| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইন্দ্রনাথ
বিপুল এক মহাদেশ এশিয়া। আয়তনে, সম্পদে ও দারিদ্রে। পর্বত-সমুদ্র-মরুর সহাবস্থানের মত বিচিত্র এর মানুষগুলো, বিচিত্র এর হাজার হাজার বছরের কথ্য-লেখ্য সাহিত্যের ঐতিহ্য। ইউরোপ, আমেরিকা এমন কি আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার কবিতা অকবিতায় আমাদের কত আগ্রহ অথচ নাড়ির কাছে আরশি নগরটি যেন গেঁয়ো যোগী। কেমন লিখেছেন এশীয় কবিরা? তারা কি আধুনিক, উত্তর আধুনিক নাকি প্রাগৈতিহাসিক? এশিয়ার সব দেশেই কি কবিতার চর্চা হয়? হয় বটে, তবে তার উৎকর্ষ এক নয়। কোথাও কোথাও কবিতা এখনো চর্যাপদের যুগে। কোথাও ইন্টারনেট-জগতে প্রবেশ তো দূরের কথা, কোন আন্তর্জাতিক ভাষায়ও অনূদিত হয়নি। বিশ্বায়নের যুগে তাদের কবিতা বস্তুত প্রত্নসামগ্রী। এর বিপরীতে অনেক দেশেই অসাধারণ কবিতা লেখা হচ্ছে। কবিরা লিখছেন বিশ্বমানের কবিতা। এশিয়ার কবিতা এ উপমহাদেশের উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর কবিতার অনুবাদ। অমৃতা প্রীতম, ফয়েজ আহমদ ফয়েজ, নিশিওয়াকি, জুনঝাবুরা কিংবা মাহমুদ দারবিশের মতো প্রবীনেরা যেমন আছেন, তেমনি আছেন লেন এনগুয়েন, গু চেং কিংবা অহিলা সম্বামূর্তির মতো নবীন কবিরা। অভিজ্ঞতা ও অভিনবত্বের মেলবন্ধন। এশিয়ার কবিতাই বলে দেয়, আমাদের আরশি নগর অত্যুচ্চ না হলেও তুচ্চ নয়।
আমি শান্তি ও অহিংসার পক্ষে।
কেন যে পৃথিবীটা এমন যুদ্ধংদেহী,
দুনিয়ার গোষ্ঠিশুদ্ধ লোকজন
কেন যে মহাত্মা গান্ধীর পথে গেল না
আমার বোধগম্য নয়।
প্রাচীন ভারতবর্ষীয় প্রজ্ঞা ১০০% খাঁটি
আমার বরংবলা উচিত ২০০%।
অথচ আধুনিক প্রজন্মের বড্ড তাচ্ছিল্যের ভাব;
যা কিছু বিদেশী এবং ফ্যাশনের বড্ড অনুগামী।
সেদিন পত্রিকায় পড়েছিলাম
(আমি প্রত্যহ 'টাইমস অব ইন্ডিয়া' পড়িয়া থাকি,
উদ্দেশ্য: ইংরেজি-জ্ঞান বৃদ্ধি)
কীভাবে এক গুণ্ডাপাণ্ডা কিসিমের লোক
ইন্দিরা বোন-কে ইট ছুঁড়ে মারল।
ভাবলাম, অস্থিরকামী কোন ছাত্রটাত্র হবে হয়ত।
বন্ধুগণ, রোমানগণ, হে দেশবাসী, আমি কহিতেছি (স্বগত)
আমার ললিত বাণী শুনুন।
সকল কিছুই আসিতেছে-
পুনর্জন্ম, মাহিনা মজুরি, জন্মনিরোধক পন্থা,
ধৈর্য্য ধারণ করুন, ভ্রাতা ও ভগ্নিসকল।
এক গ্লাস লাসসি খাবেন?
হজমে খুব সহায়ক।
একটু লবন ছিটালে দারুণ পানীয়।
মদের চেয়েও উত্তম;
আবার ভাববেন না যেন, আমি মদ খাই।
আমি সম্পূর্ণ মদমুক্ত, সম্পূর্ণ মানে সম্পূর্ণই।
যা বলছিলাম
মদ কেবল মদ্যপদের জন্যে।
আচ্ছা, বিশ্বশান্তির ব্যাপারে কোন সম্ভাবনা আছেটাছে নাকি?
কেমন ভাবসাব পাকিস্থানের,
কেমন ভাবসাব যেন চীনাদের,
ইহা আমাকে খুবই ভারাক্রান্ত করিতেছে, আপনাকে বলিয়া রাখিলাম,
সত্যি সত্যি ইহা আমাকে ভিষণ বিব্রত করিতেছে।
সব মানুষ ভাই ভাই, নয় তাই?
