| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হরিসূধন
শান্তি শান্তি শান্তি অহিংস্রতাই মানবকূলের পরম শান্তি। সৃষ্টিকর্তা একজনই , আমি তার কাছে নত হই , আলো আর আধাঁরিতে। জগতের সকল শান্তি মানুষের মাঝে। মানুষের সাথে মানুষের বিভেদই শয়তানের পুজিঁ। সেই সৃষ্টি থেকেই শয়তান মানুষের বিপক্ষে। মানুষের জন্যই ধর্ম। নাস্তিকেরা জাগতিক ভিন্ন মতবাদে ধর্ম বিরদ্ধীতাকেই আর্দশ করে নিয়েছে। নাস্তিকতা শয়তানের এক রুপ। শয়তান বার বার মানুষের দুয়ারে আসে বিভিন্ন অনুযোগ নিয়ে। শান্তি শান্তি শান্তি পরম শান্তি দাও হে সৃষ্টিকর্তা। জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক । ****নাস্তিকেরা কোন প্রাণী নয় শয়তানের ভিন্ন এক রুপ।
দেশের এক-দশমাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম। শুরু থেকেই সেখানে বাংলা ভাষাভাষী ও পাহাড়ি লোকেরা পাশাপাশি বসবাস করছে। পাশাপাশি বসবাসের পরও সেখানে বাঙালি-পাহাড়িরা তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য সব সময় বজায় রেখেছে। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে পাহাড়িদের সে অধিকারে কখনোই কেউ হস্তক্ষেপ করেনি। পাহাড়ি জনপদে মাঝে মাঝেই কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেখানে সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি দেশের ভূখণ্ডগত নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীও। পার্বত্য এলাকা হওয়ায় এবং দু�টি দেশের সীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় জায়গাটির কৌশলগত গুরুত্বও অনেক।
সরকার সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনীর তিনটি পদাতিক ব্যাটালিয়নসহ একটি সম্পূর্ণ ব্রিগেড এবং ৩৭টি নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পার্বত্য অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে। বলা হচ্ছে, �শান্তি চুক্তি� স্বাক্ষরের ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সাপেক্ষে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আরো ৩৫টি নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প এবং তিনটি পদাতিক ব্যাটালিয়নসহ একটি সম্পূর্ণ ব্রিগেড প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে এটিই হবে সর্ববৃহৎ এবং উল্লেখযোগ্য সেনা প্রত্যাহার।
কিন্তু কোনো কথাবার্তা আলাপ-আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ কেন এত তাড়াহুড়ো করে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর পেছনে কোনো পর্যায় থেকে কি কোনো চাপ বা বাধ্যবাধকতা আছে? অনেকে বলছেন, আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এবং তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছে। আমরা খারাপ দিন অতিক্রম করছি এবং ভবিষ্যতে আরো খারাপ দিন আসছে। শান্তিচুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভেতরেই পাহাড়িদের আরেকটি রাষ্ট্র বানিয়ে দেয়া হলো। মাত্র ২০ বছরের মাথায় পূর্ব তিমুরকে ইন্দোনেশিয়া থেকে আলাদা করে দিয়ে জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে একটি আলাদা রাষ্ট্র করে দেয়া হয়। কারণ, পূর্ব তিমুরের অধিকাংশ মানুষ খ্রিষ্টান। এভাবেই হয়ত আগামীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পূর্ব তিমুরের মডেলে স্বাধীন করে দেওয়া হবে।
১.
পার্বত্য চট্টগ্রাম অদুর ভবিষ্যতে কি হতে যাচ্ছে তার একটা ধারনা পেতে আমাদের নিচের কিছু টুকরো খবরের দিকে নজর দিতে হবে।
ক. বাংলাদেশের ভিতর থেকে ইসরাইলের মতো আলাদা রাষ্ট্র হবে?
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের আলাদা রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা চেয়ে সিআইএর কাছে চিঠি দিয়েছেন মাইনরিটি কংগ্রেস পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পাদক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক ক্যাপ্টেন শচীন কর্মকার। ভারতের পূর্ব সীমানা সংলগ্ন বাংলাদেশ ভুখন্ডে ইরাকের কুর্দিস্তানের অনুরূপ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের জন্য একটি পৃথক স্বায়ত্তশাসিত সংখ্যালঘু এলাকা প্রতিষ্ঠায় মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা �সিআইএ�র সহায়তা চেয়েছে দলটি। সাবেক ক্যাপ্টেন শচীন কর্মকার গত ২৭ জুলাই ২০০৭ এক ই-মেইল মেসেজের মাধ্যমে সিআইএ পরিচালকের কাছে এই সাহায্য চেয়ে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংখ্যালঘুরা বাংলাদেশে মুসলিম মৌলবাদের বিরুদ্ধে সেফটিক ভালভ। তাই �আজ আমাদের সাহায্য করো, আগামীকাল আমরা তোমাদের সহায়তা করবো।� দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে নাৎসি জার্মানির পরাজয় ও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল রাষ্ট্রের সৃষ্টি। গত প্রায় ৬০ বছর যাবৎ এই ইসরাইল মৌলবাদী আরব রাষ্ট্রগুলো ও গণতান্ত্রিক পাশ্চাত্যের মধ্যে সাফল্যজনকভাবে একটি �বাফার রাষ্ট্র� হিসেবে কাজ করে আসছে। যদি ইসরাইল না থাকত, তাহলে এর মধ্যেই আরবরা পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে আরেকটি ক্রুসেড বা মহাযুদ্ধ চাপিয়ে দিত।
ই-মেইল বার্তায় আরও বলা হয়, সিআইএর সামনে বাংলাদেশে দুটি পথ রয়েছে। এ দুটি পথ হচ্ছে- হয় বাংলাদেশকে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের জন্য চাপ দাও, অথবা কুর্দিস্তানের মতো পূর্ব ভারত সীমান্ত ঘেঁষে সংখ্যালঘুদের জন্য একটি আলাদা স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র গঠন কর। যদি এই দল ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সাহায্য পায়, তাহলে তারা সহজেই এটা পালন করেতে পারবে। (আমার দেশ, ১২ নভেম্বর ২০০৭)
খ. পার্বত্য চট্টগ্রামে পাচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতদের গোপন বৈঠক
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ৫টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা ২০০৭ সালে রহস্যজনকভাবে পার্বত্য সফর করেন। ২০ থেকে ২২ মার্চ ২০০৭ পর্যন্ত ৩ দিন ফ্রান্স, সুইডেন, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও জার্মানির রাষ্ট্রদূতরা পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কোনো আলোচনা হয়নি। সফরকালে রাষ্ট্রদূতরা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি (জেএসএস) ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার সঙ্গে দু�দফা গোপন বৈঠক করেন। বৈঠককালে জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতা রুপায়ন দেওয়ানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক হারুনুর রশিদ খান ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ৫টি দেশের রাষ্ট্রদূতের পার্বত্য চট্টগ্রাম সফরের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূতরা আমাদের কাছে শুধু নিরাপত্তা চান। তারা আমাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে রয়েছেন ডেনমার্কের জেনসন, নেদারল্যান্ডের মেজিংন্ডার, সুইডেনের ব্রিট হারসন, ফ্রান্সের জেকস এন্ডার, জার্মানির ফ্রাঙ্ক মিয়াকি। এদের নেতৃত্বে ছিলেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের ইসি ডেলিগেশন ড:স্টিফেন প্রোইন। জানা গেছে, ২০ মার্চ বিকাল ৩টায় ও ২১ মার্চ বিকাল ৫টায় জেএসএস নেতাদের সঙ্গে তারা দু�দুফা মিটিং করেন। ২২ মার্চ এনজিও প্রতিনিধিদের সঙ্গে তারা মতবিনিময় করেন। ৩টি বাঙালি এনজিওকে আমন্ত্রণ জানালেও রহস্যজনক কারণে মতবিনিময় থেকে তারা বিরত থাকে। বাঙালি ৩টি এনজিও হচ্ছে পাহারা, গেস্নাবাল ভিলেজ ও সাইনিং হিল। (আমার দেশ, ৩১ মার্চ ও ৪ এপ্রিল ২০০৭)
গ. পাহাড়ি জনপদে খ্রিষ্ট্রধর্মে ধর্মান্তরিত করার হিড়িক
নতুন সমস্যা ধর্ম পরিবর্তন, পাহাড়ি জনপদে- ২ তৌফিকুল ইসলাম বাবর প্রেরিত দৈনিক সমকালের এক রিপোর্টে বলা হয়, পাবর্ত্য চট্টগ্রামে শত শত উপজাতীয় লোক ধর্মান্তরিত হচ্ছে। পাংখোয়া, লুসাই ও বোমাংসহ আরো অনেক উপজাতীয় মানুষের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে এ প্রবণতা বেড়েছে। কিছুসংখ্যক চাকমাও আদি ধর্ম ছেড়ে গ্রহণ করেছে খ্রিষ্ট্রধর্ম। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে বাঙালি-পাহাড়িদের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্তিতিতে অস্থির রয়েছে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম। তার ওপর গহিন অরণ্যে পাহাড়িদের মধ্যে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন উপজাতি নেতারা। কারণ এতে পাহাড়িদের মধ্যেই সম্প্রীতিতে ফাটল ধরছে। উপজাতি নেতাদের অভিযোগ, গহিন অরণ্যের দরিদ্র লোকদের ধর্মান্তরিত হতে প্রলোভন দেখিয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ কাজে জড়িত কিছু এনজিও, মিশনারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের ধর্মান্তরের ঘটনা বেশি। রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানেও আছে। বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রুইথি কারবারি সমকালকে বলেন, �সেবার নামে এসে পাহাড়িদের ধর্মান্তরিত করতে প্রকাশ্যে কাজ করছে কিছু এনজিও, মিশনারি সংস্থা। ধর্মান্তরিত করার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হচ্ছে দরিদ্র মানুষদের দুবর্লতাকে। ইতিমধ্যে তাদের প্রলোভনের টোপ গিলেছে বহুসংখ্যক পাংখোয়া, লুসাই, বোমাং এবং কিছুসংখ্যক চাকমা ধর্মাবলম্বী অন্যান্য উপজাতিকে টাগের্ট করেও সংস্থা গুলো কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ পর্যন্ত কত লোক আদি ধর্ম ছেড়ে খিষ্ট্রান হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, �এ হিসাব বলা মুশকিল। তবে ধর্ম পরিবর্তনের ঘটনা ঘন ঘন ঘটছে কোনো না কোনো পাহাড়ি জনপদে। সংখ্যাটা বড়ই হবে।�
তিন পার্বত্য জেলায় রয়েছে ১৪টি জাতিসত্তা। এর মধ্যে চাকমা, মারমা, রাখাইন, তংচইঙ্গা, পাংখোয়া, লুসাই ও বোমাং উল্লেখযোগ্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাংখোয়া, লুসাই ও বোমাং উপজাতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোক ধর্মান্তরিত হয়েছে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি, মহালছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি, বাঘাইছড়ি ও সাজেক এলাকায় গভীর পাহাড়ে বসবাসকারী মানুষজনই আকৃষ্ট হচ্ছে ভিন্নধর্মে। এনজিও এবং মিশনারিদের সহায়তায় ধর্ম পরিবর্তনকারী মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ছে। অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছে অবহেলিত এসব পাহাড়িবাসী। মিশনারিগুলো সেই দুবর্লতাকে কাজে লাগাচ্ছে। বলা হচ্ছে, খিস্ট্রান হলেই কেউ তাদের জায়গাজমি থেকে উচ্ছেদ করতে পারবে না।� খিস্ট্র ধর্ম গ্রহণকারীরা স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছে বলে জানান। (সমকাল, ১০ মার্চ ২০০৮)
ঘ. Free Jummaland (CHT, Chittagong Hill Tracts) in line with East Timor
পার্বত্য চট্টগ্রামকে যে আরেকটি পূব তিমুর বানানোর চেষ্টা হচ্ছে, এটা প্রথম দেখা যায় Peace Campaign Group নামের পার্বত্য বিছিন্নতাবাদীদের একটি গ্রুপের ইমেইলে ও ওয়েব সাইটে। তাদের মতে পার্বত্য অঞ্চলের গেরিলারা আবার সংগঠিত হচ্ছে একটি নতুন মন্ত্রে, আর সেটি হচ্ছে, পূব তিমুরের আদলে এলাকাটি স্বাধীন করা। ইমেইলটির কিছু অংশ দেখুন, বিশেষ করে শেষ লাইন....
