| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাশিদুল ইসলাম লাবলু
প্রকৃত সত্যকে উপলদ্ধি করতে হবে খোলা মন নিয়ে।
ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এক সাক্ষাৎকারে দাবি করে বলেছেন, বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী পুরো মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অংশের ওপর ইসরাইলের অধিকার রয়েছে।তার বক্তব্যের পরিপেক্ষিতে সাংবাদিক কার্লসন উল্লেখ করেছিলেন যে বাইবেল অনুযায়ী আব্রাহামের বংশধরদের যে ভূমির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বর্তমানের প্রায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অন্তর্ভুক্ত।এর জবাবে হাকাবি বলেন, তারা (ইসরাইল) যদি এর পুরোটা নিয়ে নেয় তবে সেটি ভালোই হবে।তবে তিনি পরে যোগ করেন, ইসরাইল তার সীমানা বাড়াতে চাইছে না, বরং তারা বর্তমান ভূমিতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। হাকাবির এই বক্তব্যের পরপরই সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, ওমান এবং ওআইসি ও আরব লীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যকে ‘চরমপন্থী বক্তব্য’ এবং ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে তাদের অবস্থানের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে।
ইহুদী ধর্মতত্বে অনুসারে তাদের বিশ্বাস ইশ্বর আব্রাহামকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূমী তাদের। এবং ঈশ্বর তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। ইহুদি ধর্মে এই প্রতিশ্রুত ভূমির ধারণা যথেষ্ট গুরুত্ব পায়। গোটা তাওরাতে ৪র্থ সর্বোচ্চ বার উচ্চারিত শব্দ হলো প্রতিশ্রুত ভূমি। জায়নবাদীদের দিক থেকে যেমন, তেমনি তার বাইরেও ইসলায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে ঈশ্বরের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার একটা চল আছে।তারা ইসরাঈল নামক বিশাল ভূখন্ডের একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরীর পক্ষে কথা বলে এবং একটি প্রকল্প দাড় করানোর চেষ্টা করে আসছে। আধুনিক ইহুদিবাদের জনক থিওডর হার্জেল গ্রেটার ইসরায়েল ধারণার উপস্থাপক।তিনি তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন, ইহুদি রাষ্ট্র মিসরের নদী থেকে ফোরাত পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়া উচিত। ইসরায়েলের রাজনীতিতে থিওডর হার্জেলের রাজনৈতিক দর্শন অত্যন্ত প্রভাবশালী। তাই উগ্র ডানপন্থী ইহুদিরা বিশ্বাস করে গ্রেটার ইসরায়েলের বাস্তবায়ন ছাড়া ইহুদি রাষ্ট্র পূর্ণতা পাবে না। তারা গ্রেটার ইসরায়েলের বাস্তবায়নকে শুধু রাজনৈতিক বিষয় মনে করে না, তারা মনে করে এটা প্রভুর নির্দেশের বাস্তবায়ন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার আছে এমন ভূমির পুনরুদ্ধার। নিষ্ঠাবান ইহুদিরা প্রথম থেকেই এই জায়নবাদী প্রকল্পে সন্দিহান ছিল এবং এমনকি তারা একে অ-ইহুদি, ইহুদি বিরোধী প্রকল্প হিসাবে চিহ্নিত করেছে। নিষ্ঠাবান ইহুদিদের মতে প্রতিশ্রুত ভূমির সঙ্গে জাগতিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নাই। যে পাপের ফলে ঈশ্বর ইহুদিদের হাত থেকে পবিত্র ভূমি কেড়ে নিয়েছেন তা থেকে মুক্ত হতে অবিরাম আত্মশুদ্ধি, তোরাহ পাঠ, ঈশ্বরের কাছে কৃপা প্রার্থনা ছাড়া কোনো পথ নাই।জোর জুলুম করে অন্যের ভূমী দখল প্রকল্পের মাধ্যমে ইহুদীদের অস্তিত্ব আবার বিলীন হতে পারে। আবার আমরা ইশ্বরের ক্রোধের শিকার হতে পারি।
