| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।
ইসলামি শরিয়া ভিত্তিক দেশের পাঁচ পাঁচটি ইসলামি ব্যাংকের আজ বেহাল দশা, তারা গ্রাহকের টাকা ফেরৎ দিতে পারছে না। সবগুলো ব্যাংকই এখন দেউলিয়ার পথে, বাধ্য হয়ে সরকার এই পাঁচ ব্যাংকে একিভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্যাংকগুলো হলো:
১: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
২: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৩: সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৪: ইসলামিক ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
৫: শরিয়া ভিত্তিক এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড
উপরোক্ত ব্যাংকগুলোতে যদি আপনার কোট কোটি টাকাও জামা থাকে তবে ফেরৎ পাবেন মাত্র দুই লাখ। একীভূত প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ইসলামি ব্যাংকের আমানতকারীরা তাঁদের টাকা ফেরত পাবেন। চলতি সপ্তাহ থেকে তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হতে পারে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
একজন আমানতকারী তাঁদের ব্যাংক হিসাবে জমা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন। বাংলাদেশের ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় আমানত বিমা তহবিল থেকে এই টাকা দেওয়া হবে।
সমস্যাগ্রস্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’র চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্যাংকটি সমস্যাগ্রস্ত ওই পাঁচ ইসলামি ব্যাংককে অধিগ্রহণ করবে। বিস্তরিত: একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকেরা কীভাবে টাকা ফেরত পাবেন....... পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের যে আশ্বাস দিলেন গভর্নর
কথা হচ্ছে- আমি যতদূর জানি ইসলামী ব্যাংকগুলো মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা করে, গ্রাহকের আমানত থেকে এরা দুই দিক দিয়েই বড় অংকের মুনাফা করে, কিন্তু আমানতকারীদের খুব অল্পরিমাণ মুনাফা দিয়ে থাকে যেমন- একজন আমানতকারী ইসলামি কোন ব্যাংকে টাকা রাখলে বছর শেষে তাকে যে পরিমাণ মানুফা দেয়ার কথা থাকে নানা টালবাহানা এবং শরীয়ার মারপ্যাঁচে তাদের সে পরিমাণ মানুফা দেয় না, ক্ষুদ্র কিছু আমানতকারীদের তারা হয়তো প্রথম দুই/এক বছর ঠিকমত মুনাফা দেয় কিন্তু বড় আমানতকারীদের তারা মুনাফা তো দেয়'ই না উল্টো তাদের কাছ থেকে টাকা কেটে রাখে, এভাবে প্রতিবছর তরা আমানতকারীদের আমানত থেকে বিপুল পরিমাণ মুনাফা অর্জন করে থাকে।
অপরদিকে যারা ব্যবসা করার জন্য ইসলামি ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেয় প্রতিবছর তাদের কাছ থেকে ১৫% সূদ নেয়া হবে বলা হলেও নানা আইন ও শরীয়ার মারপ্যাঁচে তাদের কাছ থেকে ৩০/৪০ পারসেন্ট পর্যন্ত সূদ নিয়ে থাকে, এভাবে তারা ঋণ গ্রহিতাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মানুফা অর্জন করে থাকে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে- ইসলামি ব্যাংকগুলো আমানতকারী এবং ঋণ গ্রহিতা দু'পক্ষের কাছ থেকেই প্রতিবছর বিপুল পরিমাণে মুনাফা অর্জন করে থাকে, এত এত মুনাফা অর্জন করার পরেও তারা কেন আজ দেউলিয়ার পথে?
তাহলে এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে এত এত মুনাফার টাকা দিয়ে তারা আসলে করে কি? তারা কি তাহলে জুয়া খেলে গ্রাহকের টাকা নষ্ট করে ফেলছে?
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: হালাল হারামের মারপ্যাঁচে টাকা কামানোর ধান্দা আরকি।
২|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:১৩
আমি নই বলেছেন: বাংলাদেশে ধ্বসে পরা প্রায় প্রতিটা ব্যাংকের মুল নিয়ন্ত্রণে এস আলম গ্রুপ ছিল, তারাই বলতে পারবে জুয়া খেলেছে না পাচার করেছে।
আপনি যে ৫ টি ব্যংকের লিস্ট দিয়েছেন এর মধ্যে শুধু এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং বাকিগুলো ছিল চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে।
বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি মূলধন ওয়ালা ব্যাংক ছিল ইসলামী ব্যাংক। যতদুর মনে পরে ২০১৭ সালের পর এই ইসলামী ব্যাংকও এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং শুধুমাত্র ৩-৪ বছরেই বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি মূলধন ওয়ালা ব্যাংকটি মূলধন সংকটে পরে। আপনার কি মনে হয় কেন এমন হলো? এই প্রশ্নের উত্তর যদি বুঝতে পারেন তাইলে বাকি ইসলামি ব্যাংকগুলোর টাকা কি হলো এটাও বুঝতে পারবেন।
সুতরাং প্রশ্ন করার আগে ব্যাংকগুলোর ইতিহাস জানা জরুরি।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এস এ আলম গ্রুপের তাহলে ইসলামি ব্যাংকগুলোর উপরেই নজড় পরেছিলো, এটা কি তাদের পূর্বপরিকল্পতি কোন প্ল্যান ছিলো?
এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান এখন কোথায় আছে, যে টাকা পাঁচার হয়েছে তা ফিরিয়ে আনার উপায় কি?
বর্তমানে যেসকল ব্যাংক রয়েছে, এগুলোর উপরেও অন্য কোন গ্রুপের নজড় পড়ার সম্ভবনা আছে?
শুনেছি এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম একজন দ্বীনদার লোক, বেশ কয়েকবার হজ্জেও গিয়েছিলেন।
৩|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এ পথের পথিক বলেছেন: যা বলতে এসেছিলাম ২ নাম্বার কমেন্টে "আমি নই" ভাই বলে দিয়েছেন ।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান এখন কোথায় আছে, যে টাকা পাঁচার হয়েছে তা ফিরিয়ে আনার উপায় কি?
বর্তমানে যেসকল ব্যাংক রয়েছে, এগুলোর উপরেও অন্য কোন গ্রুপের নজড় পড়ার সম্ভবনা আছে?
শুনেছি এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম একজন দ্বীনদার লোক, বেশ কয়েকবার হজ্জেও গিয়েছিলেন।

৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:২০
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: এস এ আলম গ্রুপের তাহলে ইসলামি ব্যাংকগুলোর উপরেই নজড় পরেছিলো, এটা কি তাদের পূর্বপরিকল্পতি কোন প্ল্যান ছিলো?