(Peace Campaign Group, Fri Apr 25, 2008, Free Jummaland (CHT) in line with East Timor, Bappi Chakma, Over two and one half decades, the indigenous people of the Chittagong Hill Tracts, mostly Buddhists, Hindus and Christians by faith, fought with Bangladesh for autonomy and for protection of their distinct identity and culture threatened with extinction for the latter�s policy of so-called national integration, locally called �Islamization policy�.
The terrors unleashed by Bangladeshi military forced the indigenous people to accommodate with the state-policy of �islamization� without any protest. It is breeding new problems in the CHT which may drag Bangladesh into a vicious and long-standing cycle of violence and instability. One of such problems is, as developments suggest, regrouping of former guerrillas coupled with new and hot bloods completely dedicated to a new idea - Free CHT or Jummaland in line with East Timor)
ঙ. এলাকাটিকে ধীরে ধীরে বাংঙ্গালী শূন্য করা
পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঙ্গালীদেরকে রক্ষা করার জন্য পুর্ববর্তী সরকার গুলো চালূ করেছিল গুচ্ছগ্রাম । গুচ্ছগ্রামগুলোর বর্তমান অবস্থা অকল্পনীয়। বর্তমানে বৃদ্ধ পিতা-মাতার সাথে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান তাদের পালিত পশুসহ একই ঘরে পশুর মতই গাদাগাদি করে থাকছে।
পার্বত্য বাঙালিরা বলেছেন, এ অঞ্চল থেকে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার হলে ওই এলাকায় তারা আর বসবাস করতে পারবেন না। তাদেরকে পার্বত্য অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে। এখনো বাঙালিরা পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদা দিয়ে বসবাস করেন। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা বাঙালিদের কথায় কথায় মারধর করে না। সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হলে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা বাঙালিদের মারধর করে তাদের ভিটেমাটিছাড়া করবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের ফলে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হবে। তখন তাদের নিরাপত্তা কে দেবে? তারা তখন বিএসএফ�র আক্রমণের শিকারে পরিণত হবে। ফলে নিরাপত্তার জন্য বাঙালি রিফুজিরা ভেতরে চলে আসবে। ওই এলাকা বাঙালিশূন্য হয়ে যাবে। আর পার্বত্য এলাকাকে বাঙালিশূন্য করাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের লক্ষ্য। কৌশলে বাঙালিদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করা হচ্ছে। তাদের কোনো উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হচ্ছে না। নিজ দেশে পরদেশী হয়ে আছে। যারা এতদিন একরাতে তিন-শ� ঘুমন্ত বাঙালিকে হত্যা করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। এরাই যদি আবার শান্তিচুক্তি অনুযায়ী পাহাড়ি পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেয়, তবে বাঙালি নিধনে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী লাগবে না। তারাই বৈধ অস্ত্র দিয়ে সব বাঙালি নিধন করতে পারবে।
অনেকের মতে, ইউএনডিপি পার্বত্য চট্টগ্রামে হাজার হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর দরিদ্র বাঙালিদের মাথাপিছু ৫ লাখ টাকা করে দিয়ে বলা হবে, তোমাদের তো এখানে কিছু নেই। থাকো কুঁড়েঘরে, চালাও রিকশা, তোমরা এ টাকা নিয়ে সমতলে চলে যাও। সেখানে তোমরা ভালোভাবে থাকতে পারবে। এভাবে কৌশলে বাঙালিদের বিতাড়ন করে সেখানে উপজাতি খ্রিষ্টানদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করবে।
চ. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচার যুদ্ধ
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচার যুদ্ধ নতুন নয়। ১/১১ পর এই প্রচারনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইন্টারনেট সহ সকল মিডিয়াতে এমন একটি ধারণা প্রচার করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশ তাদেরকে পরাধীন করে রেখেছে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেখানে ব্যাপক ভাবে মানবাধিকার লংঘন করেছে।
২৪ এপ্রিল ২০০৯ সম্প্রীতি মঞ্চ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অজয় রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী ও বাঙালি অধিবাসীদের সরিয়ে আনার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে রাজা দেবাশীষ রায় বলেছেন, আদিবাসীদের সম্পত্তি তথা জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নেয়ার বিধান রহিত হওয়া উচিত। �বাংলাদেশে আদিবাসী জনগণের প্রচলিত আইনসমূহের সংক্ষিপ্তসার� শীর্ষক এ মতবিনিময় সভায় অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, বছরের পর বছর ধরে ঔপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পার্বত্য এলাকায় সামরিক বাহিনী মোতায়েন সম্পূর্ণ অবাঞ্ছিত।
এদিকে The Peace Campaign Group নামের পার্বত্য বিছিন্নতাবাদীদের একটি গ্রুপ বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশ গুলোর কাছে স্বারকলিপি দিয়ে দাবী করেছে বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মিলে পার্বত্য অঞ্চলে ইসলামীকরন চালাচ্ছে ও বাংলাদেশ একটি মৌলবাদী রাষ্ট্র হয়ে গেছে। দেখুন The Peace Campaign Group গ্রুপের ওয়েব সাইটে(Chittagong Hill Tracts: The Peace Campaign Group � Meeting on Bangladesh)
To Bangladesh Development Partners Participating in A Special Meeting on Bangladesh, 23-24 February 2005, Washington
21 February 2005, Our paper, "BANGLADESH DEVELOPMENT FORUM 2004 AND CHALLENGES FOR DEVELOPMENT IN THE CHITTAGONG HILL TRACTS", that we had emailed to some of the representatives of Bangladesh development partners prior to the start of the last year's Forum in Dhaka, foretold: "Islamic fundamentalism is on increase in the CHT to an alarming extent". Within a short span of time this prediction has manifested itself as a real threat not only to the Jumma indigenous people in the CHT, but also to all democratic institutions in Bangladesh. Today, it is the main challenge to any Bangladesh development planning.
The government has been engaged in doing all appropriate for its hidden program of islamization in the CHT. The government, who defines Bangladesh as an "Islamic democracy" to qualify for international aid, has miserably failed to meet its commitments made at the previous Bangladesh Development Forums for good governance, law and order, establishment of a national human rights commission, separation of the judiciary from the legislative and administrative organs of the government and setting up an ombudsmen or anti-corruption mechanism, among others. Prajnalankar Bhikkhu General Secretary)
২.
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে উপরের কয়েকটি টুকরো খবর বিশ্লেষনের দাবি রাখে। খরবগলো আসলেই কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি একটি আরেকটির সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত। এগুলো বিশ্লেষন করা যায় এভাবে...
ক. আরেকটি পুর্ব তিমূর কেন দরকার?
পাশ্চাত্যের বিভিন্ন থিংক ট্যাংক বা গবেষনা প্রতিষ্টান গুলোর ভাষ্যমতে এই শতাব্দীতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্র বিন্দু ইউরোপ-আমেরিকা থেকে স্থানান্তর হয়ে চলে আসছে ও আসবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে চায়না, আসিয়ান ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে (দেখুনঃ Mapping the Global Future, CIA Report, 2020)। সম্প্রতি জার্মানীতে প্রকাশিত এক রি্পোর্টে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মদক্ষ জনশক্তি দিন দিন মারাত্নকভাবে হ্রাস পাচ্ছে, যা মুলত অনেকটাই পুরুন করবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পুর্ব থেকে আসা একঝাক মেধাবী তরূণ। জার্মান সমাজবিঙানীরা তাই দক্ষিণ-এশিয়ার নাম দিয়েছে Future Land South Asia (জার্মান ভাষায় বলা হয়, Zukunft Land Sued Asien)। চীন, আসিয়ান অঞ্চল ও দক্ষিণ এশিয়াকে যেখান থেকে নিয়ন্ত্রন করা যায়, এমন একটি �বাফার রাষ্ট্র� আমেরিকা ও তার সহযোগী ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময়েই খুছতেছিল। এ ক্ষেত্রে সেই রাষ্ট্রটি খৃষ্টান রাষ্ট্র হলেতো সোনায় সোহাগা। ফিলিপিনস, পুর্ব তিমুর ছাড়া এশিয়া আর কোন খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্র নেই। ফিলিপিনসে বহু বছর মার্কিন বাহিনী ঘাটি গেড়ে থাকতে পেরেছিল ও চেয়েছিল তার অন্যতম কারন ছিল দেশটি খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট। ওদিকে খবরে প্রকাশ, মায়ানমার চীনের সহযোগীতায় পরমানু অস্ত্র নির্মানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। খবরটি সত্য হলে মার্কিনীদের কাছে বাংলাদেশে তথা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরেকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা দরকার, পশ্চিমা শক্তি চীনকে কাউন্টার দেওয়ার জন্য কিছু দিনের জন্য ভারতের সাথে সখ্য গড়েছে, কিন্ত এই সখ্য বেশি দিন স্থায়ী হবে বলে মনে হয় না। এই সখ্য তত দিন পর্যন্ত থাকবে যতদিন পশ্চিমা শক্তি এই অঞ্চলে তাদের নিজ ধর্মের একটি (খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট) �বাফার রাষ্ট্র� না পাচ্ছে। ভারতের সেভেন সিসর্টাস এর মনিপুরসহ অনেক রাজ্যই অদুর ভবিষ্যতে খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে পশ্চিমা শক্তি এসব রাজ্যের পুর্ব তিমুরের মতো হস্তক্ষেপ করতে চাইলে ভারত সেটা মেনে নেবে না। তাছাড়া ভারতে উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপির উথ্যান পশ্চিমা বিশ্বের মাথা ব্যাথার কারনও বটে। সম্প্রতি বিজেপির ভাবী প্রেসিডেন্ট হিসেবে যাকে কল্পনা করা হচ্ছে সেই নরেন্দ মোদীকে আমেরিকা দশ বছরের মধ্যে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে খৃষ্টানদের নির্যাতন, এমনকি পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটছে অহরহ।
অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত বাংলাদেশে পুর্ব তিমরীয় মডেল বাস্তবায়ন যত সহজ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য কোন দেশে তা সম্ভব নয়। তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-কৌশলগত অবস্থানের(geo-political and geo-strategic location) মত আর দ্বিতীয় কোন লোকেশান এই মুহূর্তে পশ্চিমাদের হাতে নেই। ভারতের সেভেন সিসটার্সের সব রাজ্যই ল্যান্ড লকড (যে সব দেশের মূল ভূ-ভাগের সাথে সরাসরি কোন সমুদ্র সংযোগ থাকে না তাদেরকে ল্যান্ড লকড রাষ্ট্র বলা হয়, যেমন, নেপাল, ভুটান, মঙ্গোলিয়া)। সব মিলিয়ে বলা যায়, আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছে।
খ. আরেকটি পুর্ব তিমূর বা ইসরাইল কি সম্ভব?
