নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মহিউদ্দিন নসু

মনের কথা- সত্য কথা- বাস্তবতা- গবেষণা- সমস্যা- সম্ভাবনা- ইতিহাস- ঐতিহ্য- স্থাপত্য- ফোক কালচার সহ ইত্যাদি বিষয়ে সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে লেখা-লিখি।

গোলাম মহিউদ্দিন নসু

মনের কথা- সত্য কথা- বাস্তবতা- গবেষণা- সমস্যা- সম্ভাবনা- ইতিহাস- ঐতিহ্য- স্থাপত্য- ফোক কালচার সহ ইত্যাদি বিষয়ে সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে লেখা-লিখি।

গোলাম মহিউদ্দিন নসু › বিস্তারিত পোস্টঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসে সরকারী অফিসের ১ কোটি টাকা অপরিশোধিত

১৮ ই মে, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৩


নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
বেগমগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসে উপজেলাধীন সরকারী অফিসের ১ কোটি টাকা অপরিশোধিত রয়েছে। অনতি বিলম্ভে অপরিশোধিত বকেয়া পরিশোধের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর হতে তাগিদ পত্র দেয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে ,১৫মার্চ/২০১৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিস ২লাখ ২২হাজার ৮শ টাকা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসসহ সংশ্লিষ্ট অফিস ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯ শ ৮৬ টাকা,উপজেলাধীন নোয়াখালী পাস পোর্ট অফিস ২ লাখ ৫৫ হাজার ৩ শ ৪৮ টাকা,নোয়াখালী পৌরসভা ২৩ লাখ ৮ হাজার ৭শ২৬ টাকা,নোয়াখালী টেলিভিশন উপকেন্দ্র ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬ শ৭৪ টাকা,নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৬ শ ৮০ টাকা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪ শ১০টাকা, চৌমুহনী সরকারী এসএ কলেজ ১লাখ ৮৯ হাজার ৫২ টাকা বিদ্যুৎ বিল অপরিশোধিত রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার উপজেলাধীন অপরাপর শতাধিক সরকারী অনেকগুলো অফিসের বিদ্যুৎ বিল অপরিশোধিত রয়েছে, যার পরিমান ১ কোটি টাকার বেশী। বেগমগঞ্জ এলাকায় প্রায় ২৪ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে সাধারন গ্রাহকের বকেয়া প্রায় ২০ লাখ টাকা। যার ১৮ লাখ টাকা বকেয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। যেগুলো ক্রমান্নয়ে পরিশোধ হচ্ছে। এ ছাড়া মসজিদ- মাদ্রাসা ,মন্দির বিল প্রায় ৩০ লাখ টাকা বকেয়া,যা পরিশোধের জন্য তাগিদ দেয়া হচ্ছে। বেগমগঞ্জে ব্যবহৃত বিদ্যুতের মাসিক বিল প্রায় আড়াই কোটি টাকা। তন্মধ্যে ২ কোটি ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পরিশোধ হয়। কখনো সাধারন জনগনের বকেয়া পরিশোধের ফলে বেশী আদায় হয়ে থাকে। কিন্ত সরকারী অফিসের বকেয়া ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
বৃহ¯প্রতিবার(১৪মে) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি)রেজাউল করিম জানান,ব্যবহারের তুলনায় সরকারী বরাদ্ধ কম দেয়া হয় বিধায় প্রতি বছরেই বকেয় হচ্ছে। বরাদ্ধ বাড়ানো এবং বকেয়া পরিশোধের জন্য কতৃপক্ষকে জানানো আছে, এবারো জানানো হবে। মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ আবদুছ ছালাম ছুটিতে আছেন, তবে বকেয়া আছে বলে জানেন না, খবর নিবেন। নোয়াখালী পৌরসচিব অফিসের কাজে ঢাকায় আছেন। কথা বলার জন্য ৬১৮৮১ নাম্বার দিলে একাধিকবার চেষ্টা করে কাউকে পাওয়া যায়নি। টেলিভিশণ উপকেন্দ্রের ভারপ্র্প্তা ম্যানেজার শাহ মোঃ ইয়াছিন বাহাদুর ও ক্যাশিয়ার মাকছুদ আলম জানান, মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত বিলের পরিশোধিত কপি অনুযায়ী কোন টাকা বকেয়া নেই। বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে, মার্চ মাসের পরে কেউ পরিশোধ কওে থাকলে তা বকেয়া তালিকা থেকে বাদ যাবে।
গোলাম মহিউদ্দিন নসু
নোয়াখালী
১৬.৫.১৫

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৫:৪০

মুখ ও মুখোস বলেছেন: আপনি কি ব্লগার না সাংবাদিক?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.