নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনের কথা গুলা লিখনির মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রত্যয়ে ।

বষন্তের কাক

বষন্তের কাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষণ কি আসলেই অশালীন পোশাকের জন্য হয় ?

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৯

গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় একটা প্রতিবেদন দেখলাম
কোন একটা এলাকায় ''স্কুল ছাত্রী কে ধর্ষণ'' ।
অস্বাভাবিক কিছু না...প্রতিনিয়তই এইরকম একটা,দুইটা প্রতিবেদন
যেকোনো পত্রিকাতেই থাকে

কথা সেটা না... কথা হচ্ছে আমরা যারা ধর্ষণের শিকার হওয়ার
কারন হিসেবে মেয়েদের অশালীন পোশাকের দোষ দিয়ে থাকি,
কখনও কি ভেবে দেখেছি অশালীন পোশাক পরা কয়টা মেয়ে
ধর্ষণের শিকার হয়েছে ? হাতে গোনা কয়েকটা ।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন না কোন স্কুল ছাত্রী ই
এই পাশবিক আচরনের শিকার হচ্ছে । কিন্ত কেন ?
বাংলাদেশে সবচেয়ে শালীন,ভদ্র,পরিপাটি কোন পোশাক
যদি থেকে থাকে তাহলে সেটা হল স্কুল ড্রেস ।
তারপরেও তারাই কেনো বারবার ধর্ষণের শিকার হবে ?

আসলে ড্রেস আপ কোন সমস্যা না... সমস্যা হচ্ছে আমাদের মানুষিকতায় ।
মানুষিকতার পরিবর্তন ছাড়া ধর্ষণ প্রতিরোধ সম্ভব হবে না ।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৪

কাব্য পূজারি বলেছেন: আপনার সাথে একমত ।

২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ++++++++++++++++++

৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫২

সজিব ইসলাম বলেছেন: শালিনের বীপরিত শব্দ হলো অশালিন, অশালিন আপনার কাছে এত ভালো মনে হচ্ছে কেন জানি না। আপনি অশালিনের প্রেমে পড়লেন কেন? আপনি নিজে কি অশালি পোশাক পরে চলেন?

৪| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭

খাটাস বলেছেন: এইটা অল্প কথায় বলা সম্ভব নয়।

৫| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৪

মুকতোআকাশ বলেছেন: পোশাক ই যে ধর্ষণের এক মাত্র কারন তা কেউ বলেনা। পোশাক ধর্ষণের অনেক কারনের একটি। এর মধ্যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরন, সিনেমা নাটক পর্ণ ইত্যাদি অনেক গুলো উৎস, যে গুলো মানুষের মূল্যবোধ কে পরিবর্তন করে দেয়। সিনেমা নাটক গুলো তো জারজ সন্তান কে বা বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক কে প্রায় বৈধ করেই ফেলেছে। যৌন সুড়সুড়ি ওয়ালা নাটক সিনেমা মেয়েদের পোশাক শারীরিক সুস্থ পুরুষ দের ভিতরে উত্তেজনার সৃষ্টি করে যা (প্রকৃতি প্রদত্ত অনুভুতি) নিতিগত ভাবে মানুষ কে দুর্বল করে দেয় ।মুল্য বোধ নষ্ট করে দেয়।
আর অশালীন পোশাক পরা মেয়েরাই বেশি ধর্ষিতা হয়। দিল্লিতে যত গুলো ছাত্রী ধর্ষিতা হয়েছে বেশির ভাগ ই অশালীন। অবশ্য সবার কাছে ওগুলোকে অশালীন মনে হয় না। সমস্যা এখানেই। সবকিছু ঠিক রাখবেন আর শুধু শুধু পুরুষদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে বললে পরিবর্তন হবেনা। যারা সেই সব সিনেমা নাটক বানায়, যারা দেখে, এবং যারা যৌন সুড়সুড়ির পোশাক পরে সবাই কেই পরিবর্তন হতে হবে। নচেৎ অনেক ভালো ভদ্র মেয়েরাও ধর্ষণের শিকার হবে।

৬| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৮

রশিদ সভাপতি মুমুরদিয়া বলেছেন: অনেক কষেত্রে পোষাকের জন্যই মেয়েরা ধর্ষিত হয়।

৭| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৯

বেলায়েত হােসেন ইমন বলেছেন: আপনার সাথে পুরো পুরি একমত হতে পারলামনা। মানসিকতার পরিবর্তন হবে কিভাবে ? জ্বিবের সামনে একটু টক ধরুন !! অশালীন পোশাক মানেই অব্যক্ত প্রস্তাব। সুতরাং এটাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না।

