| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্ন দেখি শ্রেনী বৈষম্যবিহীন একটা সমাজের।ভালবাসি জ্যোৎস্নার মায়াবী রুপ অার বৃষ্টির গান।অাবেগের জায়গায় অাছে মা, মাটি ও দেশ।
মায়ের মুখটা বেদনায় নীল বর্ন ধারন করেছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে দুইদিন ধরে।ছেলেটির বাবা মারা গেছে সেই ছোট্টবেলায়।বাবার স্মৃতিগুলো তার কাছে ঝাপসা হয়ে গেছে,বহুকষ্টে স্মৃতি হাতড়ে বাবার কাঁধে চড়ে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া অার কিছুই মনে করতে পারেনা।বাবা মারা যাওয়ার পর মা ছেলেটির বাবার অভাব পূরন করতে দ্বৈত ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে নিজেকে তিলেতিলে শেষ করে দিয়ে ছেলের শূন্যতা পূরন করেছে।
---
সেই মা অাজ অসুস্থ,পাঞ্জা লড়ছে মৃত্যুর সাথে।ডাক্তারের হাতে পায়ে ধরেও চিকিৎসা করতে নারাজ ডাক্তার। ডাক্তারের মন মজলুমের কান্নায় ভিজেনা,তার চাই টাকা।দশ লাখ টাকায় প্রশ্ন কিনে সে ডাক্তার হয়েছে,মানবতার মরা কান্নায় তার পেট ভরবেনা।
---
এই অসহায় পৃথিবীর বুক থেকে মা নিভৃতে চলে যায় ছেলেটিকে একলা করে, মানবতার মুখে শক্ত চপেটাঘাত করে।
---
ছেলেটি চারদিকে তাকিয়ে শূন্যতা দেখে,অসহায়ত্ব ঝেঁকে ধরে চারপাশ থেকে, কষ্টরা তার দিকে তাকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসে।অনেকটা জেদের বশে শপথ নেয় ডাক্তার হবে,নিষ্টুর ডাক্তারের হৃদয়হীন শিকারে পরিনত হতে দিবেনা অার কোন অসহায়কে।
----
নির্মম বাস্তবতার সাথে লড়াই করতে করতে ছেলেটি নিজেকে তৈরি করে মেডিকেলের ভর্তি যুদ্ধের জন্য।কিন্তু হায়, অসহায়ের করুন কান্না এখানেও পরাজিত টাকা নামক রুঢ় বাস্তবতার কাছে।ছেলেটির জানা ছিলনা টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয় ডাক্তারির সনদ।ছেলেটির জানা ছিলনা মেধার মূল্য ডাস্টবিনের অাবর্জনার সমান,টাকাই এখানে সকল সমাধান।
- --
ছেলেটির অার ডাক্তার হওয়া হয়না,হয়না অার্তের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করা।দুঃস্বপ্ন তাড়া করে বেড়ায় সারাক্ষন,চোখের কোনে ভেসে উঠে মায়ের বেদনাক্রান্ত করুন মুখের ছবি।
- --
গল্পটি একটি অসহায় ছেলের লালিত স্বপ্নের করুন মৃত্যুর কথকতা।এমন হাজারো স্বপ্ন বুকে নিয়ে লক্ষ স্বপ্নচারী রাতের ঘুমকে বিদায় জানিয়ে নিজেকে অনবরত তৈরি করেছে মেডিকেলের ভর্তি যুদ্ধের দৌড়ে টিকে থাকার জন্য।কিন্তু প্রশ্ন ফাঁসের নির্মম অভিশাপে তারা ছিটকে গেছে রেস থেকে।প্রশ্ন ফাঁসের সংস্কৃতি তরুন সমাজকে নিরুৎসাহিত করছে মেধা চর্চায়,অবজ্ঞা করতে শিখাচ্ছে মেধাবীদেরকে।বহু কষ্টে লক্ষ যুবকের লালিত স্বপ্নে একটু অাশার অাঁচড় লাগাতে,অসহায় বাবার করুন চাহনিতে স্বপ্ন ফিরিয়ে দিয়ে ফাঁসকৃত প্রশ্নের ফলাফল অবশ্যই বাতিল করতে হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩১
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কাঁদতেই হবে এভাবে..
যতদিন কি-বোর্ড বন্দুক না হবে!
যতদিন আবেগ ক্রোধে রুপান্তরিত না হবে!
যতদিন দেয়ালে পিঠ ঠেকা ঝেড়ে বিপ্লবের মন্ত্রে না জাগবে অন্তর!
কি দু:সময়ে আজ স্বদেশ! হে প্রভু তুমি মুক্তি পথ দেখাও। আমাদের জন্য একজন ত্রাতা পাঠাও।