| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাবিবউল্যাহ
এই দূর পরবাসে তারাগুনি আকাশে আকাশে কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগুলো মাঝে মাঝে স্বপ্নের বেশে স্মৃতিরা এসে আমাকে করে দেয় বড়বেশী এলোমেলো!
অনেকদিন ধরে বাংলা মুভি দেখা হয়না।গত সপ্তাহে কয়েকটি মুভি দেখে ফেললাম সময় করে।এর মধ্যে শাকিব খানের মনের জ্বালা আর তার কোটি টাকার প্রেম ও ছিল।আজকে সেই দুই মুভির একটি নিয়ে কথা বলব।
মনের জ্বালা
মুভির শুরুটা বেশ চমকপ্রদক!ছোট্ট একটা শিশু দোলনার উপরে নালায় ভাসতেছে আর কান্না করতেছে।কয়েকটা কাক শিশুটিকে কামড়াচ্ছে। বেশ ইন্টারেষ্টিং লাগল এই দৃশ্যটা!
একটু ভয়ংকর ও।
শিশুর কান্নায় নালার পাশের বস্তিতে বসবাস করা এক গরিব পরিবার তাকে তাদের কাছে রেখে লালন পালন করা শুরু করল।
সেই শিশুটি স্কুলে গিয়ে অন্যান্য ছত্রের প্রশ্নের মুখোমুখি হয় জন্ম পরিচয়হীন হিসেবে।যার কারনে মারামারি করে স্কুল থেকে ফেরত আসে তার বর্তমান বাবা-মা'র নিকট তার আসল পরিচয় জানতে।কিন্তু সে তাদের কাছে পৌছুবার আগেই কোন এক
ঘটনায় তার পালিত বাবা মা মারা যায়(এটা তো হবার ই কথা!!!)মৃত্যুর পুর্বে তার হাতে একটুকরো কাপড় দিয়ে বলে যায় এটাই তার পরিচয়!!!তাকে আসলেই তারা কুড়িয়ে পেয়েছিল!
তার সম্বল শুধু একটুকরা কাপর।যে কাপড়ে পেচানো ছিল সে।
সে চিৎকার করে বলে উঠে এই এক টুকরো কাপড় দিয়ে কিভাবে আমি আমার মনের জ্বালা মিটাবো!!!!
স্ক্রীনে মনের জ্বালা টাইটেল ভেসে উঠে! ![]()
ওহহো তার নাম বলা হয়নি।তার পালিত বাবা মা তার নাম চাঁদ রেখেছিল। তার বন্ধুর সাথে আরেকগুন্ডার এখানে যায় কাজের জন্য।সেখানে গুন্ডাকে মেরে বন্ধুর সাথে পালিয়ে যায়।
ছোটবাচ্চারা তাদের অভিনয় ঠিকঠাক মতই করেছে।ভাল লেগেছে আমার!
তারপর?
বেড়িবাঁধের চাঁদ নামক এক রংবাজের আগমন হয়।প্রথম মারামারির দৃশ্য বর্ননা করে লাভ নেই।ওয়ান্টেডের সালমান খানের প্রথম ফাইট ই পরিচালক এখানে তুলে এনেছেন!!!
তারপর সেই পাঞ্চ ডায়ালগ ও রাখতে ভুল করেন নাই পরিচালক।চাদ একবার যা বলে ব্লা ব্লা ব্লা!!!
তারপর গান শাকিব খানের নিজের কন্ঠে।গানের কোরিগ্রাফি খারাপ হয়নাই।শাকিবের কন্ঠ একটু ন্যাকামি ন্যাকামি লাগলেও ভালো ই করেছে বলা যায়!
তারপর মুটামুটি অনেকটুকু ওয়ান্টেড এর মত ই।
নায়িকার সাথে দেখা হয়,এক পুলিশ অফিসার নায়িকার সাথে গ্যাজায়,গাঞ্জা দিতে খেলারত নায়কের কাছে পুলিশের আগমন,সেটা আবার পুলিশের পকেটে রিটার্ণ সব ই রেখেছেন পরিচালক।
তারপর ঈদ উপলক্ষ্যে একটা গান ও রেখেছেন যেটা আবার সালমানের ই কোন একটা গানের হুবহু দৃশ্যায়ন। তিসমার খান এর গান হইতে পারে!!!