সম্ভবত ২০২১-২২ সালে একটা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল সেই রিপোর্টে সরকারি ৪টি ব্যাংক সহ ২০ টা ব্যাংককে চরম ঝুকিপুর্ন হিসেবে বলা হয়েছিল, তার মাঝে সম্ভবত ৫ টি শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক ছিল (অনেকদিন আগে পড়েছিলাম সো ব্যাংকের সংখ্যা ২/১ টা এদিক/ওদিক হতে পারে)। গুগলে সার্চ দ্যান তাহলেই পাবেন কোন কোন ব্যাংক ছিল এই লিস্টে।
লেখক বলেছেন: এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান এখন কোথায় আছে, যে টাকা পাঁচার হয়েছে তা ফিরিয়ে আনার উপায় কি?
বর্তমানে যেসকল ব্যাংক রয়েছে, এগুলোর উপরেও অন্য কোন গ্রুপের নজড় পড়ার সম্ভবনা আছে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার সঠিক ব্যাক্তি আমি না। তবে সত্যি জানার ইচ্ছে থাকলে ইসলামী ব্যাংকিং কে আক্রমন না করে একটু রিসার্চ করে পোষ্ট দিতেন।
শুনেছি এস এ আলাম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম একজন দ্বীনদার লোক, বেশ কয়েকবার হজ্জেও গিয়েছিলেন।
দ্বীনদার লোকের ডেফিনেশন সম্পর্কে আপনার জানার ভুল আছে। ৫ ওয়াক্ত নামাজই পরেনা এমন একজন মুসলিম কেও জিজ্ঞাসা করলে জানতে পারবেন একজন চোর, দুর্নিতিবাজ, দেশের জন্যে ক্ষতিকারক ব্যাক্তি যতই নামাজ পরুক আর হজ্ব করুক সে সত্যিকারের দ্বীনদার নয়, সে লোক দেখানো দ্বীনদার। বাকিটা আল্লাহ ভালো জানেন।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সে লোক দেখানো দ্বীনদার। - আর কিছুদিন পর দেখা যাবে, ইসলাম/শরিয়ার নাম করে আরও নতুন কিছু ব্যাংকের আবির্ভাব ঘটেছে এবং সে ব্যাংকগুলোও এমন একজন দ্বীনদার লোকের খপ্পরে পরেছে আর এভাবেই চলতে থাকবে।
আমার ধারণা উক্ত ব্যাকগুলোর নামকরণের পিছনে সদূর প্রসারী কোন প্ল্যান ছিলো, জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলমও এই নামকরনের পিছনের একজন ব্যক্তি হতে পারে, তা না হলে সবগুলো ইসলামি ব্যাংক একই সাথে ধ্বসে পড়তে পারে না, তাছাড়া এইসব ব্যাংকগুলোর কর্যক্রমও ছিলো স্ক্যামিং টাইপের.. তারা মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে টাকা জমা করাতো এবং ঋণ প্রদাণ করতো কিন্তু প্রফিটের সিংহভাগ টাকা ব্যাকংগুলো নিয়ে নিতো, যার বিস্তারিত তথ্য আমি পোস্টে উল্ল্যেখ করিয়াছি।
২০১৭ সালে ইসলামি শরিয়া ভিত্তিক নামে কি একটা ভূঁইফোর ব্যাংক/কোম্পানি গাজীপুরে আমার পরিচিত একজনের ৩৬ লক্ষ টাকা মেরে দিয়েছে, অন্যন্য গ্রহকের টোটাল কত টাকা মেরেছে তার কো হদিস নেই।
কাজেই ইসলাম/শরিয়া এই ধরণের নামকরণে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেখলে সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে।
ধন্যবাদ।
৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৪৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: সূরা আত-তাগাবুন, আয়াত ১৭
If you loan Allāh a goodly loan, He will multiply it for you and forgive you. And Allāh is [most] Appreciative1 and Forbearing,
তোমরা যদি আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও, তবে তিনি তা তোমাদের জন্য দ্বিগুণ করে দেবেন, আর তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন, আল্লাহ (কারো কাজের) অতি মর্যাদাদানকারী, সহনশীল।
— Taisirul Quran
এই টেহা আল্লাহ নিতাছে, এই আর আপনে কি যে লেহেন, সামনে গজওয়াতুল হিন্দ আইতাছে, সবাই জামাতরে টেহা দ্যান।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনার উল্ল্যেখিত আয়াতে স্পষ্ট সূদের আলামত দেখতে পাচ্ছি,, সুতরাং এটা কোন মতেই সহিহ আয়াত হতে পারে না, এগুলো সব জাল আয়াত।
৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:০২
রাজীব নুর বলেছেন: ধর্মের নামে ব্যাংক গুলো ব্যবসা করছে। লাভবান হচ্ছে।
প্রতিটা ব্যাংকে ধর্মের লেজুর লাগিয়েছে। শরীয়াহ, ইসলামী, তাকওয়া ইত্যাদি। আসলে এরা মুনাফা ছাড়া কিচ্ছু বুঝে না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৯
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এরা গ্রাহকদের সাথে প্রফিটের খুব নগণ্য পরিমাণ শেয়ার করে থাকে তারপরেও তারা দেউলিয়া হয়ে যাবে,, আসলে এগুলো ধর্মের নামে স্ক্যামিং ছাড়া কিছুই না।
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১১
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মানুষের টাকা দিয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলো জুয়া খেলে নাই আওয়ামীলীগ মেরে দিয়েছে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আসলে এগুলো ধর্মের নামে স্ক্যামিং ছাড়া কিছুই না, বিস্তারিত ৪ নং কমেন্টের উত্তরে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আর শুধু আওয়ামীলীগের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে বসে থাকলে হবে না, আওয়ামীলীগের সমস্ত সম্পদ জব্দ করে তা যথাযথ গ্রহকের টাকা ফেরৎ দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: তাছাড়া এখন সময়ই হচ্ছে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার, আওয়ামীলীগ আমলে কোন ব্যাংক গ্রহাকের টাকা উত্তলোনে অপারগতা প্রকাশ করেছে এমন নজীড় দেখিনি, বিষয়গুলো একটু খেয়াল কাইরা।
৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৮
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: সে লোক দেখানো দ্বীনদার। - আর কিছুদিন পর দেখা যাবে, ইসলাম/শরিয়ার নাম করে আরও নতুন কিছু ব্যাংকের আবির্ভাব ঘটেছে এবং সে ব্যাংকগুলোও এমন একজন দ্বীনদার লোকের খপ্পরে পরেছে আর এভাবেই চলতে থাকবে।
আমার ধারণা উক্ত ব্যাকগুলোর নামকরণের পিছনে সদূর প্রসারী কোন প্ল্যান ছিলো, জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলমও এই নামকরনের পিছনের একজন ব্যক্তি হতে পারে, তা না হলে সবগুলো ইসলামি ব্যাংক একই সাথে ধ্বসে পড়তে পারে না, তাছাড়া এইসব ব্যাংকগুলোর কর্যক্রমও ছিলো স্ক্যামিং টাইপের.. তারা মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে টাকা জমা করাতো এবং ঋণ প্রদাণ করতো কিন্তু প্রফিটের সিংহভাগ টাকা ব্যাকংগুলো নিয়ে নিতো, যার বিস্তারিত তথ্য আমি পোস্টে উল্ল্যেখ করিয়াছি।
২০১৭ সালে ইসলামি শরিয়া ভিত্তিক নামে কি একটা ভূঁইফোর ব্যাংক/কোম্পানি গাজীপুরে আমার পরিচিত একজনের ৩৬ লক্ষ টাকা মেরে দিয়েছে, অন্যন্য গ্রহকের টোটাল কত টাকা মেরেছে তার কো হদিস নেই।
কাজেই ইসলাম/শরিয়া এই ধরণের নামকরণে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেখলে সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে।
ধন্যবাদ।
আমি জানি ইসলামী/ইসলাম এই শব্দগুলো দেখলেই আপনার গা জ্বালা করে, তাই শুধু মাত্র ইসলামী ব্যংকিং কেই আক্রমন করেছেন (যদিও ৪ টি সরকারি ব্যাংক সহ ২০ ব্যাংকের অবস্থা করুন হিসেবে সংবাদ বহু আগেই প্রকাশিত হয়েছে)। তবে আপনার মন খারাপ হবে শুনে যে সবগুলো ইসলামি ব্যাংক একই সাথে ধ্বসে পরে নাই।
আমি আগেই বলেছি ২০ টা ব্যাংককে চরম ঝুকিপুর্ন হিসেবে বলা হয়েছিল এর মাঝে মেবি ৫-৬ টা ছিল শরিয়া ভিত্তিক ব্যংক, ৪টি সরকারি ব্যাংকও ছিল ঐ লিষ্টে কিন্তু আপনার যেহেতু ইসলামী/ইসলাম/শরিয়াহ এই শব্দগুলোতে এলার্জি আছে তাই ৫-৬টা ব্যাংক নিয়েই চুলকানি। আচ্ছা বাকি ঝুকিপুর্ন ব্যাংক (যেগুলোর নামকরনে ইসলাম/শরিয়াহ কোনোটাই নাই) এগুলোর ব্যাপারে আপনার মতামত কি? তারা কি গ্রাহকের টাকা দিয়ে জুয়া খেলে?
যাইহোক আপনি ছোট বাচ্চা নন যে কিছুই বোঝেন না। এস আলম কে, তারা কোন আমলে ব্যাংকগুলতে প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং তারা কিভাবে ব্যাংকিং খাত টাকে শেষ করেছে এব্যাপারে বিগত সরকারের আমলেই শত শত নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো কোনো সংবাদই আপনার চোখে পড়েনি এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবে আপনি যদি সত্যিই শিশু বা অটিস্টিক টাইপের মানসিক সমস্যায় থেকে থাকেন তাহলে বলেন আমি আপনাকে শিখিয়ে দেব কিভাবে গুগলে সার্চ করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত সংক্রান্ত পুরোনো সংবাদ বের করতে হয়।
২০১৭ সালে ইসলামি শরিয়া ভিত্তিক নামে কি একটা ভূঁইফোর ব্যাংক/কোম্পানি গাজীপুরে আমার পরিচিত একজনের ৩৬ লক্ষ টাকা মেরে দিয়েছে, অন্যন্য গ্রহকের টোটাল কত টাকা মেরেছে তার কো হদিস নেই।
ই-ভ্যালী, যুবক, ডেস্টিনি ব্লা ব্লা এরকম হাজারো প্রতিষ্টান প্রতিবছর জন্ম নেয় মানুষকে ধোকা দেয়ার জন্য। আপনি বুদ্ধিমান হলে শুধু নাম দেখেই বা বিপুল লাভের প্রলোভনে পরে টাকা দেবেন না,এটা সিম্পল। আপনার সেই পরিচিত ব্যাক্তি একটা গাধা এবং লোভি। যেখানে হাতের কাছেই ৩০-৪০টা ভালো ভালো সরকারি বেসরকারি ব্যাংক আছে সেখানে কোন মানের গাধায় ভূঁইফোর ব্যাংক/কোম্পানিতে টাকা রাখে?
লেখক বলেছেন: তাছাড়া এখন সময়ই হচ্ছে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার, আওয়ামীলীগ আমলে কোন ব্যাংক গ্রহাকের টাকা উত্তলোনে অপারগতা প্রকাশ করেছে এমন নজীড় দেখিনি, বিষয়গুলো একটু খেয়াল কাইরা।
আপনি দেখেন নাই তাই ঘটেনি, এমনটা কেন মনে হল?
সংবাদ খোজেন পেয়ে যাবেন।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:৩৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ভাই সাহেব, উপরে উল্লেখিত কোন ব্যাংকে আপনি জব করেন একটু শুনি? আর আমার পোস্টে- এলার্জি, চুলকানি, অটিস্টিক, গরু, গাধা, ঘোড়া এইসব ট্র্যাশ টকিং করবেন না দয়া করে, কাজের কথায় আসেন।
বাংলাদেশের ব্যাকিং খাত ঝুঁকিপূর্ণ, অমুক অমুক ব্যাংক রেড জোনে আছে এসব নিউজ তো সারাবছরই দেখা যায় আর এগুলো সত্যও বটে, কিন্তু এসব বাদ দিয়ে স্পেসিফিকলি বলেন পোস্টে উল্ল্যেখিত ব্যাংকগুলো ব্যতিত বর্তমানে আর কোন কোন ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে, মানে গ্রহকদের টাকা দিতে পারতেছে না???
এবং বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের আর কোন কোন ব্যাংক এমন দেউলিয়া হয়ে গেছে যারা গ্রহকের টাকা দিতে পারেনি, বাধ্য হয়ে বীমা ফান্ড থেকে গ্রহকদের দু লাখ টাকা শান্তনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে?
ডেসটিনি, ই-ভ্যালি এসব হায় হায় কোম্পানীর সাথে ব্যাংকের তুলনা না করি, ব্যাঙের ছাতার মত এমন ছোট বড় অসংখ্য হায় হায় কোম্পানি দেশে ছিলো এবং আছে।
আপনি দেখেন নাই তাই ঘটেনি - আমি বলেছি এমন ঘটনা আমা নজড়ে পরেনি, ঘটেনি তা বলেনি, সবকিছুই কি আমার নজড়ে আসতে হবে?
