| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তেপান্তর মন
বারবারা এসো, রবিশঙ্করের সুরে সুরে মুমূর্ষু মানবতাকে গাই বিবেকের জংধরা দরোজায় প্রবল করাঘাত করি অন্যায়ের বিপুল হিমালয় দেখে এসে ক্রুদ্ধ হই, সংগঠিত হই জল্লাদের শাণিত অস্ত্র সভ্যতার নির্মল পুষ্পকে আহত করার পূর্বে, দর্শন ও সাহিত্যকে হত্যা করার পূর্বে এসো বারবারা বজ্র হয়ে বিদ্ধ করি তাকে।
প্রথমেই বলে নেই, অতীব ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এই লেখা থেকে দূরে থাকার আহবান জানাচ্ছি। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত প্রদান করা আমার উদ্দেশ্য নয়। শুধু কিছু মুক্তচিন্তা ও আমার একান্ত নিজস্ব কিছু idea share করার জন্যই এই লেখা। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে তার জন্য আমি দায়বদ্ধ নই। কারণ আমি আগেই সাবধান করে দিয়েছি যে লেখায় এমন কিছু রয়েছে যা আপনাদের খারাপ লাগতে পারে।
আসুন প্রথমে কুরআন শরীফের প্রথম সুরা, সুরা ফাতিহার অনুবাদ টি লক্ষ্য করি।
বাংলা অনুবাদ: সুরা ফাতিহা
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
১. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
২. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৩. যিনি বিচার দিনের মালিক।
৪. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
৫. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
৬. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।
৭. তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
আপনারা একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে, সুরা ফাতিহা 1st person (আমরা, আমাদেরকে) এ লেখা হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি পবিত্র কুরআন এর প্রতিটা কথা আল্লাহর বাণী। আল্লাহ পবিত্র কুরানে আমাদের জন্য দিয়েছেন পুরনাঙ্গ জীবন বিধান ও নির্দেশমালা যেগুলো আমাদের মেনে চলতে হবে বেহেশত হাসিল এর জন্য। তাহলে কেন কুরানের প্রথম সুরাই 1st person এ লেখা হল? কেও যখন আপনাকে কোন নির্দেশ দ্যায় তখন কি সে 1st person এ কথা বলে? অবশ্যই না। নির্দেশ সব সময় দেয়া হয় 2nd person এ। যেমনঃ (তুমি), এটা কর। (তুমি), ওটা করোনা। আমি বেশ কিছু আলেম এর সাথে এটা নিয়ে আলচনা করেছি। তাদের একজন বলছিলেন, এই সুরার মাধ্যমে আল্লাহ দেখিয়ে দিয়েছেন আল্লাহর কাছে কিভাবে দোয়া করতে হয়। এটা দোয়া করার একটা নির্দেশনা।
তাহলে এই কথার against এ আসুন সুরা আলাক এর কয়েকটি আয়াত দেখি।
সুরা আলাক:
১. পড়ো, তোমার প্রতিপালকের নামে-- যিনি সৃষ্টি ক'রেছেন;
২. মানবজাতিকে-- সৃষ্টি ক'রেছেন জমাটবাঁধা রক্তবিন্দু থেকে।
৩. পড়ো, তোমার প্রতিপালক মহা-দয়াবান।
৪. যিনি (মানবজাতিকে) কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫. মানবজাতিকে-- তার অজানা বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছেন।
-- ইত্যাদি।
এখানেও কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন এখানে কিন্তু ঠিক ই 2nd person ব্যাবহার করা হয়েছে। তাহলে এখানে কেন 1st person ব্যাবহার করা হল না? কেন এরকম লেখা হল না?
১. পড়ছি, আমার প্রতিপালকের নামে-- যিনি সৃষ্টি ক'রেছেন;
৩. পড়ছি, আমার প্রতিপালক মহা-দয়াবান।
--ইত্যাদি।
এইসব নিয়েই আলোচনা করার সময় আমার এক বন্ধু হয়ত কিছু না বুঝেই বলে ফেলেছিল, “আরে বেটা, তিলাওয়াত তো করবি তুই। তোকে তিলাওয়াত করার সময় নিশ্চয়ই 1st person এই তিলাওয়াত করতে হবে।”
কিন্তু তার এই কথায় আমি সেদিন চিন্তার নতুন খোরাক খুজে পাই। তাই তো? তিলাওয়াত তো করি আমরা। কিন্তু কুরান এর বেশির ভাগ সুরাই তো 2nd person না হয় 3rd person (তারা কি তবুও ইমান আনবে না? – 3rd person) এ লেখা। আর আমরা পড়ার সময় 2nd person অথবা 3rd person ই পড়ে যাচ্ছি। তাহলে আমরা কাকে নির্দেশ দিচ্ছি? পড়ার সময় তো আমাদের সব সুরা 1st person এই পড়া উচিত।
আমার মনে আছে স্কুল কলেজ এ থাকতে আমাদের practical class গুলোতে report লিখতে হত। বই এ practical করার নির্দেশনা 2nd person এ দেয়া থাকতো। যেমনঃ এর পর বিকারে ১০ মিলি পানি নাও। ইত্যাদি। কিন্তু স্যার রা সব সময় বলত report এ তোমরা যখন লিখবা তখন 1st person এ লিখবা। ভুল করে যদি কখন 2nd person এ লিখে ফেলতাম তখন ব্যাপক ঝাড়তো। বলতঃ এর পর বিকারে ১০ মিলি পানি নাও। মানে কি? আমাকে পানি নিতে নির্দেশ দিচ্ছ? কাজ কি আমার করতে হবে নাকি তোমরা করেছো? ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন ও দেখি versity তে যখন কোন পেপার বা জারনাল publish করা হয় তখন বিভিন্ন seminar হলে ওই পেপার এর উপরে presentation দিতে হয়। তখনও যে পেপার present করে সে সব সময় 1st person এ present করে। একই ভাবে, আল্লাহ হয়ত নির্দেশ দিয়েছেন 2nd person এ। কিন্তু আমাদেরও 2nd person এ তিলাওয়াত কতোটা যুক্তিযুক্ত? আরবিতে পরা হয় বলে হয়ত বোঝা যায় না। বাংলায় পড়লে কথাগুলো অনেক হাস্যকর শুনাতো। আমি সুর করে করে আরেকজন কে নির্দেশ দিচ্ছি বলে মনে হত। বা হয়ত হত না, কারণ দীর্ঘদিন যাবত একটা ভুল জিনিষ practice করতে থাকলে একসময় ওইটাকেই ঠিক মনে হয়।