১৯৭৫ সালে পূর্ব তিমুরে ক্যাথোলিক খ্রীষ্টানের হার ছিল ৩০-৪০% যা ১৯৯০ এর দিকে বেড়ে দাড়ায় ৯০%। ঠিক তেমনি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন খ্রিষ্টান মিশনারি এনজিও পশ্চিমা শক্তি বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহতায় তৎপরতা চালাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে। খ্রিষ্টানাইজেশান প্রক্রিয়ার মাধ্যেমে মাত্র ২০ বছরের মাথায় পূর্ব তিমুরকে ইন্দোনেশিয়া থেকে আলাদা করে দিয়ে জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে একটি পৃথক রাষ্ট্র করে দেয়া হল। অথচ কাশ্মীরের মানুষ মুসলমান হওয়ায় তারা ৬০ বছর ধরে সংগ্রাম করলেও জাতিসঙ্ঘ তাদের রাষ্ট্র গঠনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
২০০০ শুরূতে নতুন শতাব্দীর জন্য এক বাণীতে ততকালীন ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মগূরু পরলোকগত পোপ জন পল একটা গুরূত্বপুর্ন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, �গত শতাব্দীতে আমরা আফ্রিকাতে নজর দিয়েছিলাম। আফ্রিকাতে আমাদের মিশন অনেকটাই শেষ। এই শতাব্দীতে আমাদের নজর থাকবে এশিয়ার দিকে�। পোপ জন পল ঠিকই বলেছেন। আফ্রিকার এককালের অধিকাংশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্র এখন খ্রষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট দেশে পরিনত হয়েছে। আফ্রিকাতে আগের মত যুদ্ধ বিগ্রহ নেই বললেই চলে। এই শতাব্দীর শুরু থেকে ইরাক দখল করে এককালের সম্পদশালী একটি দেশকে মিসকিনে পরিনত করা হল। আফগানিস্তান দখল করা হলো। মজার ব্যাপার হলে, এই দুটি মুসলিম দেশ দখল ও ধবংস করে বলতে গেলে জোর করে ব্যাপক ভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে খ্রিষ্টান মিশনারি এনজিও গুলোকে। আফগানিস্তানে তো খোদ মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীকে জনগনের মাঝে বাইবেল বিতরন ও জোর করে খ্রীষ্ট ধর্ম গ্রহন করানোর অভিযোগ উঠছে ব্যাপক ভাবে।
কাকতালীয় ভাবে দেখা যায় বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম (আয়তন ১৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার), পূর্বতিমুর ( আয়তন ১৪,৫০০ বর্গ কিলোমিটার) ও ইসরাইলের (দখলকৃত আরব ভূমিসহ বর্তমান আয়তন ২০,৫০০ বর্গ কিলোমিটার) আয়তন প্রায় কাছাকাছি। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের রয়েছে চমতকার ভূরাজনৈতিক অবস্থান যা ইসরাইল ও পূর্বতিমুরের সাথেই সহজেই তুলনা করা যায়। পার্বত্য চট্টগ্রামকে দ্বিতীয় পুর্ব তিমুর বানিয়ে সহজেই ইসরাইল স্ট্যাইলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কিছু অংশ দখল করে নিতে পারলেই খুব সহজে বঙ্গপোসাগরের সাথে সংযোগ স্থাপিত হবে এই সম্ভাব্য খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রটির। অনেকের ধারনা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টেকনাফে ২০-৫০ মেয়াদী পরিক্ল্পনা নিয়ে একটি গভীর সমুদ্র বন্দের জন্য বাংলাদেশকে বার বার চাপ দিচ্ছে মুলত ভাবী এই খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রটির কথা মাথায় রেখেই।
গ্লোবাল পলিটিশিয়ান (global politician) নামক ম্যাগাজিনে বলা হচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীরা একইসাথে বৌদ্ধ ধর্ম, খ্রীষ্ট ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও তাদের নিজস্ব ধর্ম পালন করে থাকে। এখানে উপজাতিদের কত ভাগ খ্রীষ্ট ধর্ম গ্রহন করেছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কারও কাছেই নেই। বিশ্লেষকদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ইতিমধ্যেই খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ট এলাকায় পরিনত হয়েছে। কৌশলগত কারনে (আরও কিছু সময় দরকার পরিপুর্ন খ্রিষ্টানাইজেশান প্রক্রিয়া শেষ করতে)পশ্চিমা শক্তির পরার্মশে তা কম করে দেখানো হচ্ছে।
গ. উপজাতি যখন আদিবাসী
আমরা এতদিন থেকে অবাংগালী অধিবাসীদের উপজাতি (Tribal) হিসেবেই জানতাম। ইতিহাসবিদ ও নৃবিঙানীরাও (anthropologists)বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীরা এদেশের উপজাতি । বাংগালীরা হাজার বছর ধরে এখানে বসবাস করছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের অবাংগালীরা মাত্র তিন-চার শত বছর আগে সেখানে বসবাস শুরু করেন। বাংলাদেশ সংবিধানও বলে এরা উপজাতি। বিশ্ববি্দ্যালয় পড়ার সময় শুনেছি পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু সহপাঠী উপজাতী কোটায় ভর্তি হয়েছে। কোন দিন ওদের আদিবাসী বলা হত বলে জানতাম না। ১৫-২০ আগেও এদের উপজাতি বলা হতো। এখন দাবী করা হচ্ছে এরা নাকি আদিবাসী(Aborginals)। আর এই কোরাসের সাথে যোগ দিয়েছে মস্তিক বিক্রি কারি কিছু মিডিয়া। যাই হোক উপজাতি- আদিবাসী নিয়ে বির্তক করা আমাদের এই লেখার মুল থিম নয়।
মুলত গত এক দশক ধরে ঢাক ডোল পিটিয়ে এদের বলা হচ্ছে আদিবাসী। প্রতিদিনেই যাক-জমকের সাথে পালন করা নানান কিছিমের অনুষ্টান। তোলা হচ্ছে নানান সব দাবী দাওয়া। তাদের দিতে হবে আলাদা সংবিধান, আলাদা ভাষা। তার পর আলাদ রাষ্ট্র। এসব দাবীর উপর দেওয়া হচ্ছে ব্যাপক মিডিয়া কভারেজ। ভাবখানা দেখে মনে হয় এত দিন উপজাতিরা বাংলাদেশে সুখে শান্তিতে বসবাস করতো। হটাত করে কিছু দিন আগে বাংগালীরা বাংলাদেশে এসে তাদের (কথিত আদিবাসীদের )বিতাড়ন করেছে, তাই আমেরিকা-ইউরোপ আসুক, দেখুক আর তাদের জন্য একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের ব্যাবস্থা করে দিক। বিদেশের টাকায় পরিচালিত কিছু এনজিও, মস্তিক বিক্রি কারি কিছু মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবীদের অবিরত প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি। সম্প্রতি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারী সব নথি পত্রে উপজাতি শব্দের পরিবর্তে আদিবাসী সংযোজন করা হবে।
মনে করা হয়, সন্তু লারমারা মুলত স্বশত্র সংগ্রাম ত্যাগ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তাদের থিংক ট্যাংক বা গবেষনা প্রতিষ্টান গুলোর পরার্মশে। তারা বুঝে যায় স্বশত্র সংগ্রাম করে পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীন করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে চাল দিতে হবে ধীরে ধীরে খ্রিষ্টানাইজেশান প্রক্রিয়া ও আদিবাসী কার্ড। এই দুটি বিষয়কে হাইলাইটস করলেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এগিয়ে এসে বাংলাদেশকে বাধ্য করবেন পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাধীনতা দিতে। ঠিক যেমন করা হলো পূর্ব তিমুরে।
উপজাতীয়দের নামে মূলত সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে চাকমারা। তারা ৮৬ শতাংশ শিক্ষিত। বাঙালিরা মাত্র ৩ শতাংশ শিক্ষিত এবং অন্যান্য যেসব উপজাতি রয়েছে তারা কোনো হিসাবের মধ্যে পড়ে না। রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
ঘ. পুর্ব তিমূর বাস্তবায়নে সহযোগী যারা
আরেকটি পূর্ব তিমূর বাস্তবায়নে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম, ইউরোপীয় কমিশন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও তার প্রচার মাধ্যম। বিপুল সার্কুলেশানের অধিকারী একটি পত্রিকা, তার ইংরেজী সহযোগীসহ প্রায় সব প্রিন্ট, ইলেট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া। টেলিভিশন অনবরত বলছে, পাহাড়িরা নিগৃহীত। তাদের রক্ষা করতে হবে। ইউএনডিপি সেখানে পাহাড়িদের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাচ্ছে। খবরে প্রকাশ, দু�টি প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সেখানে এজেন্সি খুলে বসেছে। চরম বাংলাদেশ বিরোধী হিসেবে পরিচিত বৃটিশ লর্ড সভার মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান লর্ড এরিক এভেরি্র নেতৃতে গঠিত কথিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ভূমি কমিশান সারা বিশ্বে বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ গুলোতে ব্যাপক প্রচারনা চালাচ্ছে, বাংলাদেশের আদিবাসী(?)দের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। সেখানে ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে ইত্যাদি।
এর সাথে যোগ হয়েছে মুক্তমনা নামের পার্শ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার অর্থে পরিচালিত কিছু গ্রুপ, যাদের মুল কাজেই হচ্ছে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো। সম্প্রীতি মঞ্চ ও অজয় রায়রা (বামপন্থি বুদ্ধিজীবী অজয় রায় ইন্টারনেট ভিত্তিক গ্রুপ মুক্ত-মনার প্রধান উপদেষ্টা। এদের মুল কাজেই হচ্ছে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষী ছড়ানো) হচ্ছেন সেই গ্রুপ গুলোর বাংলাদেশী সহযোগী। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে বলা যায়, পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সদস্যদের রাখা হয়েছে শুধু নিরাপত্তার জন্য, সেখানে কোনো উপনিবেশ কায়েমের জন্য নয়। তারা সেখানে কোনো ধরনের অন্যায় কাজেও লিপ্ত নয়। একটি দেশের সেনাবাহিনী নিজের দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। �এ কেমন দাবি!
ভারতীয় সেভেন সিস্টার্সে ৪০ বছর ধরে প্রায় ৪ লাখ সৈন্য মোতায়েন আছে। কাশ্মীরে গত দুই দশক ধরে পাচ লাখেরও বেশী ভারতীয় সেনা মোতায়েন আছে। এসবের বিরুদ্ধে কথিত কোন মানবাধিকার গ্রুপ টু শব্দ করতেও দেখা যায় না। আর পাহাড়ে আমাদের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অভিযোগও নেই। তাহলে কেন তাদের সেখান থেকে প্রত্যাহার করা হবে? তাহলে সম্প্রীতি মঞ্চের এ দাবির উদ্দেশ্য কী? তারা কি দেশের এক-দশমাংশ ভূমির নিরাপত্তা চায় না? তারা কী বাংলাদেশের এক-দশমাংশ এলাকা অরক্ষিত অবস্থায় পেলেই খুশি হবে?