ঈশ্বর এই প্রমিজড ল্যান্ড বা প্রতিশ্রুত ভূমির অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন এলাকা নিয়ে? অথবা ঈশ্বর এর সীমানা কোথায় নির্ধারণ করেছেন? – এর উত্তর হবে খুব মজার। এ ব্যাপারে ৫ জন জায়নবাদীর নিকট প্রশ্ন করা হলে ৫ রকম ভিন্ন ভিন্ন উত্তর পাওয়া যেতে পারে। কেননা স্বয়ং তাদের গ্রন্থ বাইবেল সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারে না এই প্রতিশ্রুত ভূমির সীমানা আসলে কোন স্থানে। বাইবেলের বিভিন্ন স্থানে এই ব্যাপারে স্ববিরোধী তথ্য আছে।মজার ব্যাপার হচ্ছে প্রতিশ্রুত ভূমির পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ – সব দিকের সীমানা নিয়েই বাইবেল পরস্পরবিরোধী সব তথ্যে ভরপুর! একটা দিকের সীমানার ব্যাপারেও বাইবেলের সব জায়গায় এক রকম তথ্য নেই।ওল্ড টেষ্টামেন্টের যিহোশেয়ের পুস্তক, গননাপুস্তক, যাত্রাপুস্তক কিংবা বাইবেলের যিহিস্কেল যেখানেই বলেন না সেইখানেই দেখবেন সীমানার কোন নির্ধারিত ম্যাপ নেই। একেক স্থানে একেক ভাবে রয়েছে।এই ভ্রান্ত প্রতিবেদন থেকে অনেকেই অনুমান করে থাকেন এটিকে তিল থেকে তাল বানানো হয়েছে। সংযোজন বিয়োজনের মাধ্যমে সঠিক সত্যটি হারিয়ে গেছে পরবর্তীতে জায়নবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে মুসলিমদের খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ দেশ সমূহ দখলের পরিকল্পনায় এই প্রকল্পটি তৈরী করা হয়েছে।প্রকৃত সত্য হলো আব্রাহামের সন্তান তো শুধুমাত্র ইসহাক নয় ইসমাইলও বটে।ইসমাইল বংশধর থেকে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) থেকেও তো সেই ভূমীর অধিকারী হতে পারে।এবং বিভিন্ন তথ্য এবং জেনেটিং ম্যঅপিং থেকে জানা যায় মধ্যপ্রাচের বেশিরভাগ জনগন স্থানীয় এবং বেশিরভাগই ইসরাইলী বংশধর যারা ইহুদী থেকে খ্রীষ্টান হয়েছিলো কিংবা মুসলিম হয়েছিলো আরবী ভাষাও গ্রহণ করেছিলো। ইতিহাস থেকে জানা যায় খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতাব্দীতে ইজরায়েলি রাজ্যের উত্তরের দশটি গোত্র আসিরিয়ানদের দ্বারা নির্বাসিত হয়, এবং খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে ইহুদা রাজ্য ব্যাবিলনীয়দের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এই নির্বাসনের পর ইহুদি পরিচয় (ইহুদা গোত্র থেকে) প্রাধান্য পায়। রোমান আমলে (খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দী-খ্রিস্টীয় ২য় শতাব্দী) ইহুদিদের আরও নির্বাসন ডায়াস্পোরা সৃষ্টি করে, যার ফলে ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি সম্প্রদায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে, লেভান্তে কিছু জনগোষ্ঠী অবশিষ্ট থাকে, যারা পরবর্তীতে ফিলিস্তিনি হিসেবে পরিচিত হয়।২০১০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ৫ টি উল্লেখযোগ্য জেনেটিক গবেষণা প্রমাণ করে যে ফিলিস্তিনি এবং ইহুদি ইজরায়েলি উভয়ই প্রাচীন লেভান্তীয় (কানানীয়) বংশধর, তবে ফিলিস্তিনিরা কানানীয় এবং প্রাচীন ইজরায়েলিদের (ইয়াকুবের বংশধর) জেনেটিক প্রোফাইলের সাথে বেশি মিল প্রকাশ করে।আধুনিক জেনেটিক প্রমানে প্রধান গবেষণাগুলো উল্লেখ করা হলো:
