| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শিরোনামঃ ধন্য ধন্য বলি তারে
লালন গীতি
@@@@@
ধন্য ধন্য বলি তারে
বেঁধেছে এমন ঘর শূন্যের উপর পোস্তা করে
সবে মাত্র একটি খুঁটি
খুঁটির গোড়ায় নাইকো মাটি
কিসে ঘর রবে খাঁটি
ঝড়ি তুফান এলে পরে
মূলাধার কুঠুরি নয়টা
তার উপরে চিলেকোঠা
তাহে এক পাগলা বেটা
বসে একা একেশ্বরে
উপর নিচে সারি সারি
সাড়ে নয় দরজা তারি
লালন কয় যেতে পারি
কোন দরজা খুলে ঘরে
ধন্য ধন্য বলি তারে……
@@@@@
শিরোনামঃ সহজ মানুষ
@@@@@
সহজ মানুষ ভজে দেখনারে মন দিব্যজ্ঞানে
পাবিরে অমূল্য নিধি বর্তমানে
ভজ মানুষের চরণ দুটি
নিত্য বস্তু হবে খাঁটি
মরিলে সব হবে মাটি
ত্বরায় এই ভেদ লও জেনে
শুনি ম’লে পাবো বেহেস্তখানা
তা শুনে তো মন মানে না
বাকির লোভে নগদ পাওনা
কে ছাড়ে এই ভুবনে
আচ্ছালাতুল মেরাজুল মোমেনীনা
জানতে হয় নামাজের বেনা
বিশ্বাসীদের দেখাশুনা
লালন কয় এই ভুবনে
@@@@@
শিরোনামঃ জাত গেল জাত গেল বলে
লালন গীতি
@@@@@@
জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজি
সবই দেখি তা না না না….
আসবার কালে কি জাত ছিলে
এসে তুমি কি জাত নিলে
কি জাত হবে যাবার কালে
সে কথা ভেবে বলো না…
ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি
একি জলেই সব হয় গো সুচি
দেখে শুনে হয় না রুচি
যমে তো কাউকে ছাড়বে না…
গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়
তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়
লালন বলে জাত কারে কয়
সে ঘোরও তো গেল না…
জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা…….
@@@@@@
শিরোনামঃ আরশীনগর
লালন গীতি
@@@@@@
বাড়ির কাছে আরশীনগর
সেথায় এক পড়শী বসত করে
আমি একদিনও না দেখিলাম তাঁরে ।।
… গেরাম বেড়ে অগাধ পানি
নাই কিনারা নাই তরণী পারে,
বাঞ্ছা করি দেখব তারে
কেমনে সে গাঁয় যাই রে ।।
কি বলব সে পড়শীর কথা,
হস্তপদ স্কন্ধ-মাথা নাইরে
ক্ষণেক ভাসে শূন্যের উপর
ক্ষণেক ভাসে নীড়ে ।।
পড়শী যদি আমায় ছুঁতো,
যম যাতনা সকল যেতো দূরে
সে আর লালন একখানে রয়
লক্ষ যোজন ফাঁক রে
মাঝে লক্ষ যোজন ফাঁক রে ।
আমি একদিনও না দেখিলাম তাঁরে।
@@@@@@@
শিরোনামঃ কানার হাট বাজার
লালন গীতি
@@@@@@
বেদ বিধির পর শাস্ত্র কানা
আর এক কানা মন আমার।
এসব দেখি কানার হাট বাজার।
পণ্ডিত কানা অহংকারে
মাতবর কানা চোগলখোরে
সাধু কানা অন বিচারে
আন্দাজে এক খুঁটি গেড়ে
চেনে না সীমানা কার।
এক কানা কয় আর এক কানারে
চল এবার ভবপারে
নিজে কানা পথ চেনে না
পরকে ডাকে বারে বার।
কানায় কানায় উলামিলা
বোবাতে খায় রসগোল্লা
লালন তেমনি মদনা কানা
ঘুমের ঘোরে দেয় বাহার।
@@@@@@
শিরোনামঃ তিন পাগলে হলো মেলা
লালনগীতি
@@@@@@
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।।
একটা পাগলামি করে
জাত দেয় সে অজাতেরে দৌড়ে গিয়ে
আবার হরি বলে পড়ছে ঢলে
ধূলার মাঝে ।।
একটা নারকেলের মালা
তাতে জল তোলা ফেলা করঙ্গ সে
পাগলের সঙ্গে যাবি পাগল হবি
বুঝবি শেষে ।।
পাগলের নামটি এমন
বলিতে অধীন লালন হয় তরাসে
চৈতে নিতে অদ্বৈ পাগল
নাম ধরে সে ।।
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে….. !!
@@@@@@@০
২|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৭
জাহাজি৮৪ বলেছেন: োনক ভলো লাগলো ...। লালন কে আপনার ভলো লাগে শুনে !!!
াপনি ানেক বেশি ভালো লিখেন !!!!
৩|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০১
দেবদাস. বলেছেন: ++++++++++++
আমার প্রিয়
।
৪|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৬
জাহাজি৮৪ বলেছেন: ভালো লাগলো @ দেবদাস.
৫|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২২
ডানাহীন বলেছেন: লালনের দুর্ভাগ্য যে তাকে আমাদের মত বিভ্রান্ত বিশ্বাসীদের মাঝে জন্ম নিতে হয়েছে .. আমি মনে করি তিনি সক্রেটিস বা কনফুসিয়াসের চেয়ে অনেক বড় দার্শনিক হিসাবে বিবেচিত হতে পারতেন ।
আপনার ব্লগিং জীবনের জন্য শুভকামনা ।
৬|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৭
জাহাজি৮৪ বলেছেন: """ লালন ইজ লালন
দেয়ার ইজ নো অলটারনেটিভস ইন দিস world """"
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২১
ফারাহ দিবা জামান বলেছেন:
বাড়ির কাছে আরশীনগর
সেথায় এক পড়শী বসত করে
আমি একদিনও না দেখিলাম তাঁরে ।।----------
এই মাত্র প্রোফাইল লেখা বদলালাম।
এই গানের কথা লিখেছিলাম।
বাকী লাইনগুলো জানা ছিল না।
খুব ভালো লাগলো লালনের কথাগুলো।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ভালো থাকবেন।