![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গত ১৭ জুন ভোরে বিজিবির ছয় সদস্যের একটি দল নায়েক রাজ্জাকের নেতৃত্বে নাফ নদীতে টহল দিচ্ছিল। তাঁরা বাংলাদেশের জলসীমায় মাদক চোরাচালান সন্দেহে দুটি নৌকায় তল্লাশি করছিলেন। এ সময় মিয়ানমারের রইগ্যাদং ক্যাম্পের বিজিপির সদস্যরা একটি ট্রলারে করে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিজিপির সদস্যদের বহনকারী ট্রলারটি বিজিবির টহল নৌযানের কাছে এসে থামে। বিজিপির ট্রলারটিকে বাংলাদেশের জলসীমা ছেড়ে যেতে বলা হলে তারা নায়েক রাজ্জাককে জোর করে ট্রলারে তুলে নেয়। বিজিবির অন্য সদস্যরা এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। এতে সিপাহি বিপ্লব কুমার গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিজিপির ট্রলারটি রাজ্জাককে নিয়ে মিয়ানমারের দিকে চলে যায়।
উপরে ঘটনাটি থেকে সত্যিই ভাববার অনেক কিছু আছে, তাই আমার এই আস্ফালন-
প্রতিটি দেশে স্পর্শকাতর কোন ঘটনা ঘটলে সুশীল সমাজরা তাদের বিশ্লেষন দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেন, যাতে ওই অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়ানো যায়। কিন্তু আমরা কি দেখলাম?? কিছু তথাকথিত সুশীল সমাজ প্রতোক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে উসকানিমুলক লিখার মাধ্যমে সরকারকে বিপদগামী করার চেষ্টা করলেন। চেষ্টা করলেন যাতে মায়ানমায়ের সাথে আমরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ি। এই মাথামোটা সুশীল সমাজ দিয়ে জাতি হিসাবে আমরা কতদুর যেতে পারবো, তা ও ভাবনার বিষয়।
রাজ্জাকের ঘটনাটি যেমন কারো করো মতে জাতীয় লজ্জা, তেমনি আমাদের সুশীল সমাজও আমাদের জাতীয় লজ্জা।
©somewhere in net ltd.