তাহলে দেখা যাচ্ছে কুরআন শরীফের এক এক সুরাতে এক এক রকম person ব্যাবহার করা হয়েছে। কোথাও 1st, কোথাও 2nd, আবার কোথাও 3rd person। তাহলে আপনি যদি এই sense এ চিন্তা করেন যে, যেহেতু তিলাওয়াত আমরা করি তাই কুরআন 1st person এই ঠিক আছে। তাহলে সুরা ফাতিহায় 1st person ব্যাবহার যুক্তিযুক্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে অন্যান্য যেসব জায়গায় নির্দেশ দিতে 2nd person ব্যাবহার করা হয়েছে সেইগুলো। 1st person হওয়া উচিৎ ছিল। কারন আমরা যখন আল্লাহ্র নির্দেশ গুলো তিলাওয়াত করি তখন আমরা নিজেরা ওইগুলো পালন করব বলে স্বীকারোক্তি দেই। অন্যদের পালন করার নির্দেশ দেই না। নিজের স্বীকারোক্তি কখন 2nd person এ দেয়া যায় না। 1st person এই দিতে হয়।
আবার যদি আপনি এই sense এ চিন্তা করেন যে, কুরআন আল্লাহ্র বাণী। এইটা 2nd person ই ঠিক আছে তাহলে সুরা ফাতিহা তে 1st person ব্যাবহার ভুল হয়েছে।
এই লেখাটা পড়ে হয়ত অনেক ধর্মান্ধ জাকির নায়েক মার্কা মন্তব্য দিবেন, “আরে এইখানেই তো কুরআনের সৌন্দর্য। এক এক জায়গায় এক এক person।” দয়া করে এই ধরনের বস্তাপচা cliché মন্তব্য করবেন না। এক এক জায়গায় এক এক রকম করে কথা বললে সেটা কখনই সৌন্দর্য হতে পারে না। যদি এই লেখার বিরুদ্ধে কোন মন্তব্য করতেই হয় করুন। কিন্তু logic দিয়ে কথা বলুন। তাহলেই হয়তো আলোচনা তাৎপর্যপূর্ণ হবে।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৫
তেপান্তর মন বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
২|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: আমি বেশ কিছু আলেম এর সাথে এটা নিয়ে আলচনা করেছি। তাদের একজন বলছিলেন, এই সুরার মাধ্যমে আল্লাহ দেখিয়ে দিয়েছেন আল্লাহর কাছে কিভাবে দোয়া করতে হয়। এটা দোয়া করার একটা নির্দেশনা।
তাহলে এই কথার against এ আসুন সুরা আলাক এর কয়েকটি আয়াত দেখি।...........আপনি নিজে মিলিয়ে নিন।
৩|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫
লোহিত বামন বলেছেন: সব যুক্তি কি শেষ নাকি ভাইসাব? এখন টেন্স নিয়া পড়লেন?? আপনি যুক্তি চাইসেন বলে বলতেসি কোরান কোন উপন্যাস না। এটা অখন্ড ভাবেও নাযিল হয়নি। কোরআন এর প্রতিটা সূরাই স্বতন্ত্র। সূরাগুলো আলাদা বৈশিষ্টের হবে এটাই স্বাভাবিক।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০২
তেপান্তর মন বলেছেন: কিন্তু অনেক আলেম রাই কিন্তু বলেন কুরআন নাকি সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সাহিত্য। তাহলে তো এইটা সব উপন্যাস এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ হওয়া উচিত। সূরাগুলোর আলাদা বৈশিষ্টের হবে ঠিক আছে, কিন্তু সমগ্র কুরআনের বৈশিষ্টের বাইরে এটা কেন যাবে? আল্লাহর বানি আমি আমরা দিয়ে কেন হবে?
৪|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৯
স্বপ্নডানা বলেছেন: এই পোস্টে কাউকে গালি দেওয়া হয়নি, কোন গ্রন্থকে অবমাননা করা হয়নি। শুধু জানতে চাওয়া হয়েছে, এমনটা কেন? বা এটা কি খেয়াল করে কিনা। মশিউর মামা ১, এধরণের মন্তব্য দেওয়ার মানে কি? কেউ কিছু জানতে চাইলে এরকম করেন কেন? এত বিশ্রী ভাষা কেন?
@লেখক, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য কথা বইটা পড়ছিলাম। সেখানে তিনি বলেছেন অনুবাদ সাহিত্য কোন সাহিত্যই নয়। একটা গাভীর বাচ্চা যদি মারা যায়, তাহলে পরদিন সে গাভী দূধ দিতে চায় না। সে গাভীকে দুধ দেওয়ানোর জন্য মরা বাচ্চা গরুর চামড়ার ভেতর থেকে মাংস ফেলে দিয়ে তার ভেতর খোরখুটা দিয়ে সেটাকে মায়ের সামনে অর্থাৎ গাভীর সামনে রেখে দিলে সে দুধ দিতে শুরু করে।
রবীন্দ্রনাথ অনুবাদ সাহিত্যকে এই চামড়া আর খরখুটা সর্বস্ব বাচ্চা বা বাছুরের সাথে তুলনা করেছেন। তাঁর মতে অনুবাদে মূল সাহিত্যের আস্বাদন পাওয়া যায় না। এটা কেবলই ছলনা।
এই লেখাটা পড়বার আগ পর্যন্ত কুর-আন নিয়ে আমি এ যাবতীয় প্রশ্ন করেছি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কথা অনুসারে এখন মনে হচ্ছে কুর-আনকে জানতে হলে আরবী ভাষা পুংখানুপুঙ্খভাবে জানতে হবে। তাছাড়া এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।
আমার কাছে জাকির নায়েকের উত্তর গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি প্রচন্ডভাবে মিথ্যা কথা বলেন!
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১১
তেপান্তর মন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি আমার ভাল লেগেছে। অনুবাদ এ ভুল থাকলে আমার বলার কিছু নাই। কিন্তু সেটাও ঘেঁটে দেখতে হবে আসলেই ভুল আছে কি না।
অনুবাদে মূল সাহিত্যের আস্বাদন পাওয়া যায় না। এটা কেবলই ছলনা।
আমি এই বেপারে সম্পূর্ণ একমত।
আমার কাছে জাকির নায়েকের উত্তর গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি প্রচন্ডভাবে মিথ্যা কথা বলেন!
