরণ নিজের জন্য ডেকে এনেছিলেন। শেখ হাসিনাও সেই রাস্তায়ই হাঁটছেন। আমার বাবা এক স্বৈর শাসককে চুরুট মুখে সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখেছেন, আমি শুনেছি। আমাকে আল্লাহ কি দেখান আর আমার সন্তানেরা কি শোনে সেই অপেক্ষায় আছি।
সমাজতন্ত্রী বামপন্থীরা শেখ মুজিবের বুদ্ধিজীবি হয়ে বাকশাল উপহার দিয়েছিল। শেখ হাসিনার উপদেষ্টাও এখন বামপন্থীরা, একই কাজ তারাও শেখ হাসিনাকে দিয়ে করালো। সমাজতন্ত্র মানেই হচ্ছে পরমত অসহিষ্ণুতা। সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠাই হয়েছিল সকল ভিন্নমত ও বিরোধিতার কণ্ঠ রোধ করে। সুতরাং বাম যেখানে থাকবে, ভিন্নমতের বিরুদ্ধে তাদের সৃষ্টিগত বিদ্বেষ থাকবেই। চলুক, আমরা প্রতিবাদ করে যাই আর দেখতে থাকি।
২|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১১:০৪
দাকুড়াল বলেছেন: বাবার বাকশাল,মেয়ের ডিজিটাল। বাকশাল যেমন একটি গালি হিসাবে পরিচিত, ডিজিটাল ও তেমন একটি গালি হবে।
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:১০
আবাবিল বলেছেন: সত্যিই তাই।
৩|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৫
শেখ মফিজ বলেছেন:
স্বাধীনতারও একটা সীমাবদ্বতা আছে ।
কেউ নিজে মানে ,
কাউকে মানাতে হয় ।
মিড়িয়ার আইনটিতে কি কি স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে,
তার কোন লিম্ক দেবেন কি ?
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৪৪
আবাবিল বলেছেন: নীতিমালায় পঞ্চমঅধ্যায়ে থাকছে -৫.১.৭) সশস্ত্র বাহিনী অথবা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দায়িত্বশীল অন্য কোনবাহিনীর প্রতি কটাক্ষ, বিদ্রুপ বা অবমাননা,অপরাধ নিবারণ ও নির্ণয়ে অথবা অপরাধীদেরদন্ডবিধানে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদেরহাস্যস্পদ করে তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে এমনদৃশ্য প্রদর্শন বা বক্তব্য প্রদান।৫.১.৮) কোন বিদেশী রাষ্ট্রের অনুকুলে এমন ধরণেরপ্রচারণা যা বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট দেশেরমধ্যে বিরোধের কোন একটি বিষয়কে প্রভাবিতকরতে পারে কিংবা একটি বন্ধুভাবাপন্নবিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন ধরণেরপ্রচারণা যার ফলে সেই রাষ্ট্র ও বাংলাদেশেরমধ্যে সুসম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ারআশংকা সৃষ্টি হতে পারে।৫.১.৯) কোন জনগোষ্ঠী, জাতি বা দেশেরমর্যাদা বা ইতিহাসের ক্ষতিকর ঘটনা/ দৃশ্যবিন্যাস বা ঐতিহাসিক তথ্যের বিকৃতি।৫.১.১২) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন বিদ্রোহ,নৈরাজ্য এবং হিংসাত্মক ঘটনা প্রদর্শন করা।৫.১.১৩) আইন- শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বা আইন অমান্য করারপক্ষে সহানুভুতি সৃষ্টি করে এমন কিছু দেখানো।এছাড়াও, টক শো বা অন্যান্য কোনঅনুষ্ঠানে কোন 'মিথ্যা/ অসত্য বা বিভ্রান্তিকর'তথ্য দেওয়া নিষিদ্ধ।প্রণীত নীতিমালায়১- 'অবমাননা' বলতে কি বোঝায় সেটা বলা নাই।২- 'বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক/ শত্রুতা'বলতে কি বোঝায় সেটা বলা নাই।৩- 'ইতিহাস বিকৃতি' বলতে কি বোঝায়সেইটা নির্ধারন করবে কে?৪- কোন তথ্য অসত্য নাকি বিভ্রান্তিকরনাকি জনগুরুত্বসম্পন্ন সেটা কিভাবে নির্ণয়করা হবে?৫- পুলিশ/ নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদেরঅব্যাহত সন্ত্রাস-দুর্নীতির কথা বলতে গেলেইশাস্তিযোগ্য অপরাধ।৬- রাজনৈতিক কারণে কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠীরউপর নিপীড়ন এর প্রতিবাদ হলে, সেই খবরছাপানো যাবে না।ছাপালে সোজা জেলে।৭- একতরফাভাবে বিদেশী বন্ধুরা শুধু নিয়েইযাবে, কি নিলো, কেন নিলো,কিভাবে নিলো, কে দিল- সেটা দেশের মানুষজানতে পারবে না। যে জানাতে যাবে সেইজেলে যাবে।
মফিজ সাহেব, এই সীমাবদ্ধতা কি শৃঙ্খলা নয়, রুদ্ধতা নয়?
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১১:০০
জাগরূ৪৯ বলেছেন: আব্বুর স্বপ্নটা, আহা!