![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আগ্রহ মোর অধীর অতি—কোথা সে রমণী বীর্যবতী । কোষবিমুক্ত কৃপাণলতা — দারুণ সে , সুন্দর সে উদ্যত বজ্রের রুদ্ররসে , নহে সে ভোগীর লোচনলোভা , ক্ষত্রিয়বাহুর ভীষণ শোভা ।
রাত ১১ টা।।।
কাকরাইল থেকে রিক্সায় করে ফিরছি। রিক্সা যখন রমনার সামন দিয়ে আসছে, রমনার ঠিক বিপরিত পাশে সোহওয়ারদির ফুটপাতে কিছু তাবু খাটানো হয়েছে। এই ১০ হাত পরপর। কিছু মেয়ে চকচকা জামা পরে তাবুর কাছে বসে আছে। মুখে সেই রকমের মেকাপ করা।
আমি প্রত্তেকটা মেয়েকে আলাদা আলাদা করে মনোযোগ দিয়ে দেখলাম। বয়স্ক রিক্সাওয়ালা। আসতে আসতে চলছে রিক্সা। তাই খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে সমস্যা হচ্ছে না।
একটা তাবুর সামনে দেখলাম একজন দাঁড়িয়ে আছে। একটা মহিলা, হাত না, মাথা দিয়ে ইসারা করে ডাকছে......।।
আমার কেমন জানি একটা মায়া মায়া লাগতে লাগল। এটাকে ঠিক মায়া বলবো না প্রেম বলবো বুঝতে পারছি নাহ।। আসলে মায়া বা প্রেম কিছুই না হয়তো। এটাকে সহজ ভাবে বলা যায়, মন খারাপ! তবে মন খারাপের উদ্ভবটা সম্ভবত, প্রেম থেকেই।। মায়া থেকেই।।
পুরো ঘটনাটা নিয়ে বাসায় এসে চিন্তা করলাম। আচ্ছা আমি যদি এমন একটা অবস্থায় থাকতাম যে, আমি একজনের ভাগ্য পালটিয়ে দিতে পারি, তাহলে আমি কি করতাম?? একটু গভীর চিন্তা করে দেখলাম, আসলে আমি কি করতাম বা কি করতাম না, সেটা আসল কথা নাহ! আসল কথা হচ্ছে, ও কি করতো!
ওর দিকে যদি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিতাম, ও কি বুঝতে পারতো আমার ভালোবাসা?? বিশ্বাস করতো আমাকে?? আমি ১০০% সিয়র, ও আমাকে বলতো,- আসেন, ২০ টাকা দেন, কাম সারেন, চলে জান।।
আমাদের সমাজ আমাদেরকে ছোট থেকে ঠিক যে ভাবে বড় হবার সু্যোগ দেয়, ইচ্ছা করলেও আমরা তার বাইরে কিছু করতে পারি নাহ। আমাদের ইচ্ছাশক্তি, চাওয়া পাওয়ার মাঝে একটা অদৃশ্য শিকল পরিয়ে দেয়া হয় আমাদের পায়ে।
রাস্তার বেশ্যাও হয়তো কার মা, কারো বোন, কারোও বউ.......সে তাদের ভালোবাসা পায় এবং ভালোবাসা দেয়। সেই ভালোবাসা স্বাভাবিক যে কোন মহিলার ভালোবাসার চেয়ে কম না। এক অংশেও কম নাহ......।।
কিন্তু তারপরও, ২০ টাকার বেশ্যা আর যাই বুঝুক, আমার ভালোবাসা বুঝবে নাহ!
সমাজ তাকে সেই অধিকার দেয় নাই। দিবে না....!! কেন দিবে না? সবাই বিশুদ্ধ পথে আসার জন্য বিশুদ্ধ ভালোবাসা পাওয়ার কপাল নিয়ে জন্মায় না।
আর এটাই, নিয়তি।।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ১১:১৭
অন্তহীন পথিক বলেছেন: ধন্যবাদ
২| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ৮:০০
সজীব মোহন্ত বলেছেন: সমাজ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে নারী এই পথে আসে।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ১১:১৬
অন্তহীন পথিক বলেছেন: তা তো অবশ্যই।
৩| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ৯:১৩
আজিব দুনিয়ার মানুষ। বলেছেন: আপনার বক্তব্য এলোমেলো মনে হচ্ছে। একবার মনে হচ্ছে আপনি তাদের নিয়তি তাদের এই পথে ঠেলে দিয়েছে বলছেন। আবার বলছেন, ২০ টাকার বেশ্যা আপনার ভালবাসা বুঝবে না!! তারা সত্যিকার অর্থে আমাদের ভয়াবহ সিস্টেমের বলি। যেখানে তাকে একজন মানুষ হিসেবে চিন্তা না করে বেশ্যা হিসেবে চিন্তা করছি আমরা।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ১১:১৫
অন্তহীন পথিক বলেছেন: দু:খিত ভাই, আমি আপনাকে বোঝাতে পারি নাই জন্য। আমি যে এলোমেলো লিখিনি, সেটা মোটামুটি সিয়র আমি। তবুও মানুষ যেহেতু, ভুল হতেও পারে। সমাজ তাদের এই অবস্থায় দাড় করিয়েছেই বলেই তারা বুঝবে না। জাস্ট, এইটা বুঝাতে চেয়েছি।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:৩২
এস আই সুমন বলেছেন: আমি ১০০% সিয়র, ও আমাকে বলতো,- আসেন, ২০ টাকা দেন, কাম সারেন, চলে জান।
মনে হয় বাস্তবতাটা একটু বেশিই কঠিন,
বেচে থাকার তাগিদে অভাব ওদের রাস্তায় টেনে নিয়ে এসে জীবনটাকে ২০ টাকায় সীমাবদ্ধ করে দেয়,
আপনি না জানলেও ওরা জানে ভালবাসায় সংসার চলেনা,চলে টাকায়।কেননা পরিস্থিতি ওদের বদলে দিয়েছেে।
আপনার মতামতকে সাধুবাদ জানাই,
ধন্যবাদ।