এভাবেই প্রথম হাফ শেষ হয়!টুকটাক কপিপেষ্ট না করেও এই মুভিটা বানানো যেত।পরিচালকদের মাথায় কি চিন্তাভাবনা ছিল আল্লাহ ই জানে!
এই মুভি হিট করতে পারেনাই।এর কারন ও আমি মনে করি ওয়ান্টেডের সেই কপিপেষ্ট দৃশ্যগুলোই!
এভারেজ ব্যাবসা করেছে! এবং সেটা ২য় হাফের জন্যে।
কারন ২য় হাফে কাহিনী তার গতি ফিরা পাইছে!
তো তারপর ?
নায়িকার বাবা নায়িকা কে নাম পরিচয়হীন ছেলের সাথে কখনোই মেনে নেবেনা।আর নায়ক মহাশয় কলেজের বারান্দা দিয়ে হোন্ডা করে ক্লাস্রুমে গিয়ে নায়িকাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে একসের কান্ড ঘটায়া ফেলছেন।
এমন সুদুর্শন ছেলের প্রেমে না পড়ে উপায় কি অপু অবিশ্বাসের!!!তিনিও তাকে ভালোবেসে ফেলেছেন!
এই যখন কাহিনীর অবস্থা নায়ক তখন মাজারে।কান্নাকাটি করে একটা গান এস আই টুটুলের কন্ঠে গেয়ে ফেললেন।
"দিন দুনিয়ার মালিক খোদা"শিরোনামের গানটির উপস্থাপন ভালো লেগেছে।
গানের পর আগমন ঘটলো চির আবেদন্ময়ি নায়িকা ববিতার!তিনিও মাজারে এসেছেন দুয়া করতে কিন্তু গুন্ডাদের আক্রমনে পড়ে গেছেন।শাকিব খান তাকে বাচায় ।
এখানে এসে শাকিব খান দারুন কিছু ডায়ালগ দিয়েছেন।
যে রক্তের নেই কোন জন্ম পরিচয় নেই সেই রক্ত এই দেহ থেকে ঝরে গেলেই কি আর না গেলেই কি!! অসাম ডায়ালগ বস!
ববিতা একজন নামকরা বিচারক।তো তার শত্রু থাকাই স্বাভাবিক।সাদেক খান হল সেই শত্রুর নাম! এই সাদেক খানের ছেলের সাথেই চাঁদনি মানে অপু বিশ্বাসের বিয়ে ঠিক করে রেখেছেন চাঁদনির বাবা!
তো সেই শত্রু এখন চাঁদের ও শত্রু!
চাদনি মানে অপু অবিশ্বাসের নাম।
কি দারুন মিল তাই না?
চাঁদ আর চাঁদনি!![]()
তাদের শত্রুর শত্রুতামিটা খুব ভয়ংকর লেগেছে।কাক দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মানুষ মারা!!!
তারপর ঘটনাক্রমে চাঁদনি জানতে পারল বিচারক মহাশয়া চাদের জন্মধাত্রি।কিন্তু তিনিও তা প্রকাশ করতে চান না যদি তার সন্তান তাকে ভুল বুঝে!!! কারন মাজারের দৃশ্যে শাকিব খান তার জন্মধাত্রি মা'কে অপমান করেছিল।
মুভি প্রায় শেষ পর্যায়ে,পরিচালক ও এটা নিয়ে আর গ্যাজাইলেন না।নায়ক শুনে ফেলল তার মা'র দুঃখের কথা।
সাদেক খানের শত্রুতামির কারনেই সে এতদিন মা ছাড়া ছিল।তারপর অল্প একটু মায়ের স্নেহ দেখাইল।(এখানে এসে ওম শান্তি ওমের কথা মনে পইড়া গেল!!!)
তারপর শেষ ফাইটিং সাদেক খান সে ই হইল মেইন ভিলেন তাকে কাকের খাদ্য বানিয়ে চাঁদ মানে শাকিব খান জ্বেলে গেল।আদালত তার শাস্তি কমায়া দেওয়াতে সে অল্প সময়েই মুক্তি পেয়ে গেল।
আদালতের বাইরে সবার মিলন হইল!!!
###টাইমপাস মুভি হিসেবে ওয়াচিং লিষ্টে রাখতে পারেন।খুব খারাপ লাগবোনা।বাকিটা নিচে কইতাছি!!!
