| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অথঃপর আমি
পলি এবং ট্রিক্স শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে পলিটিক্স শব্দটি যদি গঠন করা যায় তাহলে এর অর্থ দাড়ায় বহু প্রকার শয়তানি বা ধান্ধাবাজী। আমাদের দেশে চলছেও তাই। অথচ এক আশ্চর্য রকমের সত্য কথা হলো যে আমার এই পলিটিক্স নিয়েই খেলতে ভালো লাগে।
গত কয়েকদিন ধরে একটাই আলোচনা। কি পত্রিকা, কি মিডিয়া, কি ব্লগ অথবা ফেসবুক-টুইটার। তা হলো গোলাম আযম। কেউ তাকে আখ্যায়িত করছে রাজাকারের শিরোমনি, কেউ জামাতের আধ্যাত্নিক নেতা, কেউ বলছেন উপমহাদেশের ওহাবিজমের দ্বিতীয় গুরু। আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক- বিতর্কে ভরপুর এই লোকটাকে নিয়ে। স্বাধিনতাউত্তর এত আলোচনা- সমালোচনা হয়তবা আর কাউকে নিয়ে হয়নি। লোকটি মারা যাওয়ার পর এর মাত্রা বহুগুনে বেড়েছে।
প্রগতিবাদিরা বলছে তাকে এদেশে কবরস্ত করার অধিকার নেই। তার জন্য উত্তম জায়গা পাকিস্থানে। এজন্য একজন সাহসী তরুন তার প্রতি ঘৃনার জুতা নিক্ষেপ করেছেন তার প্রতিবাদের স্থান থেকে। এদেশের মুসলমাদের মধ্যে একটি কথার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। আর তা হলো ব্যঙের মুত্র শরিরে লাগলে অপবিত্র হয়না। কারন হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কে নমরুদ যখন আগুনের কুন্ডুলিতে নিক্ষেপ করল তখন এই ব্যাঙ আগুন নিভানোর জন্য প্রসাব করেছিল। সেই থেকে ব্যাঙের মুত্র ইসলামী ইতিহাসে এক মহান স্থান লাভ করলো। আমার কাছে ঐ তরুনের প্রচেষ্টা সে-রকমই মনে হলো। তিনি যদি তার জুতা খানি পান তবে সেটা সযত্নে রেখে দিতে পারেন অদূর ভবিষ্যতে হয়তবা সেটা কোন জাদুঘরে স্থান পাবে।
গোলাম আযমের জানাযা নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক। কেন এত লোক হলো। আমি নিজেও বিস্মিত। আশে-পাশের জিলা থেকে কিছু লোক আসবে এটাই স্বাভাবিক। সরকার ও কিছু অসস্থিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইবে এটাও স্বাভাবিক। জামাত থেকেও এই আশঙ্কা করা অমুলক নয়। সেরকম কিছু ঘটেছেও। যেমন সেদিন সকালে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সহ ৬৪ জন নেতা কর্মীকে পুলিশ এ্যরেষ্ট করেছে। ভাবছিলাম আলালের নিজশ্ব কর্মী অথবা ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীরা এ নিয়ে কোন হই- হাঙ্গামার সৃষ্টি করবে যাতে পুলিশ একশনে যায় এবং গোলাম আযমের জানাজায় লোক সমাগম কম হয়। কিন্ত বিএনপি বা তার দল এ ব্যাপারে শুধু মাত্র একটি সংবাদ সম্মেলন করেই তাদের দায় সেরেছে। এছাড়া যুবলীগ বা ছাত্রলীগের কর্মীরা বায়তুল মোকাররম এলাকায় মিছিল করেছে এবং সেখানে ককটেল ফাটিয়েছে। সংখ্যায় তারা নগন্য হলেও জামাত শিবিরের কর্মীরা সেখানে কোন হস্তক্ষেপ করেনি ফলে জানাজার আনুষ্ঠানিকতায় কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ককটেল বিষ্ফোরনের পরে ভেবেছিলাম লোক হয়তবা কম হবে।
