| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হোম এ্যান্ড এ্যাব্রড
ইংরেজী শিখুন। ইংরেজী আপনারা জীবনের নতুন আরেকটি দরজা খুলে দেবে। আমি একজন স্পোকেন ইংলিশ শিক্ষক। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ট্রেইনড শিক্ষক। আইডি নং ১৭ ইংরেজী ক্লাস করতে চাইলে ফোন দিন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১
উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ হচ্ছে আমেরিকা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে আমেরিকায় পাড়ি জমান। যদিও তাদের উদ্দেশ্য থাকে পড়াশোনা ও চাকরি অথবা শুধুই চাকরি করা ও আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর সমস্থ দেশ থেকেই আমেরিকায় বিভিন্ন মাধ্যমে ঢোকার প্রবনতা লক্ষ করা যায়।
কেন সম্ভব নয়?
(লেখকের নিকট সরাসরি কল দিয়ে ভিসা প্রসেসিং সংক্রান্ত এডভাইসের জন্য ০১৭৭২৩৬৯৪৫১ ডায়েল করুন)
আমেরিকান এম্বাসির ভিসা সংক্রান্ত ডিসিশন
১। তাদের ইয়ার গ্যাপ থাকবেনা। ইয়ার গ্যাপ হতে পারে সর্বোচ্চ তিন বছর।
আপনি নিজেকে একজন ভিসা অফিসারের স্থানে স্থাপন করে দেখুন একজন ভালো ছাত্রকেই অাপনি ভিসা দিতে আগ্রহী হতেন। উপরের স্ট্যাটাস না থাকলে আপনিও কাউকেই ভিসা দিতেননা। বিশেষ করে আপনি তো নিশ্চিত নয় যে আমেরিকায় গিয়ে সে পড়াশোনাই করবে।
তারপরও কিছু কিছু সময়ে আমেরিকা কেন বাজে ছাত্রদেরকেও ভিসা দিয়ে থাকে?
আপনি যদি আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন তবে এখান থেকে শুরু করুন। ইনশাল্লাহ আপনার মনে আর কোন ভুল ধারনা থাকবেনা। এই ব্লগ পড়ার পর আপনি শুধু ফোন দিয়ে জানতে চাইবেন এই মুহুর্ত থেকে আপনি কিভাবে এগুবেন এবং কার কাছে যাবেন।
এসোসিয়েট ডিগ্রী
ব্যাচেলর ডিগ্রী
মাষ্টার্স ডিগ্রী
পি,এইচ,ডি বা ডক্টরেট ডিগ্রী
ব্যাচেলর ডিগ্রীতে ইন্টার পাস করার পরই কেবল এ্যাডমিট হওয়া যায়। এজন্য আপনার এসএসসি, এইচ এস সি পাশের সার্টিফিকেট, মার্কশিট, পাসপোর্ট ও আমেরিকান সাইজ ছবি থাকা লাগবে। যদিও এর পরেও আরও অনেক ব্যপার থাকে কিন্তু এই পথে নামতে গেলে উপরের কাগজগুলো জরুরী। এখনও পর্যন্ত আমেরিকান এ্যাম্বাসী আপনার সার্টিফিকেট মার্কশিট সত্যায়িত করে আনার জন্য বলেনি তারপরও আপনি সব সময় বোর্ড থেকে আপনার কাগজপত্র সত্যায়িত করে রাখবেন। অনেক দেশে সত্যায়িত কাগজপত্র বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হয়।
আপনি যদি মাস্টার্স পাশ হয়ে থাকেন তবে আপনার এসএসসি, এইচ এস সি ব্যাচেলর মাস্টার্স পাশের সার্টিফিকেট, মার্কশিট, পাসপোর্ট ও আমেরিকান সাইজ ছবি থাকা লাগবে। মাস্টার্স এর কাগজপত্রও আপনাকে সত্যায়িত করে আনতে হবে। আমেরিকান এ্যাম্বাসী এসএসসি ও এইচ এস সির সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার ওপর জোর দেয়না কেননা এগুলো অনলাইনে চেক করার সুজোগ রয়েছে।
কাগজপত্র সত্যায়িত করা
স্প্রিং সেমিষ্টার: জানুয়ারী থেকে মে পর্যন্ত
সামার সেমিষ্টার: মে থেকে জুলাই পর্যন্ত
ফল সেমিষ্টার: আগষ্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত
আপনার কাঙ্খিত বিভাগে আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়সীমা প্রথমে যাচাই করুন।
আবেদন ফরম ও অন্যান্য তথ্যের জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিস বরাবর লিখুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও আপনি আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে পারেন।
