নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আইন নয়,নিয়ম ভেঙ্গে দিতে চাই

ইফতি বাবলু

ইফতি বাবলু খুব ইমপোরটেন্ট কেউ না।

ইফতি বাবলু › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের দেশের রাজনীতি নিয়ে কিছু কথা.......

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪৬

প্রথমে আমদের রাজনীতিবিদদের নিয়ে দু-একটি কথা বলতে চাই । পৃথিবীর নিকৃষ্ট্তম রাজনীতিবিদদের বসবাস আমাদের দেশে । আমি জানি হাতের পাচঁ আঙ্গুল সমান নাহ, সবাই হয়ত নিকৃষ্ট না তবে বেশির ভাগই নিকৃষ্ট। আর এই দু-একজনকে উদাহরণ হিসেবে নেয়া যায় না। কারন যেখানে শতকরা ৯৮ জন খারাপ সেখানে ২ জনকে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে চোখ বন্ধ করে থাকলে দেশ আমেরিকা বা ইউরোপ হবে নাহ।আমার মনে হয় এই রাজনিতিবিদদের সামনে টাকা দিয়ে যদি বলা হয় এই দেশকে নরকে পরিনত করতে,তাহলে তারা তিন হাত লম্বা জিব্হা বের করবে টাকাটা নিবে এবং দেশকে নরক বানাবে।রাজনিতিবিদদের পরির্বতন না হলে এই দেশের উন্নতির আশা করা দূঃসাহসী।



হরতাল জিনিসটা আমদের জন্য অভিশাপের নাম। দেশটা যখন একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছিল, বিভিন্ন দেশের জার্নালে এই সুখবরগুলো বলছিলো যে বাংলাদেশ খুব জলদি দক্ষিন এশিয়ার ২য় অর্থনীতি শক্তিশালি দেশে পরিনত হবে,টিক সেই সময় থেকেই লাগাতার হরতাল দিচ্ছে বিরুধীদল গুলো। এটা শুধু এই বিরুধীদল নয়, বর্তমান সরকারি দলও বিরুধীদল যকন ছিল তখন তারাও দিছিলো।হরতাল যেন আমদের সংস্কিতিতে ডুকে গেসে। কয় দিন পর গুগল এ সারচ হরতাল লিখে সারচ দিলে প্রতিশব্দ হিসেবে আসবে বাংলাদেশের নাম।হরতাল পালনের পদ্ধতিটাও পরিবর্তন হচ্ছে চোখে লাগার মতো।আগে হরতাল ঘোষনা দিলে বলে দিতো,কি কি হরতালের আওতা মুক্ত(এম্বুলেন্স,ফার্মেসী,রেষ্টুরেন্ট হাস্পাতাল ইত্যাদি)। আর এখন বলাতো দুরের কথা যা সামনে পায় তাই ভাঙ্গে/জ্বালিয়ে দেয়। তাও হরতালের দিন না,তার আগের দিন।আমার মনে হয় হরতালের দিনের থেকে তার আগের দিন বেশি ভাংচুর হয়। হরতাল থেকে এই দেশের মানুষ পরিত্রান চায়। নতুন কোন শান্তিপূর্ন আন্দলোন চায় এদেশের মানুষ। আমাদের মিডিয়া এ ক্ষেএে বিশাল ভুমিকা পালন করতে পারে। মিডিয়া যদি শান্তিপূর্ন কর্মসূচী গুলো ভাল ভাল কাভারেজ দেয় তবে হয়তো রাজনৈতিক দল গুলো আস্তে আস্তে এই ধরনের কর্মসূচী দিতে থাকবে।



সব শেষে কিছু গদামের কথা বলবো। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতার লিপ্সা এতোই যে, এর জন্য তারা যা খুশি তাই করতে পারে। আর এর জন্য তাদের গদাম ও খেতে হইছে বার বার। কিন্তু ক্ষমতার লোভে তারা পুরোপুরি অন্ধ। ক্ষমতার লোভ তাদের অনেক পুরনো। মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু সেই লোভ করেছিলেন বলে গদাম খাইছেন। এর পর জিয়া ভাই এলেন, তাকেও পুরনো রোগে পাইলো আর গদাম খেলেন। তাদের এই ভুলের কারনে উর্দ্দি ওয়ালা এরশাদ চাচার আগমন।আর তিনি পুরো ৯ বছর সব দলকে গদাম দিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর খালেদা ভাবির সেই পাগলা নেশায় পাইলো।জার ফলে মইন-উ-আহমেদ এর আগমন। মইন কাকা চারদলীয় জোটরে এমন গদাম দিলেন যে তারা সেই বিদ্ধস্ততা কাঁটিয়ে উঠতে পারে নাই। এখন সেই পথে যাচ্ছেন হাসিনা আপা। খুব জলদি গদাম খাওয়ার জন্য রেডী তাইকেন আপা।আর এইবার কোন বহিরা শক্তি ক্ষমতা দখল করে তবে আর সেই ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার আশা খলেদা ভাবি,হাসিনা আপা না করাই ভালো।সেই ক্ষমতার আশা তাদের নাতি-নাতনীদের জন্য যেন ছেড়ে দেন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.