নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফিউচার ইজ নট আওয়ার্স টু সি..

হাইজেনবার্গ ০৬

Nothing to Say

হাইজেনবার্গ ০৬ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আইতাছে , GHOST GDP ;)

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২১



শুরুতেব এক্টা গুরুত্বপূর্ণ আলাপ কইরা লই। বেশ কিছুদিন আগে বাসসের মাহবুব মোর্শেদ বর্তমান সময়ের দেশের শ্রেস্ঠ বুদ্বিজীবির এক্টা লিস্ট বানাইছিলো, উহাতে মোর্শেদের নামও ছিল।এক নাম্বারে মনে হয় রাইসু খেজুরের নাম আছিল। যাই হউক আমার প্রশ্ন হইলো সামু ব্লগে শ্রেস্ঠ বুদ্বিজীবি কে?? আমার শরম লাগে তবুও কইতাছি একনাম্বার বুদ্বিজীবি হইলাম আমি =p~ বাকিডা আপ্নারা রেকমেন্ড করেন, পরে এক্টা লিস্ট বানামুনে। ;) এখন আসেন আলাপে আসি, আজ বা আগামিকাল টেক ইন্ড্রাস্ট্রীর ডার্লিং এনভিডিয়া( NVIDIA) তার আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করবে,তারপর কোম্পানির বসেরা এর রেজাল্ট ও ফিউচার নিয়া চাপাবাজি করবে।ট্রেডারদের জন্য ইহা খুবই ইম্পোর্ট্যান্ট ইভেন্ড।ইহা নিয়া আমি এক্টু পড়া লেখা করতে গিয়া এক্টা লেখা পাইলাম। ভাবলাম এ আই দিয়া কপি কইরা ব্লগে পোস্ট করে নিজেরে বুদ্বিজীবি হিসাবে পমান দেই =p~ বিশাল লেখাটা শর্ট আর ইজি কইরা দিলাম

''The Ghost GDP Memo”

''এটি Citrini Research–এর একটি ভাইরাল “ভাবনাভিত্তিক বিশ্লেষণ” প্রতিবেদন, যা জুন ২০২৮ সালের একটি কাল্পনিক ম্যাক্রো মেমো হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি সরাসরি ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে লেখা হয়নি, বরং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির একটি কল্পিত চিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি আসলে ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক দৃশ্য কল্পনা করে লেখা। ধরুন ২০২৮ সালে আমেরিকায় বেকারত্ব ১০% ছাড়িয়ে গেছে এবং শেয়ারবাজার অনেক পড়ে গেছে। লেখক দেখাতে চেয়েছেন—যদি খুব দ্রুত AI মানুষের কাজ নিয়ে নেয়, তাহলে অর্থনীতিতে কী ধরনের বড় সমস্যা হতে পারে।

শুরুতে সবকিছু ভালোই মনে হচ্ছিল। কোম্পানিগুলো AI ব্যবহার করে খরচ কমাচ্ছিল, লাভ বাড়াচ্ছিল, আর শেয়ারবাজার উপরে উঠছিল। “GDP” মানে দেশের মোট উৎপাদন বা অর্থনৈতিক কার্যক্রম—এটাও কাগজে-কলমে বাড়ছিল। “Productivity” মানে কম সময়ে বেশি কাজ করা—AI এর কারণে এটা খুব বেড়ে গিয়েছিল।

কিন্তু সমস্যা হলো, যখন মানুষ চাকরি হারায় বা কম বেতনের কাজ করতে বাধ্য হয়, তখন তাদের আয় কমে যায়। আয় কমলে তারা কম খরচ করে। অর্থনীতির বড় অংশই দাঁড়িয়ে আছে মানুষের খরচের ওপর। রিপোর্টে “Ghost GDP” নামে একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে হলো—কাগজে উৎপাদন বাড়ছে, কিন্তু সেই টাকা মানুষের হাতে যাচ্ছে না, তাই বাস্তব বাজারে চাহিদা কমে যাচ্ছে।

এরপর একটি খারাপ চক্র (negative feedback loop) শুরু হয়। AI কাজ নেয়, মানুষ চাকরি হারায়, মানুষ কম খরচ করে, কোম্পানির বিক্রি কমে যায়, কোম্পানি আবার খরচ বাঁচাতে আরও AI ব্যবহার করে। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।

“Systemic risk” মানে পুরো আর্থিক ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি, শুধু একটি খাতের নয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রথমে মনে হচ্ছিল শুধু সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কিন্তু পরে দেখা যায় সাদা-কলার কর্মীরা (অফিসে কাজ করা লোকজন) বেশি চাকরি হারাচ্ছে। এরা সাধারণত বেশি আয় করে এবং বেশি খরচ করে। তাদের আয় কমে গেলে বাড়ি কেনা, ঋণ পরিশোধ, বিনিয়োগ—সবকিছুতে প্রভাব পড়ে।

মর্টগেজ মানে বাড়ির ঋণ। যদি মানুষ চাকরি হারায়, তারা ঋণ শোধ করতে পারবে না। এতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমস্যায় পড়ে। প্রাইভেট ক্রেডিট মানে ব্যাংকের বাইরে দেওয়া বড় ঋণ। এসব জায়গায়ও ঝুঁকি বাড়ে।

শেষে লেখক বলছেন, এটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নয়, বরং সতর্কবার্তা। এখনো সময় আছে ব্যবস্থা নেওয়ার। মূল বার্তা হলো—AI খুব দ্রুত এগোলে এবং মানুষের আয়ের বিকল্প তৈরি না হলে, অর্থনীতি কাগজে ভালো দেখালেও বাস্তবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।''

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.