৮| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৭

বষন্তের কাক বলেছেন: আমি ভারত কিংবা অন্য কোন দেশের কথা বলছি না । বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিচার করুন । আপনাদের কি মনে হয় বাংলাদেশের এই পর্যন্ত যতগুলো স্কুল ছাত্রী ধর্ষিত হয়েছে সবাই অশালীন পোশাক পরিধান করে রাস্তায় বাহির হয় ?
সেটা আমিও জানি যে অশালীন পোশাক পরা টাও ধরশনের জন্য দায়ী । খুজ করে দেখুন বাংলাদেশের কয়জন বোন অশালীন পোশাক পরার করনে ধর্ষিত হয়েছে ।

#সজিব ইসলাম ভাই একটা ছেলের অশালীন পোশাক বলতে আপনি কি বুঝেন আমি জানতে চাচ্ছি না । নিজেই অবুধাবন করেন ।

৯| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৮

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: খাটাস বলেছেন: এইটা অল্প কথায় বলা সম্ভব নয়।

পোশাকের দোহাই যারা দেয় তাদের জন্য ,
তোমারা যারা পোশাকের দোহাই দিয়ে ধর্ষণকে সমর্থন করো

আর আরও জানতে চাইলে বিস্তারিত পাবেন এখানে ,

ভার্চুয়াল রেপিস্টদের জন্য এক মহা সংকলন পোস্ট , আসো , দেখো , জানো এবং বুঝার চেষ্টা করো ( যদি গ্রে সেলগুলা একটিভ থাকে এখনও )

এই আলোচনা এখানে পুরোটা তুলে দিলে ক্লান্ত হয়ে যাবেন ।

১০| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সরদার হারুন বলেছেন: ভাল মানুসিকতার মেয়ে বা ছেলে অশালীন জামা কাপড় পরেনা।
আমার মনে হয় এর জন্য একাধিক কারণ আছে ।কালচার,দারিদ্রতা,সামাজিকতা ইত্যাদি ।

কাজেই ব্যপারটা আপেক্ষিক ।

১১| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৯:১৫

বষন্তের কাক বলেছেন: ধন্যবাদ রায়হান ভাই

১২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৪:০০

ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন: ধর্ষণ মানে হলো কোন পুরুষ কোন নারী ইচ্ছের বিরুদ্ধে বলবৎ শরীর গ্রহণ করা, তাই যদি হয় তাহলে স্বামী স্ত্রীকেও ধর্যণ করতে পারে, এই যদি হয় ধর্ষণ তাহলে সেই ধর্যণ কেন হলো তার কারণ খুঁজতে গিয়ে ধর্ষক কে একটু আড়াল করে অন্য কোন কারণ খোজা মানে হলো পরক্ষ ভাবে ধর্ষক কে সমর্থন করা, এই জায়গাটায় আমার যত আপত্তি।

কেন ধর্ষণের কারণ আমরা খুঁজবো, ধর্ষণের জন্য ধর্ষক নিজেই কি যথেষ্ট নয়?ধর্ষকের বিকৃত মন শরীর মস্তিষ্কই কি ধর্ষণের মুল এবং একমাত্র কারণ হতে পারেনা?
যখনি একটা ধর্যণ তদন্তে কিংবা ভাবনায় বিচারে অন্য কারো দোষ বা কারণ টেনে আনা হয় তখনি ভাবতে হবে ষ্পষ্টভাবে আপনি ধর্ষককে সমর্থন করছেন।
যদি একটা নারীর খোলা মেলা পোষাককে আপনি দায়ি করেন তাহলে আমরা যারা ইউরোপ আমেরিকায় নারীর শরীর প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছি তাতে কি আমাদের প্রতিদিন একটা করে ধর্ষণ করা উচিৎ কিংবা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অবাদ মেলামেশা করা উচীৎ?কোন নারী কেমন পোষাক পড়বে সেটা সেই নারীর দায়,কোন রুচিশীল নারী তার শরীরকে জন সম্মুখে তুলে ধরবেনা,যারা তুলে ধরছে তারা ঠকছে ।এবং একটা গোষ্ঠী এই সকল নারীদের পরক্ষভাবে তিরষ্কার করছে তারা তাদের জীবদ্বশায় দ্বারে দ্বারে অবহেলিত হচ্ছে।ঠিক সেইভাবে পুরুষ হিসেবে আমার কর্মের দায় সম্পুর্ণ আমার। আমার শরীর অনিয়ন্ত্রণ কিংবা আমার পাশবিকতার দায় শতভাগ আমার।

আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই এবং আমি সেটাই বিশ্বাস করি যে ধর্ষক হতে আমার বিকৃত মন শরীর মস্তিষ্কই যথেষ্ট যেখানে এক বিন্দু পরিমানের বহিরাগত ইন্দনের কোন প্রয়োজন বা কারণ খোঁজার প্রশ্নই আসেনা।


আপনাকে ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.