নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বোকা মানুষের কথায় কিই বা আসে যায়

বোকা মানুষ বলতে চায়

আমি একজন বোকা মানব, সবাই বলে আমার মাথায় কোন ঘিলু নাই। আমি কিছু বলতে নিলেই সবাই থামিয়ে দিয়ে বলে, এই গাধা চুপ কর! তাই আমি ব্লগের সাহায্যে কিছু বলতে চাই। সামু পরিবারে আমার রোল নাম্বারঃ ১৩৩৩৮১

বোকা মানুষ বলতে চায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

Four Beautiful Ladies, বাংলাদেশী মডেলিং জগতে যাদের তুলনা ছিল শুধুই তারা - ওরা চারজন (পেছনে ফিরে দেখা)

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:১৫



মাঝে মাঝে এমন হয় যে, একটা দীর্ঘ এক ঘন্টার নাটকের চাইতে ৩০ সেকেন্ড বা এক মিনিট এর একটা বিজ্ঞাপন আমাদের মনে অনেক গভীর দাগ কেটে যায়। আর নব্বই এর দশকে এরকম বিজ্ঞাপনের কিন্তু অভাব ছিলো না। ফিলিপস বাত্তি, মেরিল বেবি লোশন, শাইন পুকুর, ডিপ্লোমা গুঁড়া দুধের বিজ্ঞাপনগুলো এখনো নস্টালজিক করে সে সময়কার ইয়ং জেনারেশনদের। আর অতি অবশ্যম্ভাবী যে, সেই বিজ্ঞাপনের মূখ্য চরিত্রের মডেলরা দর্শক হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন খুব সহজেই। আর সে সময়ের তরুন-যুবা'দের হৃদয় হরণকারীনি চার মডেল কন্যাদের সংক্ষিপ্ত কথন নিয়ে আজকের এই পোস্ট। তার আগে এই সিরিজের শুরুর পেছনের ছোট্ট একটা গল্প বলে নেই।

২০১৮ সালের কুরবানি ঈদের অনুষ্ঠানমালায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের “রাঙ্গা সকাল” অনুষ্ঠানে হাজির করা হল হারিয়ে যাওয়া মডেল-অভিনেতা ফয়সাল’কে। বহুদিন পর তাকে দেখে মনে পড়ে গেল বাংলাদেশ টেলিভিশনের সেই সময়গুলোর কথা যখন এই দেশে বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে তারকা খ্যাতি’র শীর্ষে ছিলেন বেশকিছু পরিচিত মুখ। এখনকার মত অভিনেতা/অভিনেত্রী, নায়ক/নায়িকা, গায়ক/গায়িকা নয়; এক চেটিয়া দখল ছিল এদের হাতে আমাদের বিজ্ঞাপনী মডেল জগত। নস্টালজিক হয়ে গিয়েছিলাম। তখনই মাথায় ছিল এ নিয়ে একটা পোস্ট দেয়ার। সময় আর ব্যস্ততা’র কারনে দেয়া হয় নাই। আজ যখন হাতে কিছুটা অবসর সময় পেলাম ভাবলাম লিখেই ফেলা যাক ছোট করে হলেও একটা পোস্ট। আমার দেখা সেই সময়ের চার নক্ষত্র মডেল হলেনঃ নোবেল, শিমুল, পল্লব, ফয়সাল। সংক্ষেপে এদের নিয়ে লিখলাম একটা পোস্টেঃ Four Handsome, বাংলাদেশী মডেলিং জগতে যাদের তুলনা ছিল শুধুই তারা - ওরা চারজন (পেছনে ফিরে দেখা)। তো সেই পর্ব লেখার সময় বলেছিলাম পরের কিস্তি লিখবো সেই সময়ের চার মডেল কন্যা মৌ, তানিয়া, সুইটি এবং রিয়া'কে নিয়ে। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর, ব্লগে ছিলাম না বলা চলে; মাঝে মাঝে উদয় হয়ে ডুব দেয়া। তো এখন যেহেতু কিছুটা নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করছি, তাই সেই কিস্তিটা আজ লিখে ফেলা যাক। আর এই ধরনের একটা সিরিজ না হয় চালু রাখা যাক, যার শিরোনাম হবেঃ ওরা চারজন (পেছনে ফিরে দেখা)। আগামী পর্বে না হয় লিখবো ৯০ এর দশকের চার নাট্য তারকা অভিনেতা তৌকির আহমেদ, আজিজুল হাকিম, জাহিদ হাসান আর টনি ডায়েস'কে নিয়ে।