অ্যাডমিশন অফিস আপনাকে ভর্তি সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য জানাবে।
কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির পদ্ধতি চালু আছে।
আপনি অন্তত: ১ বৎসর সময় হাতে রেখে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়াটি শুরু করুন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাধারণত ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।
কোর্সের নাম
শিক্ষাগত যোগ্যতা
ভাষাগত যোগ্যতা
মেয়াদ
এসোসিয়েট ডিগ্রী
কমপক্ষে ১২ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
টোফেল স্কোর সিবিটি- ১৭৩-২৫০ অথবা আইবিটি ৬১-১০০ তবে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যাট, জিআরই অথবা জি ম্যাট প্রয়োজন হতে পারে
২ বৎসরের পূর্নকালীন স্টাডি
ব্যাচেলর ডিগ্রী
কমপক্ষে ১২ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
ঐ
৪ বৎসরের পূর্নকালীন স্টাডি
মাষ্টার্স ডিগ্রী
কমপক্ষে ১৬ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
ঐ
২ বৎসরের পূর্নকালীন স্টাডি
ডক্টরেট ডিগ্রী
মাষ্টার্স/এম,ফিল পর্যায়ের শিক্ষা
ঐ
৩-৬ বৎসরের পূর্নকালীন স্টাডি
শিল্প ও শিল্প ইতিহাস
জীববিদ্যা
রসায়ন
কম্পিউটার বিজ্ঞান
ভূ-মন্ডল ও পরিবেশ বিজ্ঞান
অর্থনীতি
ফিল্ম ও মিডিয়া স্টাডিজ
ইতিহাস
ভাষাবিদ্যা
গণিত
ফলিত গণিত
পরিসংখ্যান
আধুনিক ভাষা ও সংস্কৃতি
সঙ্গীত
দর্শন
পদার্থ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
রাসায়নিক প্রকৌশল
প্রান রসায়ন
যন্ত্রকৌশল
তড়িৎ প্রকৌশল
বংশগতিবিদ্যা
এম,বি,এ
খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান
আইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক বিষয়।
IELTS ছাড়া ভর্তির জন্য
IELTS না থাকলে কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখবেন
IELTS আপনার নাও থাকতে পারে। সবাই যে IELTS করবে এমন কোন কথা নেই। তবে মনে রাখবেন IELTS না থাকলে কয়েকটা বিষয়ে মনোযোগ দেয়া জরুরী।
কোন কোন পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে IELTS ছাড়া ভর্তি হওয়া যাবে।
IELTS ছাড়া আমেরিকার বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবেন। আমেরিকার যেসব বিশ্ববিদ্যালয় IELTS ছাড়া আপনাকে ভর্তি করবে এবং I-20 পাঠাবে তার একটি লিস্ট দিলাম।
1) California State University: The California State University is a public university system in California. For admission in this university, international students need not produce a TOEFL/IELTS score if they have attended secondary school or/and graduate school with English as their medium of instruction. There are also a few countries for whose students they have waived the minimum English requirement.
2) Drexel University: Drexel University is a private research university with campuses in Philadelphia and California. Drexel University has two conditional admission programs i.e. University Preparation Summer Program (UPREP) and Bridge Program for international students who don't meet the language requirement.
