নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সংজ্ঞায় বন্ধু আসে একটু অন্যভাবে।\nআমার মতে প্রিয় বন্ধু সেই \"যে\" আমি কারাগারে গেলে আমাকে জামিন করিয়ে বের করে আনার জন্য ব্যস্ত না হয়ে, কোনো ক্রমে ছোটখাটো অপরাধ করে নিজেই কারাগারে এসে আমায় সঙ্গ দিয়ে আয়েশ করে বলে--\"দোস্ত, দারুন জায়গাতো!

সময় হলো

সাদা কে সাদা

সময় হলো › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন জান্নাতি মানুষের গল্প...

১৭ ই জুন, ২০১৫ দুপুর ২:৩৯

জান্নাতি মানুষদের দুনিয়াতেই দেখতে পাওয়া যায়। যেমনটা দেখেছিলেন এবং সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সর্বকালের সেরা মানব আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)। জান্নাতি মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার সেই গল্পটি নিচে দেয়া হলো-

আনাস (রা.) হতে বর্ণিত একটি হাদিসে পাওয়া যায়, ‘আমরা (আনাস রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বসা ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘এখন তোমাদের সামনে একজন জান্নাতী ব্যক্তি উপস্থিত হবে’।

কিছুক্ষন পর আনসারীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি উপস্থিত হলেন। তার দাড়ি থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় উযুর পানি ঝরছিল। বাম হাতে তার জুতো ধরা। পরদিন মহানবী (সা.) অনুরূপ বললেন। অতঃপর প্রথম বারের মতো সেই লোকটিই উপস্থিত হলো। তৃতীয় দিন মহানবী (সা.) একই কথা বললেন। এবারও সেই একই লোক উপস্থিত হলো।

মহানবী (সা.) যখন বৈঠক ত্যাগ করলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ‘স তার পিছু নিলেন। তাকে তিনি বললেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে ঝগড়া করেছি। এক পর্যায়ে কসম করেছি তিনদিন আমি তার কাছে যাব না। তুমি যদি আমাকে এ সময়টুকু তোমার কাছে থাকতে দিতে? তিনি বললেন, ঠিক আছে।

আনাস (রা). বলেন, আবদুল্লাহ বলেন, তিনি তার সাথে তিনটি রাত অতিবাহিত করেছেন। তাকে তিনি রাতে (তাহাজ্জুদ) নামায পড়তে দেখেননি। তবে এতটুকু দেখেছেন যে, রাতে যখন তিনি ঘুম থেকে জাগ্রত হন, তখন তিনি পাশ ফিরে ফজরের নামায শুরু হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর যিকর ও তাকবীরে লিপ্ত থাকেন। আবদুল্লাহ বলেন, তবে আমি তাকে ভালো ছাড়া কারও মন্দ বলতে শুনিনি।

এভাবে তিন রাত অতিবাহিত হলো। আমার কাছে তাঁর বিশেষ কোন আমল চোখে পড়লো না। আমি একপর্যায়ে তাকে জিজ্ঞেসই করে বসলাম, হে আল্লাহর বান্দা, আমার ও আমার পিতার মাঝে কোনো রাগারাগি বা ছাড়াছাড়ির ঘটনা ঘটেনি; তবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তোমার সম্পর্কে তিন দিন বলতে শুনেছি : ‘এখন তোমাদের সামনে একজন জান্নাতী লোক উপস্থিত হবে’।

আর ঘটনাক্রমে তিনবারই তুমি উপস্থিত হয়েছ। এজন্য আমি তোমার সান্নিধ্যে এসেছিলাম তুমি কী আমল করো তা দেখতে। যাতে আমি তোমাকে অনুসরণ করতে পারি। কিন্তু আমি তো তোমাকে খুব বেশি আমল করতে দেখলাম না! তাহলে তোমার কোন্ আমল তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বর্ণিত মর্যাদায় পৌঁছালো?

লোকটি বলল, তুমি যা দেখলে তার বেশি কিছুই নয়। আবদুল্লাহ রাযি. বলেন, এ কথা শুনে যখন আমি ফিরে আসতে নিলাম, তখন তিনি আমাকে ডেকে বললেন, তুমি যা দেখলে তা তার চেয়ে বেশি কিছুই নয়। তবে আমি মনের মাঝে কোনো মুসলমানকে ঠকানোর চিন্তা রাখি না এবং আল্লাহ তাকে যে নিয়ামত দিয়েছেন তাতে কোনো হিংসা বোধ করি না। (মুসনাদ আহমদ- ১২৬৯৭)

মন্তব্য ১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৩:০৪

হেলাল উদ্দীন বলেছেন: সুবহানআল্লাহ্

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.