ঙ. ১/১১ কি একটি রিহার্সেল ছিল?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতির কারনেই গত তিন দশকে সন্তু লারমাদের ব্যাপক সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিছিন্নতাবাদীদের স্বর্গ রাজ্য হতে পারেনি। এক্ষেত্রে পাহাড়ী ও বাংগালীরা সেনাবাহিনীর কারনে নিরাপদে নিজস্ব জীবনযাত্রা, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে পাশা পাশি বসবাস করছে। বলতে গেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীই অনেক ত্যাগের বিনিময় পার্বত্য চট্টগ্রামকে রক্ষা করেছে। সুতরাং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীই এ অঞ্চলটি রক্ষার অন্যতম শক্তি। তাই তাদেরই মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতে হবে। এ কাজ করা হয়েছে মুলত ১/১১ আগে ও পরে। জাতি সংঘের শান্তি মিশন থেকে সেনা ফিরিয়ে দেওয়া হবে এই ভয়ে (যদিও অনেকে বলছেন ভয়টি ছিল ভুয়া) যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মইন টাইপের উচ্চাভিলাষী ব্যক্তি বিদেশী কূটনৈতিক সহায়তায় ১/১১ তৈরী করতে পারে, তাহলে তো সত্যি সত্যি শান্তি মিশন থেকে সেনা ফিরিয়ে দিলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সেনা পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে তো বটেই খোদ স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট ছেড়েই চলে আসবে।
মজার ব্যাপার হলো, ১/১১ পরপরেই পাচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতদরা গোপন সফরে পার্বত্য চট্টগ্রাম গেছেন। ১/১১ পর থেকেই উপজাতিদের আদিবাসী হিসেবে মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। লর্ড এরিক এভেরি নেতৃতে গঠিত কথিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ভূমি কমিশানও বেশ জোরে সোরে সারা বিশ্বে চিতকার শুরু করেছে সেখানে মানবাধিকার গেল বলে। তাহলে কি বলা যায় ১/১১ শুধু বাংলাদেশে বিদেশী কুটনৈতিকদের অবাদ বিচরণ ক্ষেত্রই করেনি, পার্বত্য চট্টগ্রামকে আরেকটি পুর্ব তিমূর বা ইসরাইল করার পথও সুগম করে দিয়েছে?
ড. হোসেন খিলজী
http://sonarbangladesh.com/article.php?ID=1136
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১১
হরিসূধন বলেছেন:
আরে বেটা কানা ছাগল না পইরা চাগলামী করো ক্যান?
হ আমি পেইড আমারে পে করে হাসিনায়
বলদ কুনহানকার।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
হরিসূধন বলেছেন:
রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
>এইটা হাসিনার শান্তি চুক্তির মধ্য আছে। এইটা বিষয়ে তোমার মতামত কি?
২|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৫
সাহোশি৬ বলেছেন: এই ধরনের কোন উদ্যোগ যদি নিতেই হয় তাহলে তো পাকি সীমানার কাছাকাছি কোথাও নিলেই লাভ বেশী।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এবং তৎপরতা কেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দেন নি। মধ্যপ্রাচ্যে তেলের লোভে অনেকেই যায়, আমাদের এখানে কেন আসবে? গ্যাসের লোভে? গ্যাস যে আমাদের তেমন একটা নেই সেটা আমাদের চেয়ে আমাদের মোড়লরা বেশী ভালো জানে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৪
হরিসূধন বলেছেন:
রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
>> এই বিষয়ে আপনার মতামত কি? এইটা শেখ হাসিনার শান্তি চুক্তিতে আছে।
শ্রীংকার তামিল টাইগারদের এই ইউরোপিয়ান রাষ্ট্র গুলো কেন সাপোর্ট করতো?????????
ভারত বিভাগের সময় মনে হয় বিট্রিশেরা তেল গ্যাসের চিন্তা করে নাই![]()
ভাগ করে ফায়দা লাভ করতে চেয়ে ছিলো। আমেরিকা কেন সেন্ট মার্টিনে নৌ ঘাটি করতে চেয়ে ছিলো? সেখানে কি তেল ভাসে?
আফগানিস্তান থেকে কি তেল নিতেছে আমেরিকা? নাকি আফগানিস্তানের ব্যয় ভার ইরাক দখলের মাধ্যমে উঠানোর জন্য সাজানো হয়েছে?
৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২০
সৌম্য বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িরা খ্রিষ্টান ধর্মান্তরিত হচ্ছে এটা ইদানিং এই তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশের জন্মেরও অনেক আগে থেকে অধিকাংশই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। অধিকাংশ ট্রাইবেরই আদি ধর্মলোপ পেয়েছে। যেমন বম। ওরা সবাই ওদের আদি ধর্মের (প্রকৃতি)অনেক কিছুই জানে, গরুকে বল্লম দিয়ে খুচিয়ে মারার ঐতিহ্য এখনো আছে। কিন্তু মিশনারীদের দৌরাত্মে অনেক পুরুষ ধরেই সবাই খ্রিস্টান। ধর্মান্তরিতের কথা যদি বলতেই হয় ৮০এর দশকের শেষ এবং ৯০এর শুরু থেকে তাবলীগিদের কল্যানে মুসলমান ধর্মান্তরিতকরন চলছে। ঢাকার তাবলীগি জামাতের ওখানে প্রচুর আদিবাসী তরুন আছে। ওরা নিজেদের নও মুসলিম বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। তবে নওমুসলীমদের মধ্যে ত্রিপুরারা সঙ্খ্যাগরিষ্ট।
আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের বৈঠকের ডেট টাইম দিয়ে দেওয়ায় একটা জিনিস পরিষ্কার। ঠিক ওসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫জন ইঞ্জিনিয়ারকে কিডন্যাপ করে চাঁদা দাবী করে একটা দল। কিডন্যাপিং পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের জনপ্রিয় মাধ্যম। চাঁদাবাজীর চেয়েও লাভজনক। পাহাড়ে কিছু পাহাড়ি মাফিয়া পরিবার ক্ষেত্রবিশেষে আখেরে লাভবান হয়। কাপ্তাই লেকে চাঁদা না দিলে বাঙ্গালী/পাহাড়ি কেউই নাকী মাছ ধরতে পারে না। আর্মির প্রয়োজন তাই খুবই দরকার। আগে শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হবে এর পরে আর্মি প্রত্যাহার দরকার। যাই হোক ই ইউ ইঞ্জিনিয়ারদের কিডন্যাপ এর পর পরেই ড্যানিডা সুমনকে অপহরন করলে ডেনমার্ক সরকারও নিজ উদ্যেগে মধ্যস্থতা কারী পাঠায়। ই ইউ মধ্যস্থতাকারীরা পাহাড়ি নেতা, কিছু মাফিয়া ফ্যামিলি (পাহাড়ী), বাঙ্গালী মাফিয়া গোষ্ঠি এবং গন্যমান্য সামরিক বেসামরিক ব্যাক্তিদের সাথে মিটিং করে। ব্যাপারটা তারা প্রকাশ্যেই করে। তথ্যটা একটু ভিন্নভাবে রিপোর্টটাতে উল্লেখ করেছে পত্রিকা গুলো।
মাফিয়া পরিবারগুলোকে (চাঁদাবাজী আর কিডন্যাপিং এদের মুল পেশা) নিয়ন্ত্রন করা দরকার। আরো আছে অ-সংগবদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ, নিয়মিত কিছু সন্ত্রাসী গ্রুপ, প্রায় সময় সীমান্ত পেরীয়ে আসা সন্ত্রাসী এবং বার্মিজ অথবা সেভেন সিস্টার্সের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা (যেমন মিজো গেরীলারা গত নভেম্বরে রামথন বম কারবারী, তার ভাই এবং একজন তঞ্চংগ্যা নেতাকে কিডন্যাপ করে, প্রথম দুজনকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চিনি, ঘটনা ঘটার মাত্র ১মাস আগে রনিং পাড়ায় ঠিক ঐ বাড়িটাতেই আমি কয়েকদিন ছিলাম)। আর এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এসপিওনাজের ধারা অনুযায়ী হয়তো অনেক সময় প্রশাসন প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় দিলেও দিতে পারে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পলিটিক্স অনেক জটিল।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
হরিসূধন বলেছেন:
কিন্তু বর্তমানে যে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে তাতে কি কিডনাপিং
বন্ধ হবে? মনে হয় না।
আপনার তথ্যপুর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সৌম্য দা।
৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
সাহোশি৬ বলেছেন: দেখেন, যে কোন দেশের আদিবাসীদের কিছু সুযোগ-সুবিধা দিতেই হবে। এটা মেইনস্ট্রীম হিসাবে আমাদের ভালো লাগবে না, কিন্তু মনে হয় আমাদের খুব বেশী অপশনও খোলা নেই। খোদ আমেরিকাতেও নেটিভদের জন্য আলাদা ল্যান্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নেটিভদের ল্যান্ডে কোন সাধারন আমেরিকান জমি কিনতে পারবে না। সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে আদিবাসীদেরকে কিছু ছাড় আমাদের দিতেই হবে।
আসল প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। ভারতের কার্যকলাপের উপর বাংলাদেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর তেমন কোন আস্থা কখনোই ছিল না, এখনো নেই। পার্বত্য অন্চল থেকে আমাদের সেনাবাহিনী চলে আসলে ভারত কি করবে? তারা কি তখন ফাকা মাঠে গোল দেবার মতো পুরো এলাকাটা জুড়েই নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করবে? এর আশু সমাধান হলো সীমানায় বেড়া দিয়ে দেয়া। ভারত তো সীমান্_তে কাটা তারের বেড়া দিতেই চাইছে। পার্বত্য সীমান্তে আমাদেরও উচিত কাটা তারের বেড়া দিয়ে দেয়া (প্র্যাক্টিকালী কি এটা একেবারেই অসম্ভব?)
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
হরিসূধন বলেছেন:
ভাই ২ নম্বর মন্তব্যে করা আমার প্রশ্ন গুলার উত্তর দিবেন?
৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৬
সাহোশি৬ বলেছেন: সৌম্যকে প্লাস। মাঝে মাঝে সৌম্যের মতো করে জীবন কাটাতে বড় সাধ জাগে। হলো না এ জীবনে হলো না, হবেও না। সৌম্যের জীবন বুদ্ধদেব গুহের উপন্যাস মনে করিয়ে দেয়।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
হরিসূধন বলেছেন:
রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
>> এই বিষয়ে আপনার মতামত কি? এইটা শেখ হাসিনার শান্তি চুক্তিতে আছে।
শ্রীংকার তামিল টাইগারদের এই ইউরোপিয়ান রাষ্ট্র গুলো কেন সাপোর্ট করতো?????????
ভারত বিভাগের সময় মনে হয় বিট্রিশেরা তেল গ্যাসের চিন্তা করে নাই
ভাগ করে ফায়দা লাভ করতে চেয়ে ছিলো। আমেরিকা কেন সেন্ট মার্টিনে নৌ ঘাটি করতে চেয়ে ছিলো? সেখানে কি তেল ভাসে?
আফগানিস্তান থেকে কি তেল নিতেছে আমেরিকা? নাকি আফগানিস্তানের ব্যয় ভার ইরাক দখলের মাধ্যমে উঠানোর জন্য সাজানো হয়েছে?
আর লেখকের অভিযোগ গুলা কি মিথ্যা?
৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬
হরিসূধন বলেছেন:
ভাই আপনি কই? প্রশ্ন গুলার উত্তর দিবেন না?
রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
>> এই বিষয়ে আপনার মতামত কি? এইটা শেখ হাসিনার শান্তি চুক্তিতে আছে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
হরিসূধন বলেছেন:
তাহলে পার্বত্য চট্রগ্রামের গ্যাস/ অন্য খনির মালিক শন্তু এবং পশ্চিমা কোম্পানীরা?
৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
হরিসূধন বলেছেন:
অভিযোগ গুলা মিথ্যা? নাকি মাইনাস মিথ্যা? মাইনাস দিয়ে কি হয়?
৮|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫
বহ্নিশিখা বলেছেন: হরিচোদন, তুই একটা বলদা হারামজাদা। পার্বত্য চট্টগ্রামে তর বাপে যাইয়া বসতি গারছিল? হালার পুত, আদিবাসীগো নির্যাতন করবা আবার বাল-ছাল পোস্ট দিবা? তরে গদাম লাথি।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০৮
হরিসূধন বলেছেন:
না আমি তোমার ফুফুরে শাদী করি নাই বাইনচোদ।
তোর পুন্দে কে মরিচ দিছে যে পাগলা কুত্তার মতো লাফাইতাচোচ?
