| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধর্মনিরপেক্ষ
সংস্কৃতি মানেই
অপসংস্কৃতি
বর্তমান বিশ্বে যারাই
ধর্মনিরপেক্ষতাব
াদে বিশ্বাসী তারাই কোন
না কোন ধর্মের অনুসারী।
তাই
মুসলমানরা তো দূরে কথা অন্য
কোনো ধর্মের অনুসারীও
ধর্মনিরপেক্ষ
হতে পারবে না।
নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ
বলে দাবি করার অর্থ নিজের
সাথেই নিজেই
প্রতারণা করার শামিল।
আমার এ দাবির
স্বপক্ষে বাস্তব
কয়েকটি বিষয়ের
প্রতি লক্ষ্য করুন:
১) একজন হিন্দু
ধর্মাবলম্বী যখন
ধুতি পরতো, গলায়
রুদ্রাক্ষের মালা,
গায়ে নামাবলি ও
পৈতা জড়িয়ে, মাথায় টিকি,
সিঁথিতে সিঁদুর ও
হাতে শাখা পরেন, বার
মাসে তের
পূজা এবং তেত্রিশ
কোটি দেবতায় বিশ্বাস
করে প্রত্যেহ
মন্দিরে গিয়ে দেবতার
পদপাদ্যে অর্ঘ-নৈবদ্য
নিবেদন করেন, তখন
তিনি কি তার
পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ
হওয়া সম্ভব?
তিনি তো ধর্মের পক্ষেই
চলে গেলেন।
খ) একজন মুসলিম পুরুষ
যখন মাথায় টুপি,
মুখে দাড়ি এবং লম্বা জামা পরেন,
নামায-রোযা, হজ্জ ও
উমরাহ পালন করেন, মুসলিম
নারী যখন শালীন পোশাক
তথা হিজাব পরেন, আল্লাহ,
রাসূল, কুরআন-হাদীস,
পরকাল, জান্নাত-জাহান্ন
ামে বিশ্বাস করেন, তিনিও
তো ধর্মের পক্ষেই
অবস্থান নিলেন।
গ) একজন শিখ যখন গুরু
নানকের
অনুসারী হয়ে দাড়ি না কেটে মাথায়
পাগড়ি পরেন
এবং হাতে বালা ও কৃপাণ
ধারণ করেন, গুরুদায়ারায়
গিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ
দেন তখন তো তিনি ধর্মের
পক্ষেই থাকলেন।
ঘ) একজন বৌদ্ধ যখন
গৌতম বুদ্ধের
‘অহিংসা পরধর্ম’ ও জীব
হত্যা মহাপাপ
নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে গেরুয়া বসন
পরিধান করে আত্মার
মহানির্বাণ লাভের
জন্যে কৃচ্ছ্রতা সাধন করেন,
বোধিবৃক্ষকে পবিত্র
জ্ঞান করে প্যাগোডায় যান
তিনিও তো ধর্মের পক্ষই
অবলম্বন করলেন।
ঙ) একজন খ্রিষ্টান যখন
যিশুখ্রিষ্টকে তাদের
ত্রাণকর্তা প্রভু
বলে বিশ্বাস করেন, গলায়
ক্রুশ ঝুলান, ত্রিত্ববাদ ও
বাইবেলে বিশ্বাস করেন,
মুখে যিশুর নাম উচ্চারণ
করে প্রতি রোববার
গির্জায় প্রার্থনা করেন,
আমেরিকার নির্বাচিত
প্রেসিডেন্ট যখন বাইবেল
স্পর্শ করে প্রেসিডেন্টের
শপথ নেন এবং তাদের
প্রতিটি ডলারে যখন ছাপার
অক্ষরে লেখা থাকে IN GOD
WE TRUST তখন তারাও
তো আর ধর্মনিরপেক্ষ
থাকলেন না, ধর্মের পক্ষেই
এলেন। (ধর্মনিরপেক্ষতা
বাদ
সম্পর্কে মাওলানা সাঈদীর
একটি লেখা থেকে এ
৫টি পয়েন্ট নেয়া হয়েছে।)
এটাই যখন প্রকৃত
বাস্তবতা, তখন কতিপয়
নাস্তিক ছাড়া আর
ধর্মনিরপেক্ষ রইলো কারা?
প্রকৃত বিষয়
হচ্ছে ধর্মে বিশ্বাসী কোনো মানুষই
ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারে না।
ধর্ম ও সংস্কৃতি সমাজের
দুটি প্রধান স্তম্ভ। মানুষের
কাছে ধর্ম সব সময়ই
পবিত্র মর্যাদাপূর্ণ
হিসেবে বিবেচিত।
©somewhere in net ltd.