নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে লেখায় লেখকের আদর্শ বোঝা যায়না তা লেখা নয়, কুষ্ঠ রোগাক্রানত মাংশ পিন্ড--- আল্লামা ইকবাল

মানুশ

মানুশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গোপালগঞ্জে সাপ প্রসব

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৬

গোপালগঞ্জে সাপ প্রসব নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি টক অব গোপালগঞ্জে পরিণত হয়েছে। সাপ দেখতে বিভিন্ন বয়সের উত্সুক মানুষ ওই যুবকের মন্দিরে ভিড় করছেন। সেই সঙ্গে প্রসবকারীকে বিভিন্ন প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছেন। অনেকে আবার সাপকে দিচ্ছেন টাকা ও খাবার।

গোপালগঞ্জ শহর থেকে ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে সদর উপজেলার মানিকহার গ্রামের জানকী নাথ দাসের ছেলে শিশির কান্তি দাস রিপন সোমবার বিকালে গোপালগঞ্জ শহরের স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একটি অজগর প্রসব করে। তারপর সে সাপ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের মানিকহার গ্রামের মন্দিরে শত শত মানুষ এ সাপ দেখতে যাচ্ছেন। তিন মাস ধরে শিশিরের পেটে এ সাপ বেড়ে ওঠে। দৈব কারণে তার পেটে সাপ জন্ম নিয়েছে বলে সে দাবি করেছে। ২ সন্তানের জনক শিশির মানিকহার গ্রামের বুড়ো মা, দুর্গা ও মনসা মন্দিরের সেবক।

সাপ প্রসবকারী শিশির কান্তি দাস রিপন বলে, ৩ মাস আগে আমি স্বপ্নে দেখেছি আমার গর্ভে সন্তান আছে। হঠাত্ ঘুম ভেঙে গেলে আমার স্ত্রীকে বিষয়টি বলি। তখন সে বলে স্বপ্নের বিষয় সত্য নয়। ঘুমানোর পর আবার একটি মেয়ে এসে আমার বুকের দুধ ক্ষেতে চায়। তারপর থেকে আমার বুক মেয়েদের মতো হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বুক থেকে দুধ বের হতে থাকে। তারপর আমার মধ্যে গর্ভবতীর লক্ষণ প্রকাশ পায়। আমি বিষয়টি পার্শ্ববর্তী শশাবাড়িয়া গ্রামের গ্রাম ডাক্তার শিবু সরকারকে জানাই। পেটের মধ্যে ব্যথা করত। ভাত খেতে পারতাম না। টক খেতাম। মঙ্গলবার পেটে প্রচুর ব্যথা হলে শিবু ডাক্তার আমাকে গোপালগঞ্জ শহরের স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে আল্ট্রাসনো করার পর মলদ্বার দিয়ে একটি সাপ প্রসব করি। এ সময় রক্ত, মিউকাস বের হয়।

গ্রাম ডাক্তার শিবু সরকার বলেন, আমি শিশিরকে কখনোই চিকিত্সা করিনি। তবে মাঝেমধ্যে সে আমার কাছে তার পেটে ব্যথার কথা জানিয়েছে। নিজেকে সে গর্ভবতী বলে দাবি করে। কিন্তু গতকাল ক্লিনিকে নিয়ে তার প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে নেগেটিভ পাওয়া যায়। পরে আল্ট্রাসনো করেও প্রেগন্যান্সির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপর মলদ্বার দিয়ে সাপ বের হয়। কিন্তু রক্ত বা মিউকাস বের হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত রহস্যজনক।

দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, সাপটি দেখে সদ্যজাত মনে হয় না। আগেই জন্ম নেয়া সাপ জোগাড় করে শিশির এ ধরনের নাটক সাজিয়ে অলৌকিক বলে চালিয়ে দিয়ে নিজেকে উচ্চ মার্গের সাধক বলে প্রচার করতে চাইছে। যদি এটি অলৌকিক ঘটনা হতো তা হলে সে ক্লিনিকে যেত না।

ক্লিনিকের নার্স কবিতা পান্ডে বলেন, ক্লিনিকে এসে শিশির বাথরুমে ঢোকে। বাথরুমে সে প্রায় আধাঘণ্টা কাটায়। বের হয়ে এসে নিজেকে গর্ভবর্তী দাবি করে ব্যথায় ছটফট করছে বলে জানায়। প্রেগন্যান্সি টেস্ট ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে তার পেটে কিছু পাওয়া যায়নি। তবে সে ব্যথায় দাপাদাপি করে। এক পর্যায়ে তার মলদ্বার দিয়ে সাপ বের হয়। পরে সে সাপ নিয়ে দ্রুত বাড়ি চলে যায়।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৬

বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
চিনি বড়ই রহস্যময়

এখন দেহি সাপ বড়ই রহস্যময় :#) :#)

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

মিলন হোসেন১৫৮ বলেছেন: vai poran khobur

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১২

সাউন্ডবক্স বলেছেন: হে হে.।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৬

মানুশ বলেছেন: এ বার মাইক মারা শুরু করেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.