নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হালুম এর ব্লগে দেখা কিছু নাই

মানুষ ভুল করে, হালুম ভুল করে না, মানুষ অনেক কিছু ভুলে যায়, হালুম ভোলে না, মানুষ অনেক কিছু সহ্য করে, সহ্য না করে কন্ঠ তোলার নামই

কখনো আমি হালুম হালুম করি

আমার নাম হালুম

কখনো আমি হালুম হালুম করি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা যারা ডাক্তার পেটাইঃ - মিডিয়ার স্টান্টবাজি!!

১৩ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৫:১২

(অর্ণব আর্কের খেরোখাতা থেকে)





অল্প কিছুদিন হল সাংবাদিকতা পেশায় সরাসরি যুক্ত হয়েছি। বরাবর আমার মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিলো Media Isn’t a place for the reflection of reality. যার কিছু বাস্তব নমুনা এখন প্রত্যাশার পারদকে মারিয়ানা ট্রেঞ্চর মতো নিচে নামিয়ে এনেছে।



টেলিভিশন ক্যামেরার কিছু পূর্ব নির্ধারিত বিষয় নিয়ে চক্রবর্তীর মতো চক্রাকারে ঘুরপাক খাওয়ায় দেখেছে দিনের শিডিউল শেষ ঠিক সেখানেই শুরু পত্রিকাগুলোর। তথাকথিত কিছু পণ্ডিত ব্যক্তির ছেলে ভোলানো বিশ্লেষণে যেমন ঘটে আত্মশ্লাঘার নির্মম মঞ্চায়ন।



তেমনি দলীয় বুদ্ধিবৃত্তিক পাণ্ডা হিসেবে তাদের দ্বিমুখী ক্ষুন্নিবৃত্তির পথও প্রশস্ত করেছে এইসব দৈনিকগুলো। শাঁখের করাত যেমন আসতে-যেতে দুইধারে কাটে, এসব পণ্ডিতের তেমনি দুদিকে লাভ।



প্রথমত নিজ দলের থেকে পাণ্ডাগিরির মাসোয়ারা অন্যদিকে মাস শেষে পত্রিকার বিলের কড়কড়ে চেক। এর মধ্যখান দিয়ে মূলসত্য বরাবরের মতো আড়লেই থেকে যায়।



ডাক্তাররা ডাকাত, তারা কসাই, তাদের মনে মায়া দয়া কিছু নাই। এই পাষণ্ডগুলোকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলতে পারলে স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত হবে।



দেশ যুদ্ধাপরাধীর মতো আরেক শ্রেণির ঘৃণ্য অপরাধী মুক্ত হবে এমন কথা আপনাদের মনে হতেই পারে। এর দুটি কারণ রয়েছে।



প্রথমত,

আপনারা এমন খবর শুনতে চাইছেন।



দ্বিতীয়ত,

মিডিয়া আপনাদের এমন খবর দেখাছে, শোনাচ্ছে এবং তাদের স্ট্যান্টবাজ বিশ্লেষকগণ সেটাই আপনাদের বোঝাচ্ছে।



হুম মিডিয়ার পাশাপাশি আমিও মেনে নিলাম ডাক্তাররা জঘন্য চরিত্রের লোক। মিডিয়া বরাবরই বলে এসেছে ডাক্তাররা বর্বর হামলা চালিয়েছে। জনগণ এবং ছাত্ররা তাদের আলতো ভাবে একটু ধমক দিয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটু আধটু মৃদু ধাক্কা লেগেছে। কোথাও এক আধটা চড় থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটেছে।



হুম বোঝা গেলো আপনারা এগুলো দেখে খুশি হন। আর আপনারা খুশি হন বলেই আপনারা সচেতন নাগরিক। আপনারা খবর দেখেন, আপনারা কলাম পড়েন, আপনারা ইংরেজি সিনেমা দেখেন। এতো দেখার পরেও কেবল আয়নায় নিজের চেহারা দেখার সুযোগ হয়না।



এবার নিজের চেহারা দেখতে চেষ্টা করুণ। আমি চেষ্টা করেছিলাম। তাই আমি দেখলাম ঐ পাণ্ডগুলোর দোষ তারা কোনো টাকা না নিয়েও গ্রাজুয়েশান শেষ করার পর আপনাদের সেবা দিচ্ছে। বাংলাদেশের এমন কোনো ইন্সটিটিউশন খুঁজে পাবেন না যেখানে কেউ এভাবে ফ্রি তে সার্ভিস দেয়। হোক তাদের শিক্ষা কারিকুলামের অংশ।



কিন্তু খেয়াল করে দেখেন এই হাজার খানেক ছেলেমেয়ে যদি এভাবে কাজ না করতো আমি আপনি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতাম। আমাদের সবার তো আর অ্যাপোলো ইউনাইটেডে গিয়ে দাঁড়ানোর পয়সা নাই। আর সেটা থাকলেও অন্তত লুজ মোশন হলেও বেল্ট লুজ দিয়ে ব্যাঙ্গালোর সিঙ্গাপুরের টিকিট কাটার ক্ষমতা নাই।



ছবিটা দেখুনঃ



(কসাই হিসেবে মাইর'টা খারাপ হয়নি কি বলেন? তাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইর!)













































ডাক্তার আশরাফুল ইসলাম মৃধা লিখেছেন…..