আরে শালারপুত প্রশ্ন গুলার উত্তর দে? ক্যাম্নে দিবি? সে ক্ষমতা তো তোর নাই। পারবি গালি দিতে।
৯|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আরে তাইতো! কি বিচ্ছিরি লাগবো বাংলাদেশের ম্যাপটা!! ছিঃ ছিঃ আম্লীগ কতো খারাপ!!!
আইচ্ছা স্বাধীন হইলে ওইটায় রাজত্ব করবো কারা? চাকমারা না মারমারা? মগরা কি করবো? মিজো, নাগারা তো দুইদিন পরপর আইসা ক্যাচাল করবো।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
হরিসূধন বলেছেন: রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
>> এই বিষয়ে আপনার মতামত কি? এইটা শেখ হাসিনার শান্তি চুক্তিতে আছে।
** উপরে তো ভালোই কইচেন। তবে আপনার এই নিকটাই ভালা![]()
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
হরিসূধন বলেছেন:
আপনি তো অনেক গেয়ানী বিশিষ্ট মিড়িয়া সেনানী২৪ ঘন্টা।
লেখকের অভিযোগ গুলার পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর দেন।
না তা মনে হয় দেবেন না।
শুধু বাঁকা তেরা মন্তব্য করবেন। অমি না হয় অমনিবাস অথবা শিখা দিয়া।![]()
১০|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০০
হরিসূধন বলেছেন:
আমার প্রশ্নের কেউ উত্তর দেয় না শুধু আ.লীগ,পাকি,পেইড,বলদের মন্তব্য।
আপসুস
১১|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২২
সাহোশি৬ বলেছেন: রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের। "
আপনার এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে চুক্তির এই অংশটা ভালোভাবে পড়তে হবে। আপনার কাছে চুক্তিটা থাকলে দয়া করে পোস্ট করেন।
আমেরিকার অধিকাংশ স্টেটেই ক্যাসিনো ইললিগাল, অথচ ইন্ডিয়ানদের ল্যান্ডে যেহেতু ইন্ডয়ানদের রুল, সেখানে ক্যাসিনো লিগাল (অবশ্যাই ইন্ডিয়ানরা লিগাল করেছে বলেই লিগাল)।
এমনকি খোদ ভারতেও কিন্তু সংখ্যালঘুদের পক্ষে অনেক আইন আছে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
হরিসূধন বলেছেন:
কিন্তু ভারতের কোন রাজ্যে কি তাদের খনিজ সম্পদ উত্তলনের জন্য ঐ জেলার চেয়ারম্যান ক্ষমতা দিয়েছে?
আর জুয়া আমেরিকার প্রায় সব রাজ্যেই লিগ্যাল। লটারি কিন্তু আমেরিকার সব রাজ্যেই চলে। আর পার্বত্য চট্রগ্রাম কোন রাজ্য না। জেলা।
ক্যাসিনোর সাথে খনিজ সম্পদ কে এক করে দেখার মানে বুঝলাম না!
১২|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২২
সাহোশি৬ বলেছেন: রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের। "
আপনার এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে চুক্তির এই অংশটা ভালোভাবে পড়তে হবে। আপনার কাছে চুক্তিটা থাকলে দয়া করে পোস্ট করেন।
আমেরিকার অধিকাংশ স্টেটেই ক্যাসিনো ইললিগাল, অথচ ইন্ডিয়ানদের ল্যান্ডে যেহেতু ইন্ডয়ানদের রুল, সেখানে ক্যাসিনো লিগাল (অবশ্যাই ইন্ডিয়ানরা লিগাল করেছে বলেই লিগাল)।
এমনকি খোদ ভারতেও কিন্তু সংখ্যালঘুদের পক্ষে অনেক আইন আছে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯
হরিসূধন বলেছেন:
হাঁ ভারতে সংখ্যা লঘুদের পক্ষে আইন আছে তাই ভারত শাসিত কাশ্মিরে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ট হচ্ছে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭
হরিসূধন বলেছেন: Click This Link
১৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭
নীলতারা বলেছেন: অভিযোগ মোটেই মিথ্যা বা কল্পণাপ্রসুত নয়! আমি ব্যক্তিগতভাবে গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রাম নিয়ে খুবই চিন্তিত। খুব ভয় হয়- চট্টগ্রাম যদি আসলেই আলাদা পতাকা উড়ানোর চিন্তা করে... ভাবতে পারিনা...
সরকারের উচিৎ কোনো রকম আপোসের পথে না গিয়ে নিজেদের অবস্থানকে শক্ত করা। সেনাবাহিনী প্রত্যাহারটা সরকার কোন সাহসে করছে এটা আমার স্বল্পবুদ্ধির মাথায় কিছুতেই ধরেনা। এখনই কিছু করতে হবে, পরে সময় ও সুযোগ কোনোটিই থাকবেনা... সন্তু লারমা কুত্তার বাচ্চাটারে সম্ভব হলে খুন করতাম আমি..
আর সবচেয়ে বড় ভয়, এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের কথিত স্বপক্ষের শক্তি পরিচয় নিয়েও ভারতের দালালি করতে খুবই উস্তাদ। তো এদের দিয়ে কি আশা করা যায়? গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে বিচ্যুত করা উচৎ... এরা চট্টগ্রামকে ভারতের কাছে দিয়ে দিতে দু'পায়ে দাঁড়ানো। শেখ মুজিব থাকলে আজ কি করতেন কে জানে!!??
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯
হরিসূধন বলেছেন:
ঢাকা শহরে কয় কোটি মানুষ বাস করে?
তারা সবাই নিশ্চয় ঢাকার আদিবাসী না?
যেমন হাসিনা গোপালগন্জের, খালেদা ফেনীর।
এখন যদি ঢাকার আদিবাসীরা বলে গোপালগন্জের মানুষ এসে ঢাকার সব পুলিশ অফিসারের পদ দখল করেছে। এটা হতে পারে না। ঢাকার আদিবাসীদের জন্য কি আলাদা চুক্তি করতে হবে?
বা ঢাকাতে কোন
তেলের খনি হলে সেটার জন্য সাদেক হোসেন খোকা শেভরনের সাথে চুক্তি করার ক্ষমতা রাখে?
আসেন ঢাকার সব আদিবাসী মিলা অস্ত্র ধরি। হাসিনা খালেদা ঢাকা ছারো।
পার্বত্য চট্রগ্রামে যারা বাস করে তারা ঐ ভূমিতে বস গড়েছে কয়েক শ বছর আগে। অথচ বঙদেশে বাঙালীদের বাস হাজার বছরের। অথচ বাঙালীরা আদিবাসী না উপজাতিরা আদিবাসী!!!!!!
১৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের।
এইটা প্রমাণ করো।
চুক্তিটা পড়ছো, নাকি শুইনা ফাল পারতেছো?
একটু বেসিক কমনসেন্স খাটাও (যদি থাকে আর কি), শান্তি চুক্তি মানে কি? তোরা শান্তিতে থাক, ক্যাচাল করিস না। মাগার রাষ্ট্র কিন্তু সরকারই। খুব খিয়াল কইরা।
আইচ্ছা একটা কথা কওতো হাছা কইরা। মিথ্যা প্রচার সম্পর্কে ইসলামে কি নির্দেশনা আছে?
আর একটা কথা, তোমারে গাইল পারতে হইলে নিজের নামেই দেয়ার হ্যাডম আমি রাখি। অন্য নিক লাগে না
১৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: আমেরিকা-কানাডা-অষ্ট্রেলিয়ার আদিবাসী নিয়ে একজন ব্লগার কিছু কথা বলছেন, আমিও কিছু যোগ করতে চাই:
উপড়ের উল্লেখিত তিনটি দেশ আদি বাসীদের ঠেলতে ঠেলতে এমন যায়গায় নিয়ে ওদের রিজার্ভ এলাকা গঠন করে দিয়েছে যে সেখানে সাধারনত হি;স্র পশু-পাখিই বাস করে| মূল সাধারন অধিবাসীরা সেই এলাকায় গিয়ে কেউ বাড়ী করে না|
কানাডাতে গত বছর খব সুন্দর একটা যায়গা বেছে এক ডেভলপার টাউন হাউজ বানানোর প্ল্যন করলেন, আদিবাসীরা প্রতিবাদ, পিকেটি; করেছিল তারপর ষ্টেট পুলিশ ও সাধারন জনগণ আদিবাসীদের ভাল করে ধোলাই করেছে....., এব; অনেকগুলা মামলাও করেছে|
আমেরিকার গল্প বললে অনেকের কান্না-কাটি লেগে যাবে, আমেরিকার আদিবাসী খুজতে হলে আপনাকে অনুবীক্ষন যন্ত্র নিয়ে বেরুতে হবে| এদেরকে নিয়ে এমন যায়গায় জড়ো করা হয়েছে যেখানে মনুষ্য প্রজাতি বাস করে না|
আমাদের পার্বত্য এলাকার মত সুন্দর যায়গা হলে আমেরিকায় সব এলিটরা গিয়ে সেখানে বাড়ি করতো, আদিবাসিদের পাঠাতো গভীর অরন্যে|
আমাদের মত ছোট একটা দেশে এভাবে এলাকা ভিত্তিক ভাগ শুরু হলে থাকবে কী.....??
(++++++++)
১৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: রা;গামাটিতে টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বানানোতে বাধা দিচ্ছে আদিবাসীরা, হাসিনা সরকারের আমলেই.....!!!!
যারা আদিবাসিদের কথা বলছেন, বলুনতো হাসিনা সরকার বৈধ সরকার, সেই সরকার কেন রা;গামাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় বানাতে পারবে না.......???
১৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪০
লালসালু বলেছেন: চাকমারা আদিবাসী কেমনে হইল? তারা তো ১৬০০ সাল থেকে ওইখানে আছে। আর বাঙ্গালীরা আছে হাজার বছর ধরে। তাহলে কারা আদিবাসী। তারা উপজাতি। উপজাতিরা কখনো জাতি হতে পারে না যদি না তারা জাতির অন্যান্য লোকের মত আচরন করে।
১৮|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০২
সাহোশি৬ বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত এর সাথে একমত
১৯|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৭
dvWfu বলেছেন: পার্বত্য চট্রগ্রামে যদি আদিবাসী কারা....এইটা নিয়া এখন বিতর্কে না গিয়ে বাঙ্গালী উচ্ছেদ ঠেকাতে হবে আগে.......
২০|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: সৌম্যকে ধন্যবাদ খুবই যুক্তিপূর্ন কথা বলার জন্য|
আরেকটা নর্দমার কীট বিনা কারনে পোষ্টদাতাকে যে ভাবে গালি দিল, তাতে মনে হয় রাস্তায় পরিত্যাক্ত কেউ কম্পিউটারের সমানে বসেছে......||
লেখককে বলছি, দয়া করে এসমস্ত আবর্জনাদের ব্যাপারে রিপোর্ট করুন|
আমরা সবাই দেশকে ভালবাসি, এক ইন্চি যায়গা ছাড়া হবে না| পাহাড়ী ভাইদের যেমন অধিকার আছে ঢাকা শহরে একটা সুন্দর বাড়ী করার, ঠিক তেমনি ঢাকার যে কারোর অধিকার আছে খাগড়াছড়ির কোন পাহাড়ের পাদদেশে ছোট একটা বাড়ি করে অবসর জীবনটা কাটিয়ে দেবার|
দেশটা আমাদের সবার বাবার......!!!
