| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন কিছু গ্রহন করতে আমদের পেট ব্যাথা করে।এই রোগটা আমদের অনেক পুরোনো।নতুন কিছু দেখলেই যাচাই-বাচাই ছাড়াই নাক-মুখ(পারলে আরও কিছু)কুচকে বলে দিবে এটা খারাপ। এটা ভাল না খারাপ,না দেখেই বলে দিবে খারাপ।এই প্রব্লেম আমাদের অনেক পুরনো। আর এই প্রব্লেম অন্তত আমদের কাটিয়ে উঠার সম্ভাবনা খুব কম। কারন এটা আমাদের রক্তে ডুকে গেছে। দু-একটা উদাহরন দেই-
১)আমাদের গানের সংস্কৃতি অনেক পুরনো। কিন্তু নতুন কোন শিল্পি নতুন কোন দ্বারা নিয়ে আস্ লেই হইছে,পুরনো শিল্পিরা ঝাপিয়ে পরবে তার উপর গেল গেল রব তুলে। হে দু এক জন হইতো গান বিকৃ্ত করে,তাই বলে এক চেটিয়া সবাইকে দোষা-রোপ করা কি টিক?এখন অনেক পুরনো শিল্পিই আছে যারা আগে নতুন মিউজিসিয়ানদের গালা-গালি করছে কিন্তু এখন টিকই তাদের নিয়ে কাজ করতেছে।
২)ড.ইউনুস কে নিয়ে আমদের একধরনের সমস্যা আছে।উনারে আমরা একেবারে মাটির ভিতরে ডুকিয়ে দিতে পারলে যেন গায়ের জ্বালা মিটে। কিন্তু এই মানুষটা আমাদের জন্য যে সম্মান বয়ে নিয়ে আসছে তা আমাদের সবাই মিলে চেষ্টা করলেও ১০০ বছরেও পেতাম কিনা সন্দেহ আছে।এটা টিক উনার ব্যাংকের কিছু কিছু কাজ সটিক না। তাই বলে উনার সব কিছু যে খারাপ তাওতো না। বাংলাদেশ সম্পর্কে পজেটিব ধারনা বিশ্ব-দরবারে এই মানুষটির হাত ধরে। কিন্তু আমাদের এই নতুন পরিচয় ভাল লাগে না, দূর্নীতিতে প্রথম হয়ে বিশ্বের কাছে হাজির হতে আমদের ভাল লাগে।
৩)রাজনীতিতে পরিবির্তন জিনিষটা আমাদের একদম পছন্দ না। সেই পুরনো যুগের মার খাওয়া রাজনীতি নিয়ে পড়ে আছি। রাজনীতিতে সংস্কার শুনলেই আমরা লাফ দিয়ে উটি। কিন্তু আমাদের দেশকে এগিয়ে নেওার জন্য যা খুব জরুরি।চীনের মতো দেশ তাদের আধুনিক যুগের জন্মদাতা মাও-সে-তুং এর সমাজতন্ত্র থেকে সরে এসে সমাজতন্ত্র ও পুজিবাদ মিশিয়ে নতুন ভাবে দেশ গঠন করেছে।হে তারা এখনো বলে যে তারা সমাজতান্ত্রিক দেশ কিন্তু এখনকার চীন আর মাওয়ের চীনের মাঝে অনেক তফাত।
আর আমরা এখনও পুরনোকে আকড়ে ধরে আছি। এই দেশে নতুনদের হাল ধরতে হবে। তরুনরা যতোদিন রাজনীতিতে আসবে না,দেশের চেহারা বদলানো অসম্ভব।
©somewhere in net ltd.