১) Agranat-Tamir et al. (2020) S0092-8674(20)30487-6: খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০-১০০০ সালের কানানীয় ডিএনএ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফিলিস্তিনি, লেবানিজ এবং সিরিয়ানরা এই প্রাচীন জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে কাছের বংশধর। ইহুদি ইজরায়েলিদের মধ্যে মিজরাহি ইহুদিরা কাছাকাছি, কিন্তু আশকেনাজি এবং সেফার্ডি ইহুদিদের ইউরোপীয়/উত্তর আফ্রিকান মিশ্রণ তাদের দূরত্ব বাড়ায়।
২) Haber et al. (2017, Nature Communications), S 41467-017-00586-0: সিডন, লেবাননের কানানীয় ডিএনএ (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০০-২০০০) ফিলিস্তিনি এবং লেবানিজদের সাথে সর্বাধিক মিল দেখায়।ইহুদি ইজরায়েলিদের মধ্যে মিজরাহি ইহুদিরা কাছাকাছি, কিন্তু আশকেনাজিদের ইউরোপীয় মিশ্রণ (~৫০%) তাদের কম মিল দেখায়।
৩) Harney et al. (2021), S0092-8674(21)00817-5: লোহিত যুগের (খ্রিস্টপূর্ব ১০০০-৬০০) লেভান্তীয় ডিএনএ ফিলিস্তিনি এবং লেবানিজদের সাথে সবচেয়ে কাছাকাছি। যারা প্রাচীন ইজরায়েলিদের (ইয়াকুবের বংশধর) প্রতিনিধিত্ব করে। ইহুদি ইজরায়েলিদের মধ্যে মিজরাহিরা কাছাকাছি, কিন্তু আশকেনাজি/সেফার্ডির মিশ্রণ তাদের দূরত্ব বাড়ায়।
৪) Behar et al. (2010, Nature), 09103: ফিলিস্তিনিরা প্রাচীন লেভান্তীয় জনগোষ্ঠীর সাথে কম মিশ্রণের কারণে বেশি মিল দেখায়। ইহুদি ইস্রায়েলীদের মধ্যে আশকেনাজি (৩০-৭০% ইউরোপীয়) এবং সেফার্ডির মিশ্রণ তাদের কানানীয়/ইস্রায়েলীয় বংশ থেকে দূরে সরিয়েছে।
৫) Carmi et al. (2014, Nature Communications), ncomms5835: আশকেনাজি ইহুদিদের ৫০% ইউরোপীয় বংশ তাদের কানানীয়/ইস্রায়েলীয় ডিএনএ থেকে দূরে সরিয়েছে, যেখানে ফিলিস্তিনিরা স্থানীয় ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
ফিলিস্তিনিরা ন্যূনতম বহিরাগত মিশ্রণ এবং লেভান্তে দীর্ঘকালীন উপস্থিতির কারণে কানানীয় এবং লোহিত যুগের ইজরায়েলিদের (ইয়াকুবের বংশধর) জেনেটিক প্রোফাইলের সাথে বেশি মিল দেখায়। তাদের Y-ক্রোমোজোম (J1, J2) এবং মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ (H, T, J) লেভান্তীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। উপরের পাঁচটি জেনেটিক গবেষণা দেখাচ্ছে যে জনসংখ্যা হিসেবে ফিলিস্তিনিরা কানানীয় এবং প্রাচীন ইজরায়েলিদের (ইয়াকুবের বংশধর) জেনেটিক প্রোফাইলের সাথে ইহুদি ইজরায়েলিদের তুলনায় বেশি কাছাকাছি। মিজরাহি ইহুদিরা তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি, কিন্তু আশকেনাজি এবং সেফার্ডি ইহুদিদের মিশ্রণ ইহুদি ইজরায়েলি জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক ভাবে দূরে। গাজা কিংবা ওয়েস্ট ব্যাংকে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরাই প্রাচীন জেনেটিক ধারাবাহিকতা সবচেয়ে বেশি বজায় রেখেছে। যাদের মাঝে খ্রিষ্টান আর মুসলমান উভয়েই আছে, যারা হাজার বছর ধরে ওই ভূখণ্ডে বাস করছে।