২১|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
ওরাকল বলেছেন: লেখক বলেছেন:
রাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র। কিন্তু শান্তিচুক্তির নামে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়ে এ অধিকার হারিয়েছে। এমনকি খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের
-- > প্রফ দেখান (খনিজসম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সন্তুদের)
-> আমেরিকা , অষ্ট্রেলিয়র মত দেশে ও আদিবাসিদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে অন্যদের ভূমি কেনার অধিকার নাই ![]()
শ্রীংকার তামিল টাইগারদের এই ইউরোপিয়ান রাষ্ট্র গুলো কেন সাপোর্ট করতো?
--> ইউরোপ নয় চীন .. কারন ইউরোপিয়ান রাষ্ট্র গুলোকে হারিয়ে তামিল এলাকায় ডিপ-সি পোর্ট করার লিজ পেয়েছে .....তাই এবার শ্রিলংকান আরমির বিগয় হয়েছে
ভারত বিভাগের সময় মনে হয় বিট্রিশেরা তেল গ্যাসের চিন্তা করে নাই, ভাগ করে ফায়দা লাভ করতে চেয়ে ছিলো।
---> ওরা আজিবনে ও সমাধান হবে না এমন 'কাস্মির' সমস্যা রেখে গেছে
আমেরিকা কেন সেন্ট মার্টিনে নৌ ঘাটি করতে চেয়ে ছিলো? সেখানে কি তেল ভাসে?
--> চীন,ভারত,পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ..পারমানবিক অস্র সজ্জত দেশগুলোকে পাহাড়া দেবার জন্য দক্ষিন এশিয়ায় ওদের ১ টা স্থান প্রয়োগন
আফগানিস্তান থেকে কি তেল নিতেছে আমেরিকা? নাকি আফগানিস্তানের ব্যয় ভার ইরাক দখলের মাধ্যমে উঠানোর জন্য সাজানো হয়েছে?
---> দক্ষিন এশিয়ায় ওদের ১ টা স্থান প্রয়োগন এনবং তারা তা পেয়েছে
আর লেখকের অভিযোগ গুলা কি মিথ্যা?
--- অনেকাংশে
২২|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: চিন্তার খোরাক.............
২৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
গতকাল কে এই Click This Link আমি কিছু মন্তব্য করে ছিলাম দেখতে পারেন।
আমার মন্তব্যের প্রতি উত্তরে পড়ুয়া_পুড়য়া ভাই কি বলেছে পড়ে দেখুন।
২৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৬
পাভেল করচাগিন বলেছেন: এইটা নতুন কিছু না।
সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথিবীর অনেক দেশেইতো এমন আইন আছে।
কিন্তু কথা হইলো এইটা আমরা করতে চাই কি করতে চাই না। আলোচনা হতে পারে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে।
------------------------------------------------------------------------------
ছৈয়দ শেইমছুল হুক বলেছেন:
পাভেল করচাগিন@ভাই, পৃথিবীর সব দেশ কি তাদের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক চুক্তি করেছে?
আমি বুঝি সমান অধিকার। আমরা সবাই বাংলাদেশী।
হাঁ তারা হয়তো অন্য আর দশ জেলার বাংলাদেশীদের মতো অগ্রগামী না। তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকা ভালো বা রাষ্ট্র সুযোগ করে দিতে পারে। তবে তা নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য। কিন্তু বর্তমানের শান্তি চুক্তিতে তার কোন উল্ল্যেখ নাই।
আজকে যে সব সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হচ্ছে। তা কি পুনরায় রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে নির্মান করা যাবে? মনে হয় না!!!!! কারন প্রত্যাহারের পরে যদি কোন সেনা ক্যাম্প পুনস্হাপন করতে হয় তাহলে হাসিনা বা জিল্লুর রহামনের নির্দেশে হবে না তার আগে শন্তু লারমার অনুমতি লাগবে!!!!!!!!! একটু ভেবে দেখেন এইটা কি সংবিধান বিরুদ্ধী না?
-----------------------------------------------------------------------------
ঘুমন্ত পথিক বলেছেন: তিন পাহাড়ি জেলা ঘুরে আমার অভিজ্ঞতা বলে, ওখানে সমতলের বাঙ্গালিদের জমি কিনতে দেয়া তো দূরে থাক সেখানে তাদের বসতিই স্থাপন করতে দেয়া উচিত না। পাহাড়িদের মত এত ভাল ব্যবহার আমি বাঙ্গালিদের কাছ থেকে কোনদিন পাইনি। পাহাড়িরা খুবই সরল প্রকৃতির। এটা তাদের সাথে না মিশলে বুঝবেন না। আর, তাদের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কিছু দুষ্ট বাঙ্গালি ওখানকার পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করছে।
পাহাড়িদের তাদের মত করে শান্তিতে থাকতে দিন না। তারা শান্তিতে থাকলে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে আমরা আরো শান্তি মত ঘুরে বেড়াতে পারি। এখন তো শালার ঐ ব্লাডি সেনাবাহিনীর জ্বালায় কোথাও ঠিক মত যাওয়াও যায় না। নিজের দেশের যেই পাহাড়ে আমার উঠার ইচ্ছা আমি উঠব। আমার নিরাপত্তা আমি নিজেই বুঝবো। যারা দেশের নেতাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, গনতন্ত্রের ১২ টা বাজায় দেয় তারা আমার নিরাপত্তা দিতে পারবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।
পাহাড়ি এলাকা থেকে পাহাড়িদের অত্যাচারের উদ্দেশ্যে যত ব্লাডি সেনা মোতায়েন আছে সেগুলাকে প্রত্যাহার কর হৌক।
ধন্যবাদ।
------------------------------------------------------------------------------
ছৈয়দ শেইমছুল হুক বলেছেন:
ঘুমন্ত পথিক@ ভাই, কি কথা গুলা ঘুমের মধ্যে থেকে বলেছেন?
আপনি নিজে কি বাঙালী? তা না হলে সব বাঙালীদের কে একই পাল্লায় মাপতেছেন কেন? কই সব পাহাড়ীদের কে তো একই চোখে দেখলেন না!!!!! ভালো সব পাহাড়ী ভালো তাহলে শান্তি বাহিনী আর ইউডিএফের লোক গুলি কি ভারতের জম্মু ল্যান্ডের? আপনি বলতে চান পার্বত্য চট্রগ্রামে কোন বাঙালীকে-ই জায়গা কিনতে দেয়া উচিত নয়? এটা কি গায়ের জোরে শান্তি বাহিনীর মতো আদায় করতে চান? পার্বত্য চট্রগ্রাম কি বাংলাদেশের বাহিরে? আপনার কথায় তো তাই মনে হইতেছে!!!!!!!!
আর আপনার যেহেতু পাহাড়ে ঘুরার এত শক তাইলে নেপাল,ভূটান। ইন্ডিয়া যাইলে-ই পারেন।
-----------------------------------------------------------------------------
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: ছৈয়দ শেইমছুল হুক পাভেল করচাগিনকে বলেছেন
"ভাই, পৃথিবীর সব দেশ কি তাদের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক চুক্তি করেছে?"
মনে হচ্ছে চুক্তির বিভিন্ন ধারা ও সংবিধান সম্পর্কে ভালোই ধারনা আছে আপনার ! একটু জানাতে পারবেন - চুক্তির কোন কোন ধারা সংবিধান পরিপন্থী ? আমরাও জানতে পারতাম তাহলে । সেনা ক্যাম্প সম্পর্কিত আপনার এই ব্যাখ্যা কি চুক্তি পড়ে জেনেছেন ???
ছৈয়দ শেইমছুল হুক আরো বলেছেন - "আমরা সবাই বাংলাদেশী ।"
এতো সহজে পাহাড়ীদের সম্পর্কে এ কথা চালিয়ে দেয়া যায় না ।
সেনাবাহিনী তথা আমরা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে যেমন করে পাহাড়ী নিধন চালিয়েছি(এখনও চালাচ্ছি), এর পরও তারা আমাদের খুব কমই বিশ্বাস করতে চাইবে । প্রসঙ্গত শেখ মুজিব ও আওয়ামী নেতারা একইভাবে তাদেরকে বাঙ্গালী হয়ে যাবার পরামর্শ দিয়ে আদতে জনসংহতি সমিতির জন্ম দিয়েছিলেন ।
আর স্বাধীনতার দাবী তারা কখন করলো আমার জানা নেই । দয়া করে জানাবেন । আমি তো জানি তারা স্বায়ত্বশাসন চায় । দুটো কি এক হলো নাকি ?
আর যদি স্বাধীনতার দাবী তারা করেও তো আজকে যে যুক্তিতে তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে হচ্ছে, একই যুক্তিতে কিন্তু পাকিস্থানিরাও আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলেছিল । কাজেই খুব খেয়াল করে.......
---------------------------------------------------------------------------
ছৈয়দ শেইমছুল হুক বলেছেন:
পড়ুয়া_পড়ুয়া@ বাংলাদেশের সংবিধান দেশের প্রত্যেক নাগরিক কে সমান মর্যাদা দিয়েছে ধর্ম বর্ণ স্হান কাল পাত্র সব কিছুর উর্ধ্বে।
কিন্তু আপনি এটা কি বললেন?????!!!!!!!!!
ছৈয়দ শেইমছুল হুক আরো বলেছেন - "আমরা সবাই বাংলাদেশী ।"(আমার মন্তব্যের অংশ) এই কথার প্রতি উত্তরে নিচে আপনি যা বলেছেন...
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেনঃ- এতো সহজে পাহাড়ীদের সম্পর্কে এ কথা চালিয়ে দেয়া যায় না।
তার মানে কি আপনি বলতে চান যে তারা বাংলাদেশী নয়? আমি চালানোর কে ভাই। তাহলে তারা কোন দেশের নাগরিক?
আপনার এই কথাতেই বুঝা যায় আপনি কি বলতে চান। আপনি বাংলাদেশে বিশ্বাসী না।
হাঁ ১৯৭১ সালে ভারত বঙ্গবন্ধু কে সাহায্য করে ছিলো পাকিস্হান থেকে আলাদ হতে। এই বাংলাদেশের জন্য.... । আর স্বাধীনতার পরে
শন্তু লারমাদের ভারত সাহায্য করিতেছে বাংলাদেশ থেকে আলাদা হতে!!!! বাহ্ বাহ্.. বঙ্গবন্ধু বলে ভুল করেছে বাঙালী হইতে..., অথচ যে ভারত শন্তু লারমাদের সাহায্য করে সেই ভারত আসামের অনুপ কে সন্ত্রাসী বলে। প্রথম আলো নামের পত্রিকা আদিবাসীদের নিয়ে নাচে আবার ভারতের খেয়ে আসামের আদিবাসী অনুপের পিছে লাগে।
সত্যে-ই বলতে কি? দালাল শ্রেনীর মানুষ যত-ই ভান করে প্রগতি বা মানবতাবাদের ভেক ধরতে চায় তত-ই তাদের নেংটি বাহির হয়ে যায়।
এই ভূমিতে বাঙালীরাই আদিবাসী। আজকে যাদের কে আদিবাসী বলা হচ্ছে তারা অন্য ভূমি থেকে এখানে এসে বসতবাড়ী গড়েছে।
ইউএনডিপির ১৬ হাজার কোটি টাকার লোভে হাসিনা সরকার বেহুশ তাদের একদিন ঠিকই হুষ হবে তখন হাসিনা পরপারে থাকবে। আর ইউএনডিপি কেন আমেরিকা কে টাকা দিয়ে বলে না যে তোমরা তোমাদের আদিবাসীদের ভূমি নিউইয়র্ক চাইড়া দাও???? কারন তারাই সেখানকার বা পুরা আমেরিকার আদিবাসী।
অথচ আমেরিকার সংবিধান সবার জন্য সমান সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে রেখেছে। কে আদিবাসী আর কার পুর্ব পুরুষ ১০০ বছর অথবা আমাদের কলিম উদ্দিন এই দশ বছর আগে আমেরিকায় গিয়ে নাগরিক হয়েছে সবার সমান সুযোগ সুবিধা। সবাই আমেরিকান। তেমন-ই আমরা সবাই বাংলাদেশী। এইটাই মানুষের ন্যায়জ্য অধিকার।
ইউএনডিপির মতো সংগঠন গুলা দুর্বল রাষ্ট্রের সাথে কয়েক শ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে খেলতেছে। যদি ও জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন এইটা।
জাতিসংঘ নিজেই একটা শোষনকারীদের দালাল। ইউএনডিপি বৃষ্টি যে দিকে ছাতা ঐ দিকে ধরে। আর গরীবের এই কথাটা মনে রাইখেন আজ থেকে ৬০/৭০ বছরের মধ্যে জাতিসংঘে কেউ মুতার জন্যে ও যাবে না।
জাতিসংঘ হচ্ছে পশ্চিমাদের বুদ্ধি ভিত্তিক গ্যামের এক স্তর বিশিষ্ট কয়েক হাজারের একটা আসন। এইটার এক চোখা নীতির কারনে পৃথিবীর অনেক দেশ আজ ধ্বংসের পথে। অথচ এইটার কাম ছিলো?