3) State University of New York: The State University of New York is a public university system in Albany, New York. The university grants admission to international students provided they undertake the Intensive English Language Program (IELP).
4) University of Iowa: The University of Iowa is a public research university based in Iowa City, Iowa. The university grants admission to students who are eligible but do not meet the English proficiency requirement.
5) University of Arkansas: The University of Arkansas is a public research university located in Fayetteville, Arkansas. Eligible international students need not produce TOEFL/IELTS scores; instead they must undertake the Intensive English Language Program (IELP).
6) University of Dayton: The University of Dayton is a private Roman Catholic national research university based in Dayton, Ohio. The university grants conditional admission to international students who are eligible but do not meet the university's language requirement. They are required to undertake the Intensive English Language Program (IELP).
7) University of Delaware: The University of Delaware is a public university located in Delaware. The university will accept international students who are admissible except for English proficiency.
8) University of New Orleans: The University of New Orleans is a public urban university located in New Orleans, Louisiana, US. The university offers conditional admission for international students with secondary education or degrees from a certain countries.
বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যাডমিশনের জন্য কি কি পেপার প্রস্তুত করতে হবে
আপনি যখন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মনোযোগ দেবেন তখন প্রথমে নিশ্চয়ই কি কি পেপার পাঠাতে হবে সেদিকে খেয়াল দিতে হবে। আমি যখন প্রতিবার আমার ছাত্র ছাত্রীর I-20 আনার জন্য চেষ্টা করি তখন আমার নিজেরই মনে হয় আমি যেন পাহাড় ডিঙ্গানোর চেষ্টা করছি। এসব পেপারগুলো সাধারনত কপি পেস্ট করে লাভ হয়না।নিচে দেখুন এদের একটা লিস্ট দিলামঃকি দেখে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই ফুল স্কলারশীপ বা এডমিশন ডিসিশনগুলো দেয়। আসলে একেক বিশ্ববিদ্যালয় একে জিনিস দেখলেও মোটামুটি একটা কমন লাইনআপ দেয়া যেতে পারে।
||কমন এপ্লিকেশন আর কমন এপ্লিকেশন এসে||
||SAT এবং SAT Subject Tests||||একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট||
|| এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি ||
|| লেটার অব রেকমেন্ডেশন ||
বিশ্ববিদ্যালয়ে কাগজপত্র পাঠাতে কতো খরচ হয়
পূরনকৃত আবেদনপত্র
আবেদন ফি পরিশোধের প্রমানপত্র
পূর্বতন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ইংরেজী সংস্করন। শুধুমাত্র অনুমোদিত যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিলিখন সম্পন্ন হতে হবে।
স্কুল/কলেজের ছাড়পত্র
টোফেল পরীক্ষার ফলাফলের সনদ
প্রয়োজন সাপেক্ষে জি আর ই, স্যাট বা জি-ম্যাট এর ফলাফলের সনদ।
পাসপোর্টের ফটোকপি
টিউশন ফি: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই টিউশন ফি ১১০০০ থেকে ২০০০০ মার্কিন ডলার। প্রাইভেট কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই খরচ প্রায় ৩০০০০ মার্কিন ডলার
স্নাতক পর্যায়ে গবেষনার জন্য কোন আর্থিক সহায়তা সাধারনত দেয়া হয় না।
মাষ্টার্স ও ডক্টরেট পর্যায়ে সরকারী ও বেসরকারী উভয় প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাসস্থান ও অন্যান্য খরচ বাবদ বাৎসরিক প্রায় ৪০০০ থেকে ১০০০০ মার্কিন ডলার প্রয়োজন হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয় বাৎসরিক ৫০০ থেকে ১০০০ মার্কিন ডলার।
ক্লিনিং
নৈশ পাহারা
ক্যাফেটেরিয়া, লাইব্রেরী বা অফিসে কাজ করা
শিশু পরিচর্যা
বারটেন্ডিং
ওয়েটিং সার্ভিস
ফল আহরণ
পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করা
লন্ড্রীতে কাজ করা
আমেরিকায় ঢোকার সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম হলো স্টুডেন্ট ভিসা বা F ক্যাটাগরির ভিসা। আপনি যদি ইন্টার কমপ্লিট হয়ে থাকেন/ গ্রাজুয়েট হয়ে থাকেন/ মাস্টার্স পাসড হয়ে থাকেন, আপনি স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্য। তবে আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসায় ঢোকার আগে নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুনঃ
১। আপনি কি আমেরিকায় সত্যিই পড়াশোনা করতে চান?
