| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইলিয়াছ রাইয়ান
আমি অতি সাধারন নিরীহ প্রকৃতির অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ। অনেক কিছুই করতে ভাল লাগে। আড্ডা দেওয়া গান শুনা বই পড়া এবং সংগ্রহ করা মুভি দেখা ইত্যাদি। সমরেশ,সুনীল,শীর্ষেন্দু,আনিসুল হক,ইমদাদুল হকদের বই বেশী পড়া হয়। ডায়েরী লেখে খুব আনন্দ পাই। ফেলে আসা অতীতের আয়নায় নিজেকে ফিরে পেতে ভালই লাগে। প্রকৃতি আমাকে খুব টানে। দেখতে চাই বাংলার অপরূপ।
নচিকেতার একটা গান আছে “ভিড় করে ইমারত আকাশাটা ঢেকে দিয়ে চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদ”। নির্মল আকাশ কিংবা মধুর জ্যোস্নার প্রতিশোধ ভাব্বার সময় কই?
আজ মানুষগুলো যন্ত্রের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। ভাবাবেগহীন মানুষ পরিনত হচ্ছে এক একটা যন্রে।
ইট-কাঠের এই শহরকে খুব বেশি আপন করে নিয়েছি। আমার মিষ্টি মধুর শৈশব কৈশর কাটানো সেই গ্রামখানিতে আজ আর ধুলোস্নান করা হয়না। খুব অবাক হয়ে দেখতে হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া গ্রামের পটভূমি। ছবির মত গ্রামকে দিন দিন গ্রাস করছে নগরসভ্যতা। আমরা বলি হচ্ছি নগরায়নে।
এখন আর গ্রামে নদীর পানি চিক চিক করে না। পাল তোলা নৌকা ছুটে যায় না গন্তব্যে। অলস কিশোর বসে থাকে নাদীর পাড়ে। নদী খাল বিলগুলো আজ এক একটা চিতা। দাউ দাউ করে জ্ব্লছে অগ্নিশিখা। আমার গ্রামের মাঠগুলো আজ হাহাকার করছে। শুন্যই পড়ে থাকে। এ যুগের ব্যাস্ত শিশুদের খেলার সময় কই? আজ শিশুরা বন্ধ খাচার পাখি। তাদের নেই শৈশব কৈশর দুরন্ত ছেলেবেলা।
আজ গ্রামগুলো পথ পিচ ঢালাইয়ে অনেক বেশী মসৃন। হারিয়ে যাচ্ছে ধুলোমাখা মেঠো পথ। মাটির ঘর, টিনের ঘর আজ খুব একটা চোখে পড়ে না। মিট মিট করে জ্ব্লে না কেরোসিন বাতি। বিজলি আলোয় গ্রামগুলো আলোকিত।
©somewhere in net ltd.