| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হালাল এবং হারাম কখনোই কোন বস্তুর মধ্যে হতে পারে না । বস্তুর কার্যাবলী এবং গুণ- দোষের কারণে কোন জিনিসকে হালাল বা হারাম বলে চিহ্নিত করা হয় । তদ্রুপ, সঙ্গীত, কীর্তন , সামা , ভজন , আরতি , হামদ , নাত যা কি না ভালো উদ্দেশ্যে করা হয় , উহা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য । তাই, বাদ্যযন্ত্র সহকারে সৃষ্টিকর্তার উপাসনা করার কথা পবিত্র যাবুরে বলা আছে । এ ছাড়াও সনাতন , বৈষ্ণব , লালন ,বাউল , শিখ , সুফি ইত্যাদিদের মধ্যে ইহা একটি উপাসনার বা ধ্যানের পরম পন্থা ।
নিজের মন আর দেহকে তালের সাথে মিলিয়ে যখন একজন ভক্ত গুরুর শরণাপন্ন হয় তখন
ইহজগতের বন্ধন থেকে সে ক্ষণিকের জন্য মুক্তি পায় । বহু মোরাকাবাও রয়েছে সঙ্গিতের মধ্যে এবং অতি সহজেই এর ধারা মনকে শিথিল করা যায় । ঈশ্বরের দিকে একাগ্রতা , মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি , শারীরিক ব্যায়াম , লতিফা বা চক্র জাগ্রিতকরণ ছাড়াও আরও অনেক উপকার ইহার মধ্যে নিহিত রয়েছে ।
তাই, অন্তত পবিত্র গীতা এবং পবিত্র কুরানের আদেশ অনুযায়ী সকাল-সন্ধ্যা প্রভুর গুণ-কীর্তনে আমাদের মগ্ন হওয়া উচিত । এ ছাড়াও, গুরুপুজার মধ্যে বাদ্যযন্ত্র সহকারে সঙ্গীত করা উত্তম ।
©somewhere in net ltd.