২। আপনি কি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছরের টিউশন ফি দিতে সক্ষম?
৩। আপনি আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসায় গিয়ে অবৈধ হয়ে গেলে দেশে আসতে পারবেন না, আবার ফিরে আসলে আর কোনদিন যেতে পারবেন না, এটি কি জানেন?
৪। দেশ থেকে আর্থিক সাপোর্ট না পেলে ওখানকার ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে পারবেন না এটা কি জানেন?
এই চারটি প্রশ্নের উত্তর আমি দিয়ে দিচ্ছি।
আপনি যদি আমেরিকায় গিয়ে সত্যিই পড়াশোনা করতে চান তবে খেয়াল রাখবেন আমেরিকায় পড়াশোনা কোন রূপকথা নয়। এটি নেহায়েৎ বাস্তবতা। বাস্তবতাটা মাথায় রেখে আপনাকে এগুতে হবে। আমেরিকার সবচেয়ে কমদামী ইউনিভার্সিটিতে পার ইয়ার টিউশন ফি বারো হাজার ডলার বা দশ লাখ টাকা। প্রথম বছর নাহয় কষ্টেসৃষ্টে টাকাটা দিয়েই দিলেন কিন্ত পরের বছর এই দশ লাখ টাকা কোথা থেকে আপনি ম্যানেজ করবেন? যদি বাবা হন কোটিপতি তাহলে তো ম্যানেজ হয়েই গেল, কিন্ত বাবার পকেটও যদি আপনার পকেটের মতো অবস্থা হয় তবে মনে রাখবেন আমেরিকার মাটিতে আপনার জন্য পড়াশোনাটা বেশ কষ্টকর হয়ে গেল। কারন আমেরিকায় পার্ট টাইম জব করে আপনার পক্ষে কখনও ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি দেয়া সম্ভব নয়।
ধরুন আমেরিকায় গিয়ে আপনি পড়াশোনা বাদ দিয়ে ফুল টাইম একটা জব নিয়েছেন। যদিও জানি এমন জব পাওয়া বেশ কষ্টকর, তারপর ধরেই নিলাম আপনি পেয়েছেন। ঘন্টায় ৬ ডলার জব আপনি পেয়ে গেলেন। দিনে দশ ঘন্টা কাজও করেন। তাহলে আপনার দৈনিক আয় ৬০ ডলার বা ৪৮০০ বাংলাদেশী টাকা। মাসের প্রতিদিন যদি আপনি জব করেন তবে মাস শেষে আয় করবেন ১৪৪০০০ টাকা। বছর গেলে আপনার আয় দাঁড়াবে ১৭২৮০০০ টাকা। মনে করুন আপনি ইউনিভার্সিটিকে দিয়ে দিলেন ১০০০০০০ টাকা। হাতে রইলো সাত লাখ টাকা। গত এক বছরে আপনি খরচ করেছেন কতো টাকা? বাড়ি ভাড়া, খাওয়া, ইউনিভার্সিটিতে যাওয়া আসা, ইত্যাদি। আর ইউনিভার্সিটিতে গেলে আপনি জব করবেন কখন? আবার জবে গেলে ইউনিভার্সিটিতে যাবেন কখন। পার্ট টাইম জব মানে ধরুন দিনে পাঁচ ঘন্টা। তাহলেও এতো ইনকাম হচ্ছেনা। তাহলে ধরে নিন আপনি যে টাকা খরচ করে আমেরিকায় গিয়েছিলেন তা তুলতে গেলেও আপনাকে অবৈধ হতে হবে। মোদ্দা কথা দুটোর একটা আপনাকে গ্রহন করতে হবেঃ হয় পড়াশোনা না করে আপনাকে অবৈধ হয়ে কাজ করতে হবে, নাহয় বাপের টাকায় আমেরিকায় পড়াশোনা করতে হবে। আমার অভিজ্ঞতায় আমি একথা আপনাদের বললাম। এখন ডিসিশন আপনার।