কিন্তু আমার ধারনাকে নিজেই আস্তাকুরে নিক্ষেপ করতে হলো। জামাতিরা এখন ব্যাপক ভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে প্রচারনাটি করছে তা হলো শেখ মুজিবের জানাজায় এর সিকি ভাগ লোকও হয়নি। জিয়াউর রাহমানের জানাজায় এর চেয়ে কম লোক ছিল। অদূর ভবিষ্যতে শেখ হাসিনা অথবা খালেদা জিয়া মারা গেলেও তাদের জানাজায় এত লোক হবেনা। এছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিটা ইউনিয়নে এবং বিশ্বের প্রতিটি দেশে গো-আযমের গায়েবানা জানাজা হয়েছে। আসলে জামাত বা গোলাম আযমরা শুধু বাংলাদেশ নিয়ে রাজনীতি করেনা তারা বিশ্ব রাজনীতির একটি অংশ। তাদেরকে মুছে ফেলতে চাইলে বিশ্ব রাজনীতির পট-পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে। শুধু যুদ্ধাপরাধী বা ছাগু বলে চিল্লালে হয়তবা কিছুটা মানষিক প্রশান্তি পাওয়া যাবে কিন্তু তাদের শিকরের ব্যাপকতা কমানো যাবেনা।
আমার বিল্ডিংয়ে একজন ব্যারিষ্টার বাস করেন। একবোরেই সাদামাটা মানুষ। কোন রাজনীতিতেে নেই। তিনি রাতে আমাকে জানালেন তিনিও জানাজায় অংশ নিয়েছেন। কেন গিয়েছেন জিজ্ঞেস করলে বলল-নিজেকে ইতিহাসের অংশ বানালাম। জিজ্ঞেসিলাম কিভাবে? বললেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটা স্পষ্ট অদূর ভবিষ্যতে এরাই রাজনীতিকে ডমিনেট করবে। আমার বন্ধু তামিম-দেখতেও যেমন মোটাসোটা, কথায়ও তেমনি। খালেদা জিয়ার একনিষ্ট ভক্ত। একটি বে সরকারী ব্যাংকে চাকুরী করে সেও জানানজায় গিয়েছে। খুবই আশ্চর্য হলাম। জিজ্ঞেস করলে বলল- এই সরকার হটাতে হলে জামাত ছাড়া বিকল্প নেই। এই সরকারকে ঘৃণা করি বলেই জানাজায় গিয়েছি।
হ্যাঁ এভাবেই আমরা না চাইলেও দিন পরিবর্তন হয় বা হচ্ছে। বর্তমানে অনেক কমোডররাও জামাতের তল্পিবাহকের কাজ করছে। সুতারং আদর্শের মোকাবেলায় আদর্শই হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। তাই এই গোলাম আযমদের সম্পর্কে জানা এবং এদের ব্যাপারে আমাদের সন্তানদের সাবধান করা দরকার।
এখন গোলাম আযম নেই। সুতারং তার ভবিষ্যত কর্মকান্ড নিয়ে সামালোচনা করার কোন উপায় নেই। তবে আমরা তার রাজনৈতিক কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করতে পারি। এজন্য তার লিখিত বইগুলো হতে পারে অনন্য হাতিয়ার। এগুলো পড়ে এখানে লিখিত তাদের কর্মসূচীগুলোর ব্যাপারে আমদের বন্ধুদের ও সন্তানদের সাবধান করে হয়তবা এদের অগ্রযাত্রা কিছুটা ব্যহত করতে সক্ষম হব।
২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১:৩০
ইউরো-বাংলা বলেছেন: জামাত বা গোলাম আযমরা শুধু বাংলাদেশ নিয়ে রাজনীতি করেনা তারা বিশ্ব রাজনীতির একটি অংশ। তাদেরকে মুছে ফেলতে চাইলে বিশ্ব রাজনীতির পট-পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে। শুধু যুদ্ধাপরাধী বা ছাগু বলে চিল্লালে হয়তবা কিছুটা মানষিক প্রশান্তি পাওয়া যাবে কিন্তু তাদের শিকরের ব্যাপকতা কমানো যাবেনা।
একমত
৩|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১:৪২
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: আশ্চর্য ! গুয়াজম এর বইতে সে তার নিজের আকাম কুকামের সম্পর্কে লিখে রেখেছে নাকি ? আপনি চামে গুয়াজমের বই পড়তে কি মানুষকে উৎসাহিত করছেন ! বরঞ্চ গুয়াজম সম্পর্কে অন্যরা কি লিখেছে , বিশেষকরে তার আকাম কুকাম সম্পর্কে তা পড়তে বলেন । অন্যকে জানান ।
গুয়াজমের বই পড়ে গুয়াজমকে জানতে হবে !!!!!!!!!!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৩৮
অথঃপর আমি বলেছেন: পাকিস্তানের চর শাহরিয়ার কবির ও মুনতাছির মামুনের বই পড়ে যদি এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শিখে, তাহলে গোলাম আযমের বই পড়ে ইসলাম শিখতে অসুবিধা কোথায়?