তো আসুন শুরু করি আজকের পোস্টঃ

===========================================================================

(০১) সাদিয়া ইসলাম মৌ
বাংলাদেশের মডেল শব্দটি উচ্চারণ করলে সবার আগে দুটি নাম চলে আসে, নোবেল-মৌ। হ্যাঁ, বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা নারী মডেল কে? এর উত্তরে প্রায় শতভাগ মানুষ বেছে নিবেন সাদিয়া ইসলাম মৌ'কে। ১৯৭৬ সালের ২১ জুন জন্ম এই বাংলাদেশী মডেল কন্যার, বাবা প্রয়াত সংগীতশিল্পী সাইফুল ইসলাম এবং মা রাশা ইসলাম। যখন ক্লাস সেভেন/এইটে পড়েন, তখনই একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে মডেলিং জগতে আবির্ভাব তার। তবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার যাত্রা সাড়ে তিন বছর বয়সে নাচের মঞ্চ দিয়ে। হ্যাঁ, সাদিয়া ইসলাম মৌ মডেল এর চাইতে আগে নৃত্যশিল্পী। আর এর পেছনে ছিলেন তার মা। তার নানা আজফার হাসান মাহমুদ ছিলেন শান্তিনিকেতনের শিক্ষার্থী এবং রবীন্দ্রনাথের ছাত্র। আর মা রাশা ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের স্টিল অ্যাড মডেলিং-এর পথিকৃৎ এবং বাংলাদেশের প্রথম মডেল ও নৃত্যশিল্পী। সেই ছোট্ট বয়স থেকে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হয়ে শিক্ষকতা থেকে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট এ জড়িয়েছেন। মৌ এর উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞাপন এর বিবরণ দিতে গেলেও পোস্ট অনেক বড় হয়ে যাবে। তবে মৌ ও নোবেল দুজনেই কেয়ার বিজ্ঞাপনগুলোকে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্য পর্যায়ে। হয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ব্রান্ড লাক্সের মডেল, করেছেন পাকিজা প্রিন্ট শাড়ী, আপন জুয়েলার্স, মৌচাক জুয়েলার্স সহ আরো অনেক বিজ্ঞাপন। সর্বশেষ করেছেন মোবাইল কোম্পানী রবির বিজ্ঞাপন, তার সেরা জুটি নোবেলের সাথে। ১৯৯৪ সালে সর্বপ্রথম তিনি টেলিভিশন নাটক "অভিমানে অনুভবে" এর মাধ্যমে টিভি নাটকে যাত্রা শুরু করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ অল দ্য বেস্ট, বদনাম, মনে পড়ে রুবি রায়, নীল আকাশ প্রেম বিষ, ইত্যাদি। ১৯৯৪ সালে ইত্যাদির গানে মডেল হতে গিয়ে পরিচয় ঘটে নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা জাহিদ হাসানের সাথে, সেখান থেকে ভালবাসা এবং অতঃপর বিয়ে। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, মেয়ে পুষ্পিতা এবং ছেলে পূর্ণ। বর্তমানে মডেলিং-এ খুব কম দেখা দিলেও নৃত্য করেন নিয়মিত। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন।