আমার মনে হয় উনি জোর করেই ইসলাম প্রচার এর চেষ্টা করছেন। তবে তার বিভিন্ন পুস্তক এর উপর অসিম জ্ঞান আমাকে অবাক করেছে।
আপনার মন্তব্যটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৫|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০৪
শার্লক বলেছেন: কাম কাইজ নাই শয়তান এগুলার পিছনে বেশি লাগে। অলস মস্তিক।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৩
তেপান্তর মন বলেছেন: স্বয়ং ঈশ্বর ও নাকি মস্তিস্ক জিনিসটা কে খুব ভয় পায়। তাই খ্রিস্টান দের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে।
"Don't use your brain. Use your bible."
৬|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১১
বিডি আমিনুর বলেছেন:
ব্যাপক জ্ঞান মুলক পোস্ট এমন বিশ্লেষণের জন্য নফেল প্রাইজ দেয়া হোক।
তুই তো কোথাকার কোন ভোদাই বড় বড় পণ্ডিতরা কুরানের কাছে মাথা নত করছে।
আবুল্লা আইসে কুরান বিশ্লেষণ করতে।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৯
তেপান্তর মন বলেছেন: ভাই ওই বড় বড় পণ্ডিত কারা? ওই বড় বড় পণ্ডিত দের মধ্যেই তো কুরানের বিভিন্ন আয়াতের অর্থ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তারা যদি কুরআন এত ভালভাবেই বুঝে থাকেন তবে এই মতভেদ কেন? নিশ্চয়ই একজন এর ধারনা সঠিক আর বাকিদের টা ভুল? সুতরাং বুঝতেই পারছেন বড় বড় পণ্ডিত দেরও ভুল হয়।
৭|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১৫
মোঃ আনিসুর রহমান বলেছেন: স্বপ্নডানা বলেছেন: এই পোস্টে কাউকে গালি দেওয়া হয়নি, কোন গ্রন্থকে অবমাননা করা হয়নি। শুধু জানতে চাওয়া হয়েছে, এমনটা কেন? বা এটা কি খেয়াল করে কিনা। মশিউর মামা ১, এধরণের মন্তব্য দেওয়ার মানে কি? কেউ কিছু জানতে চাইলে এরকম করেন কেন? এত বিশ্রী ভাষা কেন?
সহমত এবং বিজ্ঞ ব্লগারদের যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদানের আহবান
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:২৭
তেপান্তর মন বলেছেন: আমিও আহবান করছি। আপনার মন্তব্বের জন্য ধন্যবাদ।
৮|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১৮
ঘোড়ারডিম বলেছেন: তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।
( সূরা আল ইমরান : ১৯১)
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৬
তেপান্তর মন বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি কুরআনকে খুব সহজ ভাষায় নাজিল করেছি এ জন্য যে যাতে তোমরা তা বুঝতে পারো। (সূরা ইউসুফঃ ২ আয়াত)
৯|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৪
অদম্য১২৩৪ বলেছেন: স্বপ্নডানা বলেছেন: এই পোস্টে কাউকে গালি দেওয়া হয়নি, কোন গ্রন্থকে অবমাননা করা হয়নি। শুধু জানতে চাওয়া হয়েছে, এমনটা কেন? বা এটা কি খেয়াল করে কিনা। মশিউর মামা ১, এধরণের মন্তব্য দেওয়ার মানে কি? কেউ কিছু জানতে চাইলে এরকম করেন কেন? এত বিশ্রী ভাষা কেন?
@লেখক, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য কথা বইটা পড়ছিলাম। সেখানে তিনি বলেছেন অনুবাদ সাহিত্য কোন সাহিত্যই নয়। একটা গাভীর বাচ্চা যদি মারা যায়, তাহলে পরদিন সে গাভী দূধ দিতে চায় না। সে গাভীকে দুধ দেওয়ানোর জন্য মরা বাচ্চা গরুর চামড়ার ভেতর থেকে মাংস ফেলে দিয়ে তার ভেতর খোরখুটা দিয়ে সেটাকে মায়ের সামনে অর্থাৎ গাভীর সামনে রেখে দিলে সে দুধ দিতে শুরু করে।
রবীন্দ্রনাথ অনুবাদ সাহিত্যকে এই চামড়া আর খরখুটা সর্বস্ব বাচ্চা বা বাছুরের সাথে তুলনা করেছেন। তাঁর মতে অনুবাদে মূল সাহিত্যের আস্বাদন পাওয়া যায় না। এটা কেবলই ছলনা।
এই লেখাটা পড়বার আগ পর্যন্ত কুর-আন নিয়ে আমি এ যাবতীয় প্রশ্ন করেছি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কথা অনুসারে এখন মনে হচ্ছে কুর-আনকে জানতে হলে আরবী ভাষা পুংখানুপুঙ্খভাবে জানতে হবে। তাছাড়া এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।
আমার কাছে জাকির নায়েকের উত্তর গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি প্রচন্ডভাবে মিথ্যা কথা বলেন!
++++
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪০
তেপান্তর মন বলেছেন: আমিও ++++ দিলাম
১০|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৪
মহসিন আহমেদ বলেছেন: "লেখক বলেছেনঃ আল্লাহর বানি আমি আমরা দিয়ে কেন হবে?"
আমি এবং আমরা এর রহস্য আরবী ভাষায় পন্ডিত মার্কা কাঠমোল্লারাইতো বোঝতে পারে না, আপনি কি বোঝবেন?!