#অনেক আলোচনা হয়েছিল গতবছর এই মুভি নিয়ে।এই প্রথম শাকিব প্লেব্যাক করছেন।
বিগ বাজেটের মুভি।
আরো অনেক কিছু।
#মুভির দ্বিতিয়ার্ধ ছিল টানটান উত্তেজনার।প্রথমার্ধে পরিচালক কেন যে এই কপিপেষ্ট মারতে গেলেন মাথায় ধরলোনা!
#শুধুমাত্র শাকিবের উপর পুরা মুভির দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে মুভি বানালে কেমন হয়?সবার চরিত্রের দিকেই নজর দেয়া দরকার।যেটা পরিচালক করেন নাই। অথবা করতে পারেন নাই!
#ববিতার অভিনয়টাকে বেশিরভাগ সময় ই অতি অভিনয় মনে হয়েছে।একটু পরপর ই মুখে হাত দিয়ে কান্নার ভাব করা দেখে আমার তাই মনে হয়েছে।
#গান এর কথা তো বললাম ই।একটু ও মনোযোগ দেননাই।কপিপেষ্টের উপ্রেই ছেড়ে দিয়েছেন।
#একশন দৃশ্য ভালো লেগেছে।এইখানে আগের মালেক আফসারী কে পাওয়া গিয়েছে।
#শাকিব খানের সময় হয়েছে কাহিনীর দিকে মনোযোগ দেয়ার।আধা খিছুড়ি টাইপের মুভি যত কম করবে তত তার মঙ্গল।নাহলে এইসব মুভি করে বেশীদিন টেকা সম্ভব না!
তবে তার উপস্থাপনা দারুন হয়েছে।গল্পটা যদি আরেকটু মজবুত হত তাহলে বাচায়া দিতাম!!!
#বাঙ্গাল এক নাম বেশীদিন পুছেনা সেইটা বুঝতে শাকিব যদি দেরী না করে তাহলে তার মঙ্গল।আর যদি মনে করে যা করছি বহুত করছি তাইলে তার অধঃপতন সামনেই অপেক্ষা করছে!
@মালেক আফসারি ভাই এইটা কি বানাইলেন?এই যুগে আইসাও আপনে এমন মুভি বানাইতে পারলেন?আরেকটু যত্ন করে কি মুভিটা বানাতে পারতেন না?
বিঃদ্রঃমুভি রিভিউ কেমন করে লিখে জানিনা।অভ্যাস ও তেমন নাই।তাই ভুলত্রুটি মাফ কৈরা দিয়েন!!!
শুভ হোক সকাল!
২৭ শে জুন, ২০১২ ভোর ৬:২৭
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: আশায় থাকলাম ভাইজান!
এই মুভি দেইখা যা মনে হইছে তা লেখলাম আর কি।
মালেক আফসারি আরেকটু মনোযোগী হওয়া দরকার।আগের সেই আফসারি আর নাই ভাই!!!
আফসুস!
২|
২৭ শে জুন, ২০১২ ভোর ৬:৩১
কবি ও কাব্য বলেছেন: ভাই আসলেই আফসারি কি ছিল আর কি হইলো? দুঃখ লাগে। এই আফসারির 'ক্ষতিপূরণ' ছবির কারনে আলমগীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছিল। এই আফসারি আমাদের ''এই ঘর এই সংসার'', 'ঘৃণা' 'দুর্জয়' এর মতো দারুন সব ছবি দিয়েছিল। আর আজকের আফসারি এইসব কি দেয় বুঝিনা।
২৭ শে জুন, ২০১২ ভোর ৬:৫১
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: ূর্জয় ই মালেক আফসারীর সর্বশেষ মানসম্মত ফিল্ম!!!
মৃত্যুর মুখেও ভালো ছিল তবে সেখানে মুনমুন আর ময়ুরির ব্যাবহার সেটাকে সমালোচিত করেছিল!!!
অন্য ব্যাবসায় মনোযোগ দিছে বুঝছেন তাই সিনেমা মেকিং এর ১২টা বাইজা গেছে!
৩|
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৭:০৩
উৎস১৯৮৯ বলেছেন: ++++++
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৭:০৬
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: ধইন্যা!!!