===========================================================================

(০২) তানিয়া আহমেদ
নব্বই এর দশকের আরেক জনপ্রিয় মডেল তানিয়া আহমেদ। ৫ই জুন ১৯৭২ সালে জন্ম এই মডেল এবং অভিনেত্রীর। পিতা জনাব নাসিম আহমেদ বিশ্বাস একজন অধ্যক্ষ ছিলেন। তার পৈতৃক নিবাস পটুয়াখালী জেলার কলাপড়া থানার লালুয়া ইউনিয়নের চান্দুপাড়া গ্রামের বিশ্বাস বাড়িতে। এদিকে তার আপন দুই মামা চিত্র তারকা সোহেল রানা এবং রুবেল। তো বাংলা চলচ্চিত্রের দুই স্বনামধন্য নায়ক এর আপন ভাগ্নী হওয়ার সুবাদে ছোটবেলা থেকেই মিডিয়া জগতের সাথে পরিচিতি ছিল। একদিন নিতান্তই খেয়ালের বশে মডেলিংয়ের জন্য বিনোদন দুনিয়ার কিংবদন্তি আফজাল হোসেনের কাছে অডিশন দিতে যান। সেখানেই অফার পান ‘ডায়মন্ড তেল’-এর বিজ্ঞাপনে মডেল হওয়ার জন্য। সেটাই তানিয়ার শুরু, প্রথম বিজ্ঞাপনেই সাড়া ফেলেন। এরপর ধীরে ধীরে হয়ে উঠেন মডেলিং জগতের প্রিয় মুখ। মডেল হয়েছেন হেনোলাক্স, আজাদ প্রোডাক্টস, এইচআরসি টি, এরপর নাটকে অভিনয় শুরু ১৯৯৫ সালে 'সম্পর্ক' নাটকের মাধ্যমে। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছেঃ দক্ষিণের ঘর, আদিত্য, আগামী কালের রূপকথা, সেকু কোন্দার, মন্থর, রঙের মানুষ, মাধুরী ও অন্যান্য, রূপালি রাত্রি, রঙের মানুষ, ভবের হাট, ঘটক এবং আমরা প্রভৃতি। প্রভৃতি। ২০০৪ সালে হুমায়ুন আহমদে এর 'শ্যামল ছায়া' চলচ্চিত্র দিয়ে যাত্রা শুরু বড় পর্দায়। এরপর মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী'র 'মেড ইন বাংলাদেশ' (২০০৭), হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত 'নয় নম্বর বিপদ সংকেত" (২০০৭) চলচ্চিত্র, ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'বিশ্বরণ্যের নদী' এবং হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওন নির্মিত 'কৃষ্ণপক্ষ' সিনেমায় অভিনয় করেন। এই গুণী শিল্পী ১৯৯৯ সাল থেকে শুরু করেন গানের ভিডিও পরিচালনা; এরপর ২০০৪ সালে চলচ্চিত্র সম্পাদনা এবং ২০০৮ সালে নাট্য পরিচালক হিসেবে নাম লেখান। ১৯৯৯ সালে সঙ্গীতশিল্পী এস আই টুটুলকে বিয়ে করেন এবং তাদের দুই সন্তান শ্রেয়াশ আহমেদ ও আরশ আহমেদ'কে নিয়ে সুখী দাম্পত্য জীবন পার করছেন।

===========================================================================

(০৩)তানভিন সুইটি
নব্বই এর দশকের আরেক জনপ্রিয় মডেল সুইটি; পুরো নাম তানভিন সুইটি বেগম। পিতা আব্দুর মোতালিব, ঢাকার নিবাসী। ১৯৯১ সালে হুট করেই মডেলিং এ যাত্রা, সুইটির মডেলিং ক্যারিয়ার শুরু হয় ইন্টারমিডিয়েটে পড়াকালীন সময়ে। নিজের এক বান্ধবীকে মডেলিং করতে দেখে নিজেও উৎসাহী হন এই মাধ্যমে। ফিলিপস কোম্পানির ক্যালেন্ডার মডেল হিসেবে প্রথম কাজ শুরু করেন। এর পর মডেলিং জগতের একচ্ছত্র কারিগর আফজাল হোসেন এর হাত ধরে ডায়মন্ড ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন দিয়ে তার টিভি বিজ্ঞাপনে কাজ করা শুরু। এরপর সুইটি কাজ করেছেন নিরমা ডিটারজেন্ট, র‍্যাংগস টিভি, এরোম্যাটিক বিউটি সোপ, ট্যাং মিনি প্যাক সহ বহু জনপ্রিয় টিভি বিজ্ঞাপনে। মডেলিং এর পাশাপাশি ১৯৯৫ সাল থেকে মঞ্চ নাটকে কাজ করছেন সুইটি। থিয়েটার স্কুলে একবছরের একটি অভিনয় বিষয়ক কোর্স এর মাধ্যমে এই জগতে তার পথচলা শুরু। ১৯৯৫ সালে মঞ্চে প্রথম অভিনয় করেন সৈয়দ শামসুল হকের ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকে। মঞ্চ জগত তিনি মেরাজ ফকিরের মা, স্পর্ধা, তোমরাই এখনও, ক্রীতদাস এবং মুক্তি মঞ্চের নাটকগুলিতে অভিনয় করেছিলেন। এখনো মঞ্চে নিয়মিত তিনি। বিটিভি যুগে প্যাকেজ নাটক শুরু হলে নাটকে অভিনয় শুরু করেন। এর মধ্যে প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহের বিপরীতে ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ নাটক অন্যতম। দক্ষিনের জানালা খোলা, আলো আসে আলো যায়, সুন্দরী, হারানের নাত জামাই, পাশাপাশি, সেদিন দুজনে, রং বদল, হে অনন্তের পাখি, দৌড়, যতো দূরে যাই, চিহ্ন, দোকানির বউ, লাবন্যপ্রভা সহ অসংখ্য ভিন্নধর্মী গল্পের নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়, মডেলিংয়ের পাশাপাশি করেছেন টিভি উপস্থাপনাও। ১৯৯৯ সালে ভালবেসে বিয়ে করেন নির্মাতা ও নাট্য প্রযোজক রিপন তাহসিন'কে। নির্মাতা সুইটি টেলিভিশন নাটকও তৈরি করেছেন এবং 'শঙ্খচিল' নামে তার একটি নাটক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান আছে। সুইটি অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও, কাজ করেছেন নির্মাতা আবু সাইয়ীদের 'বাঁশি' (২০০৮), দি ডিরেক্টর (২০১৯), আগস্ট ১৯৭৫ (২০২১) চলচ্চিত্রে। এছাড়া রয়েছে তার নিজস্ব বুটিক হাউজ "সুইটি বুটিক" নামে।