৪|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:২৪
ভূতের কেচ্ছা বলেছেন: গুয়াজমের বই পড়ে গুয়াজমকে জানতে হবে !!!!!!!!!!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৪১
অথঃপর আমি বলেছেন: না ভাই! গুআজমের বই পড়ে তাকে জানতে বলছিনা। তার দর্শনকে জানতে বলছি। এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনি আপনার সন্তান ও আপনার সমাজকে এদের অপ-রাজনীতি থেকে সাবধান করতে পারেন।
৫|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৫০
খাটাস বলেছেন: আপনি অতি বুদ্ধিমান, লেখার দুই পাশেই নানা রঙের মুলো আছে যে যার পছন্দের টা নিতে পারবে।
তবে অপূর্ণ ভাই যেটা বললেন, খটকা টা সেখানে।
যদি ও আপনি বলেছেন, গুয়াজমের বই পড়তে। কেন তার একটা সহজ ব্যক্ষা ও আছে। আমার নেতিবাচক মনে আপনার পোস্টের উদ্দেশ্য আজমের পক্ষেই মনে হল, যদি ও কোথাও তেমন টি লেখেন নি। তারে গাইল দিয়ে তারেই ওপরে রাখলেন।
কিছু বইএর লিঙ্ক দিয়েন, আমি চোর ডাকাত, রাজাকার সবার বই ই পড়ি।
৬|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৬
খেলাঘর বলেছেন:
" আমার বিল্ডিংয়ে একজন ব্যারিষ্টার বাস করেন। একবোরেই সাদামাটা মানুষ। কোন রাজনীতিতেে নেই। তিনি রাতে আমাকে জানালেন তিনিও জানাজায় অংশ নিয়েছেন। কেন গিয়েছেন জিজ্ঞেস করলে বলল-নিজেকে ইতিহাসের অংশ বানালাম। জিজ্ঞেসিলাম কিভাবে? বললেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটা স্পষ্ট অদূর ভবিষ্যতে এরাই রাজনীতিকে ডমিনেট করবে। আমার বন্ধু তামিম-দেখতেও যেমন মোটাসোটা, কথায়ও তেমনি। খালেদা জিয়ার একনিষ্ট ভক্ত। একটি বে সরকারী ব্যাংকে চাকুরী করে সেও জানানজায় গিয়েছে। খুবই আশ্চর্য হলাম। জিজ্ঞেস করলে বলল- এই সরকার হটাতে হলে জামাত ছাড়া বিকল্প নেই। এই সরকারকে ঘৃণা করি বলেই জানাজায় গিয়েছি। "
-ইডিয়ট ব্যারিস্টার , আপনার বন্ধু ও আপনি কেহ সাদামাটা নন, সবাই ইসলামীক সিভিল-ওয়ারের গুহা মানব ও হত্যাকারী।
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪২
অথঃপর আমি বলেছেন: হ্যাঁ হতে পারে। আপনার বিশ্লেষণকে আমি অসন্মান করছি না। এটি লিখার পরে আমারও আপনার মতো মনে হয়েছে আমি কি ইসলামিক সিভিল ওয়ারের ধোঁকায় পরেছি? হয়তবা! হয়তবা না। তবে আমি সবকিছুকে বিশ্লেষন করতে চাই আমার ব্যক্তিত্বের চোখে। আমার রাজনৈতিক চোখে নয়।
৭|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:২২
মামুন রশিদ বলেছেন: এই শোডাউন দেখানোর জন্য ৪৮ ঘন্টা সময় হাতে ছিল, সারা দেশ থেকে লোক যোগার করতে জামাতের জন্য এই সময়টা ছিল যথেষ্ট । জামাত জানে এই রকম শোডাউন দেখাতে পারলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে । পোস্ট পড়ে মনে হল তারা কিছুটা হলেও তা পেরেছে ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫২
অথঃপর আমি বলেছেন: লোক সমাগমের জন্য ৪৮ ঘন্টা সময় যথেষ্ট। কি পরিমান লোক হয়েছে এ নিয়ে আমি মোটেও আগ্রহী বা উদ্দিগ্ন নই। এ নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নেই। আমি আশঙ্কিত এদের তর তর করে বেড়ে ওঠা দেখে।