"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ……(বুইঝা নেন)………… হামলায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে৬৪ ব্যাচ এর পিন্নু গুরুতর আহত আবস্থায় এখন ICU তে ভর্তি। ঘটনার সূত্রপাত রাত নয় টায় চাংখারপুল মোরে।



পিন্নু সহ আরো ৫ জন রাতে চাংখারপুল এর এক রেস্টুরেন্ট থেকে রাতের খাবার খেয়ে বের হতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর একদল ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসী পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হকিস্টিক রড, চেইন নিয়ে তাদের ঘেরাও করে জানতে চায় “তোরা কারা” উত্তরে তারা ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার বলামাত্র আক্রমণ শুরু করে।



উল্লেখ্য পিন্নুর গায়ে পরা টি-শার্টে লিখা ছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ, আর তা দেখেই হয়ত আগে থেকেই টার্গেট করে রেখেছিল।



অন্যরা কোন রকমে পালায় আসতে পারলেও প্রথমেই মাথায় আঘাত পাওয়া পিন্নু আর নিজেকে রক্ষা করে পালাতে পারে নাই।



……… তাকে মারতে মারতে ডিএমসি এর কাছাকাছি পর্যন্ত তাড়া করে নিয়ে আসে। এখন গুরুতর আহত আবস্থায় আই সি উ তে ভর্তি। (অতিক্ষোভে ব্যবহৃত শব্দগুলো বাদ দিয়েছি)।"



এখন আপনারাই বলুন মূল ঘটনা কি ঘটেছিলো।



এই ধরণের ঘটনা লাগাতার ঘটতে থাকলে এই ডাক্তারদের কাছে আপনারা কিভাবে সার্ভিস আশা করেন ?



স্ট্যান্টবাজি দেখে প্রচুর তো ল্যাজ নাড়া হলো। বুদ্ধিবৃত্তিক পাণ্ডাদের ষণ্ডাগিরিতে গা ভাসিয়ে প্রচুর তো নাচানাচি হলো, আমার-আপনারা প্রত্যেকেরই মন ও মগজ আছে।



আসুন সেটাকে কাজে লাগাই। একটু ভাবি এখানে আসলে কি হচ্ছে।

এভাবে ডাক্তারদের আক্রমণ করা হলে, তারাও প্রতিবাদী হয়ে সেবাদান বন্ধ করলে আসল বিপদটা কাদের। তাই সবাই মিলে চেষ্টা করার উচিত এই বর্বরতা বন্ধ করা।



আর ডাক্তারদের প্রতি অনুরোধ থাকবে আপনাদের পবিত্র পেশার প্রতি সম্মান রাখুন। অন্তত দুই একটা বর্বরের বর্বরতার শাস্তি পুরো জাতির উপর চাপিয়ে দেবেন না।



পুরো জাতিকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। তাদের সামনে চেষ্টা করুণ মূল অবস্থা তুলে ধরতে।………





ছবি কৃতজ্ঞতা: আশরাফুল ইসলাম মৃধা

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:২৪

একজন ঘূণপোকা বলেছেন:
এক হাতে তালি বাজে না

১৪ ই মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৯

কখনো আমি হালুম হালুম করি বলেছেন:
এজন্যই অবশ্য ডাক্তাররাও এখন তালি বাজাতে শুরু করেছে
সমস্যা নাই, একটি মারলে এখন দুটি খেতে হবে

২| ১৪ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৭

রিফাত ২০১০ বলেছেন: ছাত্রলীগ নামের ভারতীয় জারজ পাণ্ডা গুলোর কথা বলার কিছু নেই । ওরা তো মানুষ না ছাত্রলীগ । ওদের বিচার আল্লাহ করবেন। যেহেতু ভারত নিয়ন্ত্রিত সরকার ক্ষমতায় তাই ভারতীয় দলাল তথা ছাত্রলীগের পাণ্ডা বাহিনী পাগলা কুকুরের মতো তখনো আচরণ করছিলো এখনো করছে ভবিষ্যতেও করবে। কারণ ওরা মানুষ না ওরা ছাত্রলীগ।

আর তথ্য সন্ত্রাসী সাংবাদিক! এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি? বাংলাদেশের পুলিশের যেমন কোন লেভেল নেই ঠিক তেমনি সাংবাদিকদের ও কোন লেভেল নেই। পকেটে একটা কলম আর কোন একটা দৈনিকের ( হোক সে দৈনিক টয়লেট টিস্যুর চেয়েও নিম্ন মানের) আই ডি কার্ড গলায় ঝুলাইলেই সাংবাদিক হওয়া যায় বাংলাদেশে।

আমি এক সাংবাদিককে চিনি যে ১ পাতা বাংলা লিখায় সর্বনিম্ন ২০ টা বাংলা বানান ভুল করে। ঠিক মতো কথাও বলতেও জানেন । সেও বলে সাংবাদিক।

আমি যদি কোনদিন কোন গণ্ডগোল এর মাঝখানে কোন সাংবাদিক পাই আমি অবশ্যই তাকে পিটবো।

১৪ ই মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫১

কখনো আমি হালুম হালুম করি বলেছেন:
বাংলাদেশে সবচেয়ে সোজা হলো 'ডাক্তার' হওয়া
কারন সাংবাদিকরা ডাক্তারের চিকিতসার ভুল ধরে!!
অলিতে গলিতে ডাক্তারের অভাব নাই, এরা এমবিবিএস না করলেও ৩/৪ টা ডিগ্রী আছে!!!

এই দেশে সাংবাদিকরাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.