জাতিসংঘের নিজেরই গনতন্ত্র নাই! অথচ সে গামারী কে দূত করে বার্মা পাঠায় গনতন্ত্রের জন্য!!!!! ব্যাপক আনন্দের......
যাই হোক আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়া অতিরিক্ত অনেক কিছু
আইসা গেছে তার জন্য দুঃখিত।
>> সরি ভাই অনেক বড় কমেন্ট হয়ে গেলো কিন্তু না দিয়ে পারলাম না!
পড়ুয়া_পড়ুয়া এবং ঘুমন্ত পথিকের মন্তব্য সত্যেই অবাক করার মত।
ধন্যবাদ।
২৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন: হাসান শাহারিয়ার@ভাই, ভুল তথ্য দিলেন!
শ্রীলংকা চীন, পাকিস্তানের সাহায্যের কারনে তামিল বিদ্রোহী মুক্ত হয়েছে। বরং শ্রীলংকা নেদারল্যান্ড বা অন্য কোন পশ্চিমাদেশের রাষ্ট্রদূত(কূটনীতিক) কে আটক করে ছিলো তামিলদের সাহায্যের জন্য শ্রীলংকায়।
২৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন: Click This Link
২৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
মৃদুভাষী বলেছেন: পাহাড়ী প্রেমীদের (সৌম্য এবং অন্যরা) জন্য আমার কিছু কমেন্ট অন্য পোস্ট থেকে দিলাম-
৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৯ সৌম্য বলেছেন: @অলস ছেলেঃ আপনিও পাহাড়ি বাঙ্গালী ভেদ করলেন। আমরা এক রাষ্ট্রের নাগরিক।
আর ঐখানে সেটলার বাস ওয়ালাদের সাথে আমার প্রতিবারই গেঞ্জাম হইছে। কি কারন জানি না, বাংলাদেশের সবচাইতে ঘাউরা মোস্ট মানুষ পাহাড়ে বাঙ্গালী চান্দের গাড়ীর ড্রাইভারেরা। রাস্তায় একজন বাঙ্গালীকে দেখলেই ঢাকার লোকাল বাসের মতো পিছে পিছে চলে যেন পারলে জোর করে গাড়ীতে তুলবে, আর পাহাড়ীরা হাত দিয়ে থামতে বললেও থামে না। চান্দের গাড়ীর ড্রাইভার এবং কন্ডাক্টররা ভয়ঙ্কর। আজাইরা গেঞ্জাম বাধাতে ওস্তাদ। নিয়মিত পাহাড়ে যাওয়া হয় ট্রেকিং এর জন্যে। সব ঠিক থাকলে আজ রাত ১০টায় আবার যাব। তবে একবারো হয়নি যেবার চান্দের গাড়ির ড্রাইভার/কন্ডারক্টর/লাইনম্যান পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া লাগায়নি। নট এ সিঙ্গল টাইম।
৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০ মৃদুভাষী বলেছেন: @সৌম্য, আপনি পাহাড়ে অনেক ঘোরাফেরা করেন জানি, তাই বলে যে আপনি পাহাড়ের অনেক কিছু বা সবকিছুই জানেন, তা নয় কিন্তু ? সেখানে যারা বসবাস করে আসছে শুধু তারাই প্রকৃতপক্ষে জানে এবং বুঝে যে এখানকার কি অবস্থা, কি পরিস্থিতি।
আপনার মতো সমতলের আরো অনেক বাঙালীরা, সুশীল-বুদ্ধিজীবি নামক বেঈমান গুলা, নিজেদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতক গুলা, যারা পাহাড়িদের পক্ষ নিয়ে বাঙালীদের বিরূদ্ধে কথা বলে, বাঙালীদের বিরূদ্ধে বক্তব্য দেয়, বাঙালীদেরকে ঘৃনা করে তারা কেউই কিন্তু পাহাড়ে বসবাস করে না, ঢাকায় ফ্যান-এসির নিচে বসে পাহাড়ের চরমভাবে নির্যাতিত-নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত-অসহায়-গরিব বাঙালীদের বিরূদ্ধে বিষোদাগার করে যাচ্ছে।
আপনারা যদি সমতলে না থেকে কিছুদিন পাহাড়ে বাস করতেন, তাহলে আপনারা মোটেও এরকম বক্তব্য দিতেন না, পাহাড়ের বাঙালীদের চরম দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পারতেন।
আপনি যে পাহাড়ের বাঙালী ব্যাপারে নেতিবাচক কথা বললেন, তারা যদি এরকম না হতো তাহলে তাদেরকে কুকুরের মত পিটিয়ে এই পাহাড় থেকে বের করে দিত। সে জায়গার পরিবেশ তাদেরকে বাধ্য করেছে এরকম হতে। আমি বেশ কয়েকবছর ছিলাম পাহাড়ে, কই আমিতো সেখানে বাঙালীদের সেরকম নেতিবাচক আচরন পাইনি ।
আর কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন প্রকৃতপক্ষে পার্বত্য চট্রগ্রামে কি ঘটতে যাচ্ছে, কি হচ্ছে।
৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩ মৃদুভাষী বলেছেন: বাংলাদেশে অবস্থান করে যেমন অনেক বাংলাদেশী মুসলমানের সন্তান বলে পরিচয়বহনকারী কিছু অমানুষ ফিলিস্তিনের মুসলমানদের সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দেয়, তাদেরকে গালি দেয়; ঠিক তেমনি এদেশের সমতলের কিছু বাংলাদেশী কিছু না জেনেই পাহাড়ের বাঙালীদেরকে গালি দেয়, ওদের বিরূদ্ধে প্রতিনিয়ত বিষোদগার করে যাচ্ছে।
অথচ এইসব নিজেদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা সমতলের বাঙালীগুলা যদি কিছু পাহাড়ে বসবাস করতো, তাহলে এরা পাহাড়ের বাঙালীদেরকে গালি না দিয়ে এর উল্টোটা করতো।
কি আশ্চর্য !!! কেউ প্রকৃত ঘটনার কিছু না জেনেই নির্যাতনকারীর পক্ষ নিয়ে নির্যাতিতকে গালি দেয়, ওদের বিরূদ্ধাচরন করে।
@সৌম্য, আপনার পাহাড়িদের কাছে ন্যায়-অন্যায় বিবেচ্য বিষয় নয়; তাদের কাছে একটাই বিবেচ্য বিষয়, সেটা হলো ওরা পাহাড়ি, পাহাড় শুধু ওদের জন্য; আর কেউর সেখানে থাকা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, অন্যায়।
২৮|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
ওরাকল বলেছেন: আমি বলতে চেয়েছি .. ইউরোপিয়রা তাদের বন্ধি ও নির্মান কম্পানিগুলোর স্বার্থে যুদ্ধ বন্ধ করতে ও তামিলদের শয়ত্বশাসন দইবার জন্য মধ্যস্থতা করেছিল ....কিন্তু সফল হয় নাই ..
চীনের দেওয়া সামরিক সাহায্যের কারনে সরকারী বাহিনী তামিল দেরকে ১৫ বছর পর মাত্র ১৩ মাসে পরাজিত করেছে ।
২৯|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
হাসান শাহরিয়া@ সরি ভাই।
৩০|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
দখিনা বাতাস বলেছেন: কিছুদিন ধরে সব জায়গায় এই এক প্যাচাল শুরু হইছে, সেনা প্রত্যাহার করলেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বুজি আলাদা হয়ে যাবে।
বাস্তবতা আসলে কি? এতই সোজা সব কিছু? এক ব্রিগেড সেনা ফেরত আনলেই কি সব ফাকা? পার্বত্য এলাকায় মোট ৫টা ব্রিগেড মোতায়েন করা আছে। তার মাঝে ১টা ব্রিগেড সরানো হবে। বাকি ৪টা ব্রিগেড কি বসে বসে মাছি মারবে? শান্তি বাহিনীর বর্তমান শক্তির কথা বাদই দিলাম, তাদের আগের মত বিপুল শক্তি নিয়েও যদি আসে, সেনাবাহিনীর ৪টা ব্রিগেডের সাথে লড়াই করার মত সামর্থ্য নেই।
রাংগামাটিতে প্রথম গেলাম ১৯৯৫এ। রাতের বেলা হোটেল থেকে বের হয়ে হোটেলে রাতের খাওয়া শেষ করে রাস্তায় হাটছি, ঠিক ঐ সময় খাবার হোটেলের উপজাতি লোকটাই ভাংগা ভাংগা বাংলায় বলল, আপনারা হোটেল রুমে চলে যান, ঢাকা শহরের শিক্ষিত লোক দেখলেই ওরা টার্গট করে। মুক্তিপন হিসাবে ভালো টাকা পাওয়া যায়।
পরের দিন, কাপ্তাই লেকে সাম্পানের মাঝিকে বললাম, ঐ ছোট দ্বীপের মত জায়গায় একটু ( বর্তমানে ঐ "ছোট দ্বীপের মত জায়গাটাই" পেদা টিং টিং, পর্যটকদের জন্য লোভনীয় জায়গা এখন) নামাও আমাদের। সাথে সাথে মাঝি বলে, না ঐ খানে যাবো না, শান্তিবাহিনির লোক আছে।
১৯৯৭'র শান্তি চুক্তির সময়ও এমন অনেক কথা শোনা গেছে, সব গেল বলে হায় হায় রব উঠেছিল, এক দেশ নেত্রিতো বলল, এই চুক্তির পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম যেতে ভারতের ভিসা নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এতটাই ভিন্ন যে, বান্দরবানে বগালেকে এখন এত বেশি পর্যটক যায় রুমা বাজার হয়ে প্রতি বছর, ঐ লোভে রুমা বাজারের কাছে একটা ছোট রিসোর্ট করার জন্য ৫ একর জায়গা এক উপজাতির কাছ থেকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ নেওয়ার পর জানতে পারলাম, আমরা ঐ জায়গায় কিছু করতে পারবো না, কারন ঐ জায়গা, বান্দরবান ক্যান্টনমেন্টের জন্য "captured area" হিসাবে তালিকা ভুক্ত।
৩১|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
ধুম্রজ্বাল বলেছেন: ধন্যবাদ এমন তথ্য বহুল লেখার জন্য।
Fredrick Forsyth এর "Dogs of War" নামে একটা বই আছে ১৯৭০ সালে লেখা।কিভাবে একটা দেশ দখল করতে হয় তার বিবরন। আগে ভাবতাম বইটা আফ্রিকার কোন দেশ নিয়ে লেখা ।ইকুইটিরিয়াল গিনি দেশটা এভাবেই দখল হইসে।
এখন দেখছি আমার দেশই দখল হবার যোগার।
৩২|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
সুবিদ্ বলেছেন: খনিজ উত্তোলনের অধিকার জনসংহতি সমিতির এই কথা শান্তিচুক্তির কোথায় লেখা আছে????