"স্বপ্নডানা বলেছেন: কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কথা অনুসারে এখন মনে হচ্ছে কুর-আনকে জানতে হলে আরবী ভাষা পুংখানুপুঙ্খভাবে জানতে হবে। তাছাড়া এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। "
আরবী ভাষা পুংখানুপুঙ্খভাবে যারা জানেন তারাই আল্লাহ যেখানে 'আমারা' বলেছেন সেখানে পন্ডিতি করে 'আমি' বসিয়ে দিয়ে আনুবাদ করে ফেলেছেন। আরবী ভাষা জেনেও কিন্তু 'আমরা' বলার রহস্য বাহির করতে পারেনি, সুতরাং কোরানকে বোঝতে ভাষা জানলেই হইবে না।
আল্লাহ ১৫০০ বছর আগে কোরানে "অসংখ্য পূর্ব এবং পশ্চিম" এর কথা বলেছেন, অসংখ্য পূর্ব এবং পশ্চিমকে আরবী ভাষা জানা পন্ডিতরা কি বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে আর আধুনিক বিজ্ঞান কি প্রমান করেছে একটু মিলিয়ে দেখন। আধুনিক বিজ্ঞান যদি কাঠমোল্লাদেরকে লাথি-উশঠা দিয়ে বোঝিয়ে না দিত তা হইলে ভাষা জানা পন্ডিতদের ব্যাখ্যা যা দিয়েছে তাই মেনে চলতে হইত। এই ভাষা জানা পন্ডিতদের করা কোরানের এমন অনেক উল্টা-পাল্টা ব্যাখ্যা আমরা মেনে চলছি । ইসলামের ৩ কূড়ি ১৩ ফেরকার জন্য দায়ী এই ভাষা জানা পন্ডিতরা।
পোস্টের সাথে মিল ছাড়া মন্তব্য করার জন্য সরি।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৪
তেপান্তর মন বলেছেন: না ঠিক ই আছে। পোস্ট এর সাথে মিল ছিল। আপনার মন্তব্বের জন্য ধন্যবাদ।
১১|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৯
মূসা আলকাজেম বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ্। ভাই একজন আলিম বলেছেন, সূরা ফাতিহার মাধ্যমে আল্লাহ্ আমাদেরকে একটি দোয়া শিখিয়েছেন, যেটা দিয়ে আমরা আল্লাহ্র কাছে প্রতি নামাজে চাইবো।
আর সূরা আলাকে প্রথমে একটি আদেশ করা হয়েছে, এরপর আল্লাহ্ তার নবীকে সম্বোধন করে নিজের গুণ জানাচ্ছেন, আবার মানুষের সৃষ্টি কি থেকে তা জানাচ্ছেন ইত্যাদি ইত্যাদি
আর কোরআন আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে। আরবী ভাষার প্রকাশভঙ্গী বাংলার মত হবে এমন নয়। আর এক person থেকে আরেক person-এ চলে যাওয়া বা নিজেকে 3rd person হিসাবে উল্লেখ করা আরবী ভাষায় খুব বেশী হয়। একই বাক্যের মধ্যেও অনেক সময় এমন করা হয় যে ১মে নিজেকে 1st person হিসাবে কথা শূরু করে আবার দুই শব্দ পরেই নিজেকে 3rd personহিসাবে উল্লেখ করা হয়, এটা আরবী ভাষার নিয়ম। বাংলা ভাষার রীতি হিসাবে এটা অসংগতি হতে পারে, কিন্তু আরবীর রীতি হিসাবে অসংগতি নয়।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৮
তেপান্তর মন বলেছেন: আপনার মন্তব্বের জন্য ধন্যবাদ।
১২|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:০৮
নজিবুল্লাহ বলেছেন: আপনার প্রশ্নটা আমি ঠিক বুঝলাম না। কোরআনে তো শুধু প্রর্থনা বা শুধু আদেশ নিষেধই নেই। কোরআনের আয়তগুলো তো বিভিন্ন ধরণের। যেমন মনে করুন সূরা ফাতিহায় আল্লাহ পাক আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন আমরা কিভাবে তার নিকট চাইব। এর দোয়ামূলক যত আয়াত আছে সব তো 1st পার্সন দিয়েই হবে। আবার আদেশ-নিষেধ মূলক যত আয়াত আছে যেমন আল্লাহ পাক যত যায়গায় বলেছেন এটা করো, ওটা করিওনা সে ক্ষেত্রে 1st Person হবে কোন যুক্তিতে ? আল্লাহ পাক বান্দাকে আদেশ দিচ্ছেন, সেগুলো আমরা পড়ে পড়ে জানতেছি তাহলে এখানে আল্লাহ তুমি, তোমরা বলে নির্দেশগুলো দিতেছেন আমরা তাহলে এখানে 1st Person পড়তে যাব কেন ? আবার কিছু আয়াত আছে উপদেশ মূলক, কিছু আয়াত আছে ইতিহাস, যেমন কোন নবী কি করেছেন, তার উম্মতগণ কি করেছেন ইত্যাদি ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে আল্লাহ পাক সে পারসন ইউজ করেছেন আমরা সে পার্সন এ না পড়লে সঠিক অর্থ পাবো কি করে ? আপনি যদি মনে করেন যে, কোরআন তেলাওয়াত করে করে শুধু নেকি কামানের জন্যই নাযিল হয়েছে তাহলে হয়ত আপনার লজিকটা কিছুটা যুক্তিযুক্ত হয়। আর যদি মনে করেন যে, কোরআন শুধু সুর করে তেলাওয়াত করার জন্যই নাযিল হয়নি বরং এটা একটা পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, তাহলে এটা যে পার্সন এ যা যা বলেছে আমরা যদি সেভাবে এটা্র অর্থ না বুঝি তাহলে সঠিক অর্থ পাবো কিভাবে ?
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৮
তেপান্তর মন বলেছেন: আদেশ-নিষেধ মূলক যত আয়াত আছে যেমন আল্লাহ পাক যত যায়গায় বলেছেন এটা করো, ওটা করিওনা সে ক্ষেত্রে 1st Person হবে কোন যুক্তিতে ? আল্লাহ পাক বান্দাকে আদেশ দিচ্ছেন, সেগুলো আমরা পড়ে পড়ে জানতেছি তাহলে এখানে আল্লাহ তুমি, তোমরা বলে নির্দেশগুলো দিতেছেন আমরা তাহলে এখানে 1st Person পড়তে যাব কেন ?
সেক্ষেত্রে আমরা যখন তিলাওয়াত করব তখন আমাদের মুখ নিঃসৃত আয়াত গুলোও কি আদেশমুলক হয়ে যাচ্ছে না? আমরা কাকে আদেশ দিচ্ছি? আবার পুরো কুরানে কিভাবে কি করতে হবে সব যদি 2nd person এ বোঝানো সম্ভব হয় তাহলে দোয়া কিভাবে করতে হবে সেটাও কি 2nd person এ বোঝানো যেত না?
