| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন শরীফ। দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে খণ্ড খণ্ড অংশে এটি ইসলামের নবী মুহাম্মাদের নিকট অবতীর্ণ হয়। ডঃ তারিখ আল সুওয়াইদন আল কুরআনের সংখ্যাতাত্বিক একটি বিষ্ময়কর গবেষণা উপস্থাপন করেছেন। অনেক সংখ্যাতাত্ত্বিকতার মধ্যে দু’একটি বিষয়ের উল্লেখ প্রাসঙ্গিক হবে।
১) ১) পবিত্র কুরআনে পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার -নারী শব্দটা এসেছে ২৪ বার।
২)আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার -নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার ।
৩)হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার -হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার।
৪)জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার-জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার।
৫)দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার- আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার ।
৬)ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার-শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার।
৭)জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার -মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার।
৮)উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার -ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার ।
৯)মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার-রাসুল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার।
১০)জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার-উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার।
১১)মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার আর দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার।
১২)আল বাহার- (সমুদ্র বা জলভাগ) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে ৩২ বার এবং আল বার (ভ’মি বা স্থলভাগ) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে ১৩ বার। স্থল এবং জলের বিপরীতে মোট ব্যবহৃত শব্দের সংখ্যা ৩২+১৩= ৪৫বার। এই ৪৫ বারের মধ্যে ১৩ বার স্থল এবং ৩২ বার জল বোধক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। যার অনুপাত যথাক্রমে ১৩/৪৫x ১০০%=২৮.৮৮% এবং ৩২/৪৫ x ১০০%=৭১.১১% যা পৃথিবীতে বিদ্যমান স্থলভাগ ও জলভাগের পরিমানকে সঠিকভাবে প্রতিপাদিত করে।
সূত্র: অনলাইন
- See more at: Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৭
ইমরান আশফাক বলেছেন: আরে বাহ, আমি তো রীতিমত হতবাক হয়ে গেলাম এটা জেনে।