আমি আতঙ্কিত এ কারনে যে একজন পলিটিক্যালি মৃত, ময়লা এবং গলিত লোককে আমরা কিভাবে শ্রভ্র, সতেজ ও প্রস্ফুটিত করেছি। আমি একথা দৃঢ় ভাবে বলতে পারি কোন এক সময়, কোন একদিন, কোন এক সরকার এবং আদালত বলবে তার ৯০ বছরের সাজা ছিল সম্পূর্ন রং, ফ্রেবিকেটেড ও পলিটিকাল রায়। আদালত তাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষনা করলো এবং জাতীয় বীর খেতাব দিল।
৮|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪১
মিতক্ষরা বলেছেন: লাশ ফেলে রেখেছে ৪৮ ঘন্টা। উদ্দেশ্য জানাজার নামাজে লোক সমাগম দেখানো।
তবে বিএনপির এখন যা হাল, তাতে আমারও ধারনা সামনে জামাত প্রকৃত বিরোধী দলের আসন পাবে। অবশ্য তারা যদি গনতান্ত্রিক সহিষ্ণুতায় বিশ্বাসী হতে পারে।
৯|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৯
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: আমরা আস্তিক হয়ে যদি আরজ আলী মাতুব্বরের বই পড়তে পারি, তসলিমা নাসরীনকে ঘৃণার পাত্র বানিয়েও যদি তার লেখা প্রবন্ধ পাঠ করতে পারি, তবে আপনাদের জন্য গোলাম আযমের লেখা বই পড়তে এক কষ্ট হবার কারণ কি?
শত্রুর লেখা বই যদি না পড়েন, তবে ভবিষ্যতে কখনও ঐ শত্রুর মুখোমুখি হলে কিন্তু উপযুক্ত জবাব মাথায় আসবে না।
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৭
অথঃপর আমি বলেছেন: @খাটাস গো-আযমের লিখা বইয়ের লিংক চেয়েছে। আপনার কাছে হয়তবা আছে। দিবেন কোন লিংক। তাহলে আমারও উপকার হতো।
১০|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৮
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: গোলাম আযমের বই হয়তোবা ফ্রী পাবার সুযোগ নেই। পেলে আমিও পড়ে দেখতাম। পেতে হলে পকেটের পয়সা খরচ করতে হবে। আমার দুয়েকটা বই পড়ার সুযোগ হয়েছিল বাংলাবাজারে একজন বই মালিকের বাসায় গিয়ে। বইয়ের মান খারাপ নয়। বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহ থাকলে একবারেই একটা বই পড়ে শেষ করে ফেলা যায়।
১১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৬
খাটাস বলেছেন: আমার অতি পছন্দের একজন বন্ধু আছে, নামাজ কালাম সব ই ভাল, কেন যেন আজমের অন্ধ ভক্ত। সে ও আমারে বলছে আজমের বই পড়তে। কিন্তু হের বই পড়া ও তো রিস্ক। কে কখন আইসা আবার জিহাদি বই সহ ধইরা নিয়া যায়।
পিডি এফ থাকলে ভাল হইত। আর পুরো মানব জাতির প্রতি ই আমার অতি আগ্রহ।
লেখক, পলি এবং ট্রিক্স শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে পলিটিক্স শব্দটি যদি গঠন করা যায় তাহলে এর অর্থ দাড়ায় বহু প্রকার শয়তানি বা ধান্ধাবাজী। আমাদের দেশে চলছেও তাই। অথচ এক আশ্চর্য রকমের সত্য কথা হলো যে আমার এই পলিটিক্স নিয়েই খেলতে ভালো লাগে। আপনার এই কথা গুলোতে আমার আগের মন্তব্য প্রদানে অনুপ্রাণিত হয়েছি।
১২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১০:২৯