১৩|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১১
নজিবুল্লাহ বলেছেন: আপনি যখন কোরআন পড়বেন তখন মনে করবেন আল্লাহ পাক আপনাকে কোরআনের আয়াতগুলো বলতেছেন তাহলে আর আপনার এই কনফিউজিং টা থাকবে না, আশা করি।
১৪|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১৪
এনজেল মাইন্ড বলেছেন: লেখক কে বলসিঃঃঃ আরবি ভাষা সম্পরকে জানুন। আপনি যদি এই ভাষা সম্পরকে জানতেন তবে এরকম বোকার মত পোস্ট দিতেন না।
'মূসা আলকাজেম' যে উত্তর তা দিয়েছেন সেটা সঠিক।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৫
তেপান্তর মন বলেছেন: শুধুমাত্র তর্ক বাড়বে বলে আমি মূসা আলকাজেম এর মন্তব্বের কোন উত্তর দেই নি। কিন্তু আমি আরবি ভাষা সম্পর্কে জানি। আরবি ভাষায় "তুই, তুমি, আপনি" এরকম সম্মানসূচক কিছু শব্দের আলাদা আরবি নাই। আর কিছু সমস্যা হয় একবচন বহুবচন এ। কখনও কখনও একটা আরবি শব্দের পর শুধু একটা বাড়তি হরফ অথবা বাড়তি একটা টান লাগিয়ে দিলেই একবচন থেকে বহুবচন হয়ে যায়। তাই এই ২ টির মধ্যে পার্থক্য করা একটু কঠিন হয়ে পরে। কিন্তু person নিয়ে আরবিতে কোন সমস্যা নাই। এইটা খুব সহজেই আলাদা করা যায়।
১৫|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৫৭
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: কোরানের ভাষা মূলত রাসুলুল্লাহর সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্দেশণার প্রকাশ মাত্র। সেইসাথে তা' মানবজাতির জন্যও নির্দেশণা।
কবি তার কবিতা যে পুরুষেই লেখেন না কেন, একজন আবৃত্তিকার কি পাঠের সময় তা নিয়ে প্রশ্ন করেন? মূল নির্যাসটা বুঝতে পারাটাই জরুরী।
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৬
তেপান্তর মন বলেছেন: হম স্বীকার করছি। কিন্তু কুরআন তো কোন লেখকের লেখা কবিতার বই না যে ভাল লাগ্লে পরলেন না হয় ছুরে ফেলে দিলেন। কবিতা তে লেখকের বেক্তিগত ধ্যান ধারনার বহিপ্রকাশ ঘটে। সেটা কারো ভাল নাও লাগতে পারে। সেটা কেউ পাঠ করতে বাধ্য না। কিন্তু কুরআনের ক্ষেত্রে বেপারগুলো পুরো আলাদা। এটা কে বলা হচ্ছে পরিপূর্ণ বিধান। তাই এটা মটেও কবিতার সাথে তুলনাযোগ্য নয়।
১৬|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:০২
নজিবুল্লাহ বলেছেন: সেক্ষেত্রে আমরা যখন তিলাওয়াত করব তখন আমাদের মুখ নিঃসৃত আয়াত গুলোও কি আদেশমুলক হয়ে যাচ্ছে না?
আমার পূর্ণ মন্তব্যটি মনে হয় আপনি পড়েন নি, কোরআন তো তেলাওয়াতের জন্যই নাযিল হয় নি, আমরা যখন তেলাওয়াত করব তখন তো আমরা কাউকে নির্দেশ দিচ্ছি না, আমরা আল্লাহর নির্দেশ গুলো জানতেছি। সো কোরআন পড়তে হবে অর্থ জানার জন্যে নেকী কামানোর জন্যে না। হা না বুঝে পড়লে যে নেকী হবে না, তা না, তাতেও নেকী হবে এবং এটাই কোরআনের এক আলাদা বিশেষত্ব যে, কোরআন না বুঝে পড়লেও নেকী হয়। কিন্তু এ নেকী কামানোর জন্যেই কোরআন আসে নি, কোরআন এসেছে আল্লাহ পাক এর বিধানগুলো জানানোর জন্যে। সো আপনি আরবী বুঝলে নিজেই বুঝবেন কোন আয়াতে আল্লাহ পাক কি বলতেছেন আর আরবী না বুঝলে অনুবাদ পড়ে পড়ে জানবেন যে, কোন আয়াতে আল্লাহ পাক আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন, কোন আয়াতে উপদেশ দিচ্ছেন কোন আয়াতে দোয়া শিক্ষা দিচ্ছেন।
২. দোয়াও সেকেন্ড পার্সন এ বোঝানো যেত, সে ক্ষেত্রে আমরা যখন সে দোয়াটাই আল্লাহ পাকের নিকট করতাম তখন আর হুবহু আল্লাহ পাকের নাযিল কৃত বাক্যের মাধম্যে করতে পারতাম না, তখন আমাদেরকে নিজেদের ইচ্ছা মত শব্দ চেঞ্জ করে দোয়া করা লাগত। একক ভাবে দোয়া করলে বলা লাগত ফাস্ট পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার এ আবার সবাই মিলে দোয়া করলে নিজেদের প্রয়োজন মত ফাস্ট পার্সন প্লুরাল নাম্বারএ দোয়া করা লাগত। তাই আল্লাহ পাক নিজেই পার্সন ঠিক করে হুবহু দোয়াটাই দিয়ে দিলেন যাতে আরা আমাদেরকে কোনরুপ এর মাঝে পরিবর্তন করা না লাগে।
১৭|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৫
নজিবুল্লাহ বলেছেন: কিন্তু person নিয়ে আরবিতে কোন সমস্যা নাই। এইটা খুব সহজেই আলাদা করা যায়।
আপনার আরবী ভাষার উপর কেমন জ্ঞান আছে আমি জানি না। তবে ভাল জ্ঞান থাকলে এ কথাটা বলতেন না, আরবীতে বচন যেমন খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায় ঠিক তদ্রুপ পার্সন ও খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায়। দুনিয়ার সবচাইতে সুগঠিত ও সুবিস্তৃত ভাষা হল আরবী। মনে করুন বাংলা বা ইংরেজিত টেন্স কয় প্রকার ? বাংলায় মাত্র তিন প্রকার। অতিত, বর্তমান আর ভবিষ্যত আর ইংরেজিকে এটাকে আরেকটু বাড়িয়ে ১২ প্রকার করেছে। আর আরবীতে কত প্রকার জানেন ? আরবীতে একটি ক্রিয়ারুপ কে যমন "পড়া" একে ৬৬৭ প্রকার এ রুপান্তর করা যায়। এবার চিন্তু করুন আরবী ভাষার ডাল পালা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। আর মুসা কাজেম ভাই এর কথাও ঠিক আছে। আপনি কোনদিনই কোরআনের মূল ভাব ধরতে পারবেন না, আরবী না জানলে। বা কুরআন পড়ে মজা পাবেন না, আরবী ভাষা রীতে না জানলে। তাই কোরআন পূর্ণাঙ্গরুপে বুঝতে হলে আপনাকে অবশ্যই আরবী ভাষায় বিশেষ ভাবে ব্যুৎপত্তি অর্জন করতে হবে। আর শুধুমাত্র কোরআনকে বোঝার জন্যেই ইসলামী বিদ্যাপিঠগুলোতে আরবী ভাষা সংশ্লিষ্ট প্রায় ৬/৭ টা শাস্ত্র শিক্ষা দেয়া হয়। যা আয়ত্ব করতে অন্তত ২/৩ বছর লেগে যায় শিক্ষা নবীসদের। এমনকি শুধুমাত্র কোরআন বুঝার জন্য তাদরেকে সেই আইয়ামে জাহিলিয়্যাতের যুগের আরবী সাহিত্যও পড়তে হয়। এবার বুঝুন আপনি কয় পাতা আরবী পড়েই নিজেকে আরবী জানলেওয়ালা দাবী করে বসলেন !!!!!!!!!!!!!!!!!
