| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার নাম হালুম
অবাক বিস্ময়ে বাস করি আমরা
জাতি হিসেবে আমাদের অবস্র নেওয়া উচিত
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাংলা মোটর পুলিশ বক্সের পাশে পুলিশকে বহনের জন্য দাড়িয়ে থাকা বাসে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা
ঐ পুলিশটা নিশ্চয়ই ঘরে ফিরতে চেয়েছিলো
শীতের রাতে এক প্লেট গরম ভাত খাবার ইচ্ছে হয়েছিলো
তারও প্রিয় কেউ ছিলো, হয়তো সন্তান ছিলো
একটা আগামী ছিলো
এখন আর কিছু বাকি নেই
অঞ্জন দত্তের একটা গান মনে পড়ছে
"সুদিন আসবে বলে ওরা কতো আগুন জ্বালায়
আর বেকার কিছু মানুষ মরে যায়"
খবরঃ
বিরোধী জোটের অবরোধ কর্মসূচি শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর বাংলা মোটরে পুলিশের একটি বাসে অগ্নিসংযোগে দগ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাংলা মোটর পুলিশ বক্সের সামনে পুলিশের রিকুইজিশন করা ওই বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। বিকাল ৫টায় শেষ হয় ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কলাবাগান থানার এসআই হারুনুর রশীদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, থেমে থাকা বাসে তিন পুলিশ সদস্য ছিলেন, এর মধ্যে একজন পুড়ে মারা গেছেন, আহত হয়েছেন অন্য দুজন।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আগুনে পুলিশ কনস্টবল মো. ফেরদৌস (৩৫) নিহত হন।
আহত দুজনের মধ্যে একজন কনস্টেবল ফায়জুল ইসলাম (৪১) এবং কুসুমপুর পরিবহনের ওই গাড়ির চালক মো. বায়েজিদ (২৫)। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাসটিতে আগুন জ্বলার সময় মোটর সাইকেলে করে দুজনকে সেখান থেকে দ্রুত চলে যেতে দেখেছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন সোহাগ নামে ওই সংস্কৃতিকর্মী শাহবাগ থেকে বাংলা মোটরের দিকে আসছিলেন, তার সামনেই মারা যান পুলিশ সদস্য।
তিনি বলেন, “হঠাৎ কাচ ফাটার মতো শব্দ শুনতে পাই, তাকিয়ে দেখি বাসটি জ্বলছে। এই সময় দুজনকে একটি মোটর সাইকেলে চেপে দ্রুত শাহবাগের দিকে চলে যেতে দেখেছেন তিনি।
“আমি দ্রুত সেখানে যাই। গিয়ে দেখি, পুলিশের পোশাক পরা একজন পেছনের জানালা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করছে। আমি তাকে বের করে আনার চেষ্টা করি। কিন্তু তার পা ভেতরে আটকে যায়।”
বেশ কসরত করে ওই পুলিশ সদস্যকে বের করে আনার পর সালাহউদ্দিনের সামনেই তার মৃত্যু হয়। বর্ণনা দেয়ার সময়ও ঘটনার আকস্মিকতায় কথা আটকে যাচ্ছিল এই যুবকের।
বাসে আগুন নেভানো হয়েছে। সোয়া ১২টার দিকে বাসটিকে রেকার দিয়ে টেনে সরানোও হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ছুটে গেছেন।
বিরোধী জোটের লাগাতার হরতাল-অবরোধে এর আগে বাসে অগ্নিসংযোগ এবং পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হয়ে প্রায় ২০ জন নিহত হন।
সোমবার রাতে ঢাকার নয়া বাজারে ট্রাকে ছোড়া পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হন এক চালক, একইভাবে গাজীপুরেও এক ট্রাকচালক দগ্ধ হন।
মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে পেট্রোলবোমায় পুড়ে মারা যায় একটি ট্রাকে থাকা সাতটি গরু। বোমায় জ্বলন্ত ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাজারে ঢুকে পড়লে আসবাবপত্রের কয়েকটি দোকান, কারখানা ও গুদাম পুড়ে যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৪৩
পাঠক১৯৭১ বলেছেন: যারা পুলিশ মারছে, তারা জনতাকে আক্রমণ করছে, আমরা এদের বিচার করবো।