ফেসবুক আর ইউটিউবের ব্যাঙ্গের ছাতার পেজ/চ্যানেল থেকে এখন আমাকে কিছু নিউজ ধরিয়ে দেন, আমার নজড়ে পরুক।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:৩৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সব বেদে আছে এই যুক্তির মত আপনার যুক্তি হচ্ছে সব গুগলে আছে।
![]()
৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৪৪
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই সাহেব, উপরে উল্লেখিত কোন ব্যাংকে আপনি জব করেন একটু শুনি? আর আমার পোস্টে- এলার্জি, চুলকানি, অটিস্টিক, গরু, গাধা, ঘোড়া এইসব ট্র্যাশ টকিং করবেন না দয়া করে, কাজের কথায় আসেন।
আমি কোনো জব করিনা, জব দেই। অটিস্টিক, গরু, গাধা ছারা স্বাভাবিক কারো মনে কখনও প্রশ্ন জাগবে না যে ব্যাংক তার গ্রাহকের টাকা দিয়ে জুয়া খেলে নাকি?
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ব্যাকিং খাত ঝুঁকিপূর্ণ, অমুক অমুক ব্যাংক রেড জোনে আছে এসব নিউজ তো সারাবছরই দেখা যায় আর এগুলো সত্যও বটে, কিন্তু এসব বাদ দিয়ে স্পেসিফিকলি বলেন পোস্টে উল্ল্যেখিত ব্যাংকগুলো ব্যতিত বর্তমানে আর কোন কোন ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে, মানে গ্রহকদের টাকা দিতে পারতেছে না???
ফারমার্স ব্যাংকের নাম শুনেছিলেন?
লেখক বলেছেন: এবং বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের আর কোন কোন ব্যাংক এমন দেউলিয়া হয়ে গেছে যারা গ্রহকের টাকা দিতে পারেনি, বাধ্য হয়ে বীমা ফান্ড থেকে গ্রহকদের দু লাখ টাকা শান্তনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে?
তো যেই ব্যাংকগুলো ঝুকিপুর্ন তারা গ্রাহকের টাকা দিয়ে জুয়া খেলেছে নাকি, এটাই আপনার জানার ইচ্ছা?
আপনি দেখেন নাই তাই ঘটেনি - আমি বলেছি এমন ঘটনা আমা নজড়ে পরেনি, ঘটেনি তা বলেনি, সবকিছুই কি আমার নজড়ে আসতে হবে?
আপনি বলেছিলেন "আওয়ামীলীগ আমলে কোন ব্যাংক গ্রহাকের টাকা উত্তলোনে অপারগতা প্রকাশ করেছে এমন নজীড় দেখিনি" ফারমার্স ব্যাংক কোন আমলে ব্যাপক দুর্নিতি এবং গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে না পেরে চারটি সরকারি ব্যাংকের সহায়তায় নাম পরিবর্তন করে চালু আছে?
ফেসবুক আর ইউটিউবের ব্যাঙ্গের ছাতার পেজ/চ্যানেল থেকে এখন আমাকে কিছু নিউজ ধরিয়ে দেন, আমার নজড়ে পরুক।
এটা ব্লগ, এখানে কেউ বেবি সিটিং করতে আসেনা। নিজের বুদ্ধি থাকলে এমনিতেই রেপুটেডেট সংবাদ থেকেই জানতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: সব বেদে আছে এই যুক্তির মত আপনার যুক্তি হচ্ছে সব গুগলে আছে।
২০২৬ সালের দোর গোড়ায় এসেও যদি গুগলের তথ্য খুজে দেয়ার ক্ষমতা (রেপুটেডেট সোর্স থেকে) সম্পর্কে আপনার বিন্দু মাত্র সন্দেহ থাকে তাহলে আপনাকে সোকল্ড বেদের যুগের মানুষই বলতে হবে।
![]()
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:০৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: মিস্টার গুগল বিশেষজ্ঞ আপনার যদি কোনই কাজ না থাকে তাহলে এই পাথরটি নিয়ে এক জায়গা থেকে অরেক জায়গায় স্থানান্তরিত করতে থাকেন, ভালো সময় কাটিবে।
গায়ে পরে ঝগড়ার উত্তম নিদর্শন হলেন আপনি, আপনি কি নিয়ে আমার পিছনে লেগে আছেন তা আপনি নিজেও জানেন না।
কারো মনে কখনও প্রশ্ন জাগবে না যে ব্যাংক তার গ্রাহকের টাকা দিয়ে জুয়া খেলে নাকি? গ্রহাকের কষ্টার্জিত টাকা যখন কোন প্রতিষ্ঠান মেরে দেয় তখন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির মনে না না প্রশ্নের জন্ম নিতেই পারে, আপনারা মানুষের টাকা মেরে দিতে পারেন আবার কিছু বলাও যাবে না? চোরের মার বড় গলা কি মানুষ সাধে বলে?
ফারমার্স ব্যাংকের নাম শুনেছিলেন? না,,, তো? এমন ভূঁইফোর ব্যাংকের নাম দেশের কয়জনে জানে একটু শুনি? আর শুধু ফারমার্স ব্যাংক কেন দেশের যে কোন ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়লে অন্যন্য ব্যাংকের সহায়তা নেয়, তারল্য সংকটে পড়েনি দেশের ইতিহাসে এমন কোন ব্যাংক আছে কি না আমার জানা নেই। ফারমার্স ব্যাংক মানুষের টাকা ফেরৎ দিতে পারেনি এ ধরণের কোন ঘটনা আমি শুনিনি।
আর ওই ভুইফোঁর ফারমার্স ব্যাংকের কিছু অর্থিক অনিয়ম ধরা পরার সাথে সাথে বাংলাদেশ ব্যাংক যথযথ ব্যবস্থা নিয়েছে, গ্রহকগণ সাময়কি অসুবিধায় পরলেও নতুন (পদ্মা ব্যাংক) ব্যাংক থেকে তরা ঠিকই তাদের সমস্ত টাকা উত্তলোন করতে পেরেছে। সমস্ত ব্যাংকেই কমবেশি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে, আর্থিক খাতে দূর্ণীতি হয় এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।
ক্রাইসিসে পরা বা তারল্য সংকটে পরা আর দেউলিয়া হয়ে যাওয়া দুটি জিনিস নয়? আপনি কি নিয়ে অযথা ক্যাচল করছেন তা কি আপনি নিজে অনুধাবন করিতে পারিচ্ছেন?
বিগত বছরেও ইসলামী ব্যাংক চড়া সূদে সোনালী ব্যাংক থেকে ১ হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছিলো, ব্যাংকিং সেক্টরে ইহা নৈমিত্তিক ঘটনা, ইহাকে বলে সাময়িক তারল্য সংকট, ইহা দেউলিয়া হয়ে যাওয়া নয়, আমি কি এখন আপনাকে ফাইন্যান্সর প্রাথমিক পাঠ দান করিবো? আমার খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই?