অামেরিকান এ্যাম্বাসি প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে যে সমস্ত ছাত্র ছাত্রী আমেরিকার বিভিন্ন সেটটে পড়তে যায় তাদের একটি লিস্ট করে দেখেছে যে ১০০ জনের ভেতর ৯৮ জনই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমেরিকায় গেলেও পড়াশোনা করছেনা। পড়াশোনা করছে কেবল ২% ছাত্র ছাত্রী। তাই এ ব্যপারে একটি জেনারেল ডিসিশন গ্রহন করেছে এ্যাম্বাসী। কিছু বিষয় একত্রিত করে তারা প্রকৃত স্টুডেন্টদেরকে আলাদা করে ফেলেছে ফেক স্টুডেন্ট থেকে। ঢাকার আমেরিকান সেন্টারের হিসাব অনুসারে প্রকৃত স্টুডেন্টদের নিম্নলিখিত স্ট্যাটাস থাকা উচিৎঃ
২। ইয়ার গ্যাপের মধ্যে তারা কিছু বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেছে, যেমন ইংরেজী কোর্স, কম্পিউটার কোর্স ইত্যাদি।
৩। ইংরেজীতে ভালো হতে হবে। ইংরেজীতে ভালো এটা প্রমান করার জন্য IELTS বা TOEFL কোর্সে ভালো রেজাল্ট করতে হবে।
৪। আমেরিকায় গিয়ে তারা যে পড়াশোনা করবে তার বিশ্বাসযোগ্য প্রমান দিতে হবেঃ
ক) যেমন সে একমাত্র সন্তান।
খ) বাবার এ্যাকাউন্টে অঢেল টাকা আছে।
গ) বাবার ঢাকায় বাড়ি আছে। গাড়ি আছে।
ঘ) পড়াশোনায় রেজাল্ট যথেষ্ট ভালো ছিলো।
আপনার ধারনা সঠিক। বিশেষ কিছু সময়ে আমেরিকা অনেক বাজে ছাত্রকেও ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে উপরের কোন স্ট্যাটাসই তারা মানেনা। কেন? আপনি জানেন যে আমেরিকা একটি মহাদেশ। এখানে একেকটি প্রদেশ বা স্টেট একেকটি দেশের সমান। আমি যদি নিউ ইয়র্ককে বাংলাদেশের সাথে তুলনা করি তবে দেখা যাবে যে কয়েকটি বাংলাদেশ নিউ ইয়র্কের ভেতর সহজেই ঢুকে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ যদি নিউ ইয়র্কের ভেতর যেতে চায় তবে কোন সমস্যাই হবেনা আমেরিকার সরকারের জন্য। আমেরিকার জন্য সবচেয়ে বড়ো কয়েকটি সমস্যা আছে যেমন অবৈধ নাগরিকদের বৈধ করে দেয়া। আমেরিকায় কয়েক ধরনের জব আছে। আমেরিকার নাগরিকের জন্য টেবিল জব, অবৈধ নাগরিকদের জন্য অড জব। যখন আমেরিকা ডিসিশন নেয় তারা বহু অবৈধ নাগরিককে বৈধ করে নেবে তখন জব মার্কেটে বিশাল পরিবর্তন দেখা দেয়। যারা অবৈধ নাগরিক হিসাবে কম ডলারে অড জব করতো তারা উন্নীত হয় উপরের লেভেলে। আমেরিকায় কম ডলারে জব করার মানুষ কমে যায়। ফলে অড জব প্লেসে মানুষ কমে যায়। এই শূন্যতা পুরন করার জন্য আমেরিকা আবারও অবৈধ নাগরিক আনার চিন্তা করে ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। তখন তারা উন্নয়নশীল বিশ্ব থেকে সাধারন মানুষ আনার চিন্তা করে। এর মধ্যে সবচেয়ে উপরের সারিতে থাকে ভারত, চিন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ফিলিপাইন। তাই এসব দেশে সেই সময়গুলোতে খুব সহজেই ভিসা হতে থাকে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই এই শুন্যতা পুরন হয়ে গেলে আমেরিকা আবারও কঠোর হয়ে যায় সাধারন ছাত্র ছাত্রীদের জন্য। তখন আমেরিকান এ্যাম্বাসী হয়ে ওঠে বাংলাদেশীদের ভিসা ফি খাওয়ার দানব।