বাইবেল জানাচ্ছে, প্রতিশ্রুতি ভূমি দানের শর্ত হলো ইবরাহিমের (আ.) একত্বের আদর্শ মানা, ন্যায়নিষ্ঠ, কর্মপন্থা ও জীবনাচারে বিশুদ্ধতা। ভূমির অধিকার অনেকগুলো শর্তের উপর নির্ভরশীল। এই শর্ত বাইবেলে ঘোষিত হয়েছে বহুবার। ইসরাইল জাতিকে অবশ্যই ঈশ্বরের একত্ব ও তার আদেশ-নিষেধ মানতে হবে, বিধিব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে। বিদ্রোহ ও অনাচার থেকে বিরত থাকতে হবে। তা না করলে বঞ্চনা হবে তাদের ভাগ্যলিপি, তাদের জন্য কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। বাইবেল বলছে -‘এখন আমি তোমাদের বলছি, আমার হুকুমগুলো মেনে চলো। আমার সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি পালন করো। তাহলেই শুধু তোমরা হবে আমার বিশেষ লোক। সারা জগত তো আমারই। আর তোমাদের আমি করেছি নিজের আপনজন।’
এ ব্যাপারে আল কোরআন বলছে- "‘হে আমার কওম, তোমরা পবিত্র ভূমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্য লিখে দিয়েছেন এবং তোমরা তোমাদের পেছনে ফিরে যেয়ো না, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে’।" আল কোরআন স্পষ্ট ভাষায় প্রত্যাবর্তন করার কথা বলা হচ্ছে। বাইবেলের সদাপ্রভুর ক্রোধ, ধিক্কার ও অভিশাপ তাদের প্রতি তো বটেই, তাদের বাসস্থানের প্রতিও। সদাপ্রভু বলেন, ‘জেরুজালেম! তুমি আমায় ভুলে গেছ। তুমি আমায় দূর করে একাকী রেখে গেছ। আমাকে পরিত্যাগ করার জন্য ও বেশ্যার মতো জীবনযাপন করার জন্য তোমায় তাই কষ্ট ভোগ করতে হবে। তোমার দেখা দুষ্টু স্বপ্নের জন্যও তোমায় কষ্টভোগ করতে হবে।’ তোরাহের এই যে ভাষ্য, তা দেখায় প্রতিশ্রুত ভূমির অধিকার কীভাবে হারিয়েছে ইহুদিরা। যে প্রভু তাদেরকে ভূমির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনিই কীভাবে তা থেকে উচ্ছেদ করেছেন তাদের। প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে ইহুদিদের যে উপস্থিতির উল্লেখ আছে সেখানে তাদের সমৃদ্ধ, ধনবান, ক্ষমতার কাছাকাছি লোক হিসাবেই পাওয়া যায়, তাড়া খাওয়া উদ্বাস্তু নয়। সেক্ষেত্রে যদি প্রায় সকল ইহুদিই প্যালেস্তাইনে থেকে যায় তাদের কি হল? আসলে এদর একটা বড় অংশই ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়ে গিয়েছিল, যাদের উত্তরসূরিরা আজও সেখানকার অধিবাসী। ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন গুরিয়নের বক্তব্যেও এর স্বীকৃতি আছে। তাহলে এটা অনস্বীকার্য যে আজ যে ফিলিস্তিন গাজায় যে মুসলিম বিদ্যমান তার বেশিরভাগই ইহুদী জাতি থেকে মুসলিম ধর্মান্তরিত।
সুতরাং ইশ্বর যে প্রতিশ্রুতিশীল ভূমী ইসরাইলীদের দিতে চেয়িছিলেন।তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। কারন তিনি শুরু থেকেই বলেছিলেন জালিমদের জন্য তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন না। সুতরাং এটি ইহুদীদের এটি একটি চাল। জায়নবাদী প্রকল্প খনিজ সমৃদ্ধ ভূমী দখলের পায়তারা ছাড়া আর কিছুই নয়।
©somewhere in net ltd.