| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভারতের নবনির্বাচিত
প্রধানমন্ত্রীকে
নিয়ে বাংলাদেশ নামক
স্বাধীন ভূখন্ডের
রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গের
এবং মিডিয়ার অতিমাত্রায়
গবেষনা, প্রচারনা,
আষ্ফালন এবং নিষ্ফলন
দেখে একটা কথাই বারবার
মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে,
সেটা হলো ইচ্ছায় হোক,
অনিচ্ছায় হোক,
সজ্ঞানে হোক,
অজ্ঞানে হোক, বাধ্য
হয়ে হোক কিংবা অবাধ্য
হয়েই হোক আমরা ভারতীয়
আধিপত্যকে মেনে নিয়েছি।
ভারতের এক পার্টি ঠিক
করবে আবুলই হবে স্বাধীন
ভূখন্ডের
স্বাধীনচেতা অধিপতি,
আরেকপার্টি ঠিক
করবে বশির মিয়াই স্বাধীন
বাংলাদেশের জন্য এই
হতভাগা জাতির দেখভালের
জন্য পারফেক্ট চয়েজ।
মনের অজান্তেই
সীমান্তে নিহত
হওয়া মানুষদের জন্য
আফসোস হয়। সবকিছু
যেহেতু প্রতিবেশি দাদারাই
ঠিক করে দিচ্ছেন
তাহলে মিছেমিছি কাটাতারের
বেষ্টনিটা রাখার কি দরকার?
এটাকে উঠিয়ে দিলেইতো সীমান্তে হত্যাকান্ডটা বন্ধ
হয়ে যেত।
নিম্নমাধ্যমিক
ক্লাশে সমাজ বইয়ের
ইতিহাস চ্যাপ্টারে যখন
নবাব সিরাজউদ্দৌলার
কাহিনী পড়া হত, তখন
সর্বশেষ লাইনটি থাকত
"এভাবেই স্বাধীন বাংলার
শেষ সূর্যটা অস্তমিত
হলো"। ইস সেই সময়
যদি ফটোগ্রাফির যুগ থাকত
এবং সূর্যের ছবিগুলো কেউ
তুলে রাখত। যত টাকাই
লাগুক সংগ্রহ করার
চেষ্টা করতাম।
একটি পরাধীন তেজদীপ্ত
সূর্যকে কেমন
লাগে সেটা দেখার খুব
ইচ্ছা জাগছে।
এখন কর্পোরেট যুগ।
টিভি বিজ্ঞাপনে চরম
ব্যবসায়ী মনোভাবাপন্ন
কোম্পানিগুলো দেশপ্রেমকে পুঁজি করে কোটি কোটি টাকার
ব্যবসা করে।
বিজ্ঞাপনে দেখায়
বুড়ো বাপ প্রতিদিন
সকালে কষ্ট
করে ছাদে উঠেন জাতীয়
সংগীত শোনার জন্য,
আহা কি চেতনা। আবার সেই
কোম্পানির প্রধান
কর্মকর্তা থাকে ভারতীয়
বংশোদ্ভুত।
সম্মানিত
ফটোগ্রাফার্সগন
আপনারা সূর্যদোয়
এবং সূর্যাস্তের
সময়ে সূর্যের
অবস্থাগুলোকে ক্যামেরার
ফ্রেমে বন্দি করে রাখুন।
নিকটবর্তি ভবিষ্যতে সেই
ছবিগুলো খুব কাজে আসবে।
সিরাজউদ্দৌলার
ইতিহাসে স্বাধীন বাংলার
শেষ সূর্যটা না দেখার
আক্ষেপ আর থাকবেনা।
ইতিহাসের
বইগুলোতে ইতিহাসের
সাথে সাথে স্বাধীন বাংলার
শেষ ভোর এবং সন্ধ্যার
কালজয়ী ছবিগুলোও
শোভা পাবে। আর হ্যা এই
ছবি নিয়ে কোটি কোটি টাকার
বানিজ্য অবশ্যই করব।
কারন চেতনাই বানিজ্য,
বানিজ্যই চেতনা।
----------লিখেছেন জিহাদ
ইবনে ইমদাদ
©somewhere in net ltd.