![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজিয়া খাতুন তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের জন্য । রাজিয়া ৩নং সেক্টরে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধসময় তিনি গ্রেনেট, গুলি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার সরবরাহ করে। পাক-সেনাদেনাদের গতিবিধি-তথ্য সংগ্রহ করেছেন, কখনও পাগলের বেশ ধরে, কখনও বা ভিক্ষুক বেসে গিয়েছেন যুদ্ধের মাঠে । তারপরও এত বছর রাজিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।অবশেষে চেতনায়৭১ হবিগঞ সংগঠনের মাধ্যমে রাজিয়াসহ আরো ৫জন নারী যোদ্ধাদের নিয়ে, আমি কাজ শুরু করি ২০০৬সালে। পরে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০০৯সনে আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তভূক্তি সহ “ জমি আছে ঘর নাই” প্রকল্পের আওতায় ঘর নির্মানের আবেদন করি । ২০১৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকা বদ্ধ হন তারা । অবশেষে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের মাধ্যমে ‘জমি আছে ঘর না্ই’ প্রকল্পের আওতায় ২টি বাড়ীর অনুমোদন আসে। একটি পান, রাজিয়া খাতুন আর অন্যটি ফারিজা খাতুন । সেই ভবনের কাজ শুরু হয়েছে। এমপি হিসেবে এ কাজের উদ্বোধন করলেও,মুক্তিযোদ্ধা রাজিয়া খাতুনের এই প্রাপ্তি মনে হচ্ছে, ব্যক্তিগতভাবে আমার প্রাপ্তি। রাজিয়া খাতুন,মালতি রানী,পুষ্প রানী,হিরামনি,সাবিত্রী নায়েক,ও ফারিজা খাতুনের মুখের হাঁসি, এ যেন আমার জীবনের পরম পাওয়া।
--------কেয়া চোধুরী
©somewhere in net ltd.