| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পবিত্র
কোরআনে নিকটবর্তী হলেন,
অতি নিকটবর্তী।
ফলে তাঁদের মধ্যে দুই
ধনুকের অথবা তার চেয়ে কম
ব্যবধান থাকলো। তখন
আল্লাহ তার বান্দার
প্রতি যা অহি করার
তা করলেন" (৫৩:৮,৯,১০)।
হযরত আনাস (রা.)
হতে বর্ণিত প্রিয়
নবী হযরত মুহম্মদ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন, "মেরাজের
রাতে আমি এক বিশাল
জ্যোতি অর্থাৎ আল্লাহর
নুর প্রত্যক্ষ করেছি।
অতঃপর আল্লাহ পাক
আমার প্রতি অহি অবতীর্ণ
করেন। অর্থাৎ কোন মাধ্যম
ছাড়া আমার
সাথে কথপোকথন করেন।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.)
হতে বর্ণিত হাদিস
দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে,
মহানবী হযরত মুহম্মদ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বাহ্যিক চোখ ও
অন্তর্চোখ
দ্বারা আল্লাহর দর্শন লাভ
করেছেন।
আল্লাহ পাক তাঁর বাহ্যিক
ও অন্তর্চোখের
মধ্যে এমন যোগসূত্র
সৃষ্টি করে দিয়েছেন যে,
তাতে কোন পার্থক্য
বিদ্যমান ছিল না। মেরাজ
শেষে প্রিয় নবী হযরত
মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
পৃথিবীর
উদ্দেশে যাত্রা করে প্রথম
বাইতুল
মোক্কাদ্দিসে অবতরণ
করেন। সেখান
থেকে বোরাকে করে প্রভাতের
পূর্বেই মক্কা মুকার্রমায়
পৌঁছেন। সকালে তিনি এই
বিস্ময়কর ঘটনা কুরাইশদের
নিকট
বর্ণনা করতে চাইলে হযরত
উম্মে হানি (রা.) বললেন, এই
ঘটনা বর্ণনা করলে লোকে আপনাকে মিথ্যাবাদী বলবে এবং বেআদবী করবে।
আল্লাহর হাবীব কোন
বাধা না মেনে মেরাজের
ঘটনা কুরাইশদের নিকট
বর্ণনা করলেন। কেউ
বিস্মিত হলেন। কেউ
নিন্দা করলেন। কয়েকজন
পৌত্তলিক এই
ঘটনা শুনে হযরত আবু বকর
সিদ্দিক (রা.) এর নিকট
গিয়ে বর্ণনা করলেন।
সিদ্দিকে আকবর (রা.)
বললেন,
তিনি যদি বলে থাকেন,
তাহলে এই ঘটনা সত্য
আমি তো এই ঘটনার চেয়েও
কঠিন ও বিস্ময়কর
বিষয়ে তাঁকে সত্য
বলে বিশ্বাস করি। এই
জন্যেই তাঁকে সিদ্দিক
(সত্যবাদী) উপাধিতে ভূষিত
করেছেন প্রিয় নবী হযরত
মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
যারা বাইতুল মুকাদ্দিস
সম্পর্কে অবগত ছিল
তারা নবী করিম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বায়তুল
মোকাদ্দিসের বিভিন্ন
নিদর্শন সম্পর্কে প্রশ্ন
করলে তিনি নিখুঁত
ভাবে প্রশ্নের জবাব দেন।
হযরত আবদুল্লাহ (রা.)
হাতে বর্ণিত হাদিসে আছে,
প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন, মেরাজের
রাতে আল্লাহর
সানি্নধ্যে যাওয়ার পর
আল্লাহ পাক
আমাকে তিনটি বিশেষ
উপহার প্রদান করেছেন ১.
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, ২.
সূরা বাকারার শেষ দুই
আরাফাত, ৩. যে মুসলিম
আল্লাহর সাথে শরীক
করবেনা তার সকল
কবিরা গুনাহ
ক্ষমা করে দেয়া হবে (সহীহ
মুসলিম)
©somewhere in net ltd.