| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাস্ত্রে বলা আছে , অগ্রে কর গুরপুজা শেষে পুজ মোরে তথা আগে গুরুপুজা করে পরে ভগবানের পুজা করার কথা বলা হয়েছে । তাই, যার গুরুই নেই , তার আবার কিসের পুজা ! অতএব ধ্যান, সাধনা , পুজা, অর্চনার জন্য প্রথম আবশ্যক হল গুরু ।
" সদ্গুরুকেই ভজন করে আমি মহারতন পেয়েছি । " - গুরু নানক
" গুরুকৃপায় আমি ঈশ্বরকে নিজের অন্তরে দেখতে পেয়েছি । " গুরু নানক
গুরু (সংস্কৃত: गुरु) হলেন আধ্যাত্মিক জগতের পথ প্রদর্শক। তিনি অধ্যাত্মজ্ঞান প্রদান করেন। পিতামাতা, বিদ্যালয় শিক্ষক, জড়পদার্থ (যেমন বই) বা নিজের বৌদ্ধিক সত্ত্বাকেও গুরু নামে অভিহিত করার প্রথা রয়েছে।
হিন্দুধর্ম সহ ভারতীয় ধর্মসমূহে এবং নব্য ধর্মীয় আন্দোলনগুলিতে গুরু বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। এই সকল ধর্মে আত্মজ্ঞান লাভের জন্য গুরুর সাহচর্য অপরিহার্য বলে মনে করা হয়।
শিখধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক বলেছিলেন, "এক হাজার চন্দ্রসূর্যও হৃদয়ের অন্ধকার দূরীভূত করতে পারে না; কেবলমাত্র গুরুর কৃপাতেই এই অন্ধকার দূর করা সম্ভব।
আধুনিক ভারতে "গুরু" কথাটি "শিক্ষক" অর্থে বহুল ব্যবহৃত। পাশ্চাত্য জগতে অবশ্য যাঁর কিছু অনুগামী রয়েছে, তাঁকেই গুরু বলা হয়; তার জন্য তাঁকে ধর্মীয় বা দার্শনিক মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা হতে হয় না ।
পরম ঈশ্বর নিরাকার হওয়ার একটাই যুক্তিগত কারণ আমি পাই,
তা হল কালে কালে বিভিন্ন মহামানবের বেশে গুরুরুপে প্রকাশ পায় তিনি,
অতএব ওই সর্বসিদ্ধ গুরুর রুপই হল তাঁর প্রকৃত রুপ ।
- আহমেদিয়া গুরুবাদ দর্শন ।
©somewhere in net ltd.