আমেরিকান ডিগ্রী সমূহ:
আমেরিকার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে নিম্নলিখিত ডিগ্রীগুলো প্রদান করা হয়:
আপনি ব্যাচেলর ডিগ্রীর নাম শুনেছেন, মাস্টার্স ডিগ্রীর নাম শুনেছেন কিন্তু এ্যাসেসিয়েট ডিগ্রীর নাম শোনেননি? আপনি না অনেকেই এই নামটি শোনেননি। এ্যাসোসিয়েট ডিগ্রী হলো মাধ্যমিক পাস করার পর অর্থাৎ স্কুল লেভেল কমপ্লিট করার পর ইলেভেন্থ গ্রেডের ডিগ্রী। এটিতে ভর্তি হতে আপনাকে কেবল মাধ্যমিক পাস হতে হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে তেমন ভিসা দেয়া হয়না এই লেভেলে এবং মা বাবারাও ম্যাট্রিক পাস ছেলে মেয়েকে আমেরিকায় যেতে দিতেও চাননা যদি আমেরিকায় কোন নিকট আত্মীয় না থাকে।
মাস্টার্স ডিগ্রীতে এ্যাডমিশন এর জন্য আপনার এসএসসি, এইচ এস সি ও ব্যাচেলর পাশের সার্টিফিকেট, মার্কশিট, পাসপোর্ট ও আমেরিকান সাইজ ছবি থাকা লাগবে। যদি ব্যাচেলর হয়ে থাকেন তবে আপনার ব্যাচেলরের কাগজপত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যায়িত করে আনবেন। আপনি যদি অনার্স শেষ করে থাকেন তবে আপনার ইউনিভার্সিটি থেকে তা সত্যায়িত করুন।
বিদেশে কোন ইউনিভার্সিটিতে অথবা কলেজে আডমিশন নিতে হলে কিছু উপায়ে আপনার পেপারস সত্যায়িত করে নিতে হয় । তাছাড়া কোন ভাবেই আডমিশন পাওয়া যাবে না । তাই সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে তাদের কিছু নিয়ম অনুসর করতে হবে ।প্রথমত হল আপনি যদি বিদেশে পড়তে আগ্রহী থাকেন তাহলে কোন ভাবেই আপনার সার্টিফিকেট লেমিনেটেড করা যাবে না ।এটা বোকামির কাজ হবে ।যদি কেউ করে থাকেন তাহলে সেটা তুলে ফেলার চেষ্টা করুন ।নিলক্ষেত থেকে তুলতে পারবেন কোন সমস্যা ছাড়াই তবে ভালো করে দরাদাম করে নেবেন। 50-100 BDT লাগতে পারে ।এক এক দেশে এক এক রকমভাবে পেপার সত্যায়িত করে পাঠাতে হয় ।আনেক ইউনিভার্সিটি আছে যেখানে আপনি অন লাইনে আবেদন করতে পারবেন । এর পর ইউনিভার্সিটি থেকে যদি একসেপ্ট হন তাহলে আপনার পেপারস পাঠাতে হবে ।ইউরোপের অনেক দেশ আছে যেখানে আপনার পেপার পাঠাতে হলে অবশ্যই লিগালাইজ করে নিতে হয় । সেক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে নিজ বোর্ড থেকে ভেরিফাই করে নিতে হবে মূল পেপারস প্রতি পেপারস সাথে ফটিকপি যতগুলো আপনার দরকার ।এর পর আপনি আপনার পেপারস এর ফটোকপি গুলো শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়িত করে নোটারি করবেন এরপর পররাষ্ট মন্ত্রনালয় খেকে করতে হবে এটাই আপনার শেষ ধাপ এবং সব শেষে কনসুলেট খেকে সত্যায়িত করতে হবে যদি ইউনিভাসিটি থেকে বলা হয় ।