===========================================================================

(০৪) ফারজানা রিয়া চৌধুরী
১৯৯২ সালে কোকোলা বিস্কুট-এর বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেলিং করেন রিয়া। তার পুরো নাম ফারজানা রিয়া চৌধুরী। তার বাবা জহুরুল হক চৌধুরী ছিলেন আইনজীবী আর মা ইলা জহুর চৌধুরী গৃহিণী। প্রথম বিজ্ঞাপন দিয়েই দর্শকদের মন জয় করে নেন রিয়া। ছোটবেলা থেকে নাচ শিখতেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমী'তে। পরবর্তীতে নৃত্যশিল্পী রিয়া বুলবুল ললিতকলা একাডেমীতে নাচের শিক্ষকতাও করেছেন। অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি শেষে ইডেন কলেজ থেকে সমাজকল্যাণ বিষয়ে স্নাতক এবং লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে ঐ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। মডেলিং করেছেন কোকোলা বিস্কুট, জেসমিন টেলকম পাউডার, হাঁসমার্কা নারিকেল তেল, ভেনাস জুয়েলার্স, এরোমেটিক বিউটি সোপ, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন, হেনোলাক্স সহ আরও অনেক পণ্যের। বিটিভি যুগে প্যাকেজ নাটক শুরু হলে প্রায় সকল মডেলদেরই টিভি নাটকে দেখা গিয়েছিলো; ব্যতিক্রম ছিলেন না রিয়াও; কাজ করেছেন টিভি নাটকে। উল্লেখযোগ্য নাটক এর মধ্যে রয়েছে 'যে যেখানে দাঁড়িয়ে', 'চুপ কোন প্রশ্ন নয়', 'খেলা খেলা সারাবেলা', 'কাগজের নৌকা' ইত্যাদি। শেষ নাটক করেছেন ২০১৪ সালে। এর পাশাপাশি বাংলাভিশন চ্যানেলে উপাস্থাপনা করেছেন রূপচর্চা বিষয়ক অনুষ্ঠানও। মডেল রিয়া ২০০৮ সালে মিনহাজ নামের কাতার প্রবাসী একজন বৈমানিককে বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০১৩ সালের মার্চে আমেরিকা প্রবাসী সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার ইভান চৌধুরীকে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে সেখানেই একটি ছেলে সন্তান নিয়ে স্বামীর সাথে স্থায়ী হয়েছেন।

===========================================================================

এদের বাইরে মিতা নুর, অল্প বয়সেই যে পরপারে পাড়ি দিয়েছিলেন। তার 'আলো আলো' খ্যাত অলিম্পিক ব্যাটারির বিজ্ঞাপন এর কথা কার না মনে আছে। আর এর পরের প্রজন্মে মোনালিসা অন্যতম মডেল, কিন্তু উপরের চারজনের সময়কাল এ আসেন না। এর বাইরে নাট্য অভিনেত্রী শমী, বিপাশা, মিমি এবং চলচ্চিত্রের মৌসুমী, পূর্নিমারা মডেলিং এ এসেছিলেন; কিন্তু এই পর্ব মূলত যারা মডেল হিসেবেই প্রথম পরিচয়ে পরিচিত তাদেরকে নিয়ে।

