| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে মির্জা ফখরুল বলেন, গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও গুম করে আন্দোলন দমানো যাবে না। অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু হয়েছে এবং তা চলবে।
ফখরুলের মুক্তির খবর পেয়ে কারাগারের ফটকের সামনে শত শত নেতা-কর্মী ভিড় জমান। মির্জা ফখরুলের ঘনিষ্ঠ ছাত্রদলের নেতা কামাল আনোয়ার হোসেন বলেন, কাশিমপুর কারাগারে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মির্জা ফখরুলকে স্বাগত জানান।
কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-২-এর জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর কবির প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মির্জা ফখরুল কারাগারে ডিভিশনপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। আদালতের জামিননামা বিকেল চারটা ৩৫ মিনিটে কারাগারে পৌঁছায়। পরে চারটা ৫৫ মিনিটে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলীয় জোটের রাজপথ অবরোধ কর্মসূচির দিন গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৩৭টি মামলা হয়। এসব মামলার মধ্যে গত ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ছয়টিতে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে পল্টন ও শেরেবাংলা নগর থানার দুটি মামলায় ১০ ডিসেম্বর তাঁকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর ফখরুলকে পরদিন মতিঝিল ও সূত্রাপুর থানার দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সূত্রাপুর থানার মামলায় ১৫ জানুয়ারি মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পান তিনি। গতকাল সোমবার রাজধানীর কলাবাগান থানায় করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছয় মাসের জামিন পান। এরপর আজ তাঁকে মুক্তি দেওয়া হলো।
©somewhere in net ltd.