৪|
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৭:৫৭
বিডি আইডল বলেছেন:
বাংলাদেশী সিনেমার জন্য কয়েকটা উপাদান লাগবে:
১. যথেষ্ট সংখ্যক নায়ক
২. শুকনা নায়িকা
৩. শিক্ষিত চিত্রনাট্যকার
৪. এবং শিক্ষিত এবং স্মার্ট পরিচালক
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৮:০৮
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: ১নাম্বারে,আছে কিন্তু কেউ দাড়াতে পারছেনা অথবা দাড়াতে দিচ্ছেনা।
২নাম্বারে,বর্ষা আছে তবে তাকে অন্য কারো সাথে অনন্ত দিবে কি না সন্দেহ আছে!
শখ আর মীম আছে।তবে তারা মডেলিং এ যত পোজ দেয় সিনেমাতে গিয়ে সেটা করেনা। সাহসের অভাবে ভুগতেছে।
ববি ও আছে এই লাইনে,আরো অঙ্কেই আসতেছে তবে তারা কমার্শিয়াল হতে পারতেছেনা।পরিচালকেরাও তাদের নিয়ে আগাচ্ছেনা।
তারা (পরিচালক/প্রযোজক)যেন পণ করে বসে আছে শুকনা নায়িকা জনগনকে খাওয়াবোনা।আরে বাবা রেগুলার খাওয়া তারপর দেখ ভুটকি নায়িকাদের আর বেইল থাকে কি না।
৩ আর ৪ এর কিছুটা না অনেকটা অভাব।
অথচ ৪ নাম্বার ব্লেম দিতাছে ১ আর ২ নাই বইলা!!!
কই যামু কন বিডি ভাই!
৫|
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৮:৫৯
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: আসলে সমস্যাটা হচ্ছে আমরা কাউকে ঠিক মতন সাপোর্ট দেইনা , বাংলাদেশে যতো ভালো মুভি হোকনা কেন আমাদের সমালোচনার মুখে পরবেই । হলিউডের মুভি গুলার ভাষা না বুঝলেও খারাপ মুভি হলেও আমরা বাহ বাহ দিয়ে যাই , নায়ক নাই নায়িকা নাই গান নাই
কোন কাহিনী নাই এমন ইংলিশ মুভি দেখেও আমরা বলি আহা কি অসাধারণ মুভি , কিন্তু বাংলাদেশের মুভি যেতো ভালো পরিচালনা হোক আর যে তো ভালো নায়ক নায়িকা হোক আমরা সমালোচনা করবো , কোন মুভিতে গান না থাকলে বলি গান নাই এটা কোন মুভি হইলো , কোন রোমান্টিক সিনারি নাই এটা কিছু হইলো । আসলে হয়েছে কি বাংলা আমাদের মায়ের ভাষা তাই যে কোন মুভি আমরা সহজেই বুঝে যাই , মুভির অর্ধেক দেখলেই বলে দিতে পাড়ি শেষে কি হবে
কিন্তু ইংলিশ বা কুরিয়ান বা চায়না মুভি ভাষা আমরা কয় জনে বুঝি কথা না বুঝলেও মুভির কাহিনী বুঝার জন্য আমাদের শেষ মুতুত্ব পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় । আমাদের দেশে ভালো মুভি পেতে হলে আমাগে আমাদের নিজেদের বদলাতে হবে । হলে গিয়ে মুভি দেখতে হবে , খারাপ মুভি হলেও বাহ বাহ দিতে হবে , আমাদের উৎসাহ পেলে দেশের নায়করা এবং পরিচালকরা সাহস পাবে , দেশী সিনেমা গুলার প্রধান দর্শক কারা প্রধানত রিক্সা চালক বা দিন দিন মজুতরা , তাই দেশের পরিচালকরা তাদের মন জয় করার জন্যই মুভি বানায় , আর এতে যদি ইয়ং জেনারেশন সাড়া দেয় , তাহলে পরিচালকরাও চেষ্টা করবে আমাদের মন জয় করার জন্য মুভি বানাতে । যারা এখন দেশী সিনেমার মেইম দর্শক তারা বেশির ভাগই অশিক্ষিত , আর তাদের চাহিদা মতই পরিচালকরা সিনেমা বানায় , আর তায় দেখে আমরা দূর থেকে তিরিস্কার জানাই , একটা হাকিং মুভি বানালে ঐ রিক্সা চালক অশিক্ষিত দর্শক কিছু না বুঝে দুইটা গালী দিয়ে হল থেকে ফিরে আসবে , তাই এখঙ্কার সিনেমার দর্শকদের চাহিদা মোতাবেক মুভি বানানো হচ্ছে , সমালোচনা সবাই করতে পারে ............
