নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সংজ্ঞায় বন্ধু আসে একটু অন্যভাবে।\nআমার মতে প্রিয় বন্ধু সেই \"যে\" আমি কারাগারে গেলে আমাকে জামিন করিয়ে বের করে আনার জন্য ব্যস্ত না হয়ে, কোনো ক্রমে ছোটখাটো অপরাধ করে নিজেই কারাগারে এসে আমায় সঙ্গ দিয়ে আয়েশ করে বলে--\"দোস্ত, দারুন জায়গাতো!

সময় হলো

সাদা কে সাদা

সময় হলো › বিস্তারিত পোস্টঃ

নেতা যখন মাশরাফি!!!!!

২৬ শে জুন, ২০১৫ দুপুর ১২:৪১



বাংলাদেশ দলে এই মুহূর্তে মুশফিকুর রহিমের সবচেয়ে কাছের মানুষ কে? নবাগত মুস্তাফিজুর রহমানকেই বা কে দিয়ে রেখেছে বটবৃক্ষের ছায়া?
এই দুজনের কথা আলাদা করে জানতে চাওয়ার কারণ আছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় মুস্তাফিজ একেবারেই নতুন। বুকের ভেতর তাঁর দুরু দুরু কম্পন। অন্যদিকে মুশফিক আছেন দারুণ হতাশায়। আঙুলের ব্যথার কারণে উইকেট কিপিং তো করতে পারছেনই না, ব্যাটিংটাও হচ্ছে না মনের মতো। এমনিতেই ভাবাবেগে তাড়িত থাকেন, এই পরিস্থিতিতে তো তাঁর আরও ভেঙে পড়ার কথা!
আশার ব্যাপার হলো এখন পর্যন্ত সে রকম কিছুই হয়নি। মুস্তাফিজের কাছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অচেনা জগৎটাকে মনে হচ্ছে বাড়ির উঠোন। প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার প্রতিজ্ঞায় চোয়ালবদ্ধ মুশফিকুরও। কারণ, এই দুই ক্রিকেটারেরই মাথার ওপর মাশরাফি বিন মুর্তজার ছায়া। অধিনায়ক হিসেবে শুধু নন, কখনো বন্ধু হয়ে, কখনো ভাই হয়ে পাশে থাকছেন তিনি; যেমন থাকেন সব সময়।
মুশফিককে উজ্জীবিত রাখা বা মুস্তাফিজকে সাহস জোগানো আসলে অধিনায়ক মাশরাফির হাজারো কাজের খুব নগণ্য অংশ। হোটেল থেকে টিম বাস, ড্রেসিংরুম হয়ে মাঠ—মাশরাফির অভিভাবকত্ব বন্ধু-ভাইয়ের রূপেই থাকে সব সময়ই। খাদের কিনারায় দাঁড়ানো দলকেও চাঙা করে তোলার অদ্ভুত এক টনিক তাঁর রক্তে। মুখের কথায় থাকে অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার প্রেরণা। জাতীয় দলের এক সিনিয়র ক্রিকেটারের চোখে অধিনায়ক মাশরাফির সবচেয়ে বড় গুণই হলো এটা, ‘উনি যেকোনো জিনিস আমাদের বিশ্বাস করাতে পারেন, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।
সুত্র: প্রথম আলো

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.