আবেদন প্রক্রিয়া:
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য নিম্নলিখিত আবেদন প্রক্রিয়া অনুসরন করতে হবে:
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতা এবং কোর্সের মেয়াদ:
বিষয়সমূহ:
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আপনি নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অধ্যয়ন করতে পারেন।
বেশীরভাগ ছাত্র ছাত্রী্ই ইংরেজীতে দুর্বল। এদের পক্ষে IELTS করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। যারা ইংরেজীতে দুর্বল তারাও আমেরিকাতে যেতে চায়। প্রতি বছর এমন অনেক ছাত্র ছাত্রী আমার কাছে এসে বলে, ‘স্যার, আমরা যারা কোনদিন IELTS এ ভালো স্কোর তুলতে পারবোনা তারা কি আমেরিকায় যেতে পারবোনা?’ আমি তাদেরকে ভালোভাবে বোঝাই কেন IELTS দরকার। তাদের খুব দক্ষভাবে ক্লাস করাই। তারপরও দেখা যায় যে তারা ৪.৫ এর বেশী স্কোর করতে পারেনাা। আর এই স্কোর করে আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া যাবে কিন্তু ভিসার ব্যপারে বলা যাবেনা। তবে একবারে হাল ছেড়ে দেবেননা। বারবার চেষ্টা করে যান। ভালো স্কোর একসময় করতে পারবেন। আমার সবচেয়ে খারাপ ছাত্রী মরিয়ম যদি IELTS এ ৬.০ তুলতে পারে তাহলে আপনি পারবেননা? মরিয়ম তার ছেলেবন্ধুকে IELTS করানোর জন্য আমার কাছে এসেছিলো। সময়টা ছিলো ২০১২। ছেলেটা ইংরেজীতে ভালো কিন্তু ভয়ে IELTS করতে চায়না। চারমাস ক্লাস করানোর পরও IELTS পরীক্ষা দেবেনা। কি করি, বাধ্য হয়ে IELTS ছাড়াই তাকে আমেরিকায় এ্যপ্লাই করালাম। ভিসা হয়ে গেল। এরপর কেটে গেল দু’বছর। এখন তার মেয়েবন্ধু মরিয়মও আমেরিকায় যেতে চায়। কিন্তু ২০১৫ তে আমেরিকান এ্যাম্বাসী সাহারা মরুভুমিতে পরিনত হয়েছে। এখন তো আর বিনা IELTS এ ভিসা করানো সম্ভব নয়। আর সে ইংরেজীতেও ভালো নয়। তারপরও ঝাড়া চারমাস ক্লাস করিয়ে গত জুলাই মাসে পরীক্ষা দিয়ে সে ৫.৫ তুলেছে। এরপর তাকে ভর্তি করালাম ARIZONA STATE UNIVERSITY তে . খুব সহজেই তার ভিসা হয়ে গেল নভেম্বরে। তবে সবার পক্ষে এতো সহজে ভিসা পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। ভাগ্যে যদি থাকে আর পরম সৃষ্টিকর্তা যদি সহায় হন তবে আপনিও মরিয়মের মতো ভিসা পাবেন নিশ্চিত।