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:১১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ভিডিওটি প্লে হচ্ছে না, এখান থেকে দেখুন, সোনালী ব্যাংক থেকে সুদে ঋণ নিলো ইসলামী ব্যাংক
১০|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৪:১৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: আমার তো ধারনা ছিল, আওয়ামী লীগের ডাকাতেরা এই ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিলে পাচার করেছে সে কারনে এগুলোর মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আপনার কি ধারনা এর কারণ অন্য?
ইসলামি ব্যাংক এই নাম শুনলে আপনার মত অনেকের কাছে নামে ইসলামী কাজে শয়তানী টাইপ বিষয় মনে হতে পারে, যেটা হয়ত কিছু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে সত্যি। কিন্তু আসলে ইসলামি ব্যাংকের রিস্ক অনেক কম অন্য সাধারন ব্যাংকের চেয়ে। কিভাবে সেটা বলি।
ব্যাংকের আসল কাজ, মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করা এবং সেই আমানতগুলিকে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা ও বাণিজ্যের উন্নয়নের ঋণ দেওয়া। কিন্তু উগ্র পুজিবাদী সমাজে একটা ব্যাংক (ধরেন সিটিব্যাংক এনএ) উপরের কাজের চেয়ে এই কাজগুলো বেশি করে: ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং (মূলধন সংগ্রহ, স্টক/বন্ড ইস্যু), নগদ ব্যবস্থাপনা, কাস্টোডিয়ান ব্যাংকিং (আর্থিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ) এবং ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট (বিনিয়োগ পরামর্শ, পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা)। ফলে এদের রিস্ক অনেক বেশি হয়।
সে হিসেবে, ইসলামি ব্যাংকগুলো নয় অন্য ব্যাংকগুলোরই মানুষের টাকা দিয়ে জুয়া খেলার সম্ভাবনা বেশি।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:৪১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আওয়ামী লীগের ডাকাতেরা এই ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিলে পাচার করেছে সে কারনে এগুলোর মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। - আমিও তো তাই শুনি, লোকে তো তাই বলে।
প্রশ্ন তুলেছিলাম- এই সব ইসলামি ব্যাংকের উপরেই কেন তাদের নজড় পরে, তাছাড়া তাদের আমলে বা বাংলাদেশের কোন সরকারের আমলেই একসাথে এতগুলো ব্যাংক ধ্বসে পরার নজিড় আমি দেখিনি তাই একটু টাসকি খয়ে গিয়েছিলাম যে আসলে হচ্ছে টা কি!
ব্যাংকিং খাতে অনেক অনিয়ম, দূর্ণীতি আমরা দেখেছি, কিন্তু দেশের প্রথম সারির এতগুলো ব্যাংক একসাথে ধ্বসে পড়ার নজির ইতিহাসে নেই।
ভবিষ্যতে ননইসলামিক ব্যাংকগুলোও যদি এমন ধ্বসে পরে তারপর তার দায়ভার পূর্বের সরকারের উপর চাপিয়ে দেয় তাহলে চলবে?
ব্যাংকিং সেক্টরটাই হচ্ছে একটি আধুনিক ক্রাইম - তাই ইসলামি বাংকগুলো ছাড়া অন্য কোন ব্যাংকে দূর্ণীতি হয় না এমন কথা আমি বলছি না, কিন্তু আমাদের দেশে বড় বড় পুকুর চুরিগুলো ইসলামিক ব্যাকংগুলোতেই হয়েছে, যে কারণে সবগুলো ব্যাংক একসাথে ধ্বসে পরেছে। তাছাড়া একটা কথা প্রচলিত আছে- With a gun a man can rob a bank, with a bank a man can rob the entire nation।
কিন্তু আসলে ইসলামি ব্যাংকের রিস্ক অনেক কম অন্য সাধারন ব্যাংকের চেয়ে। - ইসলামি ব্যাংকগুলো ঠিক যে পদ্ধতিতে গ্রহাকদের কাছে থেকে অধিক পরিমাণ মুনাফা করে (যা আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি) তাহাতে সর্ষের মধ্যে ভূত না থাকলে এই বাংকগুলোর ধ্বসে পরার কোন কারণই নেই।
ইসলামি ব্যাংক এবং ননইসলামিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের দুটি পন্থা আপনি দেখিয়েছে এবং যুক্তি দেখিছেন ইসলামিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ খাত ঝুকিমুক্ত- অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি ইহা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
বিনিয়োগের কোন একক পদ্ধতি সব ব্যাংকের জন্য সর্বজনিন হতে পারে না, প্রতিটি ব্যাংকেরই রয়েছে নিজস্ব স্ট্র্যাটাজি, দিনশেষে মানুষ প্রফিটই দেখে ইহা কই থেকে আসলো কিভাবে আসলো মুখ্য বিষয় নয়। আপনার দেখানো ইসালামি ব্যাংকের বিনিয়োগের খাত সমূহ, যে কোন মুহুর্তে, বিভিন্ন কারণে ধ্বসে পরতে পারে, ঠিক যেমন স্টক/বন্ডে বিনিয়োগ কোন না কোন কারণে বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হতে পারে। আপনি শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না বিনিয়োগের এ পথটিই সর্বোত্তম পন্থা।
তাছাড়া বনিয়োগের পদ্ধতিটা প্রতিটি ব্যাংকেরই অভ্যন্তরীন বিষয়, অনেক সময় দূর্বল খাত থেকে যেমন প্রফিট হতে পারে আবার অনেক ওয়েল স্টাবলিশড খাত থেকেও লস হতে পারে, পুরো বিষয়টা নির্ভর করছে ব্যাংকগুলোর নিজ নিজ স্ট্র্যাটাজির উপর, তাবে যে সকল ব্যাকংগুলো স্ট্রং মানিম্যানেজন্ট, রিস্ক ম্যেনেজমেন্ট এবং ইনভেস্টমেন্টের ডাইভারসিফিকেশন কঠোরভাবে মেনে চলতে পারে তারা সাধারণত ধ্বসে পারে না।
ইনভেস্টমেন্ট জগতে যে কোন বিনিয়োগই জুয়াতে বা গ্যম্বলিং এ পরিণত হতে পারে, যেমন- দূর্বল কোন খাতে অধিক মুনাফার আসায় চোখ বুঝে বিনিয়োগ করাকেই মূলত জুয়া বা গ্যাম্বলিং বলে।
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ জানবেন।
১১|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১৩
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: কারো মনে কখনও প্রশ্ন জাগবে না যে ব্যাংক তার গ্রাহকের টাকা দিয়ে জুয়া খেলে নাকি? গ্রহাকের কষ্টার্জিত টাকা যখন কোন প্রতিষ্ঠান মেরে দেয় তখন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির মনে না না প্রশ্নের জন্ম নিতেই পারে,
যারা বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত সম্পর্কে সামান্য খোজ খবর রাখে অথবা পত্রিকা নিয়মিত পড়েন তারা মোটামুটি সবাই জানে এই খাতের ধ্বসে পরার অন্যতম মুল কারন এস আলম গ্রুপ এবং আরো কিছু গ্রুপ। এস আলম গ্রুপ যত গুলো ব্যাংকের নিয়ন্ত্রন নিতে পেরেছিল প্রতিটা ব্যাংকই শেষ। এখানে জুয়া খেলা, ব্যাংক টাকা মেরে দিয়েছে, এই সকল প্রশ্নই অবান্তর যেখানে জানাই আছে সমস্যা কিভাবে শুরু হয়েছে।
লেখক বলেছেন: আপনারা মানুষের টাকা মেরে দিতে পারেন আবার কিছু বলাও যাবে না? চোরের মার বড় গলা কি মানুষ সাধে বলে?