===========================================================================

পুরাতন কিছু জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন দেখে শেষ করিঃ



আলো আলোঃ


বাত্তির রাজা ফিলিপসঃ


সোনা জাদু মনিরে, মেরিল বেবী লোশনঃ


বড়রাও কম নোংরা করে না, হুইলঃ



আমার জন্য বাড়ী! শাইনপুকুরঃ


তোমার ঘন কালো চুলে হারিয়ে যায় মন, জুই নারিকেল তেলঃ


বেশী স্বাদ, বেশী কাপ, বেশী লাভ চা, স্টারশিপ কন্ডেন্সড মিল্কঃ


খবর একখান, আরসিকোলাঃ


পয়সা আছে? একটা গান শুনবেন? পেপসি, জেমসঃ


বার্জার রুবিয়ালাকঃ


বম্বে সুইটস পটেটো ক্রাকার্সঃ


ঝলমল কালো চুল, কিউট শ্যাম্পুঃ


মেরিল ফ্রেশ জেলঃ


লেমেন ডিউ সোপঃ


এই টিনের নাম কি, নাম শুনে কাম কি? গরুমার্কা ঢেউ টিনঃ


কেয়া ট্যালকম পাউডার


ঘরের কথা পরে জানলো কেম্নে? বৌরানী প্রিন্ট শাড়ি


মন্তব্য ৩১ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:২৮

শায়মা বলেছেন: সর্বকালের সর্বযুগের সর্বসেরা মৌ মৌ এবং মৌ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:০২

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: হা হা হা, মৌ ইজ দ্যা বেস্ট। গোপন কথা হল, বোকা মানুষের ক্রাশ ছিলো রিয়া। খবরদার কাউকে বলা যাবে না কিন্তু... :-B

=p~ =p~ =p~

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:০৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমাদের যুগের তারকারা। তাদের নাটক এড কত ভালা পাইতাম আর এখন টিভিই দেখি না

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:২৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: হ কথা সইত্য। আমি অনুষ্ঠানের চাইতে বিজ্ঞাপন বেশী ভালা পাইতাম। কই গেলো সেইসব দিন... এখন সামুর পোস্ট পড়তে গেলেও মামুর ব্যাটা গুগল জোরজবরদস্তি কইরা বিজ্ঞাপন দেখায়, কি যে দিন আইলো... :(

৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই চার মডেলের মধ্যে তানিয়াকে নিয়ে আমরা বেশী আলোচনা করতাম যখন তরুণ ছিলাম। এটার পিছনে একটা কারণ ছিল। কিন্তু কারণটা বলা যাচ্ছে না এখানে। :)

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:১৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: শায়মা আপু কেম্নে জানলো কারনটা? এমনতো কথা ছিলো না। ঘরের কথা পরে জানলো কেম্নে? :P

আমি মনে হয় কারনটা বুঝতে পারছি ;)

ভালো কথা ঘরের কথা পরে জানলো কেম্নে? এই এড টা সংযুক্ত করে দেই, যদি খুঁজে পাই।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৩৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ঘরের কথা পরে জানলো কেম্নে? বৌরানী প্রিন্ট শাড়ি

৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: সুন্দর পোস্ট লিখেছেন। যেন আমাদেরকে তিন যুগ আগে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। তারও আগে ছিলেন নাজমা জামান এবং তাজি রহমান। তাদের মডেলিংও উন্নত মানের ছিল। শেষোেক্ত জন গত বছরে মারা গেছেন, স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। নাজমা জামান এর জিংগা শিল্পগোষ্ঠীর নাম শুনেছি।

৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:৫০

শায়মা বলেছেন: হায় হায় রিয়া আবার তানিয়া


চুয়াত্তর ভাইয়া আমি জানি সে কারণ

সে ছিলো তোমাদের ক্রাশ তানিয়া
খুন করতে এসেছিলো তোমাকে দা নিয়া । :)

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:২৮

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আহারে রিয়া, আহারে...

