| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কেন বাংলাদেশের মানুষগুলো পোকামাকড়ের মত মরে যায় . সত্যি কথা কি সব মানুষ মরে তাও কিন্তু না । যাদের টাকা পয়সা কম তারা মরে । যারা এদেশের নিম্নশ্রেণী বলে ধরে নেয়া হয় তারা মরে । গার্মেন্টস ধসে পড়বে মরবে ওই নিম্ন লোকেরা । ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরবে মরবে নিম্ন লোকেরা । লঞ্চ ডুববে মরবে ওই নিম্ন লোকেরা যাদের কাছে সচ্ছন্দে যাওয়ার চেয়ে কম টাকায় যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ । রাস্তায় বাস এক্সিডেন্ট ঘর্টবে মরবে ওই নিম্ন লোকেরা, যাদের কাছে সচ্ছন্দে যাওয়ার চেয়ে কম টাকায় বাসের ছাদে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ । ঘুর্নিঝর, বন্যা যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে মরবে ওই নিম্ন লোকেরা । ওয়াসার খোলা পাইপে পরে যাবে ওই নিম্ন লোকের সন্তান । তোমার টাকা নাই তাই তোমার জীবনের কোন ভ্যালু নাই । তোমার টাকা নাই তাই তোমার জীবন নিয়ে কোন সচেতনতা নাই । কেন, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে কি সচেতনতা সম্পুরুক ? যদি তাই হয় তবে কেন যেকোনো দুর্ঘটনার পরে রাষ্ট্র যন্ত্রকে ফেইসবুক স্টেটাস-এ তুলোধুনো করা । মানুষের জীবনের ভ্যালু কিভাবে বাড়ানো যায় কিন্তু নিম্ন মানুষগুলোর জীবনের ভ্যালু কতটুকু বাড়লে সে নিজের সম্পর্কে ও তার পরিবার সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতন হবে সেটা নিয়েতো কোনো কথা নাই ।
দঃখজনক হলেও সত্য, এই নিম্ন আয়ের মানুষগুলোই এই দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ । তাদের ভোটেই ক্ষমতার পালা বদল হয় । আরে যারা নিজের জীবন নিয়েই সচেতন হওয়ার মত অবস্থায় নাই তারা ক্ষমতার পালা বদল হওয়া নিয়ে সচেতন হবে কিভাবে । বাংলাদেশ একটা দেশ যেখানে এত শ্রেণী বৈসম্য । রাজধানীর গুলশান কিংবা বারিধারা বাসী একজন মানুষের সাথে এই দেশের একজন খেটে খাওয়া মানুষকে পাশাপাশি রাখলে কেও বলতে পারবেনা এরা একই দেশের অধিবাসী ।
বিদেশে ওড জব আর ভালো জবের সেলারী কাছাকাছি । তাদের দেশের মানুষগুলোকে দেখলে বুঝা যায়না কে ভালো জব করে আর কে খারাপ জব করে । ভাইরে আমাদের বেসিক প্রবলেম তা আগে ধরতে হবে । শুধু শুধু পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস আর প্রসাশন কে গালাগালি করে কোন লাব নাই । মোদ্দা কথা বলেছেন একজনই ওই গর্তে যদি আজ বড়লোকের কোনো ছেলে পরে যেত তবে রাষ্ট্র এত উদ্ধারের ক্ষেত্রে এত অবহেলা দেখাতে পারতনা । কথা সত্য ।
মানুষের জীবনের ভ্যালু বাড়ানোর ব্যপারে তোমার কোনো স্টেটাস আছে, থাকলে দেও । শিশু জিহাদের জন্য যখন সিম্পেথির জোয়ারে দেশ ভাসছে তখন এসব বলতে হয়না, বলতে হয়না অর বাবা একজন সামান্য বেতনভুক্ত নৈশ্য প্রহরী ছিল । যারা চলতে ফিরতে আমাদের সালাম দেয় । তুমি যখন অফিসের গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকো তখন পাশ থেকে নৈশ্য প্রহরীরা, গেটম্যানরা সালাম দেয় তুমি কি তাদের অসহায় মলিন মুখটির দিকে তাকিয়ে দেখেছ । নাকি ওদের দিকে তাকাতে নাই । কারন ওরাতো ক্ষেত । তোমার করপোরেট স্মার্ট চেহেরার কাছে ওরা তো ধারে কাছেও নাই । তোমার সিম্পেথির ঢেউ তখন কই যায় । যাদের আমরা সত্যি বলতে মানুষই মনে করিনা, যাদের সামান্য সন্মান টুকুও দেই না তার ছেলের জন্য আজ আমাদের বিশাল ড্রয়িং রুমে এলসিডি টিভিতে সিম্পেথির জোয়ার ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১২
বাংলার ফেসবুক বলেছেন: গরিবদের সবাই অবহেলা করে এটাই যেন নিয়ম হয়ে গেছে।