নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এইচ. আর. হাবিব

জীবনের পথে আমি, বকুলের মতো যদি ঝরে যায়। রঙিন আলোর মাঝে, নিজেকে হঠাৎ যদি কখনো হারায়। সেদিনও খোদা তুমি, তোমার দিনের পথে ফিরায়ো আমার।

এইচ. আর. হাবিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন সোনালী মাটির মানুষ।

২৬ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:৩২

খাব্বাব (রাঃ) এর আকাংখা

একদম প্রাথমিক

পর্যায়ে যারা ইসলাম গ্রহণ

করেছেন, খাব্বাব (রাঃ) তাঁদের

মধ্যে একজন। বোধ হয়

ইসলাম গ্রহণের

ক্ষেত্রে পাঁচ ছয় জনের পরই

তাঁর স্থান হবে। তিনি এক

জন মহিলার ক্রীতদাস

ছিলেন। মহিলাটি ছিল

নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত

প্রতিমূর্তি। যখন

সে জানতে পারল খাব্বাব (রাঃ)

ইসলাম গ্রহন করেছেন, তখন

তাঁর উপর নির্মম অত্যাচার

শুরু হলো। অধিকাংশ সময়

তাঁকে নগ্নদেহে তপ্ত বালুর

উপর শুইয়ে রাখা হতো। যার

ফলে তাঁর কোমরের গোশত

গলে পড়ে গিয়েছিল। ঐ

নিষ্ঠুর

রমণী মাঝে মাঝে লোহা গরম

করে তাঁর মাথায় দাগ দিত।

অনেকদিন পর হযরত

উমারের রাজত্বকালে হযরত

উমার (রাঃ) একদিন তাঁর উপর

নির্যাতনের বিস্তৃত বিবরণ

জানতে চাইলেন। খাব্বাব (রাঃ)

তখন বললেন, “আমার

কোমর দেখুন।” হযরত উমার (রাঃ)

কোমর

দেখে আঁৎকে উঠে বললেন,

“এমন কোমর তো কোথাও

দেখিনি?” উত্তরে খাব্বাব (রাঃ)

খলীফাকে জানালেন,

“আমাকে জ্বলন্ত

অঙ্গারের উপর

শুইয়ে চেপে ধরে রাখা হতো,

ফলে আমার চর্বি ও

রক্তে আগুন নিভে যেত।”

এই নির্মম শাস্তি ভোগ

করা সত্ত্বেও ইসলামের

যখন শক্তি বৃদ্ধি হল

এবং মুসলমানদের বিজয়

সূচিত হলো, তখন খাব্বাব (রাঃ)

রোদন করে বলতেন,

“খোদা না করুন আমার

কষ্টের পুরষ্কার দুনিয়াতেই

যেন লাভ না হয়।”

মাত্র ৩৬ বছর

বয়সে হযঅরত খাব্বাবের (রাঃ)

মৃত্যু হয় এবং সাহাবাদের

মধ্যে সর্ব প্রথম তিনিই

কুবায় কবরস্থ হন। তাঁর

মৃত্যুর পর হযরত আলী (রা)

একদিন তাঁর কবরের পাশ

দিয়ে যাবার সময় বলেছিলেন,

“আল্লাহ খাব্বাব (রাঃ) উপর

রহম করুন। তিনি নিজের

খুশীতেই মুসলিম হয়েছিল।

নিজ খুশীতেই হিজরত

করেছিলেন। তিনি সমস্ত

জীবন

জিহাদে কাটিয়ে দিয়েছিলেন

এবং অশেষ নির্যাতন ভোগ

করেছিলেন।”

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৫:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তাঁর নাম খাব্বাব রাঃ। ভুলক্রমে খাব্বার লেখা হয়েছে।ওটা ঠিক করার অনুরোধ করা হলো।
ইসলাম ধর্ম মতে মানুষের মধ্যে নবীগন শ্রেষ্ঠ।তার পরের স্তরেই রয়েছেন সাহাবী আজমাইন গণ।হোন না ক্রীতদাস ধর্ম মানলে তাদের সম্মান করতে হবে সবচেয়ে বেশি কোন পীর আউলিয়া সম্মানের দিক থেকে তাদের সমান হতে পারবেন না।

২| ২৬ শে মে, ২০১৪ রাত ৮:৩৫

এইচ. আর. হাবিব বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, ভূল ধরিয়ে দেয়ার জন্য। আমি সংশোধন করছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.