| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কুরবানীর ইতিহাস, গুরুত্ব, ফযিলত, ওয়াজিব হওয়ার শর্ত, মাসাইল, বিধান, সময়, পশুর বিবরণ কোন বিষয়ের দিকেই আজ যাবনা, কেবল কুরবানীর পশুর চামড়া ও একটি বিষয়ের দিকেই আলোকপাত করবো।
এক
১. কুরবানীর পশুর চামড়া ইচ্ছে করলে কুরবানী দাতা পরিশুদ্ধ করে নিজে ব্যবহার করতে পারবেন।
২. কুরবানীর পশুর চামড়া বিক্রি বরলে পুরো টাকা গরীব-মিসকিনকে সাদকা করে দিতে হবে।
৩. কুরবানীর পশুর চামড়া বিক্রির টাকা গরীব-মিসকিন ছাড়া কাউকে দান করা যাবে না।
৪. কুরবানীর পশুর চামড়া বিক্রির টাকা মসজিদ-মাদরাসার কোন কাজে ব্যবহার করা যাবেনা। এই টাকা দিয়ে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন বা মাদরাসার শিক্ষকের বেতন দেওয়া জায়েজ নয়।
৫. ইমাম, মুয়াজ্জিন, মাদরাসার শিক্ষক, ছাত্রের কেই গরীব হলে, গরীব হিসেবে তাকে দেওয়া যাবে।
৬. মাদরাসায় স্বচ্ছ গরীব ফান্ড থাকলে সে ফান্ডে কুরবানীর পশুর চামড়া দেওয়া যাবে। সে টাকা ঐ মাদরাসার গরীব ছাত্র-শিক্ষকের মাঝেই সাদকা করতে হবে, অন্যতায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।
তাই কোন মাদরাসার গরীব ফান্ডে কুরবানীর পশুর দামড়া দেওয়ার পূর্বে সে মাদরাসার গরীব ফান্ডের স্বচ্ছতা যাচাই করা উচিৎ। যদি গরীব ফান্ডের টাকা সঠিক ভাবে গরীব ছাত্র-শিক্ষকের মাঝে বন্ঠন হয়না এবং এ ব্যাপারে কুরবানীর পশুর চামড়া দাতা সামন্যও পূর্বে অনুমান করতে পারেন, তাহলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সাথে কুরবানী দাতাও দায়ী থাকবেন।
দুই
১. ইচ্ছে করলে কুরবানীর সম্পূর্ণ গোশত কুরবানী দাতা খেতে পারবেন। তবে মোস্তাহাব হল, ৩ ভাগ করে ১ ভাগ নিজে খাবার জন্য রাখা, ১ ভাগ নিকট আত্মীয়ের মাঝে বন্ঠন করা এবং ১ ভাগ গরীব মিসকিনকে দেওয়া।
২. কুরবানীর গোশত কাটা বা সহযোগিতার জন্য কাউকে পারিশ্রমিক দেওয়া যেতে পারে। তবে পারিশ্রমিক হিসেবে কাউকে গোশত বা পশুর কোন অংশ দেওয়া জায়েজ নয়।
৩. অংশিদার কুরবানীর ক্ষেত্রে সকল অংষিদারকে অংশ হিসেবে কুরবানীর সব কিছু সমান ভাবে বন্ঠন করতে হবে। বন্ঠনে তারতম্য হলে কুরবানী বিশুদ্ধ হবেনা।
আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানীকে জান্নাতের বিনিময়ে কবুল করুন, আমীন।
©somewhere in net ltd.