নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাসান পালগিরি

হাসান পালগিরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিস্তারিত ভালোবাসা ও সাইমন

০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:০৫





সাইমন, নামটা পুরোধমে বিদেশী হলেও কর্মে বাঙালী। মনে প্রাণে বিশ্বাস করে জাতীয়তাবাদ। স্কুল, কলেজের পাঠ চুকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনাকে টাটা বাই বাই বলার সময় গুনিয়ে এসেছে। কিন্তু মনের ভিতরে এখনও সেই দুরন্ত বেলার খুনসুটি কাজ করে। একটি দুষ্টমী, বেশি ঘুমানো আর এক গাদা খাওয়া প্রভৃতি। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়ণকালে জড়িয়ে পড়ে লেখালেখিতে। যদিও লেখার হাত একেই বারে কাঁচা। যাই হোক_ কপাল গুনে চাকুরী মিলে একটি অনলাইন পত্রিকায়। সেখান থেকে যাত্রা শুরু। একে একে পরিচয় দেশের অনেক রতি-মহারতি সাংবাদিকদের সঙ্গে। যাকগে. সময়ের ঘূর্ণিফাঁকে বন্ধুত্ব হয় (বয়সে তিন বছরের বড়) সহকর্মী আরিয়ানের সঙ্গে। ছেলেটা বড্ড বন্ধুসুলভ। খুব সহজে মানুষকে আপন করে নিতে পারে। অল্প কয়েকদিনে অফিসের মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ে তার। সবাই তাকে বেশ বিশ্বস্ত মনে করে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। মাঝে মধ্যে আরিয়ান তার পরিবারের সম্পর্কে বলতো। দুষ্টমীর খাতিরে জানতে পারি তার প্রিয়তমার কথা। তার বরাত দিয়ে যতটুক জেনেছি মেয়েটা বড্ড মিষ্টি। বাবা মা ও ভাইদের আদরের বটে। অফিসের একগাধা কাজ সেরে ডেটিং করার মত সময় ও মনের কোনটারই উপস্থিত থাকতো না দিন শেষে আরিয়ানের কাছে। এ নিয়ে ব্যাপক ঝগড়া-বিবাধ ও মান-অভিমান। এভাবে তার সময় অতিবাহিত হতে লাগল। এক ,দুই, তিন বছর শেষে সম্পর্ক চারে পা দিয়েছে। বেচারা খুব খুশি। কিন্তু বিপত্তি বাধলো যখন অফিসের কোন এক কাজে তাকে সিলেট যেতে হয়েছে। নির্বাচনী এ্যাসাইমেন্ট থাকায় কাজের চাপ ছিল একটু বেশি। সব মিলিয়ে সিলেট সফরের গোটা ১০ দিন অফিসের। বান্ধবীসহ সবাই যেন গত হয়ে গেছে এমন ভাবেই দেখা মিলল তার চোখে-মুখে। সফর শেষে ঢাকার ফেরার পূর্বে সব শেষ ..>>>> এক বুক যন্ত্রনা নিয়ে আবারো কাজ শুরু। কেউই কিছু জানে না। বর্ষা মওসুম, ঢাকার রাস্তায় ভয়াবহ অবস্থা। এরশাদের এ্যাসাইমেন্ট। আরিয়ান বৃষ্টির বাঁধায় এ্যাসাইমেন্ট মিস করেছে। চালাকী করতে গিয়ে অফিসে ফোনে বলল,, এরশাদ এখনও অনুষ্ঠানে আসেনি। অফিসের বস খোঁজ নিয়ে জানল এরশাদ এসে বক্তব্য দিয়ে চলে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় তার নিউজ আপ হয়ে গেছে। দুপুরে না খেয়ে থাকা বস রেগে তেলে বেগুণে জ্বলে উঠে ব্যাপক রাগ ঝাড়লো আরিয়ানের ওপর। অসহায় আরিয়ানের ওপর মরার ওপর খাড়ার গাঁ। একদিনে না পাওয়ার যন্ত্রনা সঙ্গে তার ওপর অফিসের বিরক্তি। চারদিকে শুধূই কালো দূসর। বাধ্য হলেন চাকুরি ছেড়ে দিতে। চলতে লাগলেন ঢাকার রাস্তায় খালি পায়ে আইনলেন্ড ধরে। ক্ষয়কৃত জুতা ছেড়া শার্ট ময়লা পেন্ট তার মাঝে আর্বত আরিয়ান। সবকিছূর ফল মেলালো.. যাকে ঘিরে এত স্বপ্ন,,এত কষ্ট। সে কিনা সেলপিশের মত না বলে চলে গেল না ফেরার দেশে। কি লাভ আর বেঁচে থাকে? কার জন্য এত উপার্জন? এমন হাজারো প্রশ্ন এখন আরিয়ানের মাথায়। আমরা যারা তার সহকর্মী... খবরের পিছনে প্রবেশ না করে আমরা শুধূই তাকে দোষারপ করছি। কী বা করার আছে তারা.... এখন আত্মহত্যা !!!!!!!! সহকর্মীর এমন দু:স্থ জীবন প্রত্যক্ষ করে নিজের ভালোবাসাকে মাটি চাপা দিতে বাধ্য হচ্ছে সাইমন। সাইমন জেরিনকে ভালোবাসে। বয়সে ৪ বছরের ছোট জেরিনকেই বিয়ে করতে চায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছূই না। অজানা কোন এক ভয়ে এখনও প্রেমের কথা ফুটেনি সাইমনের কন্ঠে। বলেনি জেরিন আমি তোমায় ভালোবাসি। ..ভালোবাসার মানুষকে ছুঁয়ে দেখার চেয়ে তার ভালো থাকাটাই মূখ্য সাইমনদের কাছে।



(এটি গল্পের একটি অংশ মাত্র। সামনে আরো কিছু অপেক্ষা করছে। অনলাইনের ভাষায় বলবো "বিস্তারিত আসছে")









মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.