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২৯
তেপান্তর মন বলেছেন: আচ্ছা আমি আরবি ওরকম ভাল জানি না স্বীকার করছি। তাই বলে অনেক বড় বড় scholar যারা কিনা দীর্ঘদিন আরবি ভাষার উপর বিভিন্ন দেশে থেকে পড়াশুনা করে বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে তারপর ইংরাজি বা বাংলায় কুরআন অনুবাদ করেছেন তারাও না জেনে না বুঝে ভুল অনুবাদ করেছেন বলতে চাচ্ছেন? পুরুষের মত একটা basic grammar তারা না বুঝেই ভুল অনুবাদ করেছেন অথচ আপনি ঠিক ই কোনটা সঠিক বুঝে গেলেন। এরকম দাবি করলে তো ভাই আমার কিছু বলার থাকে না।
১৮|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২০
অন্য হিমু বলেছেন: Pretheber sob dormo gronthogulo e somossa somboleto abong prosnobiddo. Its so sad. Thanks for this post.
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩০
তেপান্তর মন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
১৯|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২৪
কাব্য সৈনিক বলেছেন: একদিন সত্য কী মানুষ জানবে সেদিন খুব নিকটে
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩৩
তেপান্তর মন বলেছেন: ভাই খুব নিকট বলতে কত দিন এইটা আমার খুব জানার ইচ্ছা। এটা কি ২ বছর নাকি ২ বিলিয়ন বছর? আল্লাহর কাছে খুব নিকট টা কত বড়?
২০|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০০
নজিবুল্লাহ বলেছেন: আচ্ছা আমি আরবি ওরকম ভাল জানি না স্বীকার করছি। তাই বলে অনেক বড় বড় scholar যারা কিনা দীর্ঘদিন আরবি ভাষার উপর বিভিন্ন দেশে থেকে পড়াশুনা করে বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে তারপর ইংরাজি বা বাংলায় কুরআন অনুবাদ করেছেন তারাও না জেনে না বুঝে ভুল অনুবাদ করেছেন বলতে চাচ্ছেন? পুরুষের মত একটা basic grammar তারা না বুঝেই ভুল অনুবাদ করেছেন অথচ আপনি ঠিক ই কোনটা সঠিক বুঝে গেলেন। এরকম দাবি করলে তো ভাই আমার কিছু বলার থাকে না।
আমার মন্তব্যের দ্বারা যদি আপনি এটাই বুঝে থাকেন, তবে আপনার জন্য আফসুস করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই। আমি কোথায় বললাম যে তারা ভুল করেছেন ? আমি দ্বিতীয় মন্তব্যটা করলাম আপনি আরবী না জেনেও আরবী পন্ডিত সাজতে গিয়েছিলেন এই জন্যে। আর আপনার পোষ্ট এর জবাবও আমার ১৬ নং মন্তব্যে রয়েছে।
২১|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০৩
নজিবুল্লাহ বলেছেন: দেড় হাজার বছরের মানব জাতি কোরআনের ছুড়ে দেয়া চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ব্যার্থ হল আর আপনি কোরআনের অসঙ্গতি আবিষ্কার করে ফেললেন !!!
আপনার লইগ্যাইতো নুবেল কমিটে ওয়েটাইতাছে!
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২১
তেপান্তর মন বলেছেন: অনুবাদে যদি তারা ভুল নাই করে থাকেন তাহলে পারসন খুব সহজে পরিবর্তন করা যায় বইলা আপনি কি বুঝাইতে চাইলেন? যখন ইচ্ছা যেই পারসন ইচ্ছা ধরে নেয়া যায় এইরকম কিছু? আরবি ভাষা এতটা unstable হওয়ার কথা না আমি জদ্দুর জানি।
কুরানের অসঙ্গতি শুধু আমি না আরও অনেকেই বের করেছে। নেট ঘেঁটে দেখেন। হাজার হাজার পাবেন। অন্তর সিলগালা করে না রাখলে আপনিও দেখতে পেতেন। আপনি এখন ই বাইবেল খুলে পড়তে বসুন আপনি বাইবেল এ শত শত অসঙ্গতি পাবেন। আপনার এর জন্য হিব্রু ভাষাতে স্কলার হতে হবে না। কিন্তু কুরানের অসংগতিও আপনার কাছে সৌন্দর্য বলে মনে হবে। কারন বিশ্বাসীরা তো যুক্তি মানে না।
২২|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৭
নজিবুল্লাহ বলেছেন: কখনও কখনও একটা আরবি শব্দের পর শুধু একটা বাড়তি হরফ অথবা বাড়তি একটা টান লাগিয়ে দিলেই একবচন থেকে বহুবচন হয়ে যায়। তাই এই ২ টির মধ্যে পার্থক্য করা একটু কঠিন হয়ে পরে। কিন্তু person নিয়ে আরবিতে কোন সমস্যা নাই। এইটা খুব সহজেই আলাদা করা যায়।
আপনার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমি উক্ত মন্তব্যটি করেছি। আপনি যেমন বললেন এক বচনের সাথে বাড়তি একটি আলিফ লাগিয়ে যেমন সহজেই বহুবচন বানানো যায়, পার্সন এমন সহজভাবে পরিবর্তন করা যায় না। তাই আমিও বল্লাম যে পার্সনও খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায়। যেমন : ইয়াফআলু=সে করে, তাফআলু=তুমি কর, আফআলূ=আমি করি। প্রথম অক্ষরটা চেঞ্জ করলেই পার্সনও চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু কোরআনের আয়াতগুলোর পার্সন যে চেঞ্জ করা যাবে না, তাতো আমি কারণ সহ আগেই বলে দিলাম!
