নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সংজ্ঞায় বন্ধু আসে একটু অন্যভাবে।\nআমার মতে প্রিয় বন্ধু সেই \"যে\" আমি কারাগারে গেলে আমাকে জামিন করিয়ে বের করে আনার জন্য ব্যস্ত না হয়ে, কোনো ক্রমে ছোটখাটো অপরাধ করে নিজেই কারাগারে এসে আমায় সঙ্গ দিয়ে আয়েশ করে বলে--\"দোস্ত, দারুন জায়গাতো!

সময় হলো

সাদা কে সাদা

সময় হলো › বিস্তারিত পোস্টঃ

খালেদা জিয়ার মৃদু হাসি কি ম্লান হতে পারে???!!!!!!!

১০ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৪:৩০

বিএনপি নেতা আখতারুজ্জামান বলেন, ‘১৯৯১ সালের ১৪ই আগষ্ট রাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্ট বাসভবনে ঘটে ঐ ঘটনা। সে সময় প্রায় প্রতি রাতেই দলের সিনিয়র নেতারা যেতেন তার বাসায়। দল এবং রাষ্ট্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা হত সেখানে। এরই এক পর্যায় উঠে ১৫ আগষ্ট প্রসঙ্গ। এরই মধ্যে দিনটিকে শোক দিবস হিসাবে পালনের ঘোষনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দেশব্যাপী নানা কর্মসূচীও ঘোষনা করেছে তারা। পাল্টা হিসাবে কি করা যায় তাই নিয়ে কথা বলছিলেন নেতারা। নানা দিক থেকে আসছিল বিভিন্ন রকম প্রস্তাব। হঠাৎ করেই ১৫ আগষ্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব দেন সাবেক ওই এমপি। কয়েকজন মৃদু প্রতিবাদ করলেও ধোপে টেকেনি তা। হয়ে যায় দিনটিকে জন্মদিন পালনের সিদ্ধান্ত’।
রাতের ওই আলোচনায় উপস্থিত থাকা অপর এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রস্তাব দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি শহিদুল হক জামাল। জন্মদিন পালনের অংশ হিসাবে সোনারগাঁও হোটেল থেকে নিয়ে আসেন ঢাউস আকারের কেক। হৈ-হুল্লোড় করে তা কাটা হয় ক্যন্টনমেন্টের বাসায়। আর সেই থেকেই শুর হয় জন্মদিন পালনের ধারা।’
সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতের দিনে এভাবে জন্মদিন পালনকে দু:খজনক উল্লেখ করে মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান বলেন, ‘১৯৯১ এর আগে ১৫ আগষ্ট কেন, কোন তারিখেই ঘটা করে পালিত হয়নি তার জন্মদিন। এখনও নির্দিষ্ট এই দিনটিতে কাউকে দাওয়াত করেন না তিনি। দেশনেত্রীর জন্মদিন হিসাবে অনেকটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারাদেশে কেক কাটে কর্মীরা। এতে করে ক্ষুন্ন হয় বিএনপির ভাবমূর্তি ‘।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এভাবে জন্মদিন পালনকে দু:খজনক উল্লেখ করে মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান বলেন, ‘১৯৯১ এর আগে ১৫ আগষ্ট কেন, কোন তারিখেই ঘটা করে পালিত হয়নি তার জন্মদিন। এখনও নির্দিষ্ট এই দিনটিতে কাউকে দাওয়াত করেন না তিনি। দেশনেত্রীর জন্মদিন হিসাবে অনেকটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারাদেশে কেক কাটে কর্মীরা। এতে করে ক্ষুন্ন হয় বিএনপির ভাবমূর্তি ‘।

+++++++

২| ১০ ই জুন, ২০১৫ রাত ৯:০৩

ইমরান আশফাক বলেছেন: এখন তার পরিনতি ভোগ করছে বিএনপি নেত্রী, নিজের বাড়ীটাও হাতছাড়া হলো। প্রত্যেকেই তার স্ব স্ব পরিনিতির জন্য দায়ী। অন্যেরাও তার নিজ নিজ কর্মকান্ডের ফল যথাসময়েই পাবে।

৩| ১০ ই জুন, ২০১৫ রাত ১০:৩৭

ভয়ংকর বিশু বলেছেন: পাপে বাপরেও ছারে না।

৪| ১১ ই জুন, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বর্তমানের পাপও ভবিষ্যতে বিনা বিচারে যাবে না!

কি অমোঘ পরিণতি পথে সবাই- জেনেও ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়না। স্বৈরাচারিতা স্বেচ্ছাচারিতা চিরকারীন নয় জেনেও মানুষ সেই ভুল পথে হাটে!!!!

৫| ১১ ই জুন, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৯

মোঃ শিলন রেজা বলেছেন: আসলে বিষয়টা আসলেই খুবই দৃষ্টি কটু। এখন মহান নেতার মহাপ্রয়াণের দিনটিতে ওই আনন্দ টুকু না করলে কি হয়। আর তাছাড়া বুড়ি বয়সে জন্মদিন পালন না করলেই বা কি হয়????

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.