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:০৪
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: আমাকে কি কিছু বললেন?
আমি মালেক আফসারীর উপ্রে নাখোশ।যেই মালেক আফসারীকে আমরা দেখেছি ৯০ এর দশকে সেই মালেক আফসারী এই মুভিতে অনুপস্থিত!
আর আমার দ্বারা সমালোচনা!তাও আবার বাংলা মুভির!!!
কি যে বলেন না ভাই!!!
৬|
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:১৫
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: নাহ ভাই আপনাকে কিছুই বলি নাই , মাঝে মাঝে বাংলা মুভির রিভিউ দেখি , যারাই রিভিউ লিখে তারা অতি দক্ষতার সাথে মুভিটাকে একটা জোকার মুভি বানিয়ে হাসির উপদ্রোপ করে ফেলে , আর সবাই ,ইলে হাসাহাসি , আমিও হাসা হাসি করি , কি আর করুম , মাঝে মাঝে কুরিয়ান মুভি দেখি
ভাষা না বুঝলেও নিরব চোখ বুলিয়ে যাই শেষে বুঝতে পাড়ি কি জন্য কি হলো , আর সেটাই বালো লাগে আর বাহ বাহ দেই , আর বাংলা মুভি তো কথা বার্তা সবই বুঝি এবং কাহিনী ভালো হলেও কিন্তু সমালোচকদের সমালোচনা শুনতে শুনতে বাংলা মুভির প্রতি কোন আগ্রহই নাই হয়ে গেছে । সাকিব খানকে সবাই হিজরা খান বানাইয়া দিছে আর অনন্ত জলিলরে তো জোকার নায়ক বানাইয়া দিছে । তাই তাদের মুভি দেখলেই লুকাইয়া দেখতে হবে , আসে পাশে সমালোচকরা দেখলে বলবে বাংলা মুভি দেখোচ ছি ছি ছি তোর রুচি এতো নিচে নেমে গেছে
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: না ভাই আমি বাংলা মুভি বলে কয়েই দেখি।আমার রুচি নিয়া আরেকজনের অধিকার দিয়া রাখিনাই আমি।
আর বন্ধুবান্ধব যারা আছে তারা এই নাক সিটকানোর দলে না।
হয়ত এখন রেগুলার সিনেমায় যায়না কিন্তু একসময় আমাদের কেউ ই সিনেমায় গিয়ে বাংলা মুভি দেখা মিস দিতনা!
ইন্টারনেটের জমানায় কতকিছু দেখবেন।সবকিছু কি আর মাথায় রেখে পারবেন?
এই ইন্টারনেট না থাকলে কত্থিকা যে তার এইসব দেখত সেই চিন্তা করে তাদের মাফ কৈরা দেন!
৭|
২৭ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:৫৬
আমার নাম ছিলোনা বলেছেন: মুভির শুরুটা বেশ চমকপ্রদক!ছোট্ট একটা শিশুকে দোলনার উপরে নালায় ভাসতেছে আর কান্না করতেছে
:-<
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:১৪
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: মুভির শুরুটা বেশ চমকপ্রদক!ছোট্ট একটা শিশু দোলনার উপরে নালায় ভাসতেছে আর কান্না করতেছে
হইবেক!
এডিট কৈরা দিছি!
৮|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:২১
এম এম ওবায়দুর রহমান বলেছেন: আপনার যথেষ্ট ধৈর্য আছে। আপনাকে শুভেচ্ছা ভাই। অনেক চেষ্টা করেও গত বারো বছর হল একটি বাংলা মুভি শেষ করতে পারিনি।
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৩৮
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: কি যে বলেন না!!
৯০ দশকে বাংলা মুভির খুব ভক্ত ছিলাম।২০০৫/৬ পর্যন্ত বাংলা সিনেমা হলে গিয়েই দেখতাম।তাই মাঝে মাঝে টুকটাক না দেখে থাকতে পারিনা!!!
চেষ্টা করতে থাকেন দেখবেন অচিরেই আপনি একটি সম্পুর্ন বাংলা মুভি দেখে শেষ করে ফেলেছেন!!!
সামনে ভালো ভালো মুভি আসতেছে।আশা করি আপনার চেষ্টা তখন পরিপূর্ণতায় রুপ নেবে!