চুয়াত্তর ভাইয়াদের কাহিনী
জানেন কিভাবে আপুনি? =p~

৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৪৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ শায়মা আপু - তানিয়া বরিশাইল্লা মেয়ে তাই দা নিয়া আসতেও পারত।

কিন্তু এতগুলো ছেলের মনের খবর আপনি জানলেন কেমনে !!!!!! :)

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:২৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ঠিক কথা, জাতীও জানতে চায়, এত্তগুলান ছেলের মনের খবর শায়মাপ্পু কেম্নে জানলো?

ওগো খবর হ্যাতে জানলো কেম্নে? B:-)

৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৩:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মৌ সবচেয়ে সেরা । মিতা নুর কেনো আত্মা হত্যা সেই রহস্য জানা হলো। সুন্দর ছিলো আলো আলো।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:২৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ নেওয়াজ আলি ভাই। আপনি বোধহয় মিতা নুরের অমীমাংসিত মৃত্যুরহস্য নিয়ে বলতে চেয়েছেন। আসলেই, বাংলাদেশে অনেক সেলিব্রেটির মৃত্যু রহস্য জট খুলে নাই, রয়ে গেছে অমীমাংসিতই; সালমান শাহ, সোহেল চৌধুরী, মডেল তিন্নি, মিতা নুর....

৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: অবশ্যই মৌ ও নোবেল এদেশের মডেলিংয়ে সেরা জুটি। চিত্রনায়িকা শাবনূর ও মডেল হিসেবে সফল ছিল।
মডেলিংয়ে মৌ এর একক সাম্রাজ্যে ঝড় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন নায়িকা শাবনূর।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৫৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: শাবনুর ঝড় তুলেছিলেন মৌ এর একক সাম্রাজ্যে? বুঝা গেল ভাই শাবনুর এর বিশাল ফ্যান। আমি কিন্তু শাবনুর কে ভালা পাই না :P

৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: প্রয়াতঃ তিন্নি মডেল হিসেবে বেশ আলোচিত ছিলেন।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:৪০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: হুম, এরকম আরো অনেকেই ছিলেন, কিন্তু লিডিং এ থাকা চারজন এর লিস্ট এ বোকা মানুষ এর দেয়া ঠাই পেয়েছে এরা চারজনই। :)

১০| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে অতীতে ফিরে গিয়েছিলাম।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:০৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অতীতকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই এই সিরিজ। ধন্যবাদ রাজীব নুর। ভালো থাকুন।

১১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:১৯

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: শমী কায়সার, সুইটি, এবং মিতা নূরের সঙ্গে শৈশবে অভিনয়ের সুযোগ হয়েছিল। তাদের মধ্যে মিতা নূরের কথা বিশেষভাবে মনে পড়ে। স্টারসুলভ কোন ভাব ছিল না ওনার মধ্যে। প্রাণখোলা মানুষ ছিলেন। ওনার আত্মহত্যার সংবাদ পাওয়ার পর রিয়ালাইজ করেছিলাম মানুষের বাহিরে যে চেহারা দেখায় তা কতোটা মেকি। ভিতরে হয়তো সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার, তবুও মুখে হাসি। স্মৃতিচারনমূলক লেখার জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:১৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ওয়াও!!! ভাই সেই অভিনয়ের ভিডিও ক্লিপ কি আছে? দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে। তখন নিশ্চয়ই আপনি শিশুশিল্পী ছিলেন? ইউটিউব লিংক থাকলে বা কাজের নামটি বললে দেখতাম।

মিতা নুরের ঘটনায় যা বললেন, এই প্রসংগে শুধু বলবো, "অনেককেই কিন্তু হাসতে দেখি, গাইতে দেখি, দেখি না হাসি শেষের নীরবতা।

১২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৪৭

রিফাত হোসেন বলেছেন: মিতা নুরকে নিয়ে বলতাম। পরে শেষাংশে ছোট্ট করে বলে দিয়েছেন।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৫৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ রিফাত হোসেন। পাঠ এবং মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৯

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন:

লিঙ্ক তো শেয়ার করা মুশকিল ভাই, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে আছে। ওটা এখানে শেয়ার করতে চাইছি না। পুরনো একটা ছবি শেয়ার করি। এটা শমী কায়সারের সঙ্গে, আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক পাথর সময়ের একটা দৃশ্য। শমী কায়সার এতে একজন বীরাঙ্গনার ভূমিকায় ছিলেন, আমি ছিলাম এক পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:৫৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ওকে, খুঁজে নিবো ভাই। নাটকটি সময় করে দেখে ফেলবো। ধন্যবাদ তথ্যগুলো শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকুন সবসময়।