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: পাকিস্তানের চর শাহরিয়ার কবির ও মুনতাছির মামুনের বই পড়ে যদি এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শিখে, তাহলে গোলাম আযমের বই পড়ে ইসলাম শিখতে অসুবিধা কোথায়? প্রতি উত্তর খানায় একখানা লাইকও পেয়েছেন দেখা যাচ্ছে ! আপনি যে দুইজনের কথা বললেন তারা কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পথিকৃৎ নাকি ! কয়জন পড়ে ওদের বই ! গো আজমের বই পড়ে নাকি ইসলাম জানতে হবে বলেছেন দেখলাম ! ছুপাগিরি ছেড়ে সৎ সাহস নিয়ে স্পষ্ট করে বলেন । ছাগুরা আজকাল রিভার্স ও খেলে দেখছি ! উন্নতি হয়েছে আপনাদের মানতেই হবে । স্ট্রাটেজি পরিবর্তন যতই করেন , ছাগ ঘ্রাণ ও ল্যাজ আচমকা অজান্তেই নড়ে উঠবেই । পর্যবেক্ষণে রাখলাম । যদিও এইটা আপনার আসল আইডি না ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:২৩
অথঃপর আমি বলেছেন: আপনি কি বিশ্বাস করলেন আর কি মনে করেন তাতে আমার কিছু যায় আসেনা। আমার বিকল্প কোন আইডি নেই। আমি ভালো মানের কোন লেখক ও নই। আসলে ব্লগিং আমার হয়ে ওঠেনা সেটি আমার প্রোফাইল দেখলেই বুঝতে পারবেন। তবে আপনার বুঝায় যে ঘাটতি আছে সেটা আমি হলফ করে বলতে পারি। পড়তে হবে দুই চোখ দিয়ে, শুনতে হবে দুই কান দিয়ে। এক চোখ ও এক কান বন্ধ রাখলে অনেক কিছুই শুনবেন ও দেখবেন কিন্তু বুঝবেন উল্টা।
গোলাম আযমের বই পড়ে ইসলাম শিখার কথা আমি বলিনি। বলেছি গুলাম আযমিয় ইসালাম শিখার কথা।
আর পরিশেষে আপনার জন্য আমার লিখা থেকে আবার রিপিট করছি- আসলে জামাত বা গোলাম আযমরা শুধু বাংলাদেশ নিয়ে রাজনীতি করেনা তারা বিশ্ব রাজনীতির একটি অংশ। তাদেরকে মুছে ফেলতে চাইলে বিশ্ব রাজনীতির পট-পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে। শুধু যুদ্ধাপরাধী বা ছাগু বলে চিল্লালে হয়তবা কিছুটা মানষিক প্রশান্তি পাওয়া যাবে কিন্তু তাদের শিকরের ব্যাপকতা কমানো যাবেনা।
এর পরেও আপনি যা খুশি বলতে পারেন। আফশোস নেই।
১৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১:২৬
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: সমস্যা নেই, গু আজমের সব গুয়ের ঘ্রাণই নিবো, কারণ বাঁচতে হলে জানতে হবে।
১৪|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১:৪৮
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
দেলু সায়েদি বা মৌদুদি বা জিয়ার অন্ধভক্ত হওয়ার কারন থাকতে পারে, কিন্তু
গোলাম আজমের অন্ধভক্ত হওয়ার কি আছে?
ইডিয়ট ব্যারিস্টার ও আপনার সাদামাটা বন্ধুকে একটু আমার হয়ে দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবেন।
বুদ্ধিজীবি হত্যা ও হিন্দু নিধন ছাড়া তার আর কি কি গুণ ছিল।
দেশ বা জাতির জন্য অন্তত একটা একটা ভাল কাজ করেছে, পাকিস্তান আমলের হলেও চলবে। দেখাতে বলেন।
এরুপ অন্ধভক্ত হওয়ার অন্তত একটা কারন তো জানা দরকার।
১৫|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: গোলাম আযম দূরের কথা, এদেশে কোন রাজনীতিবিদেরই অন্ধ ভক্ত হবার কোন যৌক্তিক কারণ নেই। বঙ্গবন্ধুর কারণে আমাদের একটা স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি হয়েছে - দেশের সীমানা পেরুলে আমরা তা টের পাই। তারপরেও অন্তত ১০১টা কারণ আছে বঙ্গবন্ধুর অন্ধ ভক্ত না হবার।
বুদ্ধিজীবি হত্যা বা হিন্দু নিধনে তার প্রত্যক্ষ মদদ ছিল -এমন কোন অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তবে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরোধিতা করাই যদি এর পরোক্ষ কারণ হয়ে থাকে, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ।