জনাব ঐ ব্যাংকগুলো আমার মালিকানায় নয়, আর আমি এস আলমের আলমও নই। তবে আপনাকে বলা যায় কারন আপনি আগের মন্তব্যে আওয়ামিলীগকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেছেন
লেখক বলেছেন: ফারমার্স ব্যাংকের নাম শুনেছিলেন? না,,, তো? এমন ভূঁইফোর ব্যাংকের নাম দেশের কয়জনে জানে একটু শুনি? আর শুধু ফারমার্স ব্যাংক কেন দেশের যে কোন ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়লে অন্যন্য ব্যাংকের সহায়তা নেয়, তারল্য সংকটে পড়েনি দেশের ইতিহাসে এমন কোন ব্যাংক আছে কি না আমার জানা নেই। ফারমার্স ব্যাংক মানুষের টাকা ফেরৎ দিতে পারেনি এ ধরণের কোন ঘটনা আমি শুনিনি।
ফারমার্স ব্যাংক ভূঁইফোর ব্যাংক ছিল এটা জানতাম না। হা হা, ভূঁইফোর ব্যাংকের সংজ্ঞা কি? শুধু মাত্র তারল্য সংকটে পরে নাম, মালিকানা পরিবর্তন করেছে কয়টা ব্যাংক? ফারমার্স ব্যাংক মানুষের টাকা ফেরৎ দিতে পারেনি এসংক্রান্ত বহু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল যেমন এটা আমার সাথে আজাইরা তর্ক না করে যাষ্ট খুজলেই পেয়ে যাইতেন। বাংলাট্রিবিউনকে আবার ভুইফোঁর মনে করেন না তো?
লেখক বলেছেন: আর ওই ভুইফোঁর ফারমার্স ব্যাংকের কিছু অর্থিক অনিয়ম ধরা পরার সাথে সাথে বাংলাদেশ ব্যাংক যথযথ ব্যবস্থা নিয়েছে, গ্রহকগণ সাময়কি অসুবিধায় পরলেও নতুন (পদ্মা ব্যাংক) ব্যাংক থেকে তরা ঠিকই তাদের সমস্ত টাকা উত্তলোন করতে পেরেছে। সমস্ত ব্যাংকেই কমবেশি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে, আর্থিক খাতে দূর্ণীতি হয় এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।
তো যেই সকল ইসলামি ব্যাংক নিয়ে আপনার এলার্জি তাদের ব্যাপারেও সেইম হচ্ছে, ঐ ব্যাংকগুলোর অর্থিক অনিয়ম ধরা পরার পর তাদের নতুন নামে একিভুত করা হচ্ছে। ফারমার্স ব্যাংক যেমন নাম পরিবর্তন করে যেমন পদ্মা হয়েছে তেমনই এই ব্যাংকগুলোর ব্যাপারেও সেইম সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সমস্যা কোথায়?
লেখক বলেছেন: ক্রাইসিসে পরা বা তারল্য সংকটে পরা আর দেউলিয়া হয়ে যাওয়া দুটি জিনিস নয়? আপনি কি নিয়ে অযথা ক্যাচল করছেন তা কি আপনি নিজে অনুধাবন করিতে পারিচ্ছেন?
ফারমার্স ব্যাংক শুধু মাত্র তারল্য সংকটে পরা ব্যাংক ছিল না। শুধু মাত্র তারল্য সংকটের কারনে কোনো ব্যাংককে বাধ্যতামুলক নাম, মালিকানা পরিবর্তন করতে হয় না বা চেয়ারম্যান, এমডিকে গ্রেফতার করা হয় না। নাকি তারল্য সংকটে পরা প্রতিটা ব্যাংকের নাম/মালিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যান, এমডিকে গ্রেফতার করা হয়েছে? করা হয়ে থাকলে আপনার বক্তব্য মেনে নিব।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:২৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনার সাথে কথা বলা মানে অযথা সময় নষ্ট করা, কোথাকার কোন ফারমার্স ব্যাংক যা একসময় ছিলো মাল্টিপারপাস কোম্পানী- দূর্ণীতি, অনিয়ম, ঘূষ দিয়ে টেবিলের নিচ দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর লাইসেন্স নিয়েছিলো ২০/৩০ জন ছিলো যাদের গ্রাহক।
ফারমার্স ব্যাংকের দূর্ণীতি ধরা পরার সাথে সাথে তাদের এমডি কে এম শামীমকে অপসারণ করা হয়েছিলো, ফারমার্স ব্যাংকের সম্পদ জব্দ করে গ্রহকদের মাঝে সে অর্থ বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে।
এই সব মাল্টিপার্পাস কোম্পানি আর দেশের প্রথম সারির ব্যাংকগুলো কি এক হলো?
ভাগ্যিস চিপা চাপা দিয়ে কোন এক ভুঁইফোর ব্যাংকের নাম খুঁজে পেয়েছিলেন, তা না হলো তো এতক্ষণ বকর বকর করতে পারতে না।
ফারমার্স ব্যাংকের লিকুউডিটি কত ছিলো, আর ইসলামি ব্যাকংগুলোর লিকুউডিটি কত এ বিষয়ে কোন আইডিয়া আছে? অযথা বকর বকর করতেছেন!!
আপনার যুক্তি হচ্ছে- যেহেতু ফারমার্স ব্যাংকের দূর্ণীতি ধরা পরেছিলো আর তাই ইসলামি ব্যাংকগুলোর দূর্ণীতিও জায়েজ, এই তো?
স্বয়ং ইবলিশও যদি এসলামের..... সরি ইসলামের নাম দিয়ে............. আরি বাহ! এসএআলাম, ইসলাম নাম দুটির মাঝে বেশ মিল দেখা যাচ্ছে!!
যা বলছিলাম তা হলো- স্বয়ং ইবলিশও যদি ইসলামের নাম দিয়ে কোন ব্যাংক খুলে মানুষের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়, আপনি তবুও ওই ব্যাংকের গুনগাণ গাইবেন, কারণ নামের মাধে এসএআলাম...... সরি ইসলাম আছে তাই।
ইসলামি ব্যাংকের টাকার ভাগ নিয়ে এস এ আলাম যে জুয়া খেলে নাই আপনি তা কিভাবে জানলেন? তলে তলে এস এ আলামের সাথে যোগসাজশ ভালোই রাখছেন দেখা যাচ্ছে।
ইসলাম আর এসআলামের নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষের টাকা মেরে দেওয়ার সামনে আর কি কি দূরভিসন্ধি করেছেন একটু শুনি?
কইত্থিকা যে আসে এরা!! যত্তসব!!
১২|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২০
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: গায়ে পরে ঝগড়ার উত্তম নিদর্শন হলেন আপনি, আপনি কি নিয়ে আমার পিছনে লেগে আছেন তা আপনি নিজেও জানেন না।
আপনার সাথে কেন কারো সাথেই গায়ে পরে ঝগড়ার সময় আমার নেই। আপনার পোষ্টের মুল বক্তব্যের সাথে দ্বীমত পোষন করে আমি আমার প্রথম কমেন্টে আমার যুক্তি দিয়েছিলাম। আমার কমেন্টের উত্তরে আপনি আমার যুক্তি খন্ডন না করে পোষ্টের মুল বিষয়ের বাহিরে উল্টা-পাল্টা প্রশ্ন করেছেন যেগুলোর উত্তরও আমি দেয়ার চেষ্টা করেছি। তর্কটাকে পোষ্টের মুল বিষয়ের বাহিরে আপনিই নিয়ে গেছেন। অযাচিত ভাবে কে দ্বীনদার লোক, কয় বার হজ্ব করেছেন, ৩৬ লক্ষ টাকা, ব্যাংক নামকরনের পিছনে সাইফুলের হাত জাতিয় মুল বিষয় বহির্ভুত বিষয় আলোচনায় এনে পোষ্টের মুল বিষয়ের ুটু মেরে দিয়েছেন। আমার প্রথম মন্তব্যের পরের প্রতিটা মন্তব্যই আপনার দেয়া প্রতিউত্তরের উত্তর। আপনি চাইলেই আলোচনা শুধুমাত্র টপিকেই রাখতে পারতেন. কিন্তু রাখেন নাই। সো গায়ে পরে ঝগড়ার বিষয় আসলে সেটা আপনার পক্ষ থেকেই ছিল।
পোষ্ট দিয়েছেন, লজিক্যাল উত্তর দিয়েছি, প্রতিউত্তরে প্রশ্ন করেছেন তারো উত্তর দিয়েছি, কাউন্টার সহ্য করার ক্ষমতা না থাকলে পোষ্টের কমেন্ট অফ রাখা উত্তম।
![]()
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৩৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না দেতে পারলেই তা অপ্রাসংঙ্গিক হয়ে যায়?? এসএ আলামের দ্বীনদার এমডি জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম এই পোস্টের সাথে খুবই প্রাসংঙ্গিক, পাঁচবার হজ করা এই ব্যক্তি নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কালি ফেলে দিয়েছেন, ইসলামি ব্যাকগুলোর দিকেই যার নজড় থাকে সবসময়,, সেই ব্যক্তি এই পোস্টের সাথে খুবই প্রাসংঙ্গিক।
আর্থিক খাতে স্ক্যাম করার জন্য এইসব লক্ষণ থাকা খুবই জরুরী।
১৩|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:১১
রাসেল বলেছেন: ব্লগার আমি নই এর সাথে সহমত পোষণ করছি।
ইসলামের ক্ষতিসাধন মুসলিমবেশধারীরা যুগে যুগে বেশি করেছে। কিছু লোক অপরাধীকে দোষারোপ করার পরিবর্তে জেনেশুনে ইসলাম সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ধর্মকে দোষারোপ করেন।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ইসলামের নামে আর্থিক খাতে বড় বড় সব স্ক্যামিং এর ঘটনা ঘটে, আর এটা শুধু বাংলাদেশে না বিশ্বজুড়েই একই অবস্থা। আমাদের এসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
ধন্যবাদ।
১৪|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৫৫
কিরকুট বলেছেন: ইসলামী ব্যাংক হলো বাংলাদেশের চোরদের কালো টাকা সাদা করার মাধ্যম । দেশের অধিকাংশ লেবাসধারী চোরদের একাউন্ট ইসলামী ব্যাংকে আছে।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ব্যাংকিং সেক্টরটাই হচ্ছে চোরদের একটা আস্তানা।
With a gun a man can rob a bank, with a bank a man can rob the entire nation.
১৫|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:১০
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার সাথে কথা বলা মানে অযথা সময় নষ্ট করা, কোথাকার কোন ফারমার্স ব্যাংক যা একসময় ছিলো মাল্টিপারপাস কোম্পানী- দূর্ণীতি, অনিয়ম, ঘূষ দিয়ে টেবিলের নিচ দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর লাইসেন্স নিয়েছিলো ২০/৩০ জন ছিলো যাদের গ্রাহক।
ফারমার্স ব্যাংকের দূর্ণীতি ধরা পরার সাথে সাথে তাদের এমডি কে এম শামীমকে অপসারণ করা হয়েছিলো, ফারমার্স ব্যাংকের সম্পদ জব্দ করে গ্রহকদের মাঝে সে অর্থ বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে।
এই সব মাল্টিপার্পাস কোম্পানি আর দেশের প্রথম সারির ব্যাংকগুলো কি এক হলো?
ভাগ্যিস চিপা চাপা দিয়ে কোন এক ভুঁইফোর ব্যাংকের নাম খুঁজে পেয়েছিলেন, তা না হলো তো এতক্ষণ বকর বকর করতে পারতে না।
যেহেতু ফারমার্স ব্যাংক সম্পর্কে আপনার কোনো ধারনা নাই তাই উল্টা-পাল্টা বক বক করছেন। ফারমার্স ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তফসিলি ব্যাংক ছিল, অর্থাৎ এটি সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তফসিলভুক্ত হয়েছিল এবং বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব নির্দেশনা মেনে চলত। ফারমার্স ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান ছিল সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুহিউদ্দীন খান আলমগীর। ফারমার্স ব্যাংক কোনো মাল্টিপারপাস কোম্পানি ছিল না, বরং এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ছিল। ২০/৩০ জন গ্রাহক ছিল, মাল্টিপারপাস কোম্পানি ছিল এগুলো আপনার কল্পনা ছারা কিছুই নয়।
ক্লিয়ার?
লেখক বলেছেন: আপনার যুক্তি হচ্ছে- যেহেতু ফারমার্স ব্যাংকের দূর্ণীতি ধরা পরেছিলো আর তাই ইসলামি ব্যাংকগুলোর দূর্ণীতিও জায়েজ, এই তো?
উপরে আপনিই দাবী করেছিলেন "আওয়ামীলীগ আমলে কোন ব্যাংক গ্রহাকের টাকা উত্তলোনে অপারগতা প্রকাশ করেছে এমন নজীড় দেখিনি" এই দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে ফারমার্স ব্যাংকের নাম উদাহরন স্বরুপ এসেছে। কোনো ব্যাংকের দুর্নীতিকে জায়েজ করা বা দুর্নীতি সমর্থন করার জন্যে বলা হয়নি। গোল্ডফিসের মেমরি নিয়ে আলোচনা করা উচিৎ নয়।
লেখক বলেছেন: স্বয়ং ইবলিশও যদি এসলামের..... সরি ইসলামের নাম দিয়ে............. আরি বাহ! এসএআলাম, ইসলাম নাম দুটির মাঝে বেশ মিল দেখা যাচ্ছে!! ![]()
যা বলছিলাম তা হলো- স্বয়ং ইবলিশও যদি ইসলামের নাম দিয়ে কোন ব্যাংক খুলে মানুষের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়, আপনি তবুও ওই ব্যাংকের গুনগাণ গাইবেন, কারণ নামের মাধে এসএআলাম...... সরি ইসলাম আছে তাই।
ইসলাম বা ইসলামি শব্দটা দেখলেই যে আপনার গায়ে জ্বালা ধরে এটা তার প্রমান। আমি কি করব তা আমি জানি, আপনার গোল্ডফিসের মেমরিতে চাপ নিতে হবেনা এবং ইসলামের নাম শুনে বেশি জ্বলুনি হলে মলম লাগান। আর চোরটার নাম উচ্চারন করা শেখেন, ওর নাম "এস আলম" (সাইফুল আলম) এসএআলাম নয়, ওকে?
ইসলামি ব্যাংকের টাকার ভাগ নিয়ে এস এ আলাম যে জুয়া খেলে নাই আপনি তা কিভাবে জানলেন? তলে তলে এস এ আলামের সাথে যোগসাজশ ভালোই রাখছেন দেখা যাচ্ছে।
আপনার প্রশ্ন ছিল ব্যাংকগুলো জুয়া খেলে কিনা, এস আলম জুয়া খেলেছে কিনা তা নয়। আর নেশা কম করেন, আপনার ইমাজিনেসন অনুযায়ি আমার সাথে এস আলমের যোগসাজশ থাকলে আপনাকে বেবিসিটিং করে সময় নষ্ট করতাম না। দুবাইয়ে সাফারি করতাম
ইসলাম আর এসআলামের নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষের টাকা মেরে দেওয়ার সামনে আর কি কি দূরভিসন্ধি করেছেন একটু শুনি?
এস আলম ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষের টাকা মেরে দেয় নাই। বিগত সরকারের সহযোগীতায় পিওর চুরি করেছে। সামনে আর কি কি করতে পারে এটা আপনি ভালো বলতে পারবেন, কারন ব্যাংকের টাকা দিয়ে ব্যাংক জুয়া খেলে এই বিশাল আবিস্কার আপনার, হয়ত অভিজ্ঞতাও আছে সুতরাং, আপনিই বলতে পারবেন ব্যাংক গুলো আর কি কি করতে পারে।
কইত্থিকা যে আসে এরা!! যত্তসব!! B:-)
লেখক বলেছেন: কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না দেতে পারলেই তা অপ্রাসংঙ্গিক হয়ে যায়?? এসএ আলামের দ্বীনদার এমডি জনাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম এই পোস্টের সাথে খুবই প্রাসংঙ্গিক, পাঁচবার হজ করা এই ব্যক্তি নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কালি ফেলে দিয়েছেন, ইসলামি ব্যাকগুলোর দিকেই যার নজড় থাকে সবসময়,, সেই ব্যক্তি এই পোস্টের সাথে খুবই প্রাসংঙ্গিক।
আর্থিক খাতে স্ক্যাম করার জন্য এইসব লক্ষণ থাকা খুবই জরুরী।
আপনার লজিক এস আলম চোর এবং মুসলিম সুতরাং ইসলাম ধর্ম খারাপ। ঠিক?
![]()
১০ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:০৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যারা অবুঝ তাহাদের কখনো বুঝ দান করা যায় না; কারণ এরা বুঝেও বুঝে না, দেখেও দেখে না, এরাই তো প্রকৃত অন্ধ।
১৬|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২০
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: যারা অবুঝ তাহাদের কখনো বুঝ দান করা যায় না; কারণ এরা বুঝেও বুঝে না, দেখেও দেখে না, এরাই তো প্রকৃত অন্ধ।
ঠিক ঠিক ঠিক, একদম একমত..... এই জাতীয় প্রতিবন্ধীদের লাইন ধরে ধরে বুঝাইলেও বোঝেনা, নিজেকে সবজান্তা মনে করে আসলে কিছুই জানে না, প্রমান সহ দেখালে পিছলায়া অন্য টপিকে দৌড় দেয়, কিন্তু নিজের অবস্থানের পক্ষে কোনো শক্ত যুক্তি/প্রমান দিতে পারে না, ব্যাকফুটে গেলেই ব্যাক্তি আক্রমন করে, ধর্ম নিয়ে আক্রমন করে। যেমন আপনি।
![]()
১০ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: জ্ঞানীর যাকাত হচ্ছে- অজ্ঞদের সাথে তর্কে জড়ানো, তো আমি ইতিমধ্যেই আপনাকে যথেষ্ট যাকাত (জ্ঞান) প্রদাণ করিয়াছি আর নহে, দয়া করে পাশের বাসায় (ব্লগে) দেখেন আরও যাকাত (জ্ঞান) পাইলে পাইতেও পারেন।
তাছাড়া আমি আপনার অলস সময় কাটানোর একটি মাধ্যম হতে চাই না, আমি যা বলার পোস্টে এবং কমেন্টে পরিষ্কারভাবে বলিয়া দিয়েছি, মানে ইসলামী ব্যাংকগুলোর কুকীর্তি তথ্য ফাঁস করিয়া দিয়াছি। এই পোস্ট থেকে যারা সতর্ক হবে তারা লাভবান হবে আর যারা সতর্ক হবে না তারা তো ক্ষতিগ্রস্ত'ই রয়ে গেলো।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
তারপরও তো ইহাই হালাল ব্যাংক।
হালাল কিছু পেতে হলে কিছু ত্যাগ স্বীকার তো করতেই হবে।