১৪| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট। পড়তে পড়তে খুব নস্টালজিক হলাম এবং ছোটো পর্দার সবকিছু যেন সামনে ভেসে উঠলো। আমি টেলিভিশনের খুব পোকা ছিলাম, এখনো আছি, তবে আগের চাইতে কম। পৌনে তিনটা থেকে রাতে কোরান তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত বাজানো পর্যন্ত একটানা টিভি দেখার অভ্যাস ছিল। কাজেই, বিটিভিতে প্রচারিত নাড়িনক্ষত্র সবই ছিল আমার স্মৃতিতে ও মগজে।

৯০-এর ওয়ার্ল্ড কাপে কী যেন একটা অ্যাড দেখাতো, শ্যাম্পু হয়ত। সেখানে একটা মেয়ে অপরূপ লাবণ্যমাখা মুখে উদ্ভাসিত হতো টিভি পর্দায়। তখন নাম জানতাম না, কিন্তু তার চেহারা মুখস্থ হয়ে গেল। তিনিই মৌ। এরপর মৌ হয়ে উঠলেন সেরাদের সেরা।

জয়া আহসান, রিয়া, তানিয়া, আফসানা মিমি, মৌসুমী এবং পপিও মডেল হিসাবে খুব আকর্ষণীয়া ছিলেন। ইকোনো বলপেনের বিজ্ঞাপনে তানিয়া ছিলেন খুবই আকর্ষণীয়া। মৌসুমী শাড়ির বিজ্ঞাপনে যে খ্যাতি লাভ করলেন, আমার অ্যাসেসমেন্ট বলে, ঐ খ্যাতির জোরে তিনি তার প্রথম ছবিতে সর্বকালের সেরা হিট নায়িকাদের একজন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।

রিয়ার তেলের বিজ্ঞাপনে নাচটা ছিল অসাধারণ।

সুইটিকে তেমন মনে ধরে নি কখনো। আফসানা মিমি একটা চমৎকার হাসি ছড়ানো বিজ্ঞাপন দিতেন। এরপর এক ইদের নাটকে মামুনুর রশীদের বিপরীতে অভিনয়ে নেমেই দর্শক হৃদয়ে ঝড় তুললেন।

অল্প সময়ে পপিও মডেল হিসাবে দারুণ ছিলেন।

তার আগে, শাকিলা জাফরের দুধের অ্যাড, এবং ৮৬/৮৭/৮৮ সালের দিকে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের আগে প্রচারিত একটা দুধের অ্যাডে কোনো এক মডেল ছিলেন, এদের চাহনি এখনো মনের ভিতর জ্বলজ্বল করছে।

তো, অন্যকিছু দেখতে পারেন নীচের লিংকে :)

ফেইসবুকে সেলিব্রেটিদের জনপ্রিয়তা - ফিমেইল এপিসোড

ফেইসবুকে সেলিব্রেটিদের জনপ্রিয়তা - মেইল এপিসোড

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। চমৎকার এবং অনেক তথ্য সমৃদ্ধ মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানবেন। আফসানা মিমির হাসি আমার জীবনের প্রথম ক্রাশ। কোথাও কেউ নেই নাটকে তাকে দেখেই পুরা ফিদা। এরপর আরও বহু তারকা, পরিচিত, সহপাঠী, প্রতিবেশী নানান জনাকে দেখে হয়তো ক্রাশ খেয়েছি বহুবার, কিন্তু আফসানা মিমি ইজ দ্যা ফার্স্ট!

আপনার পোস্টগুলো দেখলাম, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল লিংক এর পোস্ট।

আপনার জন্যঃ

১৫| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:৩২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এটা না, শাকিলা জাফরের অন্য একটা অ্যাড ছিল, সম্ভবত অ্যাঙ্কোর গুঁড়া দুধের। কিছু অস্ট্রেলিয়ান গরু ছিল, শাকিলা জাফরের পরনে ছিল নীল-সাদা ছাপার শাড়ি। ৮৬ পরবর্তী সময়ের অ্যাড সেটা। ইউটিউবে খুঁজে অবশ্য পাই নি :(

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:০৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আমিও অনেকক্ষণ খুঁজে ব্যর্থ হয়ে এইটা দিলাম আপনার জন্য। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.