দেশ ও জাতির ভালোর জন্য সে তত্বাবধায়ক সরকারের থিউরি দিয়েছে - যার কারণে কোন বিতর্কের জনক না দিয়েই এদেশে চার চারটি নির্বাচন করা গেছে।
পাকিস্তান আমলে ভাষা আন্দোলন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলির বরাবরে যে দাবিপত্রটি পেশ করা হয়, তার নিচে গোলাম আযম স্বাক্ষর দিয়েছে -ইচ্ছায় হোক, আর অনিচ্ছায় হোক, সেটা ভাষা আন্দোলনে কিছুটা ভূমিকা রেখেছে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারে, তার জন্য তার প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ডান্ডি কার্ড ইস্যু করেছে, যদিও এটাকে তার নেতিবাচক ভূমিকা হিসেবেই দেখা হয়ে থাকে। কিন্তু আমার আওয়ামী লীগ সমর্থক বড় চাচার কাছে শুনেছি - ঐ কার্ড সেসময় তার উপকারেই লেগেছে।
একজন লেখক ও অনুবাদক হিসেবে সে আল কোরআনের সরল বঙ্গানুবাদ করেছে - যা সাধারণ মানুষের কাছে কুরআনকে আরও গ্রহণযোগ্য করেছে।
এগুলোর কোনটাই তার অন্ধভক্ত হবার কোন কারণ নয়। তারপরেও এগুলো কোন না কোন মানুষের উপকারে তো লেগেছে।
বিঃদ্রঃ মডারেশন প্যানেল, এই কমেন্টের জন্য আমাকে আবার ব্যান করে দেবেন না। আমি সম্ভবত কোন নিয়ম ভঙ্গ করিনি। করলে ধরিয়ে দেবেন প্লীজ!
১৬|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১১:১৩
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বুদ্ধিজীবি হত্যা ও হিন্দু নিধনে তার সুধু প্রত্যক্ষ মদদ ছিল বললে ভুল হবে।
বুদ্ধিজীবি হত্যা, হিন্দু নিধন সহ বেশীরভাগ পরিকল্পিত গনহত্যার সে ছিল মাষ্টারমাইন্ড।
আদালত বলেছে গনহত্যায় তার সুপিরিওর রেসপন্সেবিলিটি ছিল।
তার প্রমান ডান্ডিকার্ড ইশুইং ক্ষমতা এর একটি অকাট্য প্রমান।
তার জানাজায় হাজার হাজার দলিয় কর্মি এনে উপস্থিত করা কোন জনপ্রীয়তা প্রমান করে না।
তার লাশ এতই দুর্গন্ধযুক্ত ছিল যে তার ঘনিষ্ট বিম্পি সহ ২০ দলিয় জোটের কোন নেতা কর্মি জানাজায় যায়নি (লজ্জায়) গেলে তাদের ভাবমুর্তি শুন্যের কোঠায় যেত।
জামাত কর্মিরা ছারা কোন ভদ্রলোকও জানাজায় ছিলনা।
১৭|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১১:২৭
মিতক্ষরা বলেছেন: গোলামের প্রতি আপনার ভালবাসার অন্ত নেই। গোলামের আকর্ষনী শক্তি অবশ্যই রয়েছে, নতুবা তার কথায় আল বদরের সদস্যরা এভাবে জীবন বাজী দিয়ে মুক্তি দমন করত না।
১৮|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৭
প্রামানিক বলেছেন: উপরের মন্তব্য পড়লাম। অনেক কিছু জানলাম।
১৯|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৭
মুসান্না যুলকিফিল বলেছেন: আমার বিল্ডিংয়ে একজন ব্যারিষ্টার বাস করেন। একবোরেই সাদামাটা মানুষ। কোন রাজনীতিতেে নেই। তিনি রাতে আমাকে জানালেন তিনিও জানাজায় অংশ নিয়েছেন। কেন গিয়েছেন জিজ্ঞেস করলে বলল-নিজেকে ইতিহাসের অংশ বানালাম। জিজ্ঞেসিলাম কিভাবে? বললেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটা স্পষ্ট অদূর ভবিষ্যতে এরাই রাজনীতিকে ডমিনেট করবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৯
হাসান মাহবুব বলেছেন: জামাত বরাবরই ট্যাকটিকালি রিচ দল। ওদের পাল্টা জবাব দেয়া ছাড়া গতি নাই।