তা আপনার আবিষ্কৃত এ অসঙ্গতিটিকেকি আমরা নুবেল কমিটিতে পাঠাবো ? আর যারা যারা কোরআনের এমন আতেল মার্কা অসঙ্গতি বের করেছে তাদের জ্ঞানের দৌড় তো আপনার এ আবিষ্কার থেকেই বুঝা যাচ্ছে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩০
তেপান্তর মন বলেছেন: মুসলমান রা নোবেল পায় না সেজন্য আপনার আপসোস এর শেষ নাই বুঝতে পারতেসি। সেই তখন থেকে নোবেল নোবেল করে যাচ্ছেন।
২৩|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩১
নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০২
তেপান্তর মন বলেছেন: লেখার কুয়ালিটি খুব ভাল অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু আপনার কথাগুলোর সাথে আমি একমত নই। অনেক বড় লেখা। সবগুলো যুক্তি বসে খণ্ডন করার মত ধৈর্য বা সময় কোনটি ই আমার নেই। তবে আপনার লেখায় প্রথমেই আপনি যখন আকাশ নিয়া কথা বলেছেন তাই ওই বিষয়েই কুরানের কিছু আয়াত দেখাই আপনাকে।
২২:৬৫- তিনি - তুমি কি দেখ না যে, -- তিনি আকাশ স্থির রাখেন, যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্ঠে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান।
৩৪:৯-আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খণ্ড তাদের উপর পতিত করব। আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।
এর থেকেই বোঝা যায় আকাশ যে একটা খোলা দিগন্ত এই ধারণা আল্লাহর নাই। তিনি আকাশ কে ভেবেছেন পৃথিবীর ঢাকনা সরুপ।
আরও দেখুন-
৫০:৬- তারা কি তাদের উপরস্থিত তাদের আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই।
আকাশের আবার ছিদ্র থাকে কেমন করে? আবারো এটাকে ঢাকনা ভাবা হচ্ছে।
৭৮:১২ –“নির্মাণ করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত-আকাশ।
২১:৩২ - আমি আকাশকে করেছি সুরক্ষিত ছাদ।
মজবুত শব্দ টা আমরা কোন শক্ত গাঁথুনির ক্ষেত্রেই ব্যাবহার করি।
৫৫:৩৭, ৮২:১, ৮৪:১ --যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে
৭৮:১৯ –আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।
৭৭:৯ - যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে
এইসব আয়াত কি আপনার কাছে গ্রহনযোগ্য ও বিজ্ঞান সম্মত? জাকির নায়েকের মত কথা পেঁচাবেন না। লাইন গুলোর অর্থ সহজভাবে দেখুন। কোন লুকায়িত অর্থ খুজতে যাবেন না। কারন এসব অর্থের মধ্যে কোন জটিলতা থাকার কথা না। আল্লাহ ই বলেছেন --
নিশ্চয়ই আমি কুরআনকে খুব সহজ ভাষায় নাজিল করেছি এ জন্য যে যাতে তোমরা তা বুঝতে পারো। (সূরা ইউসুফঃ ২ আয়াত)
সহজ জিনিস কে জোর করে জটিল করবেন না।
২৪|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪০
অনিক আহসান বলেছেন: রোজার মাসে এইসব কথা না তুললেও পারতেন ।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০৬
তেপান্তর মন বলেছেন: ভাই, এই জন্যই তো প্রথমেই সাবধান করে দিলাম। কিন্তু না সুনলে আমার কি করা?
২৫|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০৬
ম্যাভেরিক বলেছেন: আপনি তো ব্যাকরণে খুব পণ্ডিত মনে হচ্ছে। এখন দয়া করে আমাদের বোঝাবেন কি, নিচের বাক্য ৩টি ব্যাকরণের নিয়মে first person কীভাবে হয়?
১. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
২. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৩. যিনি বিচার দিনের মালিক।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০৮
তেপান্তর মন বলেছেন: প্রতিটা লাইন first person কখন বললাম? অনুবাদ টা এক জায়গা থেকে কপি করা তাই পুরোটাই একসাথে দিয়ে দিলাম।
২৬|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:১৬
ম্যাভেরিক বলেছেন: "আপনারা একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে, সুরা ফাতিহা 1st person (আমরা, আমাদেরকে) এ লেখা হয়েছে।"
--পুরো লেখা জুড়েই তো এরকম চিল্লাফালা, উদাহরণ বলে গেলেন সুরা ফাতিহা first person-এর।
অথচ এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি সুরা ফাতিহা আসলে প্রথমে third পরে first person-এ, কিন্তু একবারের জন্যও বলেননি, হয়তো আপনি ব্যাকরণই জানেন না, যে প্রথমেই বাক্য ৩টি ব্যতিক্রম। নিজের ভুল স্বীকার করেন, তারপর বাকি আলোচনা চলতে পারে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৪
তেপান্তর মন বলেছেন: হম ভুল স্বীকার করছি। আমার বলা উচিত ছিল "আপনারা একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে, সুরা ফাতিহার কিছু লাইন 1st person (আমরা, আমাদেরকে) এ লেখা হয়েছে।"
২৭|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৫
নজিবুল্লাহ বলেছেন: ৮ নং পয়েন্ট দেখুন।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৩৫
তেপান্তর মন বলেছেন: হম দেখলাম। যদিও আমার এতেও দ্বিমত আছে তারপর ও ধরে নিলাম একটা লাইন এর উত্তর পেয়েছি। কিন্তু বাকি গুলো কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
২৮|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১২
নজিবুল্লাহ বলেছেন: বিজ্ঞান কোন চিরন্তন সত্য নয়। বরং বিজ্ঞান হল সত্য উৎঘাটনের এক চলমান পক্রিয়া। তাই বিজ্ঞানের যতই উন্নতি হবে, কোরআনের রহস্য ততই ইন্মোচিত হবে। কোরআনের বহু রহস্য এখনো অনুদঘাটিত। কিন্তু যতটুকু ই উদঘাটিত হয়েছে তাতেই এটা যে স্রষ্টার পক্ষ্য থেকে আগত তা প্রমানে যথেষ্ট। পোষ্ট টি ফাষ্ট টু লাষ্ট পড়ুন। তাহলেই এ প্রমানের সত্যতা পাবেন। তাছাড়া সকল বৈজ্ঞানীক থিওরীও আমাদের জানা নেই। হয়ত এমন অনেক প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক থিওরী রয়েছে যা এ সকল আয়াতের সাথে পূর্ণ সামাঞ্জস্যশীল।
২৯|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:২৭
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: ঘোড়ারডিম বলেছেন: তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। ..... ...... ( সূরা আল ইমরান : ১৯১)
এটি নিয়ে কিছু বললেন না? এখানে তো আরেকটি বড় ভুল। আল্লাহ নিজে কিভাবে বলেন তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। এখানে কি তাহলে মোহাম্মাদ সাঃ কে জিবরাইল আঃ নিজের কথা বলছেন? বড়ই ভেজালের জিনিষ এই কোরআন তাই না?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৩৬
তেপান্তর মন বলেছেন: হম আসলে খুঁজলে এরকম অনেক বিভ্রান্তি পাওয়া যাবে। লেখা খুব বেশি বড় করতে চাই নি। লেখা বেশি বড় হলে অনেকেই পুরাটা না পরেই মন্তাতব্য করে। তখন মেজাজ খারাপ হয়। তাই একটা সূরা (সূরা ফাতিহা) নিয়ে কথা বলেছি।
৩০|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:৩৯
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: ফার্স্ট পারসনের উদাহরণ (সুরা ফাতিহা ৪):
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আল্লাহ বড়ই ভুল করেছেন, নিজেকে নিজেই বলছেন, তোমারই ইবাদত করি তোমারই সাহায্য চাই। এখন মনে হচ্ছে মুহাম্মাদ সাঃ নিজেই কোরআন রচনা করেছেন এবং আমাদেরকে সুরা ফাতিহা শিখিয়েছেন।
ফার্স্ট পারসনের উদাহরণ ("বলো" এক কারণে সেকেন্ড পারসন হয়ে গেছে) (সুরা ইখলাস ১):
বলো, তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ বড়ই সুন্দরভাবে আমাদেরকে বলতে বলেছেন বলো, তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। কিন্তু সুরা ইখলাস পড়াস সময় আমাদের কেন বলা লাগবে "বলো"? আল্লাহ তো আমাদেরকে বলতে বলেছেন, সুতরাং সুরা ইখলাস আমরা "তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়" দিয়ে শুরু করলাম না কেন। বড়ই আজিব চিজ হে কোরআন হ্যায়, এদিকেও সমস্যা ওদিকেও সমস্যা।
সুতরং সুরা ফাতিহা ৪ নং আয়াতটি হওয়া উচিত ছিল বলো, আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। তাহলে এটি যে আল্লাহ বলেছেন সেটি প্রমানিত হতো। কিন্তু সেক্ষেত্রে ইবাদতের সময় আমাদের "বলো" কথাটি বাদ দিতে হতো। কারণ "বলো" বলে আমরা কাদেরকে বলতে বলছি? ইবাদতে তো আমাদেরই মনের কথা সরাসরি আল্লাহকে বলা উচিত ছিল।
এবার আপনি চিন্তা করে সলিউশন দিন। কিভাবে আল্লাহর ইবাদতে সময় আল্লাহকে ডাকলে সর্বোৎকৃষ্ট হয় সেটি আল্লাহ অবশ্যই ভাল জানেন, ঠিক কিনা? আপনার আমার ক্ষুদ্র ব্রেইনকে অনেক এক্সারসাইজ করতে হবে সেগুলি বুঝতে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৫
তেপান্তর মন বলেছেন: কেন এভাবে বলা হল না?
১. স্বীকার কর, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৫. প্রার্থনা কর, আমাদেরকে সরল পথ দেখাও।
তাহলেই তো স্পষ্ট ভাবে বোঝা যেত যে এাণী।আল্লাহর ই বানি
৩১|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:৪০
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: বলতে পারবেন সুরা ফাতিহা কেন প্রতি নামাজের প্রতি রাকাতে পরা ফরজ? অন্য সুরাও তো হতে পারতো।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪৬
তেপান্তর মন বলেছেন: আমার জানা মতে ইসলাম এর সবচেয়ে ব্যাসিক স্বীকারোক্তিগুলোর খুব সংক্ষেপে এই সুরায় আছে সেই জন্য।
৩২|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪৮
তেপান্তর মন বলেছেন: যেসব মন্তব্বে লেখার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যুক্তিসম্পন্ন কোন কথার বদলে সুধুমাত্র গালিগালাজ থাকবে সেগুলো মুছে দেয়া হবে।
৩৩|
০৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:০৭
রিপেনডিল বলেছেন: লেখক মনে হয় ইতিমধ্যে উত্তর পেয়ে গেছেন। ১৪০০ বছর আগের আরবির সাথে এমনকি এখনকার আরবীর ও মিল নেই, বাংলা তো দূরের কথা। আর আয়াতগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অবস্থার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন নির্দেশ এবং উদ্দেশ্যে নাজিল হয়েছে এবং তার উপর ভিত্তি করে নবীর কাছে আল্লাহর বানী প্রেরিত হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৩
মশিউর মামা ১ বলেছেন: নয়া বাল গজাইছে ? রোজার দিনে চুলকানি উঠছে ?