| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে বর্তমানে শক্তিশালী কোন বিরোধীদল নেই। ১৮ দলীয় জোটে যে ১৮টি দল আছে তারমধ্যে বিএনপি জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলো সিল প্যাড মার্কা, সাইন বোর্ড মার্কা বলতে পারলাম না, কারণ জামায়াতে ইসলামীর অনেক দলীয় কার্যালয়ে সাইন বোর্ড নেই। অফিসের অস্তিত্ব নেই। অন্য দলগুলোর অবস্থা এ থেকেই অনুমান করা যায়। বিএনপি'র জনসমর্থন থাকলেও এটি একটি সুবিধাভোগী মৌমাছিদের দল, ক্ষমতা থাকলে দলীয় কর্মী,ক্যাডার, মাস্তানের অভাব হয় না। ক্ষমতার বাইরে গেলে ঘরে সন্ধ্যা বাতি দেয়ার লোকও খুঁজে পাওয়া যায় না। ঢাকা মহানগরীসহ কোথাও সংগঠিত কমিটি নেই। জামায়াতের সমস্যা দলটি নিজেই। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে যারা পরাজিত হযেছেন দলটির সকল উল্রেখযোগ্য দল পদবি তারাই দল করে আছে এবং ছিল, এইসব নেতারা অনেকেই শতাধিক কমিটি, উপকমিটি ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তরুণদের ঠাই নেই। শীর্ষনেতারা জেলে থাকলেও স্ব স্ব পদে বহাল আছেন। তাদের দায় টানতে গিয়ে তরুণরা প্রাণ দিচ্ছে, শহীদ হচ্ছে। জনগণ ১৯৭১ ভূমিকার কথা স্মরণ করে তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারছে না। এমন কি জোটের এই চরম সংকটকালেও ছাত্রদল শিবির ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে রাজি হচ্ছে না। ছাত্রদলের সাফ কথা রাজাকাদের সাথে তারা একসাথে আন্দোলন করবে না। মহানগরী,জেলা,উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও গ্রামগুলোতে ১৮ দলের লিয়াজো কমিটি নেই। অনেকে মনে করেন, সরকারী দল তাদেরকে এক হতে দিচ্ছে না। যে কারণেই হোক বেগম খাএলদা জিয়ার সাথে বসে ঢাকার গুলশান অফিসে বৈঠক করা ছাড়া, আর কোথাও ঐক্যবদ্ধভাবে ১৮ দল মাঠে নেই। মানবতাবিরোধীদের মামলা থেকে বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করতে গিয়ে সামর্থ্যের চেয়েও বেশী লোড নিচ্ছে জামায়াত। এতে দলটির জনবল, অর্থবলই শুধু ক্ষয় হচ্ছে না দীর্ঘ দিনের ইতিবাচক ইমেজও নষ্ট হচ্ছে। শত শত তরুণ কর্মী জীবন হারাচ্ছে, জেল জুলুমের শিকার হচ্ছে। অনেকের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও কর্মজীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। তাই ইলেকশনের আগে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এমনটা মনে হয় না। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী কমিটি না থাকায় বিএনপিকে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিলেও তার পক্ষে গণনা হবে কিনা সন্দেহ আছে। মনে রাখতে হবে শুধু জন সমর্থন থাকলেই নির্বাচনে জিতা যায় না, এর সাথে অনেক প্রশ্ন জড়িত:১, শক্তিশালী সংগঠন, নিরপেক্ষ প্রশাসন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, প্রতিটি কেন্দ্রে নিরপেক্ষ প্রিজাইডিং_ পোলিং অফিসার ও এজেন্ট, পুলিশ, আর্মি এবং মিডিয়ার নিরপেক্ষ ভূমিকা। উল্লেখিত বিষয় নিশ্চিত করতে যতটা শক্তিশালী সাহসী নেতৃত্ব এবং ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রয়োজন তার কোনটাই ১৮ দলীয় জোটে এখন দেখা যাচ্ছে না।
তাই তারা নিদর্লীয় সরকারের জন্য আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি উল্লেখিত দুর্বলতা কাটাতে ব্যর্থ হলে, তাদের সাধের ক্ষমতা অধরাই থেকে যাবে।
২|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:০৩
কাকচক্ষু বলেছেন: ঠিক কথা এখন থেকে শুধু আওয়ামী লীগই জিতবো ।
৩|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:০৩
ভুক্তভোগী বলেছেন: নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আপনার জন্য বিপুল বিষ্ময় অপেক্ষা করছে ।
৪|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:০৯
দূর্গমগিরি বলেছেন: স্বপ্নের গরু , আকাশে উড়ে।
৫|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:১৪
আস্তবাবা বলেছেন: । ছাত্রদলের সাফ কথা রাজাকাদের সাথে তারা একসাথে আন্দোলন করবে না
একমত
৬|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:১৫
আস্তবাবা বলেছেন: ার যেহেতু আওয়ামীলিগের জোয়ার বইছে, এবং দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, তাই দ্রুত তত্ত্ববপধায়কের মাধ্যমে নির্বাচন দিয়ে সাহসের প্রমাণ সরকারের দেখানো উচিত।
জননেত্রী ভিতু নন কাপুরুষ নন। উনি সাহসী, এইবার প্রমান দেখাবেন আশা করি আরেকবার তত্ত্ববধায়ক দিয়ে
৭|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:১৭
বাংলার হাসান বলেছেন: আপনি যে পয়েন্ট গুলো তুলে ধরেছেন তা যুক্তিযুক্ত। আচ্ছা ভাই যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায় তাহলে আমার আপনার মত ম্যাংগো পিপলের উপকার কতটুকু? বিএনপি, আওয়ামী লীগ দুই আমলেই বাঁশ খাওয়ার অভিজ্ঞতা এখনো তরতাজা।
৮|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:৩০
রাতুল রেজা বলেছেন: নির পেক্ষ নির্বাচন বলতে এই দুনিয়ায় কিছু নেই। ভোটের ফলাফল আগেই ঠিক হয়ে থাকে। ভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা।
৯|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:৩১
আিম এক যাযাবর বলেছেন: আস্তবাবা বলেছেন:আর যেহেতু আওয়ামীলিগের জোয়ার বইছে, এবং দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, তাই দ্রুত তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে নির্বাচন দিয়ে সাহসের প্রমাণ সরকারের দেখানো উচিত।
তত্ত্বাবধায়ক দিলেই তো ঝামেলা শেষ, শুধু শুধু দেশটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার।
১০|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:৩৫
ইকবাল পারভেজ বলেছেন: যত তারাতারি সম্ভব "নির্দলীয় সরকারের" অধীনে নির্বাচন দিয়ে আম্লীগের আবারো ক্ষমতায় আসা দরকার|
ভাইজান, ঢাকা শহরের মেয়র ইলকশনটা............ ![]()
১১|
১৪ ই মে, ২০১৩ রাত ১:৩৯
সুইট টর্চার বলেছেন: সহমত! বর্তমান বি এন পি আসলে কতগুলো নপূংশকের মিলন মেলা
আমি জিয়ার সৈনিক সুতরাং এই বি এন পি কে দেখে লজ্জায় মরে যাই
১২|
১৪ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৭
এইচ আর ফ্রেন্ড বলেছেন: যতই কর বাহানা কাজ হবে না
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:০১
কয়েস সামী বলেছেন: এটাই। তত্বাবধায়ক সরকারকে আওয়ামীলীগের ভয় করা তাই মোটেও উচিত না।