IELTS ছাড়া আপনি অনেক স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারবেন। সেজন্য যদি আপনার ভালো রেজাল্ট থাকে বা বাংলাদেশে অবস্থিত সেই ইউনিভার্সিটির রিজিওনাল অফিস যদি সহায়তা করে তবে আপনি ভর্তি হতে পারেন। খুব কম ছাত্র ছাত্রী আছে যারা নিজে নিজে IELTS ছাড়া ভর্তি হতে পারে। নিজে নিজে এই কাজ যদি করেন তবে পেপার প্রসেসিং এর সময়ে আপনার অন্যন্য পেপার এ WEAKNESS শো করবে। ফলে ভিসা পাওয়া দুস্কর হয়ে যাবে।
১। আপনার এ্যাডমিশন হতে হবে পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে। আমেরিকাতে একে বলে স্টেট ইউনিভার্সিটি। আমেরিকার প্রতিটি স্টেটে একটি করে স্টেট ইউনিভার্সিটি রয়েছে। এরা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়।এদের দাপটও ভালো।টিউশন ফিটা এরা পেলে সেটা সরকারের ফান্ডে যায় তাই এমন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে ভিসা পাবার সম্ভাবনা অন্তত ২৫% বেড়ে যায়।
২। IELTS না থাকলে এসএসসি, এইচএসসিতে ইংরেজীতে ভালো মার্কস তুলতে হবে। ইংরেজী বিষয়ে A+ থাকাটা বেশ জরুরী। তাহলে তারা ভাববে যে আপনি ইংরেজীতে ভালো।
৩। ব্যাংক স্টেটমেন্ট হিসাবে বেশী টাকা রাখতে হবে আপনার বাবার /মায়ের এ্যাকাউন্টে। সেই টাকার সোর্স অব ফান্ড শো করতে হবে বিভিন্ন কাগজপত্রের মাধ্যমে।
৪। যদি পারেন অগ্রিম (আমেরিকায় যদি কেউ থাকে তার মাধ্যমে) টিউশন ফি পরিশোধ করে একটি রিসিপ্ট নিয়ে নিন এবং এ্যামবাসিতে ইন্টারভিউয়ের সময়ে তা প্রদর্শন করুন।
৫। ডিএস ১৬০ ফর্ম পুরনের সময়ে কিছু তথ্য প্রদানে সতর্ক থাকুন। এই তথ্যগুলোই আপনাকে ভিসার জন্য যথেষ্ঠ সহায়তা করবে।
দেখুন উপরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আপনার TOEFL ছাড়াই আপনাকে ভর্তি নিচ্ছে অর্থাৎ তাদের IELTS স্কোরও প্রয়োজন নেই। আপনার ইন্টারমিডিয়েট বা গ্রাডুয়েশন থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন। তবে আপনাকে আরও কিছু কিছু বিষয়ে পারঙ্গম হতে হবে যে বিষয়ে আমি পরে বলছি। আমেরিকাতে আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ফুল স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। নিচে তাদেরও একটি লিস্ট দিয়ে দিলাম।
ফুল স্কলারশীপ দেয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো-
AMHERST COLLEGE
DARTMOUTH COLLEGE
HARVARD UNIVERSITY
MASSACHUSETTS INSTITUTE TECHNOLOGY
PRINCETON UNIVERSITY
YALE UNIVERSITY
GOUCHER COLLEGE
BROWN UNIVERSITY
DREXEL UNIVERSITY
NEW YORK UNIVERSITY
COLUMBIA UNIVERSITY
DUKE UNIVERSITY
CORNELL UNIVERSITY
WASHINGTON AND LEE UNIVERSITY
AMERICAN UNIVERSITY
©somewhere in net ltd.