ভাল থাকবেন!
৯|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৪৮
অদম্য১২৩৪ বলেছেন:
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৪৯
হাবিবউল্যাহ বলেছেন:
১০|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৪:১৮
সহ্চর বলেছেন:
দেখতেই হইব? ![]()
না দেখলে হয় না?
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৪:২১
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: শেষ আধা দেখে ভালো লাগবে।প্রথম আধা ও খারাপ লাগবেনা।শুধু ওয়ান্টেডের কথা একটু মনে পইয়া যাইব!
তবে শাকিবের গেটাপ কঠিন হইছে এই মুভিতে!
১১|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৫:২০
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: চরম লিখছেন ভাই!
২৭ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৬
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: থ্যাঙ্কু!
১২|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩
ভারচুয়াল আমি বলেছেন: আপনি তো দেখি শাকিব খান এর চরম ফ্যান। তার অভিনয় আপনার কাছে ভালো লাগে। বাংলা সিনেমার এই দুঃসময় এ আপনি তাদের পাশে আছেন। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
২৭ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৮
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: াংলা সিনেমার যখন সুসময় ছিল তখন থেকেই আমি বাংলা সিনেমার সাথে!
শাকিব খানের চরম ফ্যান আমি নই।রুবেল কাঞ্চন আর জসিমের ফ্যান বলা যাইতে পারে আমাকে।কিন্তু এখন তারা আর কেউ নাই তো শাকিব খানের মুভি ই দেখতে হবে কি আর করা!!!
তার গেটাপ আপনার কাছেও খারাপ লাগবেনা আশা করছি।
শুভ কামনার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ!
১৩|
২৭ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৫:৫৩
রাশান শাহরিয়ান নিপুন বলেছেন: রিভিউ ভালা হইছে। তয় নায়ক নায়িকার নাম ভাই-বোন ঠেকে।
এইদা কি অহন সিনেমা হলে চলতাছে??
২৭ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: ওহহো!
বলতে ভুলে গেছি শাকিবের আসল নাম রাসেল থাকে!!!
তার পালিত বাবা মা তার নাম চাঁদ রেখেছিল।
২০১১ এর জুনের মুভি এইটা।এখনো ডিভিডি প্রিন্ট রিলিজ হয়নাই।
ধন্যবাদ!
১৪|
২৭ শে জুন, ২০১২ রাত ৯:০৮
স্বর্ণমৃগ বলেছেন: মুভির থেইকা রিভিউ পইড়াই বেশি মজা পাইলাম! ![]()
পিলাস!
২৭ শে জুন, ২০১২ রাত ৯:৫১
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: াহাহা!!!
ধন্যবাদ মাহবুব ভাই!
পৃথ্বীরাজ নামের কেরালা মানে মালয়লাম মুভির এক নায়ক আছে যাকে আপনার মত লাগে দেখতে!!!
সে একটা হিন্দি মুভিও করতেছে রানী মুখার্জির সাথে!
১৫|
২৮ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:২৫
স্বর্ণমৃগ বলেছেন: পৃথ্বীরাজ রে দেখি নাই, এখন দেখতে হবে মনে হইতেছে! ![]()
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৩২
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: দেখেন তারপর আপনার কাউবয় ক্যাপের ছবির সাথে মিলাবেন।অবাক হবেন নিশ্চিত!!!
১৬|
২৮ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:৩০
দ্যা হিরো বলেছেন: দ্যা হিরো আসতাছে অচিরেই, আর একটু অপেক্ষা করেন।
ধৈজ্জ দরেন বাহে
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৩৩
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: ইডা কেডা?
তারাতারি আহেন আর সহ্য হইতাছেনা?
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুন, ২০১২ ভোর ৬:২০
কবি ও কাব্য বলেছেন: াআআআআআআআআআ, খুব মজা পেলাম। দারুন রিভিউ হইছে। আমি একালের বাংলা সিনেমা দেইখা ক্যান জানি আগের মতো মজা পাইনা। কিন্তু এখনও পুরানো ছবি গুলো দেখলে খুব মজা লাগে। আস্তে আস্তে আমার পুরানো সংগ্রহ অনেক বড় হচ্ছে ভাইজান। আপনি দেশে আসলে একদিন আমার বাসায় দাওয়াত কইরা আপনারে বড় পর্দায় পুরানো সিনেমা দেখামু।