আধুনিক একটি রাষ্ট্র হবে সবার জন্য কল্যাণরাষ্ট্র........আপনি একটা এলাকায় গিয়ে (ধরেন, গোপালগঞ্জ/বগুড়া লোক হয়ে বগুড়া/গোপালগঞ্জ-এ একটা জমি কিনবেন........খুব সোজা নাকি তা কেনা???) সংখ্যাগরিষ্ঠদের দুর্বলতাকে পুঁজি করে তাদের হটিয়ে 'সেটেলার' বসাবেন, আর ওরা চেয়ে চেয়ে দেখবে???
আর মিশনারীগুলা কি আজকে নতুন খুলছে নাকি??? সেই কবি নজরুলের 'মৃত্যুক্ষুধা'-তেও তো দেখি অভাবের তাড়নায় বংশানুক্রমিক ধর্ম ত্যাগ করে মানুষের খৃষ্টান হওয়ার ঘটনা........
ভাইরে জুজু ত্যাগ করেন.......
৩৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মজাই তো, জামাত-বিএনপি আরেকটা ইস্যু পাইলো। অনেকদিন হরতাল দেখি না ![]()
৩৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
ধীবর বলেছেন: অত্যন্ত সময়োপযোগি পোস্ট। প্লাস ও প্রিয়তে। এন জি ও এবং খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকারিরা উগ্রপন্থি মৌলবাদি এবং পুজিবাদের দাস। একারণেই সম্প্রতি ল্যাটিন আমেরিকার কয়েকটি দেশে এদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ/সীমিত করে দেয়া হয়েছে। আমাদেরও এদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। বাংলাদেশের অখন্ডতার প্রশ্নে কোন আপোস নেই।
৩৫|
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬
সোনার বাংলা বলেছেন:
কথা হইলো সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ভালো।
কিন্তু সে পরিস্হিতি কি এখন পার্বত্য চট্রগ্রামে আছে?
সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কিন্তু বিডিআর কেন প্রত্যাহার করা হচ্ছে? শুনলাম পুলিশ ও নাকি প্রত্যাহার করা হচ্ছে!! তয় আমাদের সুশীল এক আনার প্রগতিবাদী ভদাকারেরা এইটা কও বিডিআর এবং পুলিশ কেন প্রত্যাহার করা হচ্ছে?
জানি উত্তর হইবো রাজাকার নয়তো সাম্প্রদায়িক কিন্তু তুমি খা.পো টা কি মানুষ না আ.লীগ?
৩৬|
২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৩
শরদিন্দু শেখর চাকমা বলেছেন: সত্য-মিথ্যা-কল্পনার এক অপূর্ব মিশেল(!) । আর "আদিবাসি"প্রসঙ্গে বলি পাহারীরা(বাঙ্গালিরা বাদে) যে পারবত্ত অঞ্চলের আদিবাসি সে নিয়ে কোন সন্দেহ আছে?? তারা কখনো দাবি করে না যে তারা সমতলের আদিবাসি।
দখিনা বাতাস বলেছেন:
বাস্তবতা আসলে কি? এতই সোজা সব কিছু? এক ব্রিগেড সেনা ফেরত আনলেই কি সব ফাকা? পার্বত্য এলাকায় মোট ৫টা ব্রিগেড মোতায়েন করা আছে। তার মাঝে ১টা ব্রিগেড সরানো হবে। বাকি ৪টা ব্রিগেড কি বসে বসে মাছি মারবে? শান্তি বাহিনীর বর্তমান শক্তির কথা বাদই দিলাম, তাদের আগের মত বিপুল শক্তি নিয়েও যদি আসে, সেনাবাহিনীর ৪টা ব্রিগেডের সাথে লড়াই করার মত সামর্থ্য নেই।
তার চেয়েও বড় কথা স্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রামের কথা শুনে আমার নিজেরই হাসি পেল।এ ধরনের অলীক কল্পনা এই ব্লগের লেখকের পক্ষেই সম্ভব।
তাছাড়া সেনাবাহিনি ধোয়া তুলসি পাতা নয় তাদের কান্ড পরুন আমার ব্লগেই। সেনা সহযোগিতায় িবভাবে সেটেলার বাঙ্গালিরা সেখানে আদিবাসিদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে শুনলেও শিউরে উঠতে হয় । সাজেক,লোগাং,মহালছরি ট্রাজেডির কথা জানেন কিছু?
Click This Link
(এই লেখাটি সাম্প্রতিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে)
Click This Link
পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসিরা নিজ ভূমেই আজ পরবাসী। নিরবেই চলছে এথনিক ক্লিন্সিং। জ়োর করে দখল করে নেওয়া হচ্ছে তাদের ভিটে মাটি।।করা হচ্ছে হত্যা,নির্যাতন । বিচার চাইবে কোথায়? প্রশাসন, সেনাবাহিনি, সরকার সবাই তো অত্যাচারির পক্ষে; নির্যাতিতের পক্ষে নয়। আর সেখানে প্রকাশ করা হচ্ছে এ ধরনের কল্পনা প্রসুত লেখা ।
একটি কথা, সমতলের অধিবাসিরা পার্বত্য চট্টগ্রামে জমি কিনতে পারেন না ঠিক কিন্ত ৯৯ বছরের জন্য ঠিকই লিজ নিতে পারেন।আবার ভারতের কাশ্মিরেও কিন্তু ভারতীয়রা জমি-জমা ক্রয় করতে পারে না। কারণ ভূমি আগ্রাসনই জাতিসত্তা নিধনের অপর নাম।পাহাড়িরা অতি দরিদ্র; সল্প মুল্লে কিনে/ তাদের ঠকিয়ে হয়ত কেড়ে নিবে তাদের জমি। এভাবে পাহাড়ের সব জমি যদি সমতলের ১৪ কোটি মানুষের ধনিক সম্প্রদায়ের কয়েক লক্ষ মানুশের অবকাশ যাপন কেন্দ্রের জন্ন্য চলে যায় তবে পাহারিরা যাবে কই??
সবার ধারনা পার্বত্য চট্টগ্রাম এত বড় সেখানে চাশ করার জন্য/থাকার অনেক জায়গা আছে / জনসংখ্যার চাপ কমানর জন্য সেখানে সমতল থেকে মানুস পাঠানো হোক।কিন্তু ১৯৮২ সালে প্রকাশিত Dhaka University'র Institute of Business Administration প্রকাশিত Social Development in Tribal Society নামক প্রতিবেদনে বলা হয়
"A similar confusion arises with regard to the figure on POPULATION DENSITY. A COMPARISON of the National average population density of 619 persons per sq km with 44 persons per sq km in CHT(Chittagong hill tracts) DOES NOT reveal the actual situation
In CHT the vast hilly regions are eitherly unhabited or sparsely habited while there is a concentration of population in the valleys which are over crowded. IN TERMS OF CULTIVABLE LANDS in CHT comes to 669persons per sq km . if the FERTILITY difference is taken into account the overcrowding on the available cultivable land in CHT is OF A WORSE MAGNITUDES than in the rest of the country" page 17
১৯৭৯ সালে সরকার ৮০,০০০ বাঙ্গালি পরিবার পার্বত্য চট্টগ্রামে নেয়।প্রতি পরিবার পিছু মানুস ৫ জন হলে দাঁড়ায় ৪লাখ ।প্রত্তেক পরিবারকে নিম্নোক্ত হাারে জমি দ্দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়
১।২.৫একর সমতল ক্রিষি জমি
২। ৪ একর ক্রিশি জমি
৩।৫ একর পাহারি জমি / grove land
সুতরাং জমি প্রয়োজন
২.৫একর সমতল ক্রিষি জমিX৮০০০০=২০০,০০০ একর
৪ একর ক্রিশি জমিX৮০০০০=৩,২০,০০০একর
৫ একর পাহারি জমি / grove land=৪,০০,০০০একর
কাজেই প্রশ্ন আশে ,কাপ্তাই বাধের পর এর কারনে ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ক্রিশিজমি েদয়া সমভব হয়নি। ফলে প্রায় ৪০,০০০ আদিবাসি ভারতে চলে জায়। এখন ৪ লাখ বাঙ্গালি পুনর্বাসনের জন্য এত জমি সরকার পেল কোথায়?? তাই জরিপ করা হল খাস জমি/উদ্বৃত্ত জমি আছে কিনা। কিছুক্ষেত্রে পাওয়া গেল। কিন্তু সেসব তো আদিবাসিদের দখলে; তাদের ক্রিশি জমি,ফলের বাগান, বাশ ঝার ইত্যাদি।
এখন সরকার সেসব জমি বাঙ্গালিদের নামে দিয়ে দেয়। কিছু সরকারি করমচারি আদিবাসিদের নামে বন্দবস্ত ক্রিত জমিও খাস জমি দেখিয়ে সুপারিশ করে বাঙ্গালিদের নামে বন্দবস্ত করে দেয়। এখন শরনারথি বাঙ্গালিরা জমি দখল করতে গেলে দেখা দেয় বিপত্তি। আদিবাসিদের কাছ থেকে তারা বাধা পায়। আইন শ্রিংখলা বাহিনির সহজগিতায় বাঙ্গালিরা আদিবাসি গ্রামে হামলা চালাতে থাকে আর আদিবাসিরা বনে ংঙ্গলে/ভারতে পালিয়ে জায়।।এভাবে আদিবাসিরা তাদের পূরব পুরুশের ভিটেমাটি থেকে উ্চছেদ হলে বাঙ্গালিরা আদিবাসিদের জমি জমা দখল করে নিত থাকে / যেখানে উ্চছেদ হয়নি েকখানে তাদের জোর করে টিপ্সই নিয়ে পরে দলিল বানিয়ে জমি নিজেদের নামে রেকরড করে নিতে থাকে
৩৭|
২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৯
মেটালিফেরাস বলেছেন: হলে প্রবলেম কি? প্রতিটি জাতিসত্তা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চাইতে পারে।
৩৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৭
সৌম্য বলেছেন: মৃদু ভাষী ভাই। আপনার কাছে আমাকে বেঈমান বলার ব্যাখ্যা দাবী করবো।
৩৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
আশিক হাসান বলেছেন: পোস্টে প্লাস । বাস্তবতাকে তুলে ধরার জন্য লেখককে ধন্যবাদ ।
৪০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
আশিক হাসান বলেছেন: দুঃখিত আগের মন্তব্যটি মুছে দিবেন আশা করি ।এই লিন্কে আশা করি বিষয়টি পাবেন।
Click This Link
৪১|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫০
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: আমার নিক 'তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী' এর বদলে 'ফকির কোডার' দিতে চাই। ধন্যবাদ।
৪২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
তীরান্দাজ বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তির প্রয়োজন। ব্লগার ভাইয়েরা যার যার পরামর্শ দিন (একটি মতামত জরিপ)
Click This Link
৪৩|
১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৩
আমাজোন বলেছেন: কানা বাবারে পেইড করে কেডায়?
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
কানা-বাবা বলেছেন: পেইড ব্লগার। মাইনাস। পার্বত্য এলাকার মানুষরা নিজেরাইতো স্বধীনতা চায় নি। ওরা চেয়েছে কিছু সুবিধা যা কিনা এফারমেটিভ একশন বলেই পরিচিত।