নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এইচ. আর. হাবিব

জীবনের পথে আমি, বকুলের মতো যদি ঝরে যায়। রঙিন আলোর মাঝে, নিজেকে হঠাৎ যদি কখনো হারায়। সেদিনও খোদা তুমি, তোমার দিনের পথে ফিরায়ো আমার।

এইচ. আর. হাবিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

শবে মেরাজ : এক বিস্ময়কর ঘটনা

২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:২৪

হযরত শাদ্দাদ ইবনে আওস

(রা.) হতে বর্ণিত প্রিয়

নবী হযরত মুহম্মদ

সাল্লাল্লাগহু

আলাইহি ওয়াসাল্লাম

ইরশাদ করেছেন, বাইতুল

মোক্বাদ্দিস

যাত্রাকালে বোরাক

থেকে নেমে দুরাকাত নামাজ

আদায় করতে অনুরোধ

করলে আমি দুরাকাত নফল

নামাজ আদায় করি। অতঃপর

তিনি আমাকে বললেন,

আপনি ইয়াসরিব

তথা মদিনা মুনাওয়ারায়

নামাজ আদায় করেছেন,

যেখানে হিজরত

করে আপনি আশ্রয় গ্রহণ

করবেন। মদিনা হতে আবার

যাত্রা আরম্ভ করলেন।

কিছুদূর অতিক্রম করার পর

হযরত জিব্রাঈল (আ.) প্রিয়

নবী হযরত মুহম্মদ

সাল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বোরাক

থেকে অবতরণ করে নামাজ

আদায় করতে আরজ

করলে তিনি নামাজ আদায়

করেন। হযরত জিব্রাঈল

(আ.) বললেন, এটা সিনাই

পাহাড়, এখানে যে গাছ

দেখছেন তার নিকট হযরত

মূসা (আ.) আল্লাহর

সাথে কথা বলতেন। আবার

ভ্রমণ শুরু হলো। কিছুদূর

পর জিব্রাঈল (আ.) বললেন,

বোরাক থেকে নেমে সালাত

আদায় করুন। নবীজি তাই

করলেন।

জিব্রাঈল (আ.) বললেন,

আপনি হযরত শুয়ায়ব (আ.)

এর আবাস মাঠে সালাত

আদায় করলেন। আবার

যাত্রা শুরু করে কিছুদূর

যাওয়ার পর জিব্রাঈল

(আর.) মাটিতে নেমে নামাজ

পড়তে বললেন তিনি নামাজ

আদায় করেন। অতঃপর

জিব্রাইল (আ.) বললেন, এই

জায়গার নাম বাইতুলাহম

(বেথেলহাম), হযরত

ঈসা (আ.) এখানেই

জন্মগ্রহণ করেন। এই

সফরে প্রিয় নবী হযরত

মুহম্মদ সাল্লাল্লাহ

আলাইহি ওয়াসাল্লাম

বাইতুল মোকাদ্দিস

পৌঁছে মহাকাশ

যাত্রা আরম্ভ করেন।

যাত্রাকালে ইহকাল, পরকাল,

বেহেস্ত ও দোজখের বহু

বিস্ময়কর ঘটনা প্রত্যক্ষ

করেন। শবহে মাওয়াহিব

গ্রন্থে বর্ণনা আছে যে,

সিদরাতুল মুনতাহায় গমন

এবং জান্নাত ও জাহান্নাম

পরিদর্শন করার পর

তিনি যাত্রা বিরতি করেন

সেখানে লেখার শব্দ

শোনা যাচ্ছিল। এই জায়গার

নাম 'সরীফুল আকলাম'।

ভাগ্য

লিপিবদ্ধকারী ফেরেস্তাগণ

এই স্থানে লিখার

কাজে নিয়োজিত আছেন

এবং এখানেই লওহে মাহফুজ

হতে প্রাপ্ত আল্লাহর

আদেশ নিষেধ

তারা লিপিবদ্ধ করেন।

প্রিয়নবী আক্কায়ে মাওলা তাজেদারে মদিনা হযরত

মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ

আলাইহি ওয়াসাল্লাম

শরীফুল আকলাম

হতে আরো উপরে অগ্রসর

হয়ে এক নুরানী পর্দার নিকট

গিয়ে পৌঁছেন। তখন এক

ফেরেস্তা পর্দার অন্তরাল

হতে বের

হয়ে আসলে জিব্রাইল (আ.)

বললেন, আমার সৃষ্টির পর

এই

ফেরেস্তাকে আমি কখনও

দেখিনি।

অথচ সৃষ্টির মধ্যে মর্যাদার

দিক হতে আমি আল্লাহর

নৈকট্য লাভে ধন্য। অতঃপর

জিব্রাইল (আ.)

থেমে গেলেন। প্রিয়

নবী হযরত মুহাম্মদ

সাল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়াসাল্লাম

বললেন, হে জিব্রাইল! এমন

স্থানে এসে কোন বন্ধু

কি বন্ধুকে পরিত্যাগ করে?

জিব্রাঈল (আ.) বললেন,

যদি আমি আর একটু

অগ্রসর হই তবে আমার

ডানাগুলি জ্বলে ছাই

হয়ে যাবে। শিফাউস সুদূর

গ্রন্থে বর্ণনা আছে,

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ

সাল্লাল্লাহু

আলাইগি ওয়াসালাম

বলেছেন, পর্দা উঠে যাওয়ার

পর সবুজ রং-এর

একটি রফরফ নামক

আসনে উঠিয়ে আরও

উপরে আল্লাহর

আরশে তাঁকে নিয়ে যায়।

অতঃপর রাসুল সাল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আল্লাহর দর্শন লাভ

করেন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৫

পাউডার বলেছেন:
'প্রিয়নবী' মানে কি? অন্য নবীরা অপ্রিয় নাকি কম প্রিয়?

২| ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:৫৩

এইচ. আর. হাবিব বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য। এখানে "প্রিয়নবী" দ্বারা হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) বোঝানো হয়েছে। আর মুসলমানদের নিকট কোন নবীই অপ্রিয় নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.