এই ভারতেই তো
গুজরাটি, মারাঠি, হিন্দিওয়ালারা
সব ভাই ভাই,
যদিও কার কার হাস্যকর অভ্যাস রহিয়াছে।
তবু আপনি আমাকে সহ্য করেন
এবং আমি আপনাকে,
একদিন 'রামরাজ্য' নিশ্চিত আসিবে।
আপনি কি চলিলেন?
আবার আসিবেন কিন্তু,
যখন খুশি, যেদিন খুশি,
আমি আনুষ্ঠানিকতায় বিশ্বাসী নই,
অধিকন্তুু আপনার সঙ্গ সর্বদা উপভোগ্য বটে।
-নিসিম এজেকিয়েল (ভারত)
২১ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:১৯
ইন্দ্রনাথ বলেছেন: আপনার কথা অনুসারে, গান্ধীজি নিশ্চয়ই ভীরু প্রকৃতির ছিলেন। ভারতের বর্তমান অবস্থার দিকে থাকালে সার্বিকভাবে সেটাই মনে হয়। আমার মনে হয় উনাকে সবাই নিজ স্বার্থে নিজের মতন ব্যবহার করছেন। ভারত গান্ধীবাদ অনুসরণ করলে ইন্ডিয়া পাকিস্থান আলাদা হবার কথা না। আসলে তার ভাবনা ছিল জনস্বার্থে আর সেই মতবাদকে ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে।
কিছু প্রশ্ন আছে যেগুলা তর্কাতীত ও দু:খ থেকে করা। সেই রকম বুদ্ধিদীপ্ত আপনার প্রশ্ন।
২|
২১ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১১:৫৯
প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার কবিতা। খুব ভালো লাগল।
২২ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:১২
ইন্দ্রনাথ বলেছেন: আপনাকে ভালো লাগাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
অনুপ্রাণিত করলেন ।
৩|
২২ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:৪৯
দেবজ্যোতিকাজল বলেছেন: ভারত পাক যাতে আলাদা না হয় এবং মুসলিম সমর্থন পাবার জন্যই তার তোষণবাজের মূল উদ্দেশ্য ছিল কিন্তু গান্ধীজিকে তারা সমর্থন দেয়নি বলেই এই ভাগ...
২২ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১:১৩
ইন্দ্রনাথ বলেছেন: জ্ঞানীরা বরাবরি অবহেলিত, তাদেরকে যারা সত্যিকারভাবে মূল্যায়ণ করেছেন তারাও নির্যাতীত। বর্তমান কালে আদর্শ নিয়ে ঠিকে থাকাই দায়! আর যে দাতা সেই বিধাতা। আসলে বিধাতার স্বরূপ বোঝতে পারছে ক' জনা? আপনি দু:খ করবেন না, দেখলেন সঙ্গের সাথি একজন পেয়ে গেলেন। সুখ-দু:খের ভাগিদার। গান্ধী ছিলেন শান্তিকামী আর মনটা নিরীহ। আমাদেরকে একসময় খ্রীষ্টান শাসন করে গেছে আর বৃটিসদের বানানো সিস্টেম গান্ধীসহ উপমহাদেশের অনেকেই ভাঙ্গতে পারেন নি। মানুষের রন্দ্রে রন্দ্রে মানসিক দাসত্ব ডুকিয়ে দেওয়া হয়েছে আর সেটা থেকে মুক্তির অন্যতম রাস্তা ধর্মকে মানবতার তরে ব্যবহার না করে গণতন্ত্রের নামে সাম্প্রদায়িকতার সূত্রপাত হয়েছে সেই কবেকার আমল থেকে। এসবের মাঝে কাদের ফায়দা হয়েছে, দেখেন সব ক্ষমতাশীনদের দলের। যাদের কাছে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতা বলতে অর্থ প্রাপ্তির উৎস!
এসব কথা হবে নে পরে, আপনাদের মাঝে মাত্র আসলাম! আর এসেই রাজনীতি নিয়ে আলোচনা . . . হা হা হা!
এখন কেমন আছেন আপনি? ভগবানের কৃপায়।
৪|
২৮ শে জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৫
অতৃপ্তচোখ বলেছেন: ভালো লাগলো বস।
ভেদাভেদ হীন সমাজ দেশই সবার কান্য হওয়া উচিৎ। ধর্মীয় উগ্রবাদীরা এইদেশে কোন কালেই স্থায়িত্ব পায়নি। যারা ধর্মকে পূঁজী করে সাম্প্রদায়িকতায় দেশ পরিচালনা করতে চেয়েছে তারা সবসময় ব্যর্থ হয়েছে। তাদের ক্ষমতা ছিল ক্ষণস্থায়ী। বাঙালিরা অসাম্প্রদায়িক সমাজপতিদেরই সাপোর্ট করেছে সবযুগে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৯
দেবজ্যোতিকাজল বলেছেন: আচ্ছা তোমার কি জানা আছে , গান্ধীজি কেনো তোষণবাজ রাজনীতি করেছিলেন ? যে কারণে তোষণবাজ রাজনীতি করেছিলেন তা কি সফল হয়েছিল ?