| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।
বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন, ছিনতাই, ধর্ষণ এবং দুর্নীতির যেন এক মহোৎসব চলছে এই দেশে, সর্বত্র বিরাজ করছে ভীতিকর পরিস্থিতি। দেশের সংবাদ পত্রগুলো যেন আজ হরর ম্যাগাজিনে পরিণত হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থা হচ্ছে বিদ্যুতের। যেখানে বিদ্যুৎবিহীন একটি সভ্যতার কথা কল্পনাই করা যায় না সেখানে পুরো বাংলাদেশ যেন এক বিদ্যুৎবিহীন সভ্যতার দিকে ঝুঁকছে। শুধুমাত্র বিদ্যুতের অভাবে আজ দেশের হাজার হাজার কলকারখানা, গার্মেন্টস, ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে- ফলশ্রুতিতে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলছে। দেশের বেকার যুবকরা আজ ভাগ্যের সন্ধানে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি হচ্ছে। এ জন্যই কি আমরা দুই হাজার চব্বিশ সালে বুকের রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলাম!!! যদি দেশ স্বাধীনই করে থাকি তাহলে কেন আজ নিজের জীবন বাজি রেখে ইউরোপে গিয়ে সাদা চামড়ার লোকদের থালাবাটি মাজতে হবে, কেন আজ আমাদের সৌদি আরবের শেখদের গাড়ি মুছে সংসার চালাতে হবে???
বাংলাদেশ কি কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ? বাংলাদেশ কি সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়ার পর্যায়ে নেমে গেলো? সোনার বাংলার আজ এ কী হাল!!
আমি ভেবেছিলাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবার পর দেশ শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি করবে, সমস্ত প্রবাসীরা দেশে ফেরত এসে দেশের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। একদল স্মার্ট ফেরেশতারা দেশ পরিচালনা করবে, দেশের গরিব মানুষ সব জাদুঘরে চলে যাবে, থাকবে না কোনো দুর্নীতি এবং ধনী-গরিবের ব্যবধান। কিন্তু হায় এখন আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি আসলে আমাকে ভালো ভালো কথার ফুলঝুরি দিয়ে ব্রেনওয়াশ করা হয়েছিল। সবই আসলে ভোট কামানো এবং নিজের পকেট ভারী করার ধান্দা। আফসোস...! আমি চিরকাল গবেট বাঙালিই রয়ে গেলাম, মানুষ হতে পারলাম না আজ পর্যন্ত।
পোস্ট'টি এআই এর সাহায্যে লিখা হয়েছে।
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:১৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: তৌহিদি জনতাকে আগে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে বলেন।
২|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৬
মাথা পাগলা বলেছেন: ডা. জাহেদ বলেছেন, বিদ্যুৎ সংকটের সমস্ত দায় ভার শেখ হাসিনার।
দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে বিনিয়োগ না আসে। হাজার হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিপরীতে মুসলিম ন্যাটোতে যোগদান এবং যুদ্ধবিমান কেনা হচ্ছে। শুধু ফ্যামিলি কার্ড ছাপাতে ২৫০ কোটি টাকা ধার্য করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের চিন্তা-ভাবনা মধ্যযুগীয় সংস্কৃতির দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোলাম আযমের নামে একটি অডিটোরিয়াম ও রিসোর্ট সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে তৌহিদি জনতার বিরুদ্বে কথা বলে আজকে ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন।
৩|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
এখন করনীয় কি? দেশে বিদ্যুতের যে ধরনের সমস্যা হচ্ছে, তাতে করে কল কারখানা তো বন্ধ হবেই, হাসপাতালে কি পরিমাণ রোগী মারা যাবে তা হিসাব ছাড়া !
দিন শেষে সবাই টাকা পয়সা নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়, দেশ যাচ্ছে রসাতলে।
৪|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
গুহা যুগ তো খারাপ না।
আবার আমরা নতুন নতুন আবিষ্কার করতে পারবো।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:০২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যতদিন তৌহিদি জনতার হাতে দেশ